খুঁজুন
, ,

হৃদয় কাঁপাচ্ছে আয়নাঘর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
হৃদয় কাঁপাচ্ছে আয়নাঘর

আয়নাঘর নিয়ে চলছে তোলপাড়। বেরিয়ে আসছে একের পর এক রোমহর্ষক কাহিনি। যে কাহিনি কাঁপাচ্ছে সবার হৃদয়।  স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের সময় বিরোধিতাকারীদের ধরে নিয়ে আটকে রাখা হতো ছোট্ট এক ঘরে। লোহার খাঁচায় গুম হওয়া মানুষ আটকে রেখে করা হতো মধ্যযুগীয় নির্যাতন। গত বুধবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে আয়নাঘরের নির্মম অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন ভুক্তভোগীরা। উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানান, তাঁকে যে কক্ষে আটকে রাখা হয়েছিল, সেই কক্ষে টয়লেট ছিল ছোট্ট বেসিনের মতো।

সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, তাঁর কক্ষটি ছিল ঘুটঘুটে অন্ধকার। দিন-রাতের পার্থক্য বোঝার উপায় ছিল না। টয়লেটে নিয়ে যাওয়া হতো চোখ বেঁধে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘আমি আট বছর বন্দি ছিলাম। দিনের বেলা চোখ বেঁধে ও হাতকড়া পরিয়ে রাখত। রাতের বেলা হাতকড়া পরা অবস্থায় পিছমোড়া করে রাখা হতো।’ এভাবেই স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে নির্যাতিত ব্যক্তিরা তাঁদের ওপর নেমে আসা নির্যাতনের বর্ণনা দেন। বিরোধী দলের নেতা-কর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, ছাত্র-শিক্ষক, শ্রমিক, নারী, শিশুসহ কারোরই কোনো নিরাপত্তা ছিল না।

গত ১৬ বছরে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে যখন যাকে মন চায় গুম করা হতো, নির্যাতন করা হতো, বন্দি করে রাখা হতো। হত্যা করা হয়েছে অসংখ্য মানুষকে। সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তৈরি আয়নাঘর নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীদের বর্ণনায় বেরিয়ে আসছে একের পর এক রোমহর্ষক কাহিনি।

আয়নাঘর পরিদর্শনের পর তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে গ্রেপ্তার করে ইন্টারোগেশন করা হয়েছে অনেক। যতক্ষণ রুমে থাকতাম, চোখ খোলা থাকত। হাতকড়া খুলে দিত। রুম থেকে বের করার সময় চোখ বাঁধত, হাতকড়া পরাত।’

তিনি জানান, আয়নাঘরগুলো আর আগের মতো নেই। তাঁকে যে কক্ষে রাখা হয়েছিল ৫ আগস্টের পর কক্ষের দেয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং রং করা হয়েছে। আসিফ ভূঁইয়া জানান, তাঁকে যে কক্ষে আটকে রাখা হয়েছিল সেই কক্ষের দেয়ালের ওপরের অংশের খোঁপগুলোতে অ্যাগজস্ট ফ্যান ছিল, এখন নেই।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, ‘আমাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে গাড়িতে চোখ বেঁধে দেয়। অন্ধকার এক ঘরে নিয়ে গিয়ে ফেলে রাখা হয়। আমি আট বছর সেখানে বন্দি থাকাবস্থায় পৃথিবীর কোনো আলো দেখিনি, আকাশ দেখিনি, সূর্য দেখিনি। প্রতি রাতেই ক্রসফায়ারের ভয়ে থাকতাম। তারা খুব দুর্ব্যবহার করত আমার সঙ্গে। তাদের নির্যাতনে রাতের পর রাত কেঁদে কেঁদে সময় কেটেছে। মাঝে মাঝে তারা চোখ এমনভাবে বাঁধত, মনে হচ্ছিল আমার চোখের মণি ফেটে যাবে। হাতকড়া পরা থাকতে থাকতে হাতে ঘা হয়ে যেত।’

