খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরে এম-ট্যাবের আঞ্চলিক কমিটির অনুমোদন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১:৩৩ পিএম
ফরিদপুরে এম-ট্যাবের আঞ্চলিক কমিটির অনুমোদন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র অন্যতম পেশাজীবি সংগঠন এম-ট্যাব (মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ) এর ফরিদপুর আঞ্চলিক শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

এম-ট্যাবের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি এ কে এম মুসা লিটন ও মহাসচিব বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব বৃহস্পতিবার (০৬ নভেম্বর) ফরিদপুর, রাজবাড়ি, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ জেলা নিয়ে এ আঞ্চলিক কমিটির অনুমোদন দেন।

এতে মোহাম্মদ আকতার হোসেনকে সভাপতি ও আব্দুল হাফিজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৭ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়।

এতে বিএমএ ও ড্যাবের জেলা সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান শামীমকে প্রধান করে ৬ জনকে উপদেষ্টা করা হয়েছে। উপদেষ্টাদের অন্যান্যরা হলেন, অধ্যাপক ডা. মোঃ রফিকুল ইসলাম, ডা. তানসিভ জুবায়ের (নাদিম), মো. আক্তারুজ্জামান খান, মো. মোফাজ্জেল হোসেন, মো. ওবায়দুল্লাহ।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি- মো. নুরুল আলম রাসেল, সহ-সভাপতি- মোহাম্মদ আলী, মোঃ ইমরান আলী, বুলবুল হুসাইন, উত্তম কুমার মজুমদার, সঞ্জিত বালা, মোঃ ওমর আলী মনির, মোঃ উজ্জল হোসাইন, আব্দুল হাফিজ ও আবুল হোসাইন রামিম, সহ- সাধারণ সম্পাদক- মোঃ মাহবুব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক- ইমাম হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক- মোঃ নাহিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক- মোঃ জাহাঙ্গীর আলম তামিম, সহ-প্রচার সম্পাদক- মোঃ আল হাসিব রাব্বি, দপ্তর সম্পাদক- মোঃ শাহিদুল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক- হাসান মাহমুদ, অর্থ সম্পাদক- মোঃ আসাদুল ইসলাম শান্ত, সহ-অর্থ সম্পাদক- মোঃ মনিরুজ্জামান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ ওহাব আলী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক- ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- সঞ্জয় মন্ডল, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক- রাইয়ানুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক- মাহমুদা হক, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক- ইতি আক্তার, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক- সৌরভ মল্লিক, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ মেহেদী হাসান, শিক্ষা ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ হাসান রাসেল, সহ-শিক্ষা ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক- বায়েজীদ বোস্তামী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ মুনিবুর রহমান, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ গোলাম রাব্বী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মোঃ আকাশ কুমার প্রামানিক, সহ-ক্রীডা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মোঃ ওয়াসিম শেখ, কার্যকারী সদস্য- মোঃ আনিস শেখ, পারুল আক্তারী, মোঃ জিহাদুল ইসলাম, মোঃ ইমরান নাজির।

যে কারণে নিজের সঙ্গে সৎ হওয়া প্রয়োজন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ২:২৭ পিএম
যে কারণে নিজের সঙ্গে সৎ হওয়া প্রয়োজন?

প্রায়ই এমন অনেক কথা বলা বা ভাবতে হয় যা নিজের প্রকৃত অনুভূতির সঙ্গে মেলে না।

ধরা যাক কাজটি ভালো লাগছে না, তবুও বলা ‘ঠিক আছে’। সম্পর্কের ভেতরে অস্বস্তি থাকলেও বলা ‘কোনো সমস্যা নেই’, কিংবা নিজের ভেতরের কষ্টকে ছোট করে বলা- ‘এটা বড় কিছু নয়’।

এই ধরনের আচরণ জীবনে ধীরে ধীরে মানসিক চাপ, বিভ্রান্তি এবং অসন্তুষ্টি তৈরি করে। নিজের সঙ্গে সৎ হওয়া মানে নিজের অনুভূতি, প্রয়োজন, ভয়, স্বপ্ন ও সীমাবদ্ধতাকে সত্যিকারভাবে স্বীকার করা।

তবে কাজটি সহজ নয়, কারণ সত্য মেনে নেওয়া মানেই পরিবর্তনের মুখোমুখি হওয়া।

তবুও মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, “নিজের সঙ্গে সততা জীবনে স্পষ্টতা, আত্মবিশ্বাস এবং সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রভাব রাখে।”

নিজের সঙ্গে সৎ হওয়া বলতে যা বোঝায়

নিজের সঙ্গে সৎ হওয়া মূলত নিজের অনুভূতি ও বাস্তবতার মধ্যে কোনো ফাঁক না রাখা। অনেক সময় এমন সিদ্ধান্ত নিতে বা এমন কথা বলতে হয় যা ভেতরের অনুভূতির সঙ্গে মেলে না।

বাইরে থেকে হাসি বা সম্মতি জানালেও ভেতরে অস্বস্তি, চাপ বা অনিচ্ছা অনুভব হয়।

এই দ্বন্দ্বই নিজের ভেতরের সততার সংকেত। তবে শরীর অনেক সময় আগে থেকেই তা বুঝিয়ে দেয়। হঠাৎ অস্থিরতা, বুক ধড়ফড় করা, বা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর অদ্ভুত অস্বস্তি।

এগুলো উপেক্ষা না করে বুঝতে চেষ্টা করাই নিজের সঙ্গে সৎ হওয়ার প্রথম ধাপ।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ধ্যান ও মানসিক সুস্থতা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘ক্যালম’-এর গবেষক ও পরামর্শক মেগান রেইটজ মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘কাম ডটকম-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেন, “নিজের অনুভূতির দিকে মনোযোগ দিলে, ভেতরের সত্য সম্পর্কে ধীরে ধীরে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।”

নিজের সঙ্গে সৎ হওয়া যে কারণে কঠিন

অনেকেই ভাবেন, সত্য বলা তো সহজ— তাহলে নিজের সঙ্গে সৎ হওয়া কঠিন কেন?

রেইটজ বলেন, “বাস্তবে এর পেছনে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ রয়েছে।”

প্রথমত, সত্য স্বীকার করলে অনেক সময় জীবনে পরিবর্তন আনতে হয়। যেমন— কোনো কাজ বা সম্পর্ক সুখ দিচ্ছে না, তা বুঝতে পারলে হয়তো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই পরিবর্তনের ভয় অনেককে সত্য থেকে দূরে রাখে।

দ্বিতীয়ত, অনেক মানুষের মধ্যে অন্যকে খুশি রাখার প্রবণতা থাকে। দীর্ঘদিন ধরে সবাইকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করতে করতে গিয়ে তারা নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিতে ভুলে যায়।

তৃতীয়ত, সামাজিক প্রত্যাশাও একটি বড় কারণ। পরিবার, সমাজ বা কর্মক্ষেত্রের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে অনেকেই নিজের আসল ইচ্ছাকে চাপা দিয়ে রাখেন।

আর শেষ ধাপ, মানসিক চাপের সময় মানুষ অনেক কিছুই এড়িয়ে যেতে চায়। তখন সত্যের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে সমস্যা থেকে দূরে থাকা সহজ মনে হয়।

নিজের সঙ্গে সৎ থাকার উপকারিতা

নিজের সঙ্গে সততা শুধু মানসিক স্বস্তিই দেয় না, বরং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মেগান রেইটজের ভাষা, “এটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্পষ্টতা এনে দেয়। যখন জানা সম্ভব যে- আসলে কী চাই, আর তখন সিদ্ধান্ত নেওয়াও সহজ হয়ে যায়।”

এছাড়া মানসিক চাপ কমে। সত্য লুকিয়ে রাখা বা ভেতরের অনুভূতি চাপা দিয়ে রাখা অনেক শক্তি খরচ করে। নিজের অনুভূতিকে স্বীকার করলে সেই চাপ কমে যায়।

আবার এতে করে সম্পর্ক আরও বাস্তব ও শক্তিশালী হয়। নিজের অনুভূতি বোঝার ফলে অন্যদের সঙ্গেও খোলামেলা হওয়া যায়।

