নারী ও শিশু নির্যাতন কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কিংবা অপরাধের পরিসংখ্যানগত হিসাব নয়; এটি একটি সমাজের মানবিকতা, নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধের এক গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে সামনে আসছে। শারীরিক নির্যাতন, যৌন হয়রানি, ধর্ষণ, পারিবারিক সহিংসতা, মানসিক নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, অপহরণ ও হত্যার মতো অপরাধগুলো আমাদের দৈনন্দিন সামাজিক জীবনে এক চরম নিরাপত্তাহীনতার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয়, রাজনৈতিক, পারিবারিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক – সবক্ষেত্রেই এ ধরনের অপরাধ অহরহ ঘটছে। অপরাধীরা বিচারহীনতার সংস্কৃতি, ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, পারিবারিক বিরোধ, সামাজিক কুসংস্কার এবং অর্থনৈতিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে অসহায় ও দুর্বল মানুষদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। আমাদের সমাজে নারী ও শিশুরা তুলনামূলকভাবে আর্থ-সামাজিক অবস্থানগত কারণে দুর্বল হওয়ায় অপরাধীরা প্রায়ই তাদের সহজ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করে। এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা কেবল ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং সামগ্রিকভাবে পুরো সমাজের শান্তি, কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে।
বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতা ও প্রবণতা
বিশ্বব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি ২০২৬ সালেও অত্যন্ত সংকটাপন্ন ও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। বিভিন্ন দেশে চলমান সশস্ত্র সংঘাত, সম্মুখসারিতে কাজ করা মানবসেবা ও সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর তীব্র অর্থসংকট এবং লিঙ্গসমতার অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কয়েক দশকের আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও, বিশ্বজুড়ে এখনো প্রায় প্রতি তিনজন নারীর একজন তার জীবদ্দশায় ঘনিষ্ঠ সঙ্গী কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন।
এর পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত হয়রানি ও হুমকির মাধ্যমে নারী সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, সামাজিক আন্দোলনকারী ও পরিচিত ব্যক্তিত্বদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মে মাসে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) শিশুদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান যৌন সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি স্থানীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, অপরাধীদের প্রতি ‘শূন্য-সহনশীলতা’ নীতি কার্যকর করা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসানের জন্য জোর দাবি জানিয়েছে।
দেশের বর্তমান বাস্তবতা ও চিত্র
বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণ এবং শিশু মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশের নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে এক মাসেই সারাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ২,০১১টি মামলা নিবন্ধিত হয়েছে – যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের পর গত নয় মাসের মধ্যে একক মাসে সর্বোচ্চ।
হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ১,৬২১ জন নারী ও কিশোরী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ২০২৫ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১,০৪২। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে এ ধরনের ঘটনা প্রায় ৫৬ শতাংশ বেড়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম অর্ধে ৪৯০ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯৫ জন শিশু শারীরিক নির্যাতন, পারিবারিক সহিংসতা অথবা যৌন নির্যাতনের পর করুণ পরিণতি হিসেবে প্রাণ হারিয়েছে।
