এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিম উম্মাহর জীবনে আসে আনন্দের বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর। রমজানের সংযম, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির সাধনার পর ঈদের দিনটি যেন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য এক বিশেষ পুরস্কার।
মুমিন-মুসলমানরা ২৯ রমজান সন্ধ্যায় ঈদুল ফিতরের চাঁদের সন্ধান করে। ঈদের চাঁদ দেখা গেলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও নিজেদের কল্যাণে একটি বিশেষ দোয়া পড়া সুন্নত। রাসুল (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে চাঁদ দেখতে বলতেন এবং এ দোয়াটি পড়তেও বলতেন।
হজরত তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন বলতেন, اللَّهُمَّ أَهْلِلْهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالإِيمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ। (তিরমিজি : ৩৪৫১)
অর্থ : হে আল্লাহ, তুমি ওই চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত কর নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে। (হে চাঁদ) আমার ও তোমার প্রতিপালক আল্লাহ।
প্রসঙ্গত, ঈদে নতুন পোশাক মানুষের আনন্দের অন্যতম অনুষঙ্গ। রাসুলুল্লাহ (সা.) নতুন পোশাক পরার সময়ও নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করতে উৎসাহ দিয়েছেন, যাতে বান্দা আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে পারে এবং সেই পোশাক তার জন্য কল্যাণের মাধ্যম হয়।
হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) নতুন কাপড় পরিধান করার সময় এই দোয়া পড়তেন, الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي، وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي
উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি কাসানি মা উয়ারি বিহি আওরাতি ওয়া আতাজাম্মালু বিহি ফি হায়াতি। (তিরমিজি : ৩৫৬০)
অর্থ : সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে কাপড় পরিয়েছেন, যা দিয়ে আমি লজ্জাস্থান ঢেকে রাখি এবং জীবনে সৌন্দর্য লাভ করি।
সূত্র : কালবেলা

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬ । ৭:৪০ এএম