একই সঙ্গে নিজের প্রতি বিশ্বাসও তৈরি হয়। প্রতিবার সত্য স্বীকার করার মাধ্যমে একজন বুঝতে পারে যে, সে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে সক্ষম।

অন্যাদিকে জীবনের লক্ষ্য ও কাজের মধ্যে অর্থবোধও তৈরি করা সম্ভব। তখন মানুষ শুধু অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করে না, বরং নিজের মূল্যবোধ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

নিজের সঙ্গে অসৎ থাকার ফল

নিজের অনুভূতি অস্বীকার করে ভেতরের সত্য চাপা দিয়ে রাখলে মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়। কারণ তখন নিজের ভেতরের অনুভূতির বিরুদ্ধে গিয়ে আচরণ করতে হয়।

এছাড়া জীবনের লক্ষ্যও অস্পষ্ট হয়ে যেতে পারে। যখন সে জানেই না যে- সে কী চায়। ফলে সিদ্ধান্তগুলোও উদ্দেশ্যহীন হয়ে পড়ে।

এছাড়া সম্পর্কের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হয়। নিজের অনুভূতি স্পষ্ট না হলে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ দুর্বল হয়ে যায় এবং ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হল- মানুষ নিজের সঙ্গেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।

নিজের সঙ্গে সৎ হওয়ার সহজ উপায়

নিজের সঙ্গে সততার অভ্যাস তৈরিতে প্রথমত নিজেকে সময় দেওয়া জরুরি। প্রতিদিন কিছু সময় শান্তভাবে বসে নিজের অনুভূতি সম্পর্কে ভাবা উপকারী।

রেইটজের পরামর্শ হলে- ব্যস্ততা থেকে সামান্য বিরতি নিলেই অনেক সময় ভেতরের চিন্তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নিজেকে সঠিক প্রশ্ন করাও গুরুত্বপূর্ণ।

যেমন- ‘আমি এখন কি এড়িয়ে যাচ্ছি?’, ‘আমি আসলে কি চাই? কোন বিষয় আমাকে অস্বস্তি দিচ্ছে? এসব প্রশ্ন নিজের ভেতরের সত্যকে সামনে আনতে সাহায্য করে।

নিজের ভাবনা লিখে রাখা আরেকটি কার্যকর পদ্ধতি। ডায়েরিতে খোলামেলা ভাবে অনুভূতি লিখলে অনেক সময় নিজের মনকে ভালোভাবে বোঝা যায়।

আবার শরীরের সংকেতের দিকে নজর দেওয়া দরকার। কোনো সিদ্ধান্তের সময় যদি শরীর অস্বস্তি অনুভব করে, তবে সেটি হয়তো ভেতরের দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত।

ছোট ছোট সত্য বলা দিয়ে শুরু করা যায়। যেমন— কোনো কাজে যেতে ইচ্ছা না করলে বিনয়ের সঙ্গে ‘না’ বলা, কিংবা ক্লান্ত হলে তা স্বীকার করা।

‘কালো শকুন’

গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
‘কালো শকুন’

সেদিন আকাশে ছিল না চাঁদ, ছিল না কোনো আলো,
নেমে এল শুধু পাষাণপুরীর জঘন্য রাত কালো।
শান্ত শহরে হিংস্র থাবায় নামলো যমদূত দল,
হানাদার রূপী কালো শকুনরা বাড়ালো কোলাহল।

বজ্রকঠিন নিস্তব্ধতা ভেঙে দেয় কামানের গোলা,
রাজারবাগের রক্তে ভাসলো রাজপথ—দুয়ার খোলা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়—জ্ঞানের আলোয়—জ্বললো লাশের স্তূপে,
ঘাতকেরা এলো দানবীয় সেই নারকীয় হিংস্র রূপে।

চব্বিশ বছরের শোষণের বিষ উগড়ে দিল সে রাতে,
ঘুমন্ত শিশু, জননী, বৃদ্ধ মরলো ঘাতক হাতে।
মেশিনগানের তপ্ত বুলেটে বিদীর্ণ বাংলার বুক,
খুনী শকুনের উল্লাসে ঢাকা পড়লো চেনা সব মুখ।

