খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ২৭ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ফেব্রিকন ফ্যাশনের শো-রুম উদ্বোধন

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ফেব্রিকন ফ্যাশনের শো-রুম উদ্বোধন

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা জাতীয় মানের খ্যাতিসম্পন্ন পোশাকের ব্যান্ড ফেব্রিকন ফ্যাশনের শো-রুম উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের হাসপাতাল রোডে বারি প্লাজার দ্বিতীয় তলায় এ শো-রুমের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেক কেটে ও দোয়ার আয়োজন করে শো-রুমের আনুষ্ঠানিকতা শুভ সূচনা করা হয়। এখন থেকে এই শো-রুমে ছেলে-মেয়ে, শিশুসহ সকল বয়সীদের আধুনিক ও রুচিসম্মত বিভিন্ন ধরনের পোষাক পাওয়া যাবে।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্তাধিকারী বায়েজিত মোল্যা বলেন, আমাদের অঞ্চলের মানুষ ভালো পোষাক ক্রয় করার জন্য ঢাকা ও ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাতে যান। এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে আধুনিক ও রুচিসম্মত পোশাক ফেব্রিকন ফ্যাশানসহ অনের ভালো মানের পোশাকের শো-রুম দেওয়া হয়েছে। এই শো-রুম থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দের পোষাক সুলভ মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।

তিনি বলেন, এখানে নারী ও পুরুষের রুচিসম্মত সকল ধরনের পোষাক ও পাদুকা পাওয়া যাবে। ক্রেতাদের চাহিদানুযায়ী আমার আরও পোষাক সংযোজন করবো।

এই ঈদ উপলক্ষে সাধারণ ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে সকল পণ্যর উপর নির্দিষ্টহারে ছাড় দিবেন বলে জানান বায়োজিত মোল্যা।

ফরিদপুরে খালি গায়ে গামছা পড়ে কৃষক সেজে ডাকাত ধরলো পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর ও ভাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে খালি গায়ে গামছা পড়ে কৃষক সেজে ডাকাত ধরলো পুলিশ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় অভিনব কৌশলে অভিযান চালিয়ে কাওছার শেখ (৩৫) নামে এক পলাতক ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কৃষকের ছদ্মবেশ ধারণ করে ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভাঙ্গা থানার এএসআই মো. আতাউর রহমান, যার সাহসিকতা ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, পুলিশের এমন সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত অভিযানে অপরাধ দমনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি মামলার আসামি কাওছার শেখ ভাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে পৌরসভা ও ঢাকা-খুলনা হাইওয়ে এক্সপ্রেসপথে সংঘটিত একাধিক ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দায়ের করা একটি ডাকাতি মামলায় (মামলা নং-০৫, জিআর-৩২৪/২৪, ধারা ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে ভাঙ্গা উপজেলার হাসামদিয়া এলাকার একটি ফসলের মাঠে অবস্থান নেয় পুলিশ। অভিযানের অংশ হিসেবে এএসআই আতাউর রহমান খালি গায়ে গামছা পরে কৃষকের ছদ্মবেশ ধারণ করেন, যাতে সন্দেহ এড়ানো যায়। পরে সঠিক সময় বুঝে কৌশলে কাওছারকে আটক করা হয়। ওইদিন রাত ১১টার দিকে তিনি গণমাধ্যমের সামনে এই অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

গ্রেফতারকৃত কাওছার শেখ ভাঙ্গা পৌরসভার পশ্চিম হাসামদিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং দাউদ শেখের ছেলে। পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে আরও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে এএসআই মো. আতাউর রহমান বলেন, “ওসি মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় আমরা অভিযান পরিচালনা করি। কাওছার দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল এবং তাকে ধরতে বিশেষ কৌশল গ্রহণ করা হয়। অবশেষে সফলভাবে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।”

মায়ের কাছ থেকে যে ৮ বৈশিষ্ট্য পায় সন্তান?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২২ পূর্বাহ্ণ
মায়ের কাছ থেকে যে ৮ বৈশিষ্ট্য পায় সন্তান?

প্রতিটি শিশুর জন্মই এক নতুন জগতের সূচনা। তবে শুধু পিতামাতার ভালোবাসা, যত্ন বা পরিবেশ নয়, শিশুর শরীর ও মনও এক ধরনের জৈবিক উত্তরাধিকার বহন করে।

বিশেষ করে মায়ের জিনের প্রভাব সন্তানের ওপর আলাদা এবং গুরুত্বপূর্ণ। অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণা দেখিয়েছে, মায়ের দিক থেকে প্রাপ্ত জিন এবং বৈশিষ্ট্য শিশুর শারীরিক গঠন, মানসিক সক্ষমতা, স্বাস্থ্যের ঝুঁকি এবং এমনকি আচরণেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশের পরিবারে মা ও সন্তানের সম্পর্ক প্রাথমিক পরিচর্যার মাধ্যমে বোঝা যায়, কিন্তু এই সম্পর্ক জিনগতভাবে অনেক গভীর। শুধু দেখায় যে বাচ্চা মায়ের মতো হাসে বা মূখাবয়ব নেয়, বরং মায়ের দিক থেকে প্রাপ্ত জিনগুলো শিশুর জীবনের নানা দিককে প্রভাবিত করে।

চলুন জেনে নিই, মায়ের কাছ থেকে সন্তানের মধ্যে কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য আসে:

১. মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ

কোষের শক্তিকেন্দ্র মাইটোকন্ড্রিয়া শুধু মায়ের কাছ থেকেই আসে। এটি শিশুর শরীরের শক্তি উৎপাদন, বিপাকক্রিয়া এবং বার্ধক্যের গতিতে প্রভাব ফেলে।

২. বুদ্ধিমত্তা

গবেষণায় দেখা গেছে, বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু জিন মায়ের দিক থেকে বেশি প্রভাব ফেলে। ফলে মায়ের শিক্ষার অভ্যাস, চিন্তাভাবনার ধরন ও জিনগত বৈশিষ্ট্য শিশুর মানসিক বিকাশে সাহায্য করতে