ভুক্তভোগী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘আমাকে আট বছর বন্দি করে রাখা হয়েছিল। নামাজের সময় পর্যন্ত দিত না। তারা আমার ওপর নারকীয় নির্যাতন চালিয়েছে। ২৪ ঘণ্টা চোখ ও হাত বেঁধে বসিয়ে রাখত। উঠতে দিত না, দাঁড়াতে দিত না। কেন এমন করছেন, প্রশ্ন করলে তারা বলত, স্যার আসবেন। চোখ বাঁধা অবস্থায় দেয়ালের দিকে ফিরে বসে থাকতাম।’ ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট তাঁকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

ভুক্তভোগী আরেক যুবক বলেন, ‘২০২০ সালে হাতিরঝিল এলাকা থেকে আমাকে তুলে নেওয়া হয়। প্রথমে নারায়ণগঞ্জে র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে একটা গুম সেলে রাখা হয়। পরদিন রাতে ঢাকায় নিয়ে এসে একটি গোয়েন্দা কার্যালয়ের টর্চার সেল বা আয়নাঘরে বন্দি করা হয়। বন্দি অবস্থায় বারবার আমার পরিবারের কথা মনে পড়ে। চোখের সামনে ভাসে দুই শিশুসন্তানের মুখ। আমি বুঝতে পারছিলাম, আমাকে হয়তো এরা শেষ পর্যন্ত মেরেই ফেলবে।’

Source: Bd-pratidin

ফরিদপুরে একদিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৩২ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে একদিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৩২ জন

ফরিদপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে এ সময়ে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

​স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরিদপুর জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ৭৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে ইতোমধ্যে ৬৪৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ৯৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং জেলায় এখন পর্যন্ত ৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

​গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৭ জন, নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, মধুখালীতে ৪ জন এবং সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন ও সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন করে কোনো রোগী ভর্তি হননি।

​স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় কোনো ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়নি।

​পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয়দের সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা আবশ্যক। এর জন্য নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দিয়েছে দপ্তরটি।

ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকসহ আহত ১৬

ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকসহ আহত ১৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বরিশাল-ফরিদপুর মহাসড়কে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক আনিচুর রহমানসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।

​শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ড ও ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে আসা একটি পরিবহন বাসের সঙ্গে ফরিদপুর থেকে টেকেরহাটগামী একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। এতে দুই বাসের অন্তত ১৩ যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে সাংবাদিক আনিচুর রহমান ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

​একই সময়ে ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের উল্টো পথে ঢুকে পড়ে একটি অটোরিকশা। অটোরিকশাটিকে পাশ কাটাতে গিয়ে পেঁয়াজবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ট্রাকের চালক ও সহকারীসহ ৩ জন আহত হন।

​দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

​ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাদ হোসেন জানান, খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য অনুসন্ধানের পর জানানো হবে।

হুইলচেয়ারেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন: ভিক্ষা নয়, চানাচুর বেচে বাঁচার লড়াই হাসানের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ
হুইলচেয়ারেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন: ভিক্ষা নয়, চানাচুর বেচে বাঁচার লড়াই হাসানের

জীবনটা যেন এক পলকেই থমকে গিয়েছিল। একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছিল শরীরের শক্তি, কেড়ে নিয়েছিল ডান পা-টি। তবে জীবনের কাছে হার মানেননি ফরিদপুরের বোয়ালমারীর হাসান বিশ্বাস (৪৫)। এক হাতের কর্মক্ষমতা হারিয়ে আর এক পা কেটে বাদ দেওয়ার পরও ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে নেননি তিনি। হুইলচেয়ারে বসেই চানাচুর ও বিস্কুট বিক্রি করে বাঁচিয়ে রেখেছেন নিজের আত্মসম্মান ও স্বাবলম্বী হওয়ার অদম্য স্বপ্ন।

​১২ বছর আগের কথা। নসিমন চালিয়ে স্ত্রী, সন্তান আর বৃদ্ধা মাকে নিয়ে বেশ ভালোই কাটছিল হাসানের সংসার। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়। পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেটে ফেলতে হয় একটি পা, অবশ হয়ে যায় শরীরের এক পাশ। স্বাভাবিক চলাফেরার পথ বন্ধ হয়ে চিরতরে ঠাঁই হয় হুইলচেয়ারে।