অন্ধকারের সেই মহাপ্লাবন রুখতে জাগলো প্রাণ,
রক্তের দামে কেনা হবে ঠিক স্বাধীনতার সম্মান।
২৫শে মার্চ আজো কাঁদে তাই বাংলার ঘরে ঘরে,
ভেবেছিনু বুঝি শকুন বিদায় রক্তে ভেজানো ভোরে।

শকুনেরা বদলালো রূপ লুকিয়ে ছদ্মবেশে,
সুযোগ পেলেই থাবা দেয় আজও আমার সোনার দেশে।
বাইরের শত্রু নয় শুধু আজ, ঘরের ভেতরে ঘাঁটি,
লোভ আর কালোর থাবায় ছিঁড়ছে আমার মায়ের মাটি।
স্বাধীন দেশেও অধিকার কাড়ে, শোষণের জাল বোনে,
আতঙ্কের ছায়া আজও হানা দেয় নিভৃত মনের কোণে।

তাই তো আবার জাগতে হবে রে, হতে হবে ইস্পাত,
শকুনের দল রুখে দিয়ে ফের, ঘুচাতে হবে এ রাত।
একাত্তরের সেই হুঙ্কার উঠুক আবার বেজে,
শকুনেরা পাক চরম জবাব, বাংলা উঠুক সেজে।

 

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, বরগুনা সরকারি কলেজ

‘স্বাধীনতা’

ড. মুহা আবুল কালাম আজাদ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
‘স্বাধীনতা’

পাকিস্তানি শাসন শোষণ
দমন পীড়ন নৈতিক পদস্খলন
অধীনতা আধিপত্যের বিরুদ্ধে
মোড়লগিরি খবরদারি বন্ধে
দুর্বার চঞ্চল দামালছেলেদের গর্জন
মুক্তিসেনার জীবন বিসর্জন।
রক্তের বন্যায় স্বাধীনতা অর্জন
শ্রদ্ধা সম্মান এক অনন্য স্মরণ।

স্বাধীনতা কথা বলার অদম্য সাহস
আত্মবিশ্বাস গৌরব অহংকারের ইতিহাস।
শিল্পকলা সাহিত্য সংস্কৃতি
আচার রুচি ঐতিহ্য রীতি-নীতি
স্বস্তি শান্তি মূল্যবোধ অভিব্যক্তি
বিত্ত বৈভব স্বপ্নসারথি।

স্বাধীনতা মায়ের সমান
আদর-সোহাগ লালন-পালন
বাঁচার আশা ইচ্ছা পূরণ
মাতৃভূমির রক্ষণাবেক্ষণ।
মানবতার স্ফুরণ
গণতন্ত্রের পরিস্ফুটন
সাফল্যের ধাপ নিঃস্বার্থ সোপান
উপরে ওঠার সিঁড়ি উন্নতির সাম্পান।

স্বাধীনতা অফুরন্ত আশা
উদ্দীপনা ভালোবাসা
উত্তেজনা উৎসাহ আনন্দ প্রেরণা
অনুভূতি অনুভব প্রগতি চেতনা।

স্বাধীনতা বড় শক্তি
মুক্তবুদ্ধি চিন্তার মুক্তি
কৃষক-মজুর-মুটেদের রক্ষা করেছে অধিকার
ভবিষ্যতে সংগ্রামের জন্য করেছে অঙ্গীকার।

স্বাধীনতা রক্তেকেনা ফসল
চরম ত্যাগে বাঙালি সফল।
সুরভিত সুবাসে
ভরে উঠুক চিত্তাকর্ষে
অজয় অক্ষয় দেহ-মন-প্রাণ
জন্মজন্মান্তরে থাকুক চির অম্লান।

স্বাধীনতা গর্বের উপার্জন
প্রাপ্তি সিদ্ধি সংহতি মিলন
মুখে পড়ুক ফুলচন্দন
শুভেচ্ছা স্বাগতম অভিনন্দন।

লেখক: কলেজ শিক্ষক