খুঁজুন
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

হঠাৎ বিএনপিতে যোগ, এরপরই সহিংসতা—ফরিদপুরে আটক সাবেক চেয়ারম্যান

এন কে বি নয়ন, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
হঠাৎ বিএনপিতে যোগ, এরপরই সহিংসতা—ফরিদপুরে আটক সাবেক চেয়ারম্যান

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল মান্নান মাতুব্বরক (৬৬) আটক করেছে যৌথবাহিনী।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক মান্নান মাতুব্বর উপজেলার ময়েনদিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে অনুপস্থিত ছিলেন। প্রায় ১৮ মাস ধরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে আসেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে, ১৪ জানুয়ারি তিনি রাজনৈতিকভাবে দল পরিবর্তন করে বিএনপিতে যোগ দেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের পর ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মান্নান মাতুব্বরের অনুসারীদের সঙ্গে প্রতিপক্ষ জিহাদ গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মান্নান মাতুব্বরের বিরুদ্ধে।

পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পলিন্স সেক জানান, “মান্নান মাতুব্বর দীর্ঘদিন ইউনিয়নে অনুপস্থিত। ফলে স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল।”

একই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রানী বেগম বলেন, “তিনি প্রায় দেড় বছর পরিষদে না আসায় সদস্যদের সম্মতিতে রেজুলেশন করে আমাকে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে আমি নিয়মিতভাবে ইউনিয়নের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেল) আজম খান জানান, “ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আব্দুল মান্নান মাতুব্বরকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন। মান্নান মাতুব্বর আটক হলেও পরিষদের কাজে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না।”

স্থানীয়রা বলছেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তারা আশা করছেন।

তারেক রহমানকে যে সতর্কবার্তা দিলেন গোলাম মাওলা রনি?

গোলাম মাওলা রনি
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৩ পিএম
তারেক রহমানকে যে সতর্কবার্তা দিলেন গোলাম মাওলা রনি?

রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দায়িত্ব গ্রহণের পর কী ধরনের চ্যালেঞ্জ সামনে আসতে পারে,সে বিষয়ে বিশদ বিশ্লেষণ করেন।

সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর প্রতি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক বার্তা তুলে ধরেছেন।

গোলাম মাওলা বলেন, তারেক রহমানের আশেপাশের লন্ডন থেকে আশা কিছু লোক ঘিরে রেখেছে তাদের কারণে দলের নেতাকর্মীরা তার কাছে ভিড়তে পারছে না এটা এখনই দূর করতে হবে। বৈদেশিক বিনিয়োগের ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন গোলাম মাওলা রনি।

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় আসা যতটা কঠিন, তার চেয়ে বেশি কঠিন ক্ষমতা ধরে রাখা। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক চিত্র স্পষ্টভাবে বুঝে নিতে হবে।

রনি বলেন, শুধু সরকারি ব্রিফিংয়ের ওপর নির্ভর না করে ব্যাংকিং খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের, অবসরপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ এবং আর্থিক খাতের নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক করা প্রয়োজন। বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ, রিজার্ভের অবস্থা, ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট এবং মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃত চিত্র না বুঝলে যেকোনো সরকার শুরুতেই হোঁচট খেতে পারে।

মুদ্রার মান অবমূল্যায়ন ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিকেও তিনি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়। তাই বাজার নিয়ন্ত্রণ, ডলার সংকট মোকাবিলা এবং খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে প্রথম দিকের অগ্রাধিকার।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানিয়ে রনি বলেন, ক্ষমতায় এলে দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নিলে জনগণের আস্থা দ্রুত নষ্ট হবে। নিজ দলের অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে না পারলে সরকার নৈতিক অবস্থান হারাবে।প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে দিতে হবে।

দলীয় ঐক্যের বিষয়েও সতর্ক করেন তিনি। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করা হলে অভ্যন্তরীণ বিভাজন তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন রনি। বিদেশভিত্তিক বা কেন্দ্রীয় বলয়ের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের নেতাদের সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর ভেতরে শৃঙ্খলা ও সমন্বয় রক্ষা হবে অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

প্রশাসন, ব্যাংক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রসঙ্গেও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। রনির মতে, দলীয় বিবেচনার বদলে দক্ষতা, সততা ও অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্য নেতৃত্ব নিশ্চিত না হলে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা বাড়তে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিষয়ে তিনি সংযত ও কৌশলী অবস্থানের পরামর্শ দেন। প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাবের পরিবর্তে আইনের শাসনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি সবসময় বাংলাদেশের রাজনীতির ওপর থাকে, ফলে যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ কূটনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে।

সব মিলিয়ে গোলাম মাওলা রনির বক্তব্যে স্পষ্ট বার্তা হলো,সম্ভাব্য ক্ষমতার পথ যতই উন্মুক্ত হোক না কেন, সামনে রয়েছে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা, দলীয় ঐক্য ও প্রশাসনিক দক্ষতা—এই চার স্তম্ভ মজবুত করতে না পারলে রাজনৈতিক সাফল্য দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিশ্লেষণ ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

লেখক: রাজনীতিবিদ ও কলাম লেখক 

সব কথা বলা উচিত নয়—যে ৭ পরিস্থিতিতে চুপ থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
সব কথা বলা উচিত নয়—যে ৭ পরিস্থিতিতে চুপ থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ?