​প্রতিদিনের গোসল, খাওয়া থেকে শুরু করে বিছানায় ওঠা-নামার মতো দৈনন্দিন কাজেও এখন পরিবারটির ভরসা হতে হয় হাসানকে। যে মানুষটি একসময় পুরো পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব একা কাঁধে সামলেছেন, তাঁকেই আজ অন্যের সাহায্যের মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছে।

​তবে অন্তরের অদম্য তেজ ও আত্মমর্যাদাবোধ তাঁকে দমাতে পারেনি। ভিক্ষা না করে বেঁচে থাকার তাগিদে নিজেই শুরু করেন ছোট্ট এক ব্যবসা। বোয়ালমারী পৌরসভার সোতাশী রহমানির আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে প্রতিদিন হুইলচেয়ারে বসে চানাচুর ও বিস্কুট বিক্রি করেন তিনি। চাকার ওপর ভর করেই মেলে ধরেন বেঁচে থাকার নতুন লড়াই।

​আবেগপ্লুত কণ্ঠে হাসান বিশ্বাস বলেন, “দুর্ঘটনার পর জীবনটা পুরো বদলে গেছে। এখন নিজের অনেক কাজও একা করতে পারি না, স্ত্রী-সন্তানের সাহায্য লাগে। কিন্তু আমি কারও বোঝা হতে চাই না। অল্প আয়ে যতটুকু পারি, দোকানটা চালিয়ে খাই। ভিক্ষা না করে নিজের পরিশ্রমে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই।”

​বাবার এই আত্মমর্যাদার লড়াই দেখে বড় হওয়া হাসানের সন্তান জানান, “বাবা অনেক কষ্ট করেন। দুর্ঘটনার পর থেকেই বাবাকে এমন দেখে আসছি। অনেক কাজে আমাদের সাহায্য করতে হলেও বাবা কখনো হাত পাততে চাননি। এই ছোট্ট দোকানটাই বাবার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর বড় চেষ্টা।”

​দোকানের অল্প বেচাকেনায় সংসার চালানো কঠিন হলেও প্রতিদিন দোকান খোলার মধ্যেই নতুন করে বাঁচার সাহস পান বোয়ালমারী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের এই বাসিন্দা।

​নিজের ব্যবসার পুঁজি বাড়িয়ে দোকানটি একটু ভালোভাবে পরিচালনা করতে চান হাসান। তাই কোনো বড় দাবি নয়, বরং কর্মপরিবেশ সৃষ্টি ও সামান্য পুঁজির সহায়তার জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তর, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিত্তবান মানুষদের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন এই সংগ্রামী মানুষটি।

​হুইলচেয়ারের ওপর সাজিয়ে রাখা কয়েকটি চানাচুর আর বিস্কুটের প্যাকেট যেন আজ হাসানের জীবনের এক বড় সত্য প্রকাশ করে—শারীরিক সীমাবদ্ধতা কখনো মানুষের বেঁচে থাকার ইচ্ছে ও আত্মসম্মানকে থমকে দিতে পারে না।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম. রকিবুল হাসান বলেন, ​“হাসান বিশ্বাসের এই আত্মমর্যাদাবোধ ও অদম্য ইচ্ছা সত্যিই অনুকরণীয়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে ভিক্ষাবৃত্তির মতো পথ এড়িয়ে নিজের পরিশ্রমে বেঁচে থাকার এই লড়াই সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয়। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত তাঁর খোঁজখবর নেব।”

তিনি আরও বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় তাঁকে বা তাঁর পরিবারকে সরকারি কোনো সুবিধা দেওয়া সম্ভব হলে তার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি তাঁর এই ছোট ব্যবসাটিকে আরও গতিশীল করতে কীভাবে সরকারি সহায়তা বা প্রয়োজনীয় পুঁজির জোগান দেওয়া যায়, সে বিষয়েও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”