খুঁজুন
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

ফরিদপুরের খাল-বিলে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে কচুরিপানার ফুল

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫, ২:০৬ পিএম
ফরিদপুরের খাল-বিলে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে কচুরিপানার ফুল

আবহমান গ্রাম বাংলার সুপরিচিত একটি জলজ উদ্ভিদ কচুরিপানা। ফসলহীন মাঠজুড়ে, রাস্তার পাশে ডোবা-নালায় জমে থাকা পানিতে এই ফুলের সমাহার দেখা যায়। সবুজের মধ্যে সাদা, হালকা গোলাপী আর বেগুনি রংয়ের অযত্নে বেড়ে ওঠা এ ফুল মুগ্ধতা ছড়ায়। 

তেমনি ফরিদপুরের গ্রাম-গঞ্জের প্রায় প্রতিটি এলাকার খাল-বিল, বাড়ির পাশের ডোবায় ফুটেছে দৃষ্টিনন্দন কচুরিপানা ফুল। কবি গুরুর ভাষায় ‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া-ঘর হতে শুধু দু’পা ফেলিয়া’। সত্যিকার অর্থেই যেখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এমন এক অবহেলিত উদ্ভিদে এত নয়নাভিরাম, মনোমুগ্ধকর, চিত্তাকর্ষক ফুল, যা প্রকৃতি প্রেমীদের বিমুগ্ধ না করে পারে না। প্রতিটি এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন জাতের বিভিন্ন রঙের কচুরি ফুল ফোটে বিভিন্ন ঋতুতে।

তবে এ সময় কচুরিপানার ফুল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সৌন্দর্যের পাপড়ি মেলে ধরা কচুরিপানা ফুলের এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেকেই ছবি তুলছেন, বিশেষ করে তরুণ-তরুণীরা।

ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা জলাশয় থেকে শিশির ভেজা কচুরিপানার ফুল তুলে খেলা করছে। গ্রামের শিশু-কিশোররাও আনন্দ করে তুলে নিয়ে খেলা করছে। কচুরিপানা আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিকর মনে হলেও কৃষিক্ষেত্রে এর যথেষ্ট উপকারিতা রয়েছে। মাটিতে শক্তি যোগাতে ভূমিকা রাখে কচুরিপানা।

কৃষকেরা কচুরিপানা উঠিয়ে জমিতে ফলানো পেঁয়াজের ভূঁই, লালশাকসহ বিভিন্ন সবজি চাষে ব্যবহার করছেন কচুরিপানা। সেই সঙ্গে কচুরিপানা গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কচুরিপানা থেকে এখন তৈরি হচ্ছে জৈব সার।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, “কচুরিপানা গবাদিপশুর উৎকৃষ্ট খাবার, জৈবসার হিসেবে খুবই শক্তিশালী, এটা ব্যবহার করে কৃষকগণ ভাসমান শাক-সবজির চাষ করে থাকে। পুকুর ও বিলে কাপ জাতীয় মাছের বাড়তি খাবার হিসাবে কাজে লাগে, এ জলজ উদ্ভিদকে রোদে শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কচুরিপানা ফুল সব বয়সি মানুষকে আকৃষ্ট ও মুগ্ধ করে।”

শপথের পর এবার অধিবেশন—কবে বসছে সংসদ?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪১ এএম
শপথের পর এবার অধিবেশন—কবে বসছে সংসদ?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ২৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে পারে। সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তা করেন।

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের (এমপি) গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে ১৪ মার্চের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে হবে। সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন ১৭ ফেব্রুয়ারি।

সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন হলেও পুরোনো সংসদের মেয়াদ শেষে নতুন সংসদের অধিবেশন বসে। বিগত তিনটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সেটি দেখা গেছে। দ্বাদশ সংসদের সদস্যরা ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি শপথ নিলেও প্রথম অধিবেশন বসেছিল ৩০ জানুয়ারি। কারণ, একাদশ সংসদের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি। এবার সংসদ না থাকায় অধিবেশন শুরু করতে বেশি অপেক্ষা করতে হবে না।

সংসদ সচিবালয় সূত্র বলেছে, প্রথম অধিবেশন বসা নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ২৫ কিংবা ২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার সিদ্ধান্ত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অধিবেশন বসার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি।’ ২৬ ফেব্রুয়ারি অধিবেশন বসা নিয়ে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো শুনিনি। তবে শপথ গ্রহণের এক মাসের মধ্যে সংসদ অধিবেশন বসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।’

