খুঁজুন
, ,

বোয়ালমারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল জাহাজ মাস্টারের

বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল জাহাজ মাস্টারের

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিদ্যুতস্পৃষ্টে হয়ে মো. নাসির মোল্যা (৪৫) নামে এক জাহাজ মাস্টারের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

সোমবার (৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বড়গাঁ নতুন বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে।

তিনি পাশ্ববর্তী আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের বারাংকুলা গ্রামের মো. আমীর হোসেন মোল্যার ছেলে এবং খুলনায় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন জাহাজের মাস্টার হিসেবে চাকরিরত ছিলেন তিনি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খুলনায় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন জাহাজের মাস্টার হিসেবে চাকরি করতেন মো. নাসির মোল্যা। কিছুদিন আগে তিনি ছুটি নিয়ে জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার বারাংকুলা গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সম্প্রতি তিনি আলফাডাঙ্গার সীমান্ত পাশ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বড়গাঁ নতুন বাজারে নিজ মালিকানাধীন জমিতে একটি দোকান নির্মাণের কাজ করছিলেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নবনির্মিত দোকানের ফ্লোর ও ওয়ালে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাবরিনা হক টুম্পা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশকে জানানোর আগেই স্বজনেরা তার মৃতদেহ নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানার পরিদর্শক তদন্ত (ওসি তদন্ত) আল আমীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতাল থেকে স্বজনরা মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছে। আমরা ঘটনাস্থলে আছি। নিহতের বাড়ি পার্শ্ববর্তী আলফাডাঙ্গা থানায় হওয়ায় আলফাডাঙ্গা থানাকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। দুই থানা পুলিশ সমন্বয় করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাজালাল আলম জানান, বোয়ালমারী থানা থেকে খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি টিম মৃতের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু ঘটনাস্থল বোয়ালমারী থানাধীন তাই পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করবে। আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ এ বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

ফরিদপুরে গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া সেই ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত

মেহেদী সোহেল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া সেই ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ‘খ’ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ইমরান শেখকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেবা গ্রহীতার কাছ থেকে গুনে গুনে টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জেলা প্রশাসন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

রবিবার (২৬ জুলাই) জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বিষয়টি রাত ১১টার দিকে নিশ্চিত করেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিন্টু বিশ্বাস।

জেলা প্রশাসনের জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ‘খ’ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ইমরান শেখের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ও ৩(ঘ) ধারায় বর্ণিত অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে একই বিধিমালার ১২(১) ধারা অনুযায়ী ২৬ জুলাই ২০২৬ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, বরখাস্তকালীন সময়ে বিধি অনুযায়ী তিনি খোরপোষ ভাতা পাবেন।

এর আগে রবিবার বিকেলে ইমরান শেখের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগসংবলিত একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। দুই মিনিট ২২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি নিজের কার্যালয়ে চেয়ারে বসে এক সেবা গ্রহীতার কাছ থেকে টাকা নিয়ে গুনে গুনে রাখছেন। ভিডিওটি অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং সমালোচনার ঝড় ওঠে।

ভিডিওতে তাকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সম্পর্কেও মন্তব্য করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, “উনিও চল্লিশতম বিসিএস, আমিও চল্লিশতম বিসিএস। উনার কপাল ভালো, উনি ক্যাডার হয়েছেন, আর আমি নন-ক্যাডার হয়েছি।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান শেখ দাবি করেন, ভিডিওতে দেখা টাকা ঘুষের নয়, বরং ধার দেওয়া অর্থ ফেরত নেওয়ার সময় ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “অনেকেই আমার কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে টাকা ধার নেন। পরে সেই টাকা ফেরত দেন। এটি তেমনই একটি ঘটনা।”

তবে কার কাছ থেকে তিনি ওই টাকা নিয়েছেন, সেই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান জানান, এর আগেও দাপ্তরিক অনুপস্থিতির কারণে ইমরান শেখকে শোকজ করা হয়েছিল। পরে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগের সত্যতা নিয়ে জনমনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হওয়ার পর জেলা প্রশাসন দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুরে বাথরুমের স্ল্যাবের নিচে মিলল নারীর বস্তাবন্দি কঙ্কাল

মধুখালী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বাথরুমের স্ল্যাবের নিচে মিলল নারীর বস্তাবন্দি কঙ্কাল

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর কর্মকারপাড়ায় একটি বসতবাড়ির কাঁচা বাথরুমের স্ল্যাবের নিচ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৬ জুলাই) এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কঙ্কালটির পরিচয় ও মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে মধুখালী থানা পুলিশ।

বাড়ির মালিক মৃত মধু মণ্ডলের ছেলে মো. আলী আকবর মণ্ডল (৮০)-এর স্ত্রী মোছা. রওশনা বেগম (৫৫) জানান, ভোর প্রায় ৫টার দিকে তিনি বাথরুম ব্যবহার করতে গিয়ে স্ল্যাবের ওপর দাঁড়ানোর সময় অন্য দিনের তুলনায় অস্বাভাবিক অনুভব করেন। বিষয়টি তিনি স্বামীকে জানালে প্রথমে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরে আলী আকবর মণ্ডল নিজে সেখানে গিয়ে স্ল্যাবের নিচে বস্তাবন্দি কিছু রয়েছে বলে সন্দেহ করেন। এরপর পরিবারের অন্য সদস্য ও স্বজনদের বিষয়টি জানানো হয়।

দুপুর ১টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মধুখালী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। সাব-ইন্সপেক্টর মো. মাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ বাথরুমের স্ল্যাব সরিয়ে নিচ থেকে একটি বস্তা উদ্ধার করে। বস্তা খুলে দেখা যায়, ভেতরে এক নারীর কঙ্কাল রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটির মাথার খুলি মাঝারি আকারের। কঙ্কালের সঙ্গে দীর্ঘ কালো চুলের অংশ পাওয়া গেছে। এছাড়া হাড়গুলোর বিভিন্ন জোড়া বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মাটিচাপা অবস্থায় ছিল। তবে এটি কতদিন আগের এবং কীভাবে সেখানে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। একটি আবাসিক বাড়ির বাথরুমের নিচ থেকে কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মারুফ হাসান বলেন, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি ময়নাতদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কঙ্কালের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, থানার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে মধুখালী উপজেলায় কোনো নারী নিখোঁজ থাকার অভিযোগ নথিভুক্ত নেই। তাই কঙ্কালটির পরিচয় শনাক্তে আশপাশের এলাকা এবং পুরোনো নিখোঁজ সংক্রান্ত তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং তদন্তের ফলাফল পাওয়ার পরই এ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সমাজসেবা কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সমাজসেবা কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৬ জুলাই) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কক্ষের জানালার কাচ ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান।

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬’ কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের জন্য আবেদনকারীদের রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের মিনি কনফারেন্স রুমে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে এর আগেই সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোয়াম্মদ মাহবুব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে আবেদন জমার শেষ সময় ২৮ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ফলে নির্ধারিত দিনের পরীক্ষা বা বাছাই কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।

এরই মধ্যে রোববার ভোরে কে বা কারা সমাজসেবা কার্যালয়ে প্রবেশ করে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কক্ষের জানালার কাচ ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।

সকালে অনেক আবেদনকারী পরীক্ষা দিতে এসে ফিরে যান। আবার অনেকে নতুন সময়সীমার সুযোগে আবেদনপত্র জমা দিতে দেখা যায়। এ কারণে স্থানীয়ভাবে ধারণা করা হচ্ছিল, নিয়োগ কার্যক্রমের সময়সূচি পরিবর্তনকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমি এ ধারণা নাকচ করে বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড শুমারির আবেদনকারীদের সঙ্গে এ ভাঙচুরের কোনো সম্পর্ক রয়েছে বলে আমরা মনে করছি না। সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে আবেদন জমার সময় ২৮ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সেটি পাওয়ার পর আজ সকাল ৮টার দিকে আমি বিষয়টি ফেসবুকে জানিয়ে দিয়েছি। ভাঙচুরের ঘটনায় সমাজসেবা কর্মকর্তাকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

আলফাডাঙ্গা সমাজসেবা কার্যালয়ের নৈশপ্রহরী জাকির হোসেন বলেন, “আমি রাতে অফিসে দায়িত্বে ছিলাম। দায়িত্ব শেষ করে চলে যাওয়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি।”

অফিস সহকারী আজিজুর রহমান বলেন, “সকাল পৌনে ৯টার দিকে অফিসে এসে দেখি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কক্ষের জানালার কাচ ভাঙা। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি স্যারকে জানাই।”

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ঝুমুর সরকার বলেন, “অফিসে প্রবেশের আগেই খবর পাই দুর্বৃত্তরা আমার কক্ষের জানালার কাচ ভেঙে ফেলেছে। বিষয়টি জেলা কার্যালয়কে জানিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলেই থানায় অভিযোগ দিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।”