খুঁজুন
শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১৪ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরে ৩৬ বছর ধরে চলছে টিনের ঘরে পাঠদান, সরকারি হলেও জুটেনি ভবন

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:০৬ পিএম
ফরিদপুরে ৩৬ বছর ধরে চলছে টিনের ঘরে পাঠদান, সরকারি হলেও জুটেনি ভবন

ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের জন্য ফরিদপুর সদর উপজেলার ভাজনডাঙ্গা এলাকায় ১৯৮৯ সালে ৮২টি ঘর বসতি নিয়ে গঠিত হয় গুচ্ছগ্রাম। যে গুচ্ছগ্রামটি ১৯৯০ সালে উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এই গুচ্ছগ্রামের অবহেলিত ও শিক্ষাবঞ্চিত কোমলমতি ছেলেমেয়েদের শিক্ষামুখী করতে ১৯৮৯ সালে গড়ে তোলা হয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যার নাম রাখা হয় ‘ভাজনডাঙ্গা গুচ্ছগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়’। এরপর এ বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। তবুও বিদ্যালয়টিতে মিলেনি ভবন, টিনের জরাজীর্ণ ঘরে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফরিদপুর সদর উপজেলার মধ্যে গুচ্ছগ্রামের মানুষের জন্য একমাত্র বিদ্যাপীঠ ‘১১৯ নং ভাজনডাঙ্গা গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।’ ১৯৮৯ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই টিনের ঘর দিয়ে শুরু করে শিক্ষা কার্যক্রম। এখনো ওই ঘরেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। বিদ্যালয়ের ঘরগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন না থাকায় পূর্বের টিনের ঘরেই ঝুঁকির মধ্যেই শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নেই, তাইতো কোমলমতি শিশুরা সবসময় আতঙ্ক আর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

স্থানীয় ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অনগ্রসর গুচ্ছগ্রামের কোমলমতি শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার কথা মাথায় রেখে ১৯৮৯ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর ৩৬ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও টিনের জরাজীর্ণ ঘরে শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে পাঠদান। বৃষ্টি আসলে চুইয়ে চুইয়ে পানি পড়ে। কখনো-বা ভাঙাচোরা জিনিসপত্র মাথায় এসে পড়ে শিক্ষার্থীদের। ভয়ে শিক্ষার্থীরা আসতে চায়না স্কুলে। তাইতো কমে গেছে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আশেপাশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত একমাত্র এ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়টিতে একসময় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়ালেখা করলেও জরাজীর্ণ টিনের ঘর আর সাথে ভবন না থাকায় বর্তমানে মাত্র শতাধিক শিক্ষার্থী পাঠদান করছে। নানা কারণে ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে নিয়মিত।

অভিভাবক হানিফ হোসেন জানান, ‘ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরের কারণে আমাদের ছেলে মেয়েদের অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে হচ্ছে। সরকার যদি নতুন ভবনের ব্যবস্থা না করে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও কমে যাবে।’

ভাজনডাঙ্গা গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চঞ্চলা রানী সরকার বলেন, ‘ভবন সংকটের কারণে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার মান ব্যাহত হচ্ছে। ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানালেও কাজ হচ্ছে না। এ ছাড়া ২০২৪ সালে সরকার থেকে একটি ভবন বরাদ্দ হলেও অদৃশ্য কারণে সেটা বাতিল হয়ে গেছে। অতিশ্রীঘ্রই বিদ্যালয়টিতে ভবন নির্মাণ করা সময়ের দাবি হয়ে গেছে।’

ফরিদপুর সদর সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘ওই স্কুলের ভবন নিয়ে বারবার উপর মহলে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু, এখনও ভবন হয়নি। তবে, এর আগে গত বছর ওই স্কুলের জন্য একটি ভবন পাশ হলেও ঠিকাদার কাজ না করায় ভবনটি অন্য জায়গায় দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘গত এক মাস আগে ওই স্কুলের ভবনের জন্য কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। আশা করছি, দ্রুতই ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে।’

ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘প্রচুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে, ওই স্কুলের ভবন এখনও না হওয়া দুঃখজনক। আমাদের পিডিপি-০৪ ফাইল আগামী ২০২৬ সালের জুলাইয়ে স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। তখন আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ওই স্কুলের ভবন নির্মাণে ব্যবস্থা নিব।’

‘ফ্যামিলি কার্ডের’ স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা! ফরিদপুরে যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১০:০১ পিএম
‘ফ্যামিলি কার্ডের’ স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা! ফরিদপুরে যুবক আটক

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের কেশবনগর গ্রামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাকে কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। আটক সাইফুল ইসলাম ওই গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে সরকারি বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাইফুল ইসলাম কেশবনগর এলাকার কয়েকজন হতদরিদ্র মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, তার মাধ্যমে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো সরকারি খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধা পেতে পারবে। এই প্রলোভনে পড়ে এলাকার অসহায় মানুষজন তার কাছে ভিড় জমাতে শুরু করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সাইফুল ইসলাম জনপ্রতি ৭০০ থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। অনেকেই শেষ সম্বল থেকে টাকা দিয়ে কার্ড পাওয়ার আশায় ছিলেন। তবে সময় গড়ালেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এবং তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দিলে ভুক্তভোগীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়।

পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি হলে ভুক্তভোগীরা ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের হটলাইন নম্বরে অভিযোগ জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর হটলাইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক সত্যতা পায়। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, না বুঝে এ ধরনের কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আর এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তিনি ভুক্তভোগীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ২:৫৪ পিএম
ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তাহসিন ইসলাম ওরফে সিয়ামকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শহরের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সামনে থেকে কোতোয়ালী থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

গ্রেপ্তারকৃত সিয়াম ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিয়াম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী থানা ভাঙচুর সংক্রান্ত একটি মামলায় পূর্বে গ্রেপ্তার হয়ে সিয়াম জেলা কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে জামিনে বের হওয়ার পরই তিনি আবারও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও সংঘবদ্ধ মারামারির ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ একটি মারামারির ঘটনার সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সিয়ামকে আটক করা হয়। পরে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত সিয়ামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে মারামারি, ভাঙচুর ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে।

তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে শুক্রবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়।”

সালথা বাজারে পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
সালথা বাজারে পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ফরিদপুরের সালথা বাজারে একটি পাটের গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক ব্যবসায়ীর প্রায় ২৫ লাখ টাকার পাট ও অন্যান্য পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতায় প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে সালথা উপজেলা সদর বাজারের পুরুরা রোড এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গুদামের ভেতরে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয়রা জানান, সকালে হঠাৎ গুদাম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো গুদাম এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। আশপাশের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা প্রথমে নিজেরাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

খবর পেয়ে সালথা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ সময় আগুন পাশের দোকান ও গুদামে ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় পুরো বাজার এলাকা।

সালথা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা আব্দুল জলিল জানান, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।”

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার গুদামে থাকা অধিকাংশ পাট ও কিছু অন্যান্য পণ্য পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে কিছু মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।