ফরিদপুর-৪: নিক্সন চৌধুরীর ফোনালাপ ফাঁস নিয়ে মুখ খুললেন বিএনপি প্রার্থী বাবুল

ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশের সময়: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৭:৩৮ পিএম

সাবেক সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী ও স্থানীয় সাবেক একজন চেয়ারম্যানের সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার বিষয়ে মুখ খুললেন ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তার ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় এ প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।

ভিডিওবার্তায় শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশে আমাকে হেয় করার জন্যই নিক্সন চৌধুরী বিভিন্নভাবে ফোনালাপের মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের সঙ্গে একজন চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত ফোনালাপ যদি নিরাপদ না হয়? তাহলে লাখ লাখ মানুষ কিভাবে নিরাপদ হবে? এমন ঘটনাটি তার জন্য একটা ধৃষ্টতা।’

তিনি জানান, আলগি ও হামিরদী ইউনিয়ন কর্তনের বিষয়ে যে সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে, তার অর্থদাতা তিনি নিজেই সেই বিষয়টিও তিনি (নিক্সন চৌধুরী) নিজেই স্বীকার করেছেন।

বিএনপি প্রার্থী বলেন, ‘নিক্সন চৌধুরী দুটি ইউনিয়নকে কিভাবে ফেরত এনে দিয়েছেন বিষয়টি পারলে জনসম্মুখে প্রকাশ করুক। আর আমি তার প্রমাণ নিজেই ফেরত এনে দিয়েছি, তার প্রমাণ হচ্ছে-আমি নিজেই হাইকোর্টে রিটকারী এবং রিট না করলে আদৌ ফেরত আনা সম্ভব হতো না। আমি জনগণকে ওয়াদা দিয়েছিলাম সেই ওয়াদা আমি পূরণ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের ফোনালাপে আমাকেও জড়িয়েছেন। আমার পরিবার থেকে তুই-তুকারি একজনকে অসম্মান করে কথা বলা, এসব আমি পরিবার থেকে শিখি নাই। আমার জীবনে এক হাজারের বেশি টকশো করেছি, হাজার হাজার ফোনালাপ করেছি, ব্যক্তিগত কারো ফোনালাপ নিয়ে অসম্মান করা শিখি নাই। জনগণ ভোট দিলে সেবা করব, না দিলে নাই। প্রতিহিংসার রাজনীতি আমি করি না। ফরিদপুর-৪ আসনের জনগণের জ্ঞাতার্থে আমার এই বার্তা।’

যার সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে সেই সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘নিক্সন চৌধুরীর সঙ্গে যে কথা ভেসে বেড়াচ্ছে, সেগুলা সুপার এডিট করা, আমার সঙ্গে এক দুই মাসের মধ্যে কোনো কথা হয় নাই। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের আগে আমি তার দল করেছি, কথা বলতেই পারি। কিন্তু বর্তমান যে কথাগুলো ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে এ বিষয়টি সম্পূর্ণ সুপার এডিট।’

 

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

প্রিন্ট করুন