খুঁজুন
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ, ১৪৩২

ফরিদপুর এনসিপি’র কমিটি গঠনের দায়িত্বে মহিলা আ’লীগ নেত্রীর মেয়ে

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫, ৪:৫৬ পিএম
ফরিদপুর এনসিপি’র কমিটি গঠনের দায়িত্বে মহিলা আ’লীগ নেত্রীর মেয়ে
ফরিদপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি’র (এনসিপি) কমিটি গঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন ফরিদপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহামুদা বেগমের মেয়ে সৈয়দা নীলিমা দোলা।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) এনসিপি’র মূখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সদস্য সচিব আক্তার হোসেনের যৌথ স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সৈয়দা নীলিমা দোলাকে ফরিদপুর জেলার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য করা হয়েছে। তিনি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদা বেগমের মেয়ে এবং জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ নাসিরের আপন ভাগ্নি।
চিঠিতে ফরিদপুর অঞ্চলের টিমকে বলা হয়েছে, উল্লেখিত অঞ্চলের কেন্দ্রীয় কমিটির নিম্মোক্ত সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কমিটির প্রস্তাবনার নির্দেশনার প্রদান করা হল। এতে ফরিদপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক করা হয়েছে মো. আব্দুর রহমানকে এবং সংগঠক করা হয়েছে মো. রাকিব হোসেনকে। এছাড়া, ফরিদপুর অঞ্চলের পাঁচটি জেলা ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী জেলার দুইজন করে ব্যক্তিকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফরিদপুর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব সোহেল রানা বলেন,  পারিবারিক ব্যকগ্রাউন্ড আওয়ামী লীগ। আমরা দেখেছি গত জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে তার (সৈয়দা নীলিমা) মামা শ্রমিক লীগ নেতা গোলাম নাসির কিভাবে আমাদের ওপর নির্বিচার গুলি ছুঁড়েছে। তার মায়ের কর্মকান্ডও আমাদের জানা। সৈয়দা নীলিমা দোলার সঙ্গে আমাদের পরিচয় নেই। তাকে দায়িত্ব দেয়ার আগে সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে নেয়া হলে ভাল হতো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দা নীলিমা দোলা জানান, আমি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন করে আসতেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালে সকল আন্দোলনের আমি অতি পরিচিত মুখ। ২০১২ সালে পরিবার ছাড়ার পর রাজপথই আমার আসল পরিবার। জুলাইয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অন্যতম মামলা তাহির জামান প্রিয় হত্যা মামলা ও একজন প্রতক্ষ্যদর্শী আমি। সরাসরি ছাত্রলীগ করে অনেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন। আমি কখনও ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জেনে, বুঝে এবং আমি ‘লিটমাস’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরেই আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য করেছেন।

ফরিদপুর-৪: নিক্সন চৌধুরীর ফোনালাপ ফাঁস নিয়ে মুখ খুললেন বিএনপি প্রার্থী বাবুল

ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
ফরিদপুর-৪: নিক্সন চৌধুরীর ফোনালাপ ফাঁস নিয়ে মুখ খুললেন বিএনপি প্রার্থী বাবুল

সাবেক সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী ও স্থানীয় সাবেক একজন চেয়ারম্যানের সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার বিষয়ে মুখ খুললেন ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তার ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় এ প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।

ভিডিওবার্তায় শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশে আমাকে হেয় করার জন্যই নিক্সন চৌধুরী বিভিন্নভাবে ফোনালাপের মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের সঙ্গে একজন চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত ফোনালাপ যদি নিরাপদ না হয়? তাহলে লাখ লাখ মানুষ কিভাবে নিরাপদ হবে? এমন ঘটনাটি তার জন্য একটা ধৃষ্টতা।’

তিনি জানান, আলগি ও হামিরদী ইউনিয়ন কর্তনের বিষয়ে যে সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে, তার অর্থদাতা তিনি নিজেই সেই বিষয়টিও তিনি (নিক্সন চৌধুরী) নিজেই স্বীকার করেছেন।

বিএনপি প্রার্থী বলেন, ‘নিক্সন চৌধুরী দুটি ইউনিয়নকে কিভাবে ফেরত এনে দিয়েছেন বিষয়টি পারলে জনসম্মুখে প্রকাশ করুক। আর আমি তার প্রমাণ নিজেই ফেরত এনে দিয়েছি, তার প্রমাণ হচ্ছে-আমি নিজেই হাইকোর্টে রিটকারী এবং রিট না করলে আদৌ ফেরত আনা সম্ভব হতো না। আমি জনগণকে ওয়াদা দিয়েছিলাম সেই ওয়াদা আমি পূরণ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের ফোনালাপে আমাকেও জড়িয়েছেন। আমার পরিবার থেকে তুই-তুকারি একজনকে অসম্মান করে কথা বলা, এসব আমি পরিবার থেকে শিখি নাই। আমার জীবনে এক হাজারের বেশি টকশো করেছি, হাজার হাজার ফোনালাপ করেছি, ব্যক্তিগত কারো ফোনালাপ নিয়ে অসম্মান করা শিখি নাই। জনগণ ভোট দিলে সেবা করব, না দিলে নাই। প্রতিহিংসার রাজনীতি আমি করি না। ফরিদপুর-৪ আসনের জনগণের জ্ঞাতার্থে আমার এই বার্তা।’

যার সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে সেই সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘নিক্সন চৌধুরীর সঙ্গে যে কথা ভেসে বেড়াচ্ছে, সেগুলা সুপার এডিট করা, আমার সঙ্গে এক দুই মাসের মধ্যে কোনো কথা হয় নাই। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের আগে আমি তার দল করেছি, কথা বলতেই পারি। কিন্তু বর্তমান যে কথাগুলো ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে এ বিষয়টি সম্পূর্ণ সুপার এডিট।’

 

সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকরা ভোট কেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন: ইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকরা ভোট কেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন: ইসি

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ফলাফল বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করলে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়বেন না।

এর আগে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি নির্দেশনা জারি করে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরে রোববার এ সংক্রান্ত চিঠি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে কেবল তিন শ্রেণির কর্মকর্তা মোবাইল ফোন বহনের অনুমতি পাবেন। তারা হলেন— সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা এবং ‘ইলেকশন সিকিউরিটি ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত দুইজন আনসার সদস্য (এম্বডিড আনসার/জেনারেল আনসার/ভিডিপি)।

চিঠির মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রার্থী ও সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়ায় সাংবাদিক সমাজে উদ্বেগ তৈরি হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) সোমবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সাংবাদিকদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায়।

 

আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বন্ধ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বন্ধ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে আগামীকাল ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ৭টায়। গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনী প্রচারণা ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হচ্ছে।

ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না। আর ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে নির্বাচনী প্রচারণা সমাপ্ত করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের জরুরি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় কোনো জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা করা যাবে না।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সারা দেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।