এছাড়াও সংগৃহীত উপাত্তসমূহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে নির্দেশ করে: ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ৮৬ শতাংশ শিশু শৃঙ্খলার নামে শারীরিক সহিংসতার মুখোমুখি হয় এবং দেশের ৪৭.২ শতাংশ কিশোরীর ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই বাল্যবিবাহ হয়ে যায়। এছাড়া প্রায় ৭০ শতাংশ নারী তাদের জীবদ্দশায় সঙ্গীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার হন।
বাংলাদেশে ১০২টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এবং ‘১০৯ ও ১০৯২১’ জাতীয় হেল্পলাইনের মতো আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো থাকা সত্ত্বেও সেগুলোর প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে চরম দুর্বলতা রয়েছে। ২০১৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নথিভুক্ত হওয়া ৫,৬০০টিরও বেশি যৌন সহিংসতার মামলার মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ মামলায় আসামির শাস্তি বা রায় কার্যকর হয়েছে।
জরুরি ও কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশকে অতিসত্বর একটি ডেডিকেটেড ‘শিশু বিষয়ক বিভাগ’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন সংস্কার করতে হবে এবং পেশাদার ও সমাজভিত্তিক শিশু সুরক্ষা কর্মী দল গঠন করতে হবে। সেই সাথে বিভিন্ন খাতের মধ্যে সমন্বিত একটি কার্যকরী কর্মগোষ্ঠী গঠন করা প্রয়োজন, যা সুনির্দিষ্ট দায়িত্বের মাধ্যমে অরক্ষিত নারী ও শিশুদের সুরক্ষা দেবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতাকে একটি স্থায়ী সুরক্ষা বলয়ে রূপান্তর করবে।
তবে এ তথ্যগুলো মূল ঘটনার একটি অংশমাত্র। সামাজিক কলঙ্ক, প্রতিশোধের ভয়, অর্থনৈতিক নির্ভরতা এবং সামাজিক চাপের কারণে অধিকাংশ ভুক্তভোগী আইনি সহায়তা নিতে পারেন না এবং আদালতের বাইরে আপস করতে বাধ্য হন।
প্রযুক্তি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মানসিক প্রভাব
প্রযুক্তির বিকাশ অপরাধের ধরণ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়াকে মৌলিকভাবে বদলে দিয়েছে। স্মার্টফোন ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট এখন সবার হাতে থাকায় যেকোনো নির্যাতনের ছবি ও ভিডিও তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অতীতেও সহিংসতা হতো, কিন্তু প্রযুক্তি অপ্রতুল থাকায় এত দ্রুত তা সামাজিক প্রভাব তৈরি করতে পারতো না। সামাজিক মাধ্যমে নির্যাতনের বিষয় ছড়ানোর দুটি দিক রয়েছে:
ক) ইতিবাচক প্রভাব: অন্যায়ের ভিডিও বা ছবি জনমত গঠন করতে সাহায্য করে, অপরাধীকে দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করে।
খ) নেতিবাচক প্রভাব: সহিংসতার ভয়াবহ দৃশ্য বারবার দেখার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র মানসিক চাপ, আতঙ্ক এবং নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে।
নারী ও শিশুদের ওপর এই মানসিক প্রভাব আরও দীর্ঘস্থায়ী ও গভীর হয়। কোনো মা যখন একটি শিশুর ওপর নির্যাতনের ভিডিও দেখেন, তখন নিজ সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে তার মনে স্থায়ী শঙ্কা তৈরি হয়। একইভাবে, প্রকাশ্যে কোনো নারীকে লাঞ্ছিত হতে দেখলে অন্য নারীদের মনে ভয় জন্মায় এবং তারা নিজেদের স্বাধীনতা ও চলাফেরা সংকুচিত করতে পারেন। এভাবে বিচ্ছিন্ন ঘটনাও প্রযুক্তি মারফতে পুরো সমাজে এক যৌথ মানসিক আঘাত ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে।
এছাড়া প্রযুক্তির অসচেতন ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন না রাখা, সংবেদনশীল ছবি বারবার পোস্ট করা কিংবা গুজব ছড়িয়ে দেওয়ার ফলে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার দ্বিতীয়বার সামাজিকভাবে হেনস্থা ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হন। প্রযুক্তি কেবল একটি মাধ্যম; তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য।
রাজনৈতিক সংঘাত ও পারিবারিক সহিংসতা
দলীয় সংঘাত ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতনের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ। গণতান্ত্রিক চর্চায় মতাদর্শিক ভিন্নতা স্বাভাবিক, কিন্তু রাজনৈতিক বিরোধ কোনো ব্যক্তির ওপর অমানবিক অত্যাচারকে সমর্থন করতে পারে না।
