খুঁজুন
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ, ১৪৩২

ফরিদপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করলেন কুয়েত প্রবাসী

আব্দুল মান্নান, ভাঙ্গা :
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ৫:৪৫ পিএম
ফরিদপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করলেন কুয়েত প্রবাসী
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে বাবা-মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করলেন কুয়েত প্রবাসী আতিয়ার খলিফা।
শুক্রবার ( ২০ জুন) বিকেলে বিয়ে করে নববধূকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে আসেন।
হেলিকপ্টার ও বর কনেকে এক নজর দেখতে স্কুল মাঠে হাজার হাজার গ্রামবাসী ভিড় করেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা উপজেলার দেওড়া গ্রামের নুর ইসলাম খালিফার ছেলে কুয়েত প্রবাসী আতিয়ার খলিফার সাথে একই উপজেলার গজারিয়া  গ্রামের ফিরোজ শেখের মেয়ে আমেনা খাতুনের বিয়ে ঠিক হয়। বাবা-মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতে বর আতিয়ার খলিফা হেলিকপ্টার ভাড়া করেন।
শুক্রবার বিকেলে ভাঙ্গা  উপজেলার দেওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে বর সেজে হেলিকপ্টারে চড়েন আতিয়ার খলিফা। পরে হামিরদী ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে নামে হেলিকপ্টারটি। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে আবার হেলিকপ্টারে চড়ে কনেকে নিয়ে নিজ এলাকা দেওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে  ফিরে আসেন।
 এ সময় স্থানীয় হাজার হাজার উৎসুক জনতা দুপুর থেকে বর-কনে ও হেলিকপ্টার দেখতে ভিড় করেন।
হেলিকপ্টারে বিয়ের বিষয় বর মোঃ আতিয়ার খলিফা বলেন, বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে হেলিকপ্টারটি ভাড়া করেছি। বাবা-মাকে খুশি করতে পেরে আমি অনেক খুশি।
বর আতিয়ার খলিফার বাবা নুর ইসলাম খলিফা বলেন, আমার ছেলে কুয়েত প্রবাসী। আমাদের আশা ছিল ছেলেকে হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করাবো, ছেলে আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমাদের ইউনিয়নে এবং আমার জীবনের এই প্রথম হেলিকপ্টার কাছে থেকে দেখেছি এবং ছেলেকে হেলিকপ্টারে বিয়ে করিয়েছি।
হেলিকপ্টার দেখতে আসা আক্কাস বেপারী বলেন, ‘আমি কখনো হেলিকপ্টার দেখিনি। এখানে হেলিকপ্টার আসবে শুনে দেখতে আসলাম। হেলিকপ্টার দেখতে পেয়ে খুব আনন্দ পেয়েছি।
স্থানীয় গোলাম মাওলা নামের এক ব্যক্তি বলেন, এই হেলিকপ্টার ওঠানামা দেখার জন্য গ্রামের বহু মানুষ ভিড় করেছিল। এ ধরনের আয়োজন আমরা আগে কোনদিন দেখিনি। হেলিকপ্টার দেখতে পেয়ে আমরা খুব আনন্দ পেয়েছি।

নিউমোনিয়া কতটা ভয়ংকর? ঝুঁকিতে কারা, লক্ষণ ও বাঁচার উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৪ এএম
নিউমোনিয়া কতটা ভয়ংকর? ঝুঁকিতে কারা, লক্ষণ ও বাঁচার উপায়

ফুসফুসের সংক্রমণজনিত গুরুতর রোগ নিউমোনিয়া শিশু ও বয়স্কদের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এ রোগ জীবনহানির কারণও হতে পারে।

নিউমোনিয়া কী ও কেন হয়

নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের এক ধরনের মারাত্মক সংক্রমণ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক কিংবা কখনো পরজীবীর মাধ্যমে হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াই প্রধান কারণ। জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলে ভেতরের এয়ার স্যাক বা অ্যালভিওলাইতে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং সেখানে তরল বা পুঁজ জমে যায়। ফলে রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

নিউমোনিয়ার লক্ষণ

নিউমোনিয়ার লক্ষণ হালকা থেকে গুরুতর হতে পারে এবং বয়স ও সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয়। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

উচ্চ জ্বর ও শরীর কাঁপুনি

কাশি, কাশির সঙ্গে হলুদ, সবুজ বা কখনো রক্তমিশ্রিত কফ

শ্বাসকষ্ট ও দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস

বুকে ব্যথা, বিশেষ করে আক্রান্ত পাশের ফুসফুসে

দুর্বলতা, ক্লান্তি, ক্ষুধামান্দ্য

গুরুতর হলে ঠোঁট, জিহ্বা বা আঙুল নীল হয়ে যাওয়া (অক্সিজেন কমে গেলে)

শিশু ও নবজাতকদের ক্ষেত্রে অনেক সময় স্পষ্ট লক্ষণ নাও দেখা যেতে পারে। তবে খেতে না পারা, দ্রুত শ্বাস, অস্থিরতা, বমি বা অতিরিক্ত কান্না নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত হতে পারে।

৬৫ বছরের বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে জ্বর বা কাশি কম থাকলেও হঠাৎ বিভ্রান্তি, শারীরিক দুর্বলতা বা পুরোনো রোগের অবনতি দেখা দিতে পারে।

কারা নিউমোনিয়ার বেশি ঝুঁকিতে

৫ বছরের কম বয়সী শিশু

৬৫ বছরের বেশি বয়সী বয়স্ক ব্যক্তি

যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম (কেমোথেরাপি, স্টেরয়েড সেবন, এইচআইভি ইত্যাদি)

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হার্ট, কিডনি বা দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা ব্যক্তি

ধূমপায়ী

যাদের আগে থেকেই অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস বা অন্যান্য ফুসফুসের রোগ আছে

ভাইরাল ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জার পর সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ হলে

নিউমোনিয়ার ধরন

নিউমোনিয়া বিভিন্নভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা যায়। যেমন—

কমিউনিটি অ্যাকোয়ার্ড নিউমোনিয়া (হাসপাতালের বাইরে হওয়া)

হাসপাতাল-অর্জিত নিউমোনিয়া ও ভেন্টিলেটর-সম্পর্কিত নিউমোনিয়া

ব্যাকটেরিয়াল, ভাইরাল, মাইকোপ্লাজমা ও ছত্রাকজনিত নিউমোনিয়া

শ্বাসাঘাত (অ্যাসপিরেশন) নিউমোনিয়া

হাঁটা নিউমোনিয়া (হালকা উপসর্গযুক্ত)

রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা

জ্বর, কাশি, বুকে ব্যথা ও কফের রং পরিবর্তন হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সাধারণত বুকের এক্স-রে ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই নিউমোনিয়া শনাক্ত করা যায়।

সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়—

ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়ায় অ্যান্টিবায়োটিক

ভাইরাল নিউমোনিয়ায় প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যান্টিভাইরাল ও সহায়ক চিকিৎসা

জ্বর ও ব্যথায় প্যারাসিটামল

গুরুতর অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে অক্সিজেন বা ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ দিতে হয়।

কখন হাসপাতালে ভর্তি জরুরি

প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট

রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া

খাবার গ্রহণে অক্ষমতা

অতিরিক্ত জ্বর বা দ্রুত শ্বাস

বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে

নিউমোনিয়া প্রতিরোধের উপায়

সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া

ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার

নিয়মিত হাত ধোয়া ও সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা

নিউমোকোকাল ও ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন গ্রহণ (বিশেষ করে বয়স্ক ও উচ্চ ঝুঁকির ব্যক্তিদের জন্য)

ফ্লু বা নিউমোনিয়া আক্রান্ত হলে মাস্ক ব্যবহার

শেষ কথা

সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ মানুষই নিউমোনিয়া থেকে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে অবহেলা করলে এটি মারাত্মক জটিলতা থেকে মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

‘হ্যাঁ’ ভোটে জনমত গঠনে ফরিদপুরের রাজপথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৮ পিএম
‘হ্যাঁ’ ভোটে জনমত গঠনে ফরিদপুরের রাজপথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুর শহরের প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আন্দোলনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও দাবিসমূহ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করেন।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুর জেলা শাখার মুখপাত্র কাজী জেবা তাহসিন, সংগঠক মো. সোহেল, সহ-মুখপাত্র ফারহান সাদিক নুর, মারুফ আলবিন, ইসরাত জাহান রেখা, ওয়ালিউল ইসলাম রিজভী, ফাতিহা শেফা, শাহরিয়ার মাহিন, সারোয়ার আবরার শয়নসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং গণমানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের প্রচারণামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সর্বস্তরের জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তারা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনমত গঠনের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ফরিদপুরে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ধরা খেল মাদক কারবারি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
ফরিদপুরে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ধরা খেল মাদক কারবারি

ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে। আটক যুবকের নাম শুভ মোল্লা (৩০)। অভিযানে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি, খালি কার্তুজ এবং ৫৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। সেনাবাহিনীর ফরিদপুর ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের একটি দল এবং কোতয়ালি থানা পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযানটি পরিচালনা করেন।

সেনা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার বিকেলে তারা জানতে পারেন যে ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকায় এক মাদক ব্যবসায়ী অস্ত্রসহ অবস্থান করছে। তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের পর দ্রুত অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্দিষ্ট স্থানে অভিযান চালিয়ে শুভ মোল্লাকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, একটি পিস্তল ম্যাগাজিন, দুটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তলের গুলি, একটি খালি কার্তুজ এবং ৫৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে সেনা সূত্র জানিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি মাদক কারবার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল। অভিযানের সময় এলাকায় অতিরিক্ত সেনা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

অভিযান শেষে আটক আসামি, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য কোতয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

সেনা সূত্র আরও জানায়, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অপরাধ দমনে সাধারণ জনগণের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে সেনাবাহিনী সকল নাগরিককে তাদের এলাকার সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের যৌথ অভিযান ফরিদপুরসহ সারা দেশে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।