খুঁজুন
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ, ১৪৩২

৮০ বছরেও হয়নি সেতু, বেইলি জোড়াতালিতে দুর্ভোগে ফরিদপুরবাসী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ এএম
৮০ বছরেও হয়নি সেতু, বেইলি জোড়াতালিতে দুর্ভোগে ফরিদপুরবাসী

ফরিদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে কুমার নদের ওপর একটি স্থায়ী পাকা সেতু না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই পাড়ের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। সরকারি হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার, সরকারি তিতুমীর বাজার ও বৃহত্তর নিউমার্কেট—এই তিনটি পুরনো ও জনগুরুত্বপূর্ণ বাজারকে সংযুক্ত করা সেতুবন্ধনে দীর্ঘ ৮০ বছরেও নির্মিত হয়নি একটি স্থায়ী সেতু। বারবার অস্থায়ী বেইলি সেতু সংস্কার আর জোড়াতালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হওয়া এই তিন বাজারকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা হলে অন্তত অর্ধকোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হতো। একই সঙ্গে শহরের যানজট কমে যেত প্রায় ৬৬ শতাংশ। দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠত বাজার, সড়ক ও সেতু এলাকা, ফিরত কুমার নদের নান্দনিক সৌন্দর্যও।

এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফরিদপুরের সমাজসেবক ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুল হাসান পিংকু বলেন, “পরিকল্পিতভাবে সেতুটিকে অনওয়ে সড়ক সেতু হিসেবে গড়ে তুললে ফরিদপুর শহরের চেহারাই পাল্টে যেত। কিন্তু বছরের পর বছর শুধু বেইলি সেতু মেরামতের নামে লোক দেখানো কাজ হয়েছে।” তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিবছর ৫০–৬০ লাখ টাকা বা তারও বেশি ব্যয় দেখিয়ে সেতু সংস্কারের বিল তোলা হলেও স্থায়ী সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেই।

পিংকু সেতুর দুই পাশে একাধিক সংযোগ সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, এতে শহরের যানবাহন চলাচল সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসবে।

শরীয়তুল্লাহ বাজারের সাবেক সভাপতি মো. নুর ইসলাম মোল্লাও একই দাবি জানিয়ে বলেন, “৮০ বছরে অনেক সরকার এসেছে গেছে, কিন্তু শহরের প্রাণকেন্দ্রের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান কেউ করেনি। বেইলি সেতুর পরিবর্তে এখনই একটি প্রশস্ত পাকা সেতু প্রয়োজন।”

এদিকে সম্প্রতি আলীমুজ্জামান বেইলি ব্রিজে ফের অস্থায়ী মেরামত কাজ শুরুর খবরে শহরবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে সেতুটি দিয়ে সব ধরনের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফরিদপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার জানান, ‘বেইলি ব্রিজটি সংস্কার প্রয়োজন হওয়ায় কাজ শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন সেতু নির্মাণের একটি পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে কবে নাগাদ স্থায়ী পাকা সেতুর কাজ শুরু হবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সময়সীমা দিতে পারেননি তিনি।’

ফলে ফরিদপুরবাসীর প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—আর কত বছর বেইলি সেতুর জোড়াতালিতেই চলবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা?

কাউকে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যায়?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ এএম
কাউকে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যায়?

পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন করতে গিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন ও মানবিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নানা মাসআলা সামনে আসে। বিশেষ করে কোনো অসুস্থ রোগীর জন্য রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হলে অনেক রোজাদারের মনে প্রশ্ন জাগে—রোজা রেখে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

কারণ রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হওয়া, দুর্বলতা অনুভব করা কিংবা চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টি শরিয়তের দৃষ্টিতে কী—এ বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা থাকে না।

এ বিষয়ে হাদিস ও ফিকহের কিতাবে সুস্পষ্ট আলোচনা রয়েছে। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, রোজা ভঙ্গ হওয়ার মূল কারণ হলো শরীরের ভেতরে কোনো কিছু প্রবেশ করা। সাধারণভাবে শরীর থেকে কিছু বের হলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে অতিরিক্ত রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকায় সে ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে রোজা অবস্থায় রক্ত দেওয়া যাবে কিনা, কার জন্য তা মাকরূহ হতে পারে এবং কোন অবস্থায় তা বৈধ—এসব বিষয় জানা রোজাদারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে একদিকে যেমন মানবিক দায়িত্ব পালন করা যায়, অন্যদিকে তেমনি ইবাদতও শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

ফুকাহায়ে কেরামদের মতে, রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে রোজা ভেঙে যায় না। সে কারণে বিভিন্ন পরীক্ষা বা চিকিৎসার প্রয়োজনে রক্ত দেওয়া জায়েজ। তবে এমন পরিমাণ রক্ত দেওয়া মাকরূহ, যার ফলে শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোজা রাখা কষ্টকর হয়ে যায়।

এজন্য দুর্বল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রোজা অবস্থায় অন্য রোগীকে রক্ত দেওয়া অনুচিত। তবে যে ব্যক্তি সবল এবং রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে তার জন্য রোজা রাখা কষ্টকর হবে না, সে চাইলে রক্ত দিতে পারে। এতে কোনো শরয়ি অসুবিধা নেই।আবার সিঙ্গার মাধ্যমে শরীরের বিষাক্ত রক্ত বের করা হয়। তাই রোজা রেখে নিজের টেস্ট/পরীক্ষার জন্য কিংবা কোনো রোগীকে দেওয়ার জন্য রক্ত দিলে, রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে রক্ত দিতে গিয়ে দুর্বল হয়ে রোজা ভেঙ্গে ফেলার আশঙ্কা থাকলে, সে অবস্থায় রক্ত দেওয়া মাকরুহ হবে।

হজরত সাবিত আল-বুনানি (রহ.) বলেন- আনাস ইবনে মালিক (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে, রোজাদারের জন্য শরীর থেকে শিঙ্গা লাগিয়ে রক্ত বের করাকে কি আপনি অপছন্দ করেন? জবাবে তিনি বলেন- না, আমি অপছন্দ করি না। তবে দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় থাকলে ভিন্নকথা। (বুখারি ০১/২৬০)

সূত্র: বুখারি ১৯৩৬–১৯৪০, আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৩, কিতাবুল আসল ২/১৬৮, মাজমাউল আনহার ১/৩৬০

ইসলাম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‌্যাপার সেন্ট্রাল সি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২০ এএম
ইসলাম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‌্যাপার সেন্ট্রাল সি

ব্রিটিশ র‌্যাপার ওকলি নীল সিজার-সু, যিনি মিউজিক সিনে ‘সেন্ট্রাল সি’ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি এই র‌্যাপার জানিয়েছেন, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ‘স্প্রিন্টার’ খ্যাত এই তারকা ইসলাম গ্রহণের পর নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আখিল’। আন্তর্জাতিক ইসলামিক তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিবেদনে জানা যায়, ২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিম অনুষ্ঠানের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন।

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর PlaqueBoyMax-এর সঙ্গে সাম্প্রতিক একটি লাইভ আলোচনার সময় সেন্ট্রাল সি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং এখন থেকে ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে চান। তবে এর আগে ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে প্রকাশ্যে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায়নি এই ব্রিটিশ র‌্যাপারকে। সেন্ট্রাল সির ঝুলিতে প্রথম ব্রিটিশ র‌্যাপার হিসেবে একক প্ল্যাটফর্মে এক বিলিয়ন স্ট্রিম অর্জনের রেকর্ড আছে। এছাড়া ড্রেক, জে. কোলের মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন তিনি।

সেন্ট্রাল সির এমন সিদ্ধান্ত সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভক্ত-শ্রোতারা তাকে নেটদুনিয়ায় শুভকামনা জানিয়েছেন।

এর আগে ২০১৪ সালে সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করেন ‘সেন্ট্রাল সি’ হিসেবে পরিচিত এই ব্রিটিশ র‌্যাপার। তবে তিনি জনপ্রিয়তা পান ২০২১ সালের পর।

ফোনকলে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে হত্যার হুমকি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৭ এএম
ফোনকলে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে হত্যার হুমকি!

ফোনকলে হত্যার হুমকি পেয়েছেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমনি। কেউ একজন বিদেশ থেকে একটি অজানা নম্বর থেকে এই অভিনেত্রীকে ফোন করে হত্যার হুমকি দিয়েছে। হুমকি সহ অভিনেত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করা হয়।

সেই কথোপকথনের ভিডিও পরীমনি তার পেজে পোস্ট করেছেন। ফোন আসা নম্বরটির কান্ট্রি কোড মিলিয়ে দেয়া যায়, কলটি এসেছে কিউবা থেকে। শেয়ার করা ভিডিওর ক্যাপশনে পরীমনি লিখেছেন, ‘ভোট নিয়ে কিছু শেয়ার করা যাবে না! এরা কারা?’ সঙ্গে ক্যাপশনে তিনি বাংলাদেশ আর্মি, সিআইডি পুলিশ এবং বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল পেইজগুলো মেনশন করেছেন।

এ বিষয়ে পরীমনি বলেন, হুট করে একটি বিদেশি নম্বর থেকে আমাকে কল দিয়েই বিভিন্ন গালিগালাজ শুরু করেন। পাশাপাশি ভোট নিয়ে কিছু বলা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু শেয়ার করা যাবে না বলে আমাকে হত্যার হুমকি দেয়।