গণপিটুনি, শারীরিক নির্যাতন, প্রকাশ্যে অপমান ও নৃশংসতা মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করে। ক্ষমতা প্রদর্শন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সহিংসতাকে যখন নিয়মিত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন সমাজ ধীরে ধীরে সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলে। একসময় মানুষের এই কষ্ট দেখে সমাজ উদাসীন হয়ে পড়ে, যা একটি অসুস্থ সামাজিক ব্যবস্থার লক্ষণ।
একইভাবে, পারিবারিক সহিংসতা একটি মারাত্মক কিন্তু গোপনীয় সমস্যা। পরিবার ও সমাজ প্রায়ই একে ‘ব্যক্তিগত পারিবারিক বিষয়’ বলে এড়িয়ে যায়। স্ত্রীর ওপর নির্যাতন, শিশুদের প্রতি শারীরিক ও মানসিক নিষ্ঠুরতা এবং বয়োবৃদ্ধ বা দুর্বলদের অপমান করা গুরুতর অপরাধ হলেও সম্মানহানি ও সংসার টিকিয়ে রাখার চাপে ভুক্তভোগীরা নীরব থাকেন। এই নীরবতা অপরাধীকে আরও উৎসাহিত করে। তাই পরিবার ও সমাজকে এ নীরবতা ভেঙে ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
সমাধানের মূল পথ ও করণীয়
নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে শুধু আইন সংশোধন বা আলোচনার আয়োজন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন বাস্তবমুখী ও বহুমুখী পদক্ষেপ:
১. কঠোর ও নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগ: রাজনৈতিক প্রভাব বা ক্ষমতার তোয়াক্কা না করে অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া শেষ করা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘসূত্রতা বিচারব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস নষ্ট করে।
২. নৈতিক ও পারিবারিক শিক্ষা: পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিশুদের সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও লিঙ্গসমতার শিক্ষা দিতে হবে। ছেলেদের শেখাতে হবে যে শক্তি কখনো অন্যকে নিপীড়নের অধিকার দেয় না। মেয়েদেরও তাদের অধিকার, আত্মরক্ষা এবং হয়রানির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
৩. ভিকটিম দোষারোপ বন্ধ করা: সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি। ভুক্তভোগীর পোশাক, চলাফেরা বা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে অপরাধীর ওপর থেকে দায় সরানোর মানসিকতা বাদ দিতে হবে। অপরাধের সমস্ত দায় সম্পূর্ণভাবে অপরাধীর; তবে ভুক্তভোগী সহানুভূতি ও আইনি সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।
৪. গণমাধ্যম ও রাজনীতির দায়িত্ব: গণমাধ্যমকে ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন রেখে দায়িত্বশীল পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোকে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি মেনে চলতে হবে এবং কোনো অপরাধীকে দলীয় আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
সম্মিলিত দায়িত্ব ও উপসংহার
একটি সভ্য সমাজের পরিচয় তার বড় বড় অট্টালিকা, প্রযুক্তি বা অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে নয়; বরং তার সবচেয়ে দুর্বল ও অরক্ষিত নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার দেওয়ার সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে।
নারী ও শিশুর সুরক্ষা কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়। এর জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সমাজ, নাগরিক সমাজ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব থাকা অপরাধকে সমর্থন করার নামান্তর। আজ যে ঘটনা অন্যের পরিবারে ঘটছে, তা আগামীকাল আমাদের নিজেদের ঘরেও ঘটতে পারে।
আমাদের এমন এক সমাজ তৈরি করতে হবে যেখানে নারীরা ঘরে ও বাইরে সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে এবং শিশুরা ভয়হীন পরিবেশে বড় হবে। কোনো মতপার্থক্যই সহিংসতাকে বৈধ করতে পারে না। নীরবতা ভেঙে সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার মাধ্যমেই আমরা একটি বাসযোগ্য, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পারি।
(নিকোলাস বিশ্বাস একজন উন্নয়নকর্মী এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল-UNFPA মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত। যোগাযোগ: gonomaddyom@gmail.com)

নিকোলাস বিশ্বাস
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬ । ১২:১৯ অপরাহ্ণ