খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে ধার নেওয়া ২০ টাকার জন্য গলাটিপে হত্যা করে বন্ধুকে অপর বন্ধু

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ধার নেওয়া ২০ টাকার জন্য গলাটিপে হত্যা করে বন্ধুকে অপর বন্ধু

নিহত শিক্ষার্থী আমির হামজার (১৩) কাছ থেকে হত্যাকারী অপর শিক্ষার্থী ফরহাদ রেজা মাঝে মধ্যেই টাকা ধার নিতে। সর্বশেষ সে ৫০ টাকা ধার নিয়েছিল। তার মধ্যে ৩০ টাকা পরিশোধ করেছিল। ঘটনার দিন বাকি ২০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে তর্কে-বিতর্কে ওই শিক্ষার্থী গালিগালাজ করায় ফরহাদ প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে দুইজন তর্কে-বিতর্ক করতে করতে যাওয়ার সময় আমির হামজার গলা টিপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ফরহাদ।

এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের চান্দড়া তা’লিমুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানায়। এ ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওই কিশোরের (হত্যাকারী) ব্যবহৃত একটি কাঁথার সূত্র ধরে এ হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান।

জানা গেছে, নিহত মাদ্রাসাছাত্র আমির হামজা আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের শুকুরহাটা গ্রামের সায়েমউদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে ও উপজেলার চান্দড়া তা’লিমুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার জামাতখানা বিভাগের দ্বিতীয় জামাতের ছাত্র ছিল।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত কিশোর ফরহাদ রেজা (১৬) উপজেলার চর চান্দড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলাম ফকিরের ছেলে। আসামি ফরহাদও একই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তারা দুইজন একই ক্লাসের পড়ালেখা করে এবং দুইজন ভালো বন্ধুও।

আলফাডাঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হয় আমির হামজা। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাদ্রাসার পার্শ্ববর্তী একটি ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় তার লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পরেরদিন বুধবার ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ​এরপর ​ক্লুলেস হত্যা মামলায় তদন্তে শুরু করে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করে এবং হত্যাকারী কিশোরকে গ্রেপ্তার করে।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) আজম খান বলেন, এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকান্ড ছিল। এ হত্যা রহস্য উদ্‌ঘাটনের জন্য চারটি আলাদা টিম গঠন করা হয়। আমির হামজা ওইদিন বিকেলে কারও সঙ্গে সাইকেলে উঠেছিল। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা ওই কিশোরের ব্যবহৃত কাঁথার মাধ্যমে হত্যাকারীকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

তিনি বলেন, মাদ্রাসার পাশে একটি বাগান থেকে গ্রেপ্তার কিশোরের বাড়ি প্রায় ৫০০ গজ দূরে। ওই বাগানে টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে দুই কিশোরের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই কিশোর হামজার গলা টিপে ধরে। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় হামজা। ঘটনার পর সন্ধ্যা হয়ে গেলে ওই কিশোর লাশ বাগানে ফেলে রেখে মাদ্রাসায় ফিরে আসে। সন্ধ্যার হাজিরা দিয়ে মাদ্রাসা থেকে একটি কাঁথা নিয়ে আবার বাগানে যায়। এরপর নিজের বাড়ি থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তা এনে হামজার লাশ বস্তার মধ্যে ঢুকিয়ে পাঁচটি ইট ভরে দেয়, যাতে সেটি পানিতে না ভাসে। পরে বস্তাটি বাগানের পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর পুকুর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে এলাকাবাসী বস্তাটি দেখতে পায়। পরে পুলিশ গিয়ে বস্তাবন্দী অবস্থায় অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

হত্যাকারী কিশোরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এএসপি বলেন, আমির হামজার কাছ থেকে মাঝেমধ্যেই কিছু টাকা ধার নিত আসামী কিশোর। সর্বশেষ ৫০ টাকা ধার নেওয়ার পর অনেক দিন ধরে তা ফেরত দেয়নি। এদিকে আমির হামজা বারবার টাকা ফেরত চাইতে থাকায় বিরক্ত হয় ফরহাদ রেজা এ হত্যাকান্ড ঘটায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোর হত্যার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তবে এ হত্যার পেছনে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জালাল আলম বলেন, এ ঘটনায় হামজার বাবা সায়েমউদ্দিন বিশ্বাস বাদী হয়ে বুধবার দিবাগত রাতে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুরে চুরির বেঞ্চ বিক্রি করতে গিয়ে ধরা, যুবকের চুল-গোঁফ কেটে দিল জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চুরির বেঞ্চ বিক্রি করতে গিয়ে ধরা, যুবকের চুল-গোঁফ কেটে দিল জনতা

ফরিদপুর সদর উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চুরি হওয়া বেঞ্চের লোহার ফ্রেম ও সাইনবোর্ড বিক্রি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন সাব্বির খান (২৫) নামের এক যুবক। পরে উত্তেজিত জনতা তাঁকে আটকে রেখে তাঁর মাথার চুল ও গোঁফ কেটে দিয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের খাসকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সাব্বির ওই এলাকার আবুল খানের ছেলে এবং বিদ্যালয়টির প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