কথা তো বলতেই হয়। তবে জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত আসে, যখন চুপ থাকলেই ভালো। মনের কথা বলে যেমন নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা দরকার, তেমনই কোথায় চুপ থাকাটা জরুরি তা জানাও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

রাগের সময় :

রাগের সময়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে পারে। রাগের মাথায় একবার কোনও কথা বেরিয়ে গেলে তা ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। রাগের সময় জিনিস ছুড়তে গিয়ে যদি প্রিয়জনের আঘাত লাগে, সেটা মোটেই ভালো কথা নয়। আবার নিজেকে সংযত করতে না পেরে এমন ভাষা ব্যবহার করলেন, যা অন্য দিকের মানুষটিকে তীব্র ভবে আঘাত করল, সেটাও ঠিক নয়। তাই যখন প্রচণ্ড রাগ হয়, নিজেকে সংযত রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। খানিক ক্ষণ চুপ করে থাকলে মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স শান্ত হয়।

রাগ কমাতে নানা কৌশল প্রয়োগ করতে পারেন। বাথরুমে গিয়ে পায়ে ঠান্ডা পানি ঢালুন, কিংবা ঘরে গিয়ে চুপ করে বসে থাকুন। কান্না পেলে কাঁদুন, কষ্ট হলে লিখে ফেলুন ডায়েরিতে। চাইলে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামও করতে পারেন।

একজন যখন চিৎকার করে :

কোনও বিশেষ পরিস্থিতিতে যদি এক জন চিৎকার করে তখন শান্ত হয়ে যান। শুনতে থাকুন। যখন অন্যের থেকে কোনও কথা বা বিশেষ সত্যি জানতে চাইছেন, তখন এমন কৌশল কাজে আসতে পারে।

দু’জনের তর্ক-বিতর্কের মাঝে:

দু’জনের তর্ক-বিতর্কের মাঝে কোনও এক পক্ষের হয়ে কথা বলতে গেলেও পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।কারণ, সেই সময় কেউই ঠান্ডা মাথায় বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করবেন না।বরং সেই সময় চুপ থাকাই ভালো। তা না হলে সমস্যা আরও বাড়বে।

শোনা দরকার:

কোনও বিষয় নিয়ে যখন ঝামেলা চলছে, তখন প্রত্যেকেই নিজের সমর্থনে অন্যকে পাশে পেতে চাইবেন। এই সময় না শুনে, না বুঝে কাউকে সমর্থন করার চেয়ে চুপ করে উভয়েরই কথা শোনা দরকার। সবটা শুনে নিজের পরামর্শ দিতে পারেন।

গুরুত্বহীন বিষয়ে অযথা তর্ক না করা:

তুচ্ছ বিষয়ে কারও সঙ্গে তর্ক করলে সময় নষ্ট হয়, সম্মানহানিও হতে পারে। তাই এই ধরনের পরিস্থিতিতে চুপ করে থাকাটাই ভালো।

সমালোচনায় অংশ না নেওয়া :

আপনি যদি কারও সমালোচনা করেন, তাহলে পরবর্তীকালে আপনারও সমালোচনা হতে পারে। এই কারণে কখনও অন্যদের বিষয়ে খারাপ কথা বলা উচিত নয়।

সূত্র : সমকাল

ফরিদপুর-৩ : ফলাফলে হেরে যা বললেন আবদুত তাওয়াব—চমকে গেলেন অনেকেই

মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
ফরিদপুর-৩ : ফলাফলে হেরে যা বললেন আবদুত তাওয়াব—চমকে গেলেন অনেকেই

ফরিদপুরবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন ১১ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর আবদুত তাওয়াব। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া, ভালোবাসা ও সমর্থনে তিনি অভিভূত বলে জানিয়েছেন।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ফরিদপুরের সাধারণ মানুষ তাকে যে আন্তরিকতা, আস্থা ও স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়েছেন, তা তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন—জনগণের এই সমর্থনই তাদের ভবিষ্যৎ পথচলার শক্তি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং ১১ দলীয় জোটের প্রতি জনগণের যে বিপুল সমর্থন লক্ষ্য করা গেছে, তা প্রমাণ করে দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা নীতি, আদর্শ ও জনগণের কল্যাণভিত্তিক রাজনীতির প্রত্যাশা করে। এই জনসমর্থনকে তিনি একটি নতুন রাজনৈতিক জাগরণের সূচনা হিসেবে দেখছেন।

প্রফেসর তাওয়াব আরও বলেন, এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ জনগণের ত্যাগ, শ্রম ও নিষ্ঠা ছিল অনন্য। দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যারা তার পক্ষে কাজ করেছেন, তাদের প্রতি তিনি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের অবদানও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, কল্যাণমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠা কোনো স্বল্পমেয়াদি বিষয় নয়; এটি একটি দীর্ঘ, ধৈর্য ও সংগ্রামের পথ। তিনি মনে করেন, জনগণের আস্থা অর্জনের যে যাত্রা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী রূপ নেবে।

এদিকে নির্বাচনে বিজয়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিজয়ী প্রার্থীর সঙ্গে তার সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ ও আলোচনা হয়েছে, যা রাজনৈতিক সহনশীলতা ও ইতিবাচক সংস্কৃতির দৃষ্টান্ত। পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে বিজয় অর্জন মানেই দায়িত্বের সূচনা। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি আশা করেন, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য জনগণের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন। পাশাপাশি তিনি গঠনমূলক সমালোচনা ও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সবশেষে প্রফেসর আবদুত তাওয়াব দুর্নীতি, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা ও মাদকমুক্ত ফরিদপুর গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি নিরাপদ, উন্নত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় তিনি কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন।