ফরিদপুরে প্রায় ৫ শতাধিক বস্তা সরকারি ডিএপি ও এমওপি সার বহনকারী একটি ট্রাক জব্দ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চালানপত্র যাচাই শেষে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে প্রথমে কোনো বৈধ চালান দেখাতে না পারলেও পরে রাতেই ট্রাকচালকের হাতে একাধিক ডিলারের কাগজপত্র চলে আসা এবং একটি ট্রাকে ছয়জন ডিলারের সার পরিবহনের বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর শহরের ভাঙ্গা রাস্তার মোড় এলাকায় নিয়মিত যানবাহন তল্লাশির সময় ট্রাফিক পুলিশ সারবোঝাই ট্রাকটি আটক করে। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ট্রাকটি কোতোয়ালী থানায় নেওয়া হয়। রাত পৌনে ১২টার দিকে চালানপত্র যাচাই শেষে সারসহ ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
ফরিদপুর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট প্রশান্ত কুমার মৌলিক জানান, নিয়মিত চেকপোস্টে ট্রাকটির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হলে গাড়ির নিবন্ধন ও অন্যান্য কাগজপত্র সঠিক পাওয়া যায়। তবে ট্রাকে কী মালামাল রয়েছে জানতে চাইলে চালক জানান, ফরিদপুর সরকারি গুদাম থেকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ট্রাকে ৪৫৬ বস্তা ডিএপি এবং ২০ বস্তা এমওপি সার ছিল। এ সময় সারের চালান ও পরিবহনসংক্রান্ত কাগজপত্র চাইলে চালক তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এ কারণে সারসহ ট্রাকটি জব্দ করে কোতোয়ালী থানায় পাঠানো হয়।
ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, সারের বৈধ চালানপত্র না থাকায় ট্রাকটি থানায় আনা হয়। পরে ট্রাকচালক ছয়জন ডিলারের নামে সারের চালানপত্র নিয়ে আসেন। কাগজপত্র যাচাই করে সেগুলো সঠিক পাওয়ায় রাতেই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬ । ৩:৪৭ অপরাহ্ণ