খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

সদরপুরে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল

মো. রোকনুজ্জামান, সদরপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ মার্চ, ২০২৫, ৭:০৯ পিএম
সদরপুরে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল
রোজা শুরু হয়েছে। ভোজ্য তেল সয়াবিন সংকটে রয়েছে বাজার। এক দোকান থেকে আরেক দোকান ছুটছেন ক্রেতারা। তবুও মিলছে না সহজেই তেল। রোজায় ভোজ্য তেলের চাহিদা বেশী থাকায় ডিলারের কারসাজিতে সংকটে রয়েছে পুরো বাজার। যে কারনে ক্রেতার চাহিদাকে পুজি করে স্থানীয় ভোজ্য তেলের ডিলার বাজার সংকট তৈরি দাম হাঁকিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা এমন অভিযোগ করছেন ভোজ্য তেলের দোকানীরা। নিত্যদিনের খাবারের পাশাপাশি এখন রমযানে পিয়াজু,আলু,বেগুনসহ বিভিন্ন চপ তৈরিতে লাগছে সয়াবিন তেল।
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সদরপুর বাজারসহ প্রান্তিক হাট বাজারের মুদিদোকান থেকে এখন উধাও বোতলজাত সয়াবিন তেল। বাজারের কয়েক দোকান ঘুরলেও মিলছে না এক লিটারের বোতল। পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। সব মিলে রমজানে বড় সংকট দেখা দিয়েছে এখন সয়াবিন তেলের বাজার। বাজার তদারকির জন্যও স্থানীয় প্রশাসনের কোনো মনিটরিং থাকায় সুযোগে লুফে নিচ্ছেন মুনাফা অভিযোগ রয়েছে ক্রেতাদের দোকানীদের বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে দেখা যাচ্ছে, প্রায় প্রতি দোকানে সয়াবিন তেল থাকলেও প্রকাশ্যে না রেখে গোপনে রাখা হচ্ছে। কেহ খালি তেল বিক্রি করছে না। এক লিটার তেলের সাথে ক্রেতাদের নিতে হচ্ছে জোড় পূর্বক চাল,ডাল,ছোলাসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী। তা’নাহলে বিক্রি করা হচ্ছে না তেল।
সদরপুর বাজারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানীদের ভাষ্য, আমরা কোম্পানীর প্রতিনিধির কাছ থেকে তেল চেয়েও পাচ্ছি না। ১২ পিচের এক লিটারের এক কাটন তেল চাইলে আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে কোম্পানীর অন্য মালামাল নিতে। বাধ্য হয়ে তাদের নিকট থেকে আমাদের চাহিদা না থাকা পন্যও ক্রয় করতে হচ্ছে। এর জন্য আমরা অন্য মাল বিক্রি করতে পারছি না রমযানে। সয়াবিন তেল বিক্রিতে আমরা কিছুটা বেশী নিচ্ছি কারন আমাদের অন্য মাল দোকানে পড়ে থাকছে। তবে স্থানীয় ডিলাররা আমাদের তেল দিলে রমযানে বাজার সংকট দেখা দিতো না। তাদের দাবী ডিলাররা তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশী ফায়দা লুটছেন।
সদরপুর বাজারে আসা ক্রেতা মোঃ হান্নান মিয়ার অভিযোগ, এক লিটার তেল ১৫ থেকে ২০টাকা বিশ টাকা বেশি নিচ্ছে। বোতলের গায়ে লেখা আছে ১৭৫টাকা টাকা। কয়েক দোকান ঘোরার পর কোনো কোনো দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা দিলে তেল আছে,টাকা টাকা দিলে সাফ বলছে নাই। দেশটা তো মগের মুল্লুক হয়ে গেছে। অকে সময় দোকানদার ক্রেতার মুখ দেখে হ্যা-না করে।
আরেক ক্রেতা ফরিদুল ইসলাম ক্ষোভের স্বরে বলেন, প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তারা বাজার তদারকি করছে না। যে কারনে দোকানীরা যেভাবে পারছে সে ভাইবেই দাম হাকিয়ে নিচ্ছে। বাজার মনিটরিং করা হলে বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজার থেকে উধাও হতো না। ডিলারের সিন্ডিকেটে আমরা এখন জিম্মি। ওই ক্রেতার প্রশ্ন, এই সিন্ডিকেট ভাঙবে কে? তিনি আরও অভিযোগ, যেখানে সয়াবিন তেলের পাঁচ লিটারের বোতল ৮৫০ টাকা হওয়ার কথা, সেখানে দোকানিরা দাম চাইছেন ৯২০ টাকা। বাজার ভেদে এই দাম কোথাও কোথাও বেশি। আবার এসব তেলের গায়ের নির্ধারিত দামও মুছে দেওয়া হচ্ছে।
সদরপুর উপজেলার অন্যান্য বাজার গুলো ঘুরেও দেখা যায়, কয়েক দোকার ঘুরেও খালি তেল মিলছে না। অনেক দোকানে পাওয়া গেলেও লিটার প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশী। এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও বোতলের গায়ে মূল্য লেখা নেই। বিক্রেতারা মুছে লিটার ১৯৫ টাকা চাইছেন। যার সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭৫ টাকা। তবে এ বাজারগুলোয় খোলা সয়াবিন তেল পাওয়া গেছে। খোলা লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২শ টাকা করে। কিন্তু খোলা সয়াবিন তেলের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৫৭ টাকা।
সদরপুর বাজারের মুদি দোকানী সেকেন্দার বেপারীবলেন, বেশ কিছুদিন ধরে ডিলারের কাছে তেল চেয়েও পাচ্ছি না। রোজার আগে বাজারে মানুষের কেনাকাটা বেশী হয়ে থাকে। এ সময় কোম্পানিগুলো তেল দেওয়া বন্ধ করেছে। এতে বাজারে কোনো বোতলজাত তেল নেই। নতুন করে দাম বাড়াতেই কোম্পানিগুলো এমন করছে।
বাজার তদারকি প্রসঙ্গে দেখা যায়, রমজান উপলক্ষে ভোগ্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ফরিদপুর অঞ্চলেরকোনো কর্মকর্তারা ও কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এর ও কোনো লোকজন বাজার তদারকিতে আসছে না। যে কারনে একি দকে সয়াবিন তেলের সংকট অন্যদিকে খোলা বাজারে যে সয়াবিন হিসেবে সুপার পাম তেল বিক্রি হচ্ছে তাও কতটুকু পরিশুদ্ধ বা ভেজার সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর মিলছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ডিলার প্রতিনিধিরা বলেন, ‘তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য দেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি কয়েক মাস ধরে রয়েছে। এটা কাটতে শুরু হয়েছে। তেলের সংকট কৃত্রিম সংকট প্রসঙ্গে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি নন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী, বিভিন্ন কোম্পানীর ডিলারদের গোডাউন বা বাজারের মুদি ব্যবসায়ীদের দোকান ও গোডাউন তল্লাশি করলে অনেক কিছু বের হবে কৃত্রিম সংকটের।
এ প্রসঙ্গে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকিয়া সুলতানা জানান, রমযান শুরু হয়েছে। বাজারে তেলের দাম বেশী নেওয়া হচ্ছে বলে আমরা জানতে পারছি। দ্রুত বাজার মনিটরিং করা হবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে নতুন করে দৃঢ় করার এক মহিমান্বিত উপলক্ষ। এদিন ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আপনজনদের সঙ্গে হৃদ্যতার সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমাদের সমাজে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়ার একটি সুন্দর প্রচলন রয়েছে।

