খুঁজুন
রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১৫ চৈত্র, ১৪৩২

ছোট ছেলের বিয়ের খবর জানালেন আসিফ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৫ এএম
ছোট ছেলের বিয়ের খবর জানালেন আসিফ
তিন বছর আগে বড় ছেলে শাফকাত আসিফ রণর বিয়ে দিয়েছেন বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবর। এবার তার ছোট ছেলেও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন। সামাজিকমাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন আসিফ নিজেই। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি।

যেখানে ছেলে ও পুত্রবধূর সঙ্গে আসিফ এবং তার স্ত্রী বেগম সালমা আসিফকে দেখা গেছে।এর ক্যাপশনে আসিফ জানিয়েছেন, তার ছোট ছেলে শাফায়াত আসিফ রুদ্র বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। আসিফ আকবরের পুত্রবধূর নাম লামিয়া তানজিম শ্রেয়সী। তার বাবার নাম বাদল শাহরিয়ার।

রুদ্র ও শ্রেয়সী নতুন জীবনে পা রেখেছেন জানিয়ে নবদম্পতির দাম্পত্য জীবন সুখী ও সুন্দর হোক-এমন কামনা করেছেন আসিফ। একই সঙ্গে ছেলে ও বৌমার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই গায়ক।

আসিফের বড় ছেলে শাফকাত আসিফ রণ বর্তমানে কানাডার টরন্টোতে একটি ব্যাংকে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করছেন। ছুটি না পাওয়ায় তিনি বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

পাশাপাশি বড় বৌমা ইসমাত শেহরীন ঈশিতার পরীক্ষার কারণে তিনিও টরন্টোতেই ছিলেন। তাদের অনুপস্থিতি খুব মিস করছেন বলেও অনুভূতি প্রকাশ করেন আসিফ।সবশেষে সবার উদ্দেশে ভালোবাসা জানিয়ে আসিফ আকবর লেখেন, সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন। ভালোবাসা অবিরাম।

আসিফ আকবরের এই স্ট্যাটাসে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভাসছেন রুদ্র-শ্রেয়সী দম্পতি।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ২:২৭ পিএম
ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মাহমুদুল হাসান

সার্বিক পুলিশিং কার্যক্রম বিবেচনায় ফরিদপুর জেলার পুলিশের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান। তিনি জেলার নগরকান্দা সার্কেল হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে সেরা সার্কেল ঘোষণা করে পুরস্কার তুলে দেন এসপি মো. নজরুল ইসলাম।

ক্রেস্ট প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাহমুদুল হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন ক্লুলেস হত্যা, চুরির মামলা উদঘাটন ও দায়িত্বাধীন থানাগুলোর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য এ পুরস্কারে ভূষিত হন।

সার্কেল অফিস ও থানাগুলোর অভিযোগ অনুসন্ধান, মাদক জব্দ, ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তিসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবদান রাখায় মাহমুদুল হাসানকে ফরিদপুর জেলা পুলিশের সেরা সার্কেল অফিসার নির্বাচন করা হয়।

ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি বাবলুর রহমান খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৫ পিএম
ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি বাবলুর রহমান খান

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি মনোনীত হয়েছেন সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান।

রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে মাসিক কল্যাণ সভায় সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খানকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত করা হয়।

সভা শেষে ফরিদপুর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম তার হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।

ক্রেস্ট প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান প্রমূখ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মো. বাবলুর রহমান খান সালথা থানায় যোগদানের পর সহিংসতা বন্ধে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে আসছেন। এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, অপরাধী আটক, মাদক নিয়ন্ত্রণ, মামলা গ্রহণসহ চুরি-ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভয়ংকর অপরাধে’ গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ

প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:২০ এএম
যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভয়ংকর অপরাধে’ গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ

যুক্তরাষ্ট্রের জননিরাপত্তার জন্য ‘ভয়ংকর অপরাধী’ হিসেবে চিহ্নিত ১০ বাংলাদেশির ছবিসহ নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেছে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) গত এক বছরে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ লাখ নথিপত্রহীন বা অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে। এদের মধ্যে ৫৬ হাজারের বিরুদ্ধে অতীতে গুরুতর অপরাধে সাজা খাটার রেকর্ড রয়েছে এবং তারা সাজার মেয়াদ শেষে মুক্তি পেয়েছিলেন।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, মাদক পাচার, জালিয়াতি, সশস্ত্র ডাকাতি এবং হামলার মতো গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত বা অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছে। ডিএইচএসের ডেপুটি সেক্রেটারি লরেন বেস বলেন, ‘যারা শিশুদের ওপর হামলা চালায় বা নিরীহ মানুষের ক্ষতি করে, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনো স্থান নেই। তারা সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি।’ প্রশাসন এই অপরাধীদের ‘নিকৃষ্টতম’ অপরাধী হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত ১০ বাংলাদেশির নাম, পরিচয় ও অভিযোগ-

হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী অভিযুক্ত বাংলাদেশিরা হলেন- ফোর্ট স্কট, কানসাসের কাজী আবু সাঈদ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, অপ্রাপ্তবয়স্কের ওপর নিপীড়ন-শোষণ, অবৈধ জুয়া পরিচালনা এবং জুয়া সংক্রান্ত অপরাধ।

রেলি নর্থ ক্যারোলাইনার শহীদ হাসান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ-গোপন অস্ত্র বহন এবং দোকানে চুরি।

নিউ ইয়র্কে বাফেলোর মোহাম্মদ আহমেদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।

কুইন্স নিউ ইয়র্ক সিটির মো. হোসেনের বিরুদ্ধেও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।

চ্যান্টিলি ভার্জিনিয়ার মেহতাবউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ- গাঁজা এবং হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগ বিক্রি।

মার্লিন, টেক্সাসের নওয়াজ খান। এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিপজ্জনক মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়েছে।

পেন্সকোলা, ফ্লোরিডার শাহরিয়ার আবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ- চুরি।

মাউন্ট ক্লেমেন্স মিশিগানের আলমগীর চৌধুরী। এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।

মানাসাস ভার্জিনিয়ার ইশতিয়াক রফিকের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন লঙ্ঘন এবং সিনথেটিক মাদক রাখার অভিযোগ রয়েছে।

ফিনিক্স অ্যারিজোনার কনক পারভেজের বিরুদ্ধে রয়েছে জালিয়াতির অভিযোগ।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি জানিয়েছে, এই অভিযান মূলত তাদের লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে যারা জননিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। সহিংস এবং শোষণমূলক অপরাধের বিরুদ্ধে বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।