নগরকান্দায় সাংবাদিকের ওপর হামলা: পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রহস্য, ‘হামলা নাটক’ নিয়ে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর ও নগরকান্দা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৬ পিএম
নগরকান্দায় সাংবাদিকের ওপর হামলা: পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রহস্য, ‘হামলা নাটক’ নিয়ে তোলপাড়

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হামলার অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং ‘হামলা নাটক’ তৈরির অভিযোগে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেও ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরকান্দা বাজার এলাকায়। হামলার শিকার হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বাবু (৪৯) নিজেকে দৈনিক যুগান্তরের নগরকান্দা উপজেলা প্রতিনিধি দাবি করেছেন। অপরদিকে অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও একটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. লিয়াকত আলীর নাম। তবে ঘটনার পরপরই তিনি পাল্টা অভিযোগ এনে নিজেকেও হামলার শিকার দাবি করেছেন। এতে পুরো ঘটনাটি জটিল আকার ধারণ করেছে।

ঘটনাস্থলে কী ঘটেছিল:

মিজানুর রহমান বাবুর দেওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে তিনি নগরকান্দা বাজারে শাহিন মিয়ার চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় পূর্বের একটি বিরোধ ও ফেসবুকে লেখালেখির জের ধরে লিয়াকত আলী সেখানে এসে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি একটি কাঠের বাটাম দিয়ে মিজান বাবুর মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন।

আত্মরক্ষার জন্য হাত দিয়ে প্রতিহত করতে গেলে তার বাঁম হাতের বাহুতে গুরুতর আঘাত লাগে। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। এছাড়া ডান হাত ও পিঠেও আঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় অভিযুক্ত লিয়াকত আলী উপস্থিত লোকজনকে হুমকি দেন—ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিলে তাকে প্রাণনাশ করা হবে।

পরে আহত অবস্থায় মিজান বাবুকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানান এবং পরবর্তীতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

পাল্টা অভিযোগে ভিন্ন চিত্র:

ঘটনার কিছুক্ষণ পরই সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে থানায় পাল্টা অভিযোগ দেন লিয়াকত আলী। তার অভিযোগে বলা হয়, একই সময় ও স্থানে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মিজান বাবু তাকে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন।

তিনি দাবি করেন, মিজান বাবু তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কোমরে থাকা হাতুড়ি দিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে তার শরীরে রক্ত জমাটসহ জখম হয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় মিজান বাবু প্রকাশ্যে তাকে হত্যার হুমকিও দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরে তাকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার আশায় অভিযোগ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

‘হামলা নাটক’ সাজানোর অভিযোগ:

তবে ঘটনাটি এখানেই থেমে থাকেনি। স্থানীয় সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের একটি অংশ দাবি করেছেন, হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি ভিন্নখাতে নিতে পরিকল্পিতভাবে ‘হামলা নাটক’ সাজানো হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, লিয়াকত আলী নিজের প্রভাব খাটিয়ে থানায় পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন এবং হাসপাতালে প্রভাব বিস্তার করে নিজের নামে একটি ‘ভুয়া মেডিকেল প্রেসক্রিপশন’ সংগ্রহ করেন, যাতে তাকে আহত দেখানো যায়। অথচ তার শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখাতে পারেননি বলে দাবি করেছেন কয়েকজন সাংবাদিক।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক বলেন, “ঘটনার সময় আমরা আশেপাশেই ছিলাম। মিজান বাবুই হামলার শিকার হয়েছেন। কিন্তু পরে ঘটনাটি ঘুরিয়ে দিতে চেষ্টা করা হচ্ছে।”

সাংবাদিক সমাজে ক্ষোভ:

এ ঘটনায় ফরিদপুর জেলা ও নগরকান্দা উপজেলার সাংবাদিকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কয়েকজন সাংবাদিক অভিযোগ করেন, লিয়াকত আলী ও তার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি শফিকুল ইসলাম মন্টু প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত নন।

তাদের দাবি, তারা কৌশলে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা অবস্থান পরিবর্তন করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একপেশে প্রচারণা চালিয়ে মূলধারার সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন।

একজন স্থানীয় সাংবাদিক বলেন, “এরা সুযোগসন্ধানী। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তখন তাদের পক্ষেই কাজ করেন। এখন আবার নিজেদের বিএনপির রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।”

রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ:

স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন অভিযুক্তরা। সেই সময় তাদের সঙ্গে তোলা বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। বর্তমানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা নতুন করে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন।

এখন তারা নিজেদের একটি বড় রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়ে স্থানীয় নেতাদের ঘনিষ্ঠ দাবি করছেন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি মূলধারার সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেন তারা।

অভিযুক্তের বক্তব্য:

তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মো. লিয়াকত আলী। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি নিজেও একজন সাংবাদিক এবং একটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক। নিয়মিত লেখালেখি করি।”

তিনি দাবি করেন, “মিজান বাবুই আমার ওপর হামলা করেছে। আমাকে হাতুড়ি দিয়ে মারধর করেছে। তাই আমি থানায় অভিযোগ করেছি এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি।”

তবে তার শরীরে আঘাতের দৃশ্যমান কোনো চিহ্ন দেখাতে পারেননি—এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি।

পুলিশের অবস্থান:

এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানান, উভয় পক্ষের কাছ থেকে দুটি পৃথক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, “ঘটনার সঠিক তথ্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে বিজ্ঞ আদালতে তদন্তের জন্য আবেদন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এব্যাপারে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা:

ঘটনাটি নিয়ে নগরকান্দা উপজেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও আলোচনা-সমালোচনা চলছে। একই ঘটনায় দুই বিপরীতধর্মী অভিযোগ এবং ‘নাটক সাজানোর’ অভিযোগে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাকে বিতর্কিত করার যে অপচেষ্টা চলছে, তা বন্ধে সংশ্লিষ্টদের কঠোর ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন।

তদন্তে নজর সবার:

পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, প্রভাব খাটানোর অভিযোগ এবং ‘ভুয়া চিকিৎসা সনদ’ ইস্যু—সব মিলিয়ে ঘটনাটি এখন একটি আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের মধ্যে এ ঘটনার প্রভাব বেশি পড়েছে।

এখন সবার দৃষ্টি পুলিশের তদন্তের দিকে। তদন্তে কী বেরিয়ে আসে, সেটিই নির্ধারণ করবে—আসলেই কে হামলার শিকার, আর কে বা কারা ‘হামলা নাটক’ সাজানোর চেষ্টা করছে।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ফেব্রিকন ফ্যাশনের শো-রুম উদ্বোধন

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ফেব্রিকন ফ্যাশনের শো-রুম উদ্বোধন

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা জাতীয় মানের খ্যাতিসম্পন্ন পোশাকের ব্যান্ড ফেব্রিকন ফ্যাশনের শো-রুম উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের হাসপাতাল রোডে বারি প্লাজার দ্বিতীয় তলায় এ শো-রুমের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেক কেটে ও দোয়ার আয়োজন করে শো-রুমের আনুষ্ঠানিকতা শুভ সূচনা করা হয়। এখন থেকে এই শো-রুমে ছেলে-মেয়ে, শিশুসহ সকল বয়সীদের আধুনিক ও রুচিসম্মত বিভিন্ন ধরনের পোষাক পাওয়া যাবে।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্তাধিকারী বায়েজিত মোল্যা বলেন, আমাদের অঞ্চলের মানুষ ভালো পোষাক ক্রয় করার জন্য ঢাকা ও ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাতে যান। এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে আধুনিক ও রুচিসম্মত পোশাক ফেব্রিকন ফ্যাশানসহ অনের ভালো মানের পোশাকের শো-রুম দেওয়া হয়েছে। এই শো-রুম থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দের পোষাক সুলভ মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।

তিনি বলেন, এখানে নারী ও পুরুষের রুচিসম্মত সকল ধরনের পোষাক ও পাদুকা পাওয়া যাবে। ক্রেতাদের চাহিদানুযায়ী আমার আরও পোষাক সংযোজন করবো।

এই ঈদ উপলক্ষে সাধারণ ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে সকল পণ্যর উপর নির্দিষ্টহারে ছাড় দিবেন বলে জানান বায়োজিত মোল্যা।