​স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার স্কুল বন্ধ হওয়ার পর সুযোগ বুঝে বিদ্যালয়ের চারটি বেঞ্চের লোহার ফ্রেম, স্টিলের সাইনবোর্ড ও লোহার গ্রিল চুরি করে সাব্বির। বৃহস্পতিবার সকালে এসব মালামাল কানাইপুর বাজারের একটি ভাঙাড়ির দোকানে বিক্রি করতে যান তিনি। সেখানে বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাঁরা দ্রুত প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের খবর দেন।

​পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষকরা এসে মালামালসহ সাব্বিরকে হাতেনাতে আটক করেন। সেখান থেকে একটি নছিমন গাড়িতে করে তাঁকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সাব্বিরকে বসিয়ে ব্লেড দিয়ে তাঁর চুল ও গোঁফ কেটে দেয়। এ সংক্রান্ত কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

​খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আটক ঘর থেকে কৌশলে পালিয়ে যান ওই যুবক।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বাসন্তী দত্ত বলেন, “বন্ধের সুযোগে মালামালগুলো চুরি হয়েছিল। আমরা সকালে চুরির বিষয়টি জানতে পারি। পরে স্থানীয়রা চোরকে আটক করলে তাঁকে এনে একটি কক্ষে আটকে রেখে ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ আসার আগেই তিনি পালিয়ে যান। তবে এর মাঝে এলাকার কিছু লোক তাঁর চুল ও গোঁফ কেটে দেয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।”

​ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুল হাসান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে যায়। লিখিত অভিযোগ সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ কারখানায় সাজা, এনসিপি থেকে স্থায়ী বহিষ্কার বায়েজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ কারখানায় সাজা, এনসিপি থেকে স্থায়ী বহিষ্কার বায়েজিদ

অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সিদ্ধান্তে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলটির সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

​জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদের মালিকানাধীন ‘মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ’ নামের কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। অভিযানে অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ উপায়ে শিশুদের বেবি জেল এবং প্রাপ্তবয়স্কদের যৌন উত্তেজক আয়ুর্বেদিক ওষুধসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

​অভিযান পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ইনসানা তানজীন ইকো। ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬/১ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডাদেশ ঘোষণার পরপরই তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই কারখানাটি অবৈধভাবে পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি।

​এদিকে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পরপরই কেন্দ্রীয়ভাবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে এনসিপি। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে দলটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে (স্মারক: এনসিপি/কেন্দ্র/শোকজ/২০২৫-২০২৬/৬৩) বায়েজিদ হোসেনকে স্থায়ী বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বায়েজিদ হোসেনকে অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার শর্তে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।

​এর আগে ফরিদপুর জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সাইফ হাসান খাঁন জানিয়েছিলেন, অন্যায়ের সঙ্গে দলের কোনো আপস নেই এবং ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বার্তা কেন্দ্রে জানানো হয়েছে।

​দণ্ডপ্রাপ্ত মো. বায়েজিদ হোসেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে শহরের গোয়ালচামট এলাকায় বসবাস করছেন।

শিশু একাডেমির ফরিদপুর জেলা পরিচালনা কমিটিতে নিরব ইমতিয়াজ শান্ত

শরিফুল ইসলাম, ফরিদপুর
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
শিশু একাডেমির ফরিদপুর জেলা পরিচালনা কমিটিতে নিরব ইমতিয়াজ শান্ত

ফরিদপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সক্রিয়তা ও সংগঠক হিসেবে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, ফরিদপুর জেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তরুণ সাংস্কৃতিক সংগঠক নিরব ইমতিয়াজ শান্ত।

কিশোর বয়স থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নিরব ইমতিয়াজ শান্ত অভিনয়, আবৃত্তি, নাট্যচর্চা, নাট্যরচনা ও নির্দেশনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সংগঠন পরিচালনায়ও যুক্ত রয়েছেন। শিশু-কিশোর ও তরুণদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগে কাজ করে আসছেন তিনি।

বর্তমানে তিনি ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং নাট্যকুঞ্জ, ফরিদপুরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠন দুটির বিভিন্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও নিয়মিত সম্পৃক্ত রয়েছেন।

নাট্যচর্চার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার পথচলা শুরু হয়। মঞ্চে অভিনয়ের পাশাপাশি নাটক লেখা ও নির্দেশনার সঙ্গেও যুক্ত হন তিনি। তার নেতৃত্বে নাট্যকুঞ্জ শিশু-কিশোর ও তরুণদের নিয়ে নাট্যচর্চা, সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।

নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে নিরব ইমতিয়াজ শান্ত বলেন, তরুণ বয়সে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জেলা পরিচালনা কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়াটা তার জন্য সম্মানের। এ দায়িত্বের জন্য তিনি ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, তার ওপর যে আস্থা রাখা হয়েছে, সেই আস্থার মর্যাদা রাখার চেষ্টা করবেন। শিশুদের সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে নিজের অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কাজ করতে চান তিনি।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কিশোর বয়সে পথচলা শুরু করে ধীরে ধীরে সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নিরব ইমতিয়াজ শান্তর নতুন এই দায়িত্বকে শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও সম্পৃক্ত করার একটি নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।