তবে এই প্রথার ধর্মীয় অবস্থান কী, এটি কি ইবাদত, নাকি কেবল সামাজিক রীতি? শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি বোঝা জরুরি, যেন আমরা আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি ইসলামের সঠিক নির্দেশনাও মেনে চলতে পারি।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, ইসলামের মূলনীতি হলো, যে কোনো কাজ ততক্ষণ বৈধ, যতক্ষণ না তা শরিয়তের কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদের দিনে কাউকে খুশি করার উদ্দেশে অর্থ বা উপহার দেওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। বরং হাদিসে উপহার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভালোবাসা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। তাই ছোটদের আনন্দ দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর নিয়তে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া একটি সুন্দর ও প্রশংসনীয় আমল হতে পারে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে, ঈদ সালামি কোনো ইবাদত নয় এবং এটি ইসলামের নির্ধারিত কোনো বিধানও নয়। এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা মাত্র। সুতরাং একে বাধ্যতামূলক মনে করা বা না দিলে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ইসলামে সালামের পরিভাষা রয়েছে। কোরআনে আছে, ‘তোমাদেরকে কেউ যদি কোনো অভিবাদন জানায় বা সালাম পেশ করে, তাহলে সে যে ভাষায় তোমাকে সালাম দিয়েছে, সে ভাষায় তুমি জবাব দাও। অথবা এর চেয়ে উত্তম শব্দ ব্যবহার করে সালাম দাও।’ হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদেরকে সালাম দিতে নির্দেশ করেছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে পরস্পরের শান্তি কামনা করা হলো সালাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সালামি পেতে বাচ্চারা বড়দের সালাম দিলে তারা সালামের উত্তর দেবেন। সালামের জবাব দিয়ে তাদের কিছু হাদিয়া দেবেন, এটা আমাদের দেশের সংস্কৃতি। এতে কোনো অসুবিধা নেই। কোরআন-হাদিসের সঙ্গে এর কোনো সংঘর্ষ নেই। পা ছুঁয়ে সালাম করলে সালামি দিতে হবে, এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সে সালাম দিলে জবাব দিয়ে তাকে সালামি দিয়ে দেওয়া উচিত। পা ছুঁয়ে সালাম করতে তাকে বাধ্য করা উচিত নয়।’

সূত্র : কালবেলা

চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ এএম
চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই শীতের আবহ ফিরে এসেছে ফরিদপুরে। রবিবার (২২ মার্চ) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। চারপাশে যেন শীতের সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য—মাঠ-ঘাট, গাছপালা, রাস্তা সবই কুয়াশার আস্তরণে আচ্ছন্ন। মৃদু শীতল বাতাস আর হালকা ঠান্ডা আবহে প্রকৃতি যেন ভুলে গেছে ঋতুর নিয়ম।

ভোরের আলো ফুটলেও সূর্যের দেখা মেলেনি অনেকক্ষণ। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। গ্রামীণ জনপদে দেখা গেছে চিরচেনা দৃশ্য—কৃষকরা গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছেন, আর গৃহস্থ বাড়িতে কৃষাণীরা ধান সিদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে চৈত্রের সকালে এমন দৃশ্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত হলেও প্রকৃতির এক ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন স্থানীয়রা।

সালথা উপজেলার কৃষক শাহাজুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, “চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা আমরা খুব একটা দেখি না। সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা অনুভব করছি। তবে এই কুয়াশা ফসলের জন্য ভালো না-ও হতে পারে।”

বিশেষ করে পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এই সময়ে অতিরিক্ত কুয়াশা ও আর্দ্রতা পেঁয়াজের গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে করে গাছের পাতা পচে যাওয়া বা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভোরের দিকে কুয়াশা ঘনীভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং কুয়াশা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই কৃষকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পেঁয়াজসহ সংবেদনশীল ফসলের যত্নে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চৈত্রের প্রখর রোদ আর গরমের বদলে হঠাৎ করে ফিরে আসা শীতের এই আমেজ একদিকে যেমন প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন রূপ, অন্যদিকে কৃষকদের মনে তৈরি করেছে নতুন দুশ্চিন্তার ছায়া।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।