খুঁজুন
, ,

সদরপুরে নদী ভাঙনরোধ ও কৃষি জমি বাঁচাতে-ইউএনও’র চিঠি

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
সদরপুরে নদী ভাঙনরোধ ও কৃষি জমি বাঁচাতে-ইউএনও’র চিঠি
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা। পদ্মা-আড়িয়াল খাঁ নদ নদী বিধৌত অঞ্চল নিয়ে যে উপজেলার অবস্থান। ৯টি ইউনিয়ন থাকলেও তার মধ্যে চরনাছিরপুর, চরমানাইর, আকোটেরচর, নারিকেল বাড়ীয়া ৫টি ইউনিয়ন নদীগুলোর দখলে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে পাল্লা দিয়ে চলে ওই অঞ্চলের হাজার হাজার বাসিন্দাদের জীবন। প্রতি বছর নদী ভাঙন অব্যাহত থাকলে ভাঙনরোধের জন্য সরকারের কোটি কোটি টাকার প্রকল্প দিয়ে নদীশাসন করা হলেও এলাকার বালুমাটি দস্যুদের কারণে ওই প্রকল্প রয়েছে এখন চরম ঝুঁকিতে।
বালুমাটি লুটের জন্য উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ভেকু দিয়ে অবাধে নদ নদী পাড়ের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে প্রতিদিন শত শত ড্রাম ট্রাক দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটা, ভিটা ভরাটসহ বিভিন্ন কাজে সরবরাহ  করে আসছে বালুমাটি লুটেরা। ওইসব বালু-মাটিবাহী ট্রাকের বেপরোয়া গতিতে বেশ কয়েক জনের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
সম্প্রতি ছাত্র জনতা ওই বালুদস্যুদের বিরুদ্ধে মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। তারা দাবী করেন, অচিরেই যেন এসব লুটপাট বন্ধ হয়। যদি না পারে তাহলে ছাত্রজনতারা ওই দস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিজেরাই মাঠে নামবেন বলে হুশিয়ারী দেন ওই প্রতিবাদ সভায়। এরপর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। বালুখেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান করেও বালুকাটা বন্ধ করতে গেলে বেড়িয়ে আসে স্থানীয় ওই সব ব্যবসায়ীরা রাজনৈতিক দলের পরিচয় দিয়ে অবাধে নদ-নদী থেকে বালু উত্তোলনের ঘটনা। বেশ কয়েকটা অভিযানে তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া হয় বালুমাটি ব্যবস্থাপনা আইনে মামলা। বালুমাটিবাহী ট্রাক চলাচলের সময়সীমা আরোপ করে জনস্বার্থে একপত্রাদেশ জারি করেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা।
ওই চিঠিতে জানানো হয়েছে, রাত ১০টার পর সদরপুর উপজেলায় কোন ধরনের বালু বা মাটির ট্রাক চলাচল করতে পারবে না। সরকারি আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। গত ২০ শে মার্চ জারিকৃত চিঠির পর থেকে প্রতিনিয়ত রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রাঙ্গত, সদরপুর উপজেলার আকোটেরচর, শয়তানখালী, দূর্বারটেক, আকোটকলা বাগান, শৌলডুবী, মোল্যা কান্দিসহ বিভিন্ন অঞ্চলের পদ্মা-আড়িয়াল খা নদ নদীর পাড় ঘেঁষে অবৈধভাবে মাটি খননযন্ত্র ভেকু ও ড্রেজারস্থাপন করে অবাধে বালুমাটি লুট করে নেয় বালু দস্যুরা। এদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা ও সহকারী কমিশনার ভূমি রুবানা তানজিন একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও তারা বেপরোয়া হয়ে ওঠে বালু লুটের মহোৎসবে। পদ্মা-আড়িয়াল খাঁ নদ নদী পাড়ের বাসিন্দারা ও ওই অঞ্চলের কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট তাদের বসতি ও কৃষি জমির বুক থেকে টপ সয়েল মাটি রক্ষার্থে দ্বারস্থ হন। একদিকে ফসলি জমির বুক কেটে নেওয়া অন্যদিকে নদীর পাড় থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর ভাঙন দেখা দেয়। এ ঘটনায় সরেজমিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন ইউএনও জাকিয়া সুলতানা।
বালুমাটি কাটা বন্ধে চিঠি জারি করার সাথে সাথে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কারণে বালু দস্যুরা ওই সব অঞ্চল থেকে ভেকু,ড্রেজার সরিয়ে অন্যত্র নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে নদী পাড়ের একাধিক বাসিন্দাদের দাবী, বালু দস্যুরা অনেক শক্তিশালী। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে থাকতে পারি না। ইউএনও আমাদের নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা ও কৃষি জমি থেকে কৃষি পন্য উৎপাদনের জন্য যে ব্যবস্থা নিয়েছেন এটি যেন বজায় থাকে। তার ও উদ্যোগ কে ক্ষতিগ্রস্থ ওই পরিবারের সদস্য তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
এ ব্যাপারে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানা জানান, যে ভাবে বালুমাটি কাটা হচ্ছে এতে পদ্মা নদীর অনেক ভাঙন দেখা দিবে। এছাড়াও ওই অঞ্চলের মানুষের কৃষি জমি ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অবৈধভাবে বালুমাটি কাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন সব সময় তৎপর রয়েছে। আদেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

ফরিদপুরে শেষ মুহূর্তে ইলিশের তীব্র সংকট, খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতারা

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শেষ মুহূর্তে ইলিশের তীব্র সংকট, খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতারা

Oplus_131072

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম রক্ষায় সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার শেষ সময়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় দেখা দিয়েছে তীব্র ইলিশ সংকট। বাজারে ইলিশের আশায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও মাছ না পেয়ে অনেককেই হতাশ হয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

​বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞার ঠিক আগের মুহূর্তে ইলিশ কেনার জন্য বাজারে প্রচুর ক্রেতার সমাগম ঘটে। তবে অধিকাংশ মাছের দোকানেই পর্যাপ্ত ইলিশের জোগান নেই।

​শেষ মুহূর্তে বাজারে আসা ক্রেতারা এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরেও তাদের পছন্দমতো ইলিশ পাননি। দু-একটি দোকানে অল্প কিছু ইলিশ থাকলেও তার দাম ছিল মাত্রাতিরিক্ত। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত দাম ও ঘাটতির কারণে অনেকে মাছ না কিনে ফিরতে বাধ্য হন।

​তবে অনেক খোঁজাখুঁজির পর দু-একজন ক্রেতা ইলিশ কিনতে পেরে কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী কাজী রায়হান বলেন, “নিষেধাজ্ঞার আগে পরিবারের জন্য একটা ইলিশ কেনার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু বাজারে এসে দেখি মাছ নেই বললেই চলে। বেশ কয়েকটি দোকান ঘোরার পর শেষ পর্যন্ত একটা মাছ পেয়েছি।”

​একই অভিজ্ঞতার কথা জানান বস্ত্র ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “ইলিশ কিনতে এসে প্রথম দিকে কোনো মাছ পাচ্ছিলাম না। অনেক ঘুরে শেষ পর্যন্ত পেয়েছি, তবে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই কম।”

​মাছ না পেয়ে ফিরে যাওয়া একাধিক ক্রেতা জানান, রাত ১২টার পর থেকে টানা ২২ দিন ইলিশ কেনাবেচা বন্ধ থাকবে, তাই শেষবারের মতো মাছ কিনতে এসেছিলেন। কিন্তু সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে সরবরাহ আরও কমে যায়, যা হতাশাজনক।

​বাজারের স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগের শেষ সময়ে হঠাৎ ইলিশের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায়। সেই তুলনায় আড়ত থেকে সরবরাহ কম থাকায় বাজারে এই সংকট তৈরি হয়েছে। যে সামান্য পরিমাণ ইলিশ এসেছে, তা আসা মাত্রই চড়া দামে বিক্রি হয়ে গেছে।

​উল্লেখ্য, ইলিশের প্রজনন সুরক্ষায় বুধবার (৮ অক্টোবর) রাত ১২টার পর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শনীর ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

ফরিদপুরে সিজারের পর পেটে গজ রেখেই সেলাই, চার মাস পর নার্স বীথির মৃত্যু

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সিজারের পর পেটে গজ রেখেই সেলাই, চার মাস পর নার্স বীথির মৃত্যু

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই করার দীর্ঘ ছয় মাস পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের বিথী আক্তার (২৫) নামের এক ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স।

​বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

​নিহত বিথী আক্তার গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজ উদ্দিন মৃধার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার স্বামী রাকিবুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

​পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিথী আক্তারের সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন করেন ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দ। অপারেশনের মাধ্যমে এক কন্যাসন্তানের জন্ম হলেও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের অবহেলায় বিথীর পেটের ভেতরে গজ রেখেই সেলাই দিয়ে দেওয়া হয়।

​অপারেশনের পর থেকেই তীব্র পেটে ব্যথা ও শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগতে থাকেন বিথী। দিন দিন তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় জন্ম দেওয়া নবজাতক সন্তানকেও বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেননি তিনি। শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হলে প্রথম অপারেশনের প্রায় দুই মাস পর, গত ১৫ জুলাই আবারও তার পেটে বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়।

​পরবর্তীতে অবস্থার কোনো উন্নতি না হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। একপর্যায়ে গত ৪ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য বিথীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।

​নিহতের স্বামী রাকিবুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “চিকিৎসকদের চরম অবহেলায় আমার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এখন এই দুধের শিশুকে নিয়ে আমি কোথায় যাব? আর যেন কোনো মায়ের কোল খালি না হয় বা কেউ এমন অবহেলার শিকার না হন, তাই দোষী চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।”

​ঘটনার বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল হুদা বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। কিছুদিন আগে আমি নিজে এবং গত বুধবার জেলা প্রশাসক মহোদয় বিথীর সন্তানকে দেখতে গিয়েছিলাম। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”

ফরিদপুরে ইয়াবা সেবন ও বিক্রির অপরাধে দু’জনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ইয়াবা সেবন ও বিক্রির অপরাধে দু’জনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় মাদক (ইয়াবা) সেবন ও বিক্রির অপরাধে দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ।

​দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের বিন্দুডাঙ্গী গ্রামের শেখ মোকলেসের মেয়ে রিমা আক্তার (২০) এবং একই ইউনিয়নের ব্যাপারিডাঙ্গী গ্রামের আবুল মৃধার ছেলে রাশেদ মৃধা (২৮)।

​আদালত সূত্রে জানা যায়, রিমাকে ৬ মাসের ও রাশেদকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উভয়কে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী এ জরিমানা ও সাজা ঘোষণা করা হয়।

​অভিযান পরিচালনকারী কর্মকর্তা ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. বেলায়েত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে রিমা ও রাশেদের বাড়িতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। হাতেনাতে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় তাদের আটক করা হয়। এ সময় রিমার কাছ থেকে ৪টি এবং রাশেদের কাছ থেকে ২টি ইয়াবাসহ সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

​তিনি আরও জানান, আটক দুইজনের মধ্যে রিমা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবনের পাশাপাশি কেনাবেচার সঙ্গেও জড়িত।