খুঁজুন
শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১৪ চৈত্র, ১৪৩২

ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ফরিদপুরের মথুরাপুর দেউল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫, ১০:১৮ এএম
ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ফরিদপুরের মথুরাপুর দেউল

ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নে মোঘল আমলে প্রতিষ্ঠিত ফরিদপুরের মথুরাপুর দেউল।

ষোড়শ শতাব্দীর শেষার্ধে নির্মিত এই দেউলটি শুধু স্থাপত্য নয়, বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন হিসেবেও বিবেচিত। তবে কালের বিবর্তনে অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে স্থাপত্যটি।

এটি ফরিদপুর শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং আনুমানিক ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল। ফরিদপুরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুখালী বাজার থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে মধুখালী-বালিয়াকান্দি আঞ্চলিক সড়কের পাশেই এর অবস্থান। রাস্তার বিপরীতে শান্তভাবে বয়ে চলেছে চন্দনা নদী। নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই মনোমুগ্ধকর দেউলটি দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন পর্যটক ও ইতিহাসপ্রেমীরা। অথচ, পর্যটকদের জন্য নেই কোনো মৌলিক সুযোগ-সুবিধা। ফলে দর্শনার্থীদের মুখোমুখি হতে হয় নানারকম বিড়ম্বনার।

দেশের ইতিহাসে মোগল সাম্রাজ্যের যেসব স্মৃতি বিদ্যমান, তার মধ্যে এই দেউলটি অন্যতম। সরকারের উদাসীনতার কারণে দেউলটির ইতিহাস ধরে রাখতে নেয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। কাগজে-কলমে ইতিহাসে থাকলেও বাস্তবিক অর্থে নেই কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা।

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৪০ শতাংশ জায়গাজুড়ে বিস্তৃত প্রায় ৮০ ফুট উচ্চতার দেউলটির গায়ে খচিত টেরাকোটার চিত্রকর্ম ও স্থাপত্য শৈলী চোখ জুড়িয়ে যায়। প্রাচীন ইট ও চুন-সুরকির মিশ্রণে নির্মিত এই দেউলের দেয়ালে ফুটে উঠেছে হিন্দু পুরাণের রামায়ণ ও কৃষ্ণলীলা, গায়ক, নৃত্যশিল্পী, পবনপুত্র হনুমান ও যুদ্ধদৃশ্যের নিপুণ চিত্র। প্রতিটি কোণের মাঝে স্থাপন করা হয়েছে কৃত্তিম মুখাবয়ব, যা সেই যুগের শিল্পভাবনার পরিচায়ক।

দেউলটির একমাত্র প্রবেশপথটি দক্ষিণমুখী এবং এটি বারো কোণা বিশিষ্ট, যা বাংলার স্থাপত্যধারায় বিরল। রেখা প্রকৃতির এই দেউল বাংলায় নির্মিত একমাত্র এরকম কাঠামো বলেই প্রত্নতত্ত্ববিদদের কাছে এটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

দেউলটি নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে রয়েছে ভিন্নমত। এক সূত্রমতে, সংগ্রাম সিং নামক এক সেনাপতি এটি নির্মাণ করেন। ১৬৩৬ সালে ভূষণার জমিদার সত্রাজিতের মৃত্যুর পর সংগ্রাম সিং-কে এই অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠার পর তিনি মথুরাপুরে বসবাস শুরু করেন এবং এক স্থানীয়
বৈদ্য পরিবারের কন্যাকে বিবাহ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তারই উদ্যোগে এই দেউলটি নির্মিত হয়।

হঠাৎ খিঁচুনি হলে কী করবেন? জেনে নিন জরুরি করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ এএম
হঠাৎ খিঁচুনি হলে কী করবেন? জেনে নিন জরুরি করণীয়

হঠাৎ কোনো মানুষ খিঁচুনিতে আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি মুহূর্তেই আতঙ্কজনক হয়ে উঠতে পারে। অনেকেই তখন কী করবেন বুঝে উঠতে পারেন না। অথচ এমন জরুরি মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত ও প্রাথমিক পদক্ষেপ একজন মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে। চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত আশপাশের মানুষের সচেতনতা ও উপস্থিত বুদ্ধিই হতে পারে সবচেয়ে বড় ভরসা।

শুধু হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক নয়, খিঁচুনিও এমন একটি অবস্থা যা হঠাৎ করেই দেখা দিতে পারে। তাই এর লক্ষণগুলো জানা এবং সঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো অত্যন্ত জরুরি।

খিঁচুনির লক্ষণ কী কী?

বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান Johns Hopkins Medicine-এর তথ্য অনুযায়ী, খিঁচুনির সময় যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে—

১. হাত-পা হঠাৎ ঝাঁকুনি দেওয়া

২. শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া

৩. একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা

৪. দ্রুত চোখের পলক ফেলা

৫. হঠাৎ পড়ে যাওয়া

৬. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

৭. মল বা মূত্র নিয়ন্ত্রণ হারানো

৮. এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

এই লক্ষণগুলো দ্রুত চিনতে পারলে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।

কী করবেন : জরুরি প্রাথমিক পদক্ষেপ

ভারতের মারেঙ্গো এশিয়া হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. প্রভীন গুপ্তা, যিনি দুই দশকের বেশি সময় ধরে স্নায়ুরোগ নিয়ে কাজ করছেন। তিনি খিঁচুনির সময় করণীয় বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।

তার ভাষায়, ‘খিঁচুনি হঠাৎ করেই হতে পারে। দৃশ্যটি ভয়ঙ্কর লাগলেও আপনি যদি শান্ত থাকেন এবং কী করতে হবে জানেন, তাহলে পরিস্থিতি সামলানো অনেক সহজ হয়ে যায়।’

নিচে তার পরামর্শ অনুযায়ী করণীয়গুলো তুলে ধরা হলো—

১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপদ রাখুন

প্রথমেই নিশ্চিত করুন, ব্যক্তি নিরাপদ জায়গায় আছেন। এ ক্ষেত্রে আশপাশে থাকা আসবাবপত্র, ধারালো বস্তু বা ঝুঁকিপূর্ণ জিনিস সরিয়ে ফেলুন। এতে খিঁচুনির সময় অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়ায় আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি কমে।

২. সঠিকভাবে শুইয়ে দিন

সম্ভব হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে পাশ ফিরে শুইয়ে দিন। মাথার নিচে নরম কিছু (কাপড়/বালিশ) দিন। এতে শ্বাসনালি খোলা থাকে এবং শ্বাসকষ্ট বা দম আটকে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।

৩. শরীর চেপে ধরবেন না

অনেকেই ভাবেন, শরীর চেপে ধরলে খিঁচুনি থামানো যাবে, এটি ভুল। জোর করে নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে উভয়েরই আঘাত লাগতে পারে। খিঁচুনি স্বাভাবিকভাবেই শেষ হতে দিন।

৪. প্রয়োজনে জরুরি ওষুধ ব্যবহার

যদি আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য আগে থেকে নির্ধারিত জরুরি ওষুধ (যেমন: মিডাজোলাম ন্যাজাল স্প্রে) থাকে, নির্দেশনা অনুযায়ী তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

খিঁচুনির সময় কতক্ষণ? কখন হাসপাতালে যাবেন

ডা. প্রভীন গুপ্তা জানান, বেশিভাগ খিঁচুনি ২-৩ মিনিটের মধ্যেই থেমে যায়। তাই সময় লক্ষ্য রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিচের ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে—

১. খিঁচুনি ৩ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে

২. অল্প সময়ের ব্যবধানে আবার খিঁচুনি শুরু হলে

যেসব ভুল কখনো করবেন না

১. খিঁচুনির সময় কিছু কাজ পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দিতে পারে।

২. মুখে আঙুল, চামচ বা কাপড় ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

শেষ কথা

খিঁচুনির মতো পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পদক্ষেপ দ্রুত নিতে পারলে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসা সহায়তা আসা পর্যন্ত আপনার সচেতনতা ও সহানুভূতিই হতে পারে একজন মানুষের নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

‘ফ্যামিলি কার্ডের’ স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা! ফরিদপুরে যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১০:০১ পিএম
‘ফ্যামিলি কার্ডের’ স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা! ফরিদপুরে যুবক আটক

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের কেশবনগর গ্রামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাকে কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। আটক সাইফুল ইসলাম ওই গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে সরকারি বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাইফুল ইসলাম কেশবনগর এলাকার কয়েকজন হতদরিদ্র মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, তার মাধ্যমে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো সরকারি খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধা পেতে পারবে। এই প্রলোভনে পড়ে এলাকার অসহায় মানুষজন তার কাছে ভিড় জমাতে শুরু করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সাইফুল ইসলাম জনপ্রতি ৭০০ থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। অনেকেই শেষ সম্বল থেকে টাকা দিয়ে কার্ড পাওয়ার আশায় ছিলেন। তবে সময় গড়ালেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এবং তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দিলে ভুক্তভোগীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়।

পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি হলে ভুক্তভোগীরা ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের হটলাইন নম্বরে অভিযোগ জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর হটলাইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক সত্যতা পায়। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, না বুঝে এ ধরনের কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আর এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তিনি ভুক্তভোগীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ২:৫৪ পিএম
ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তাহসিন ইসলাম ওরফে সিয়ামকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শহরের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সামনে থেকে কোতোয়ালী থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

গ্রেপ্তারকৃত সিয়াম ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিয়াম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী থানা ভাঙচুর সংক্রান্ত একটি মামলায় পূর্বে গ্রেপ্তার হয়ে সিয়াম জেলা কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে জামিনে বের হওয়ার পরই তিনি আবারও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও সংঘবদ্ধ মারামারির ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ একটি মারামারির ঘটনার সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সিয়ামকে আটক করা হয়। পরে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত সিয়ামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে মারামারি, ভাঙচুর ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে।

তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে শুক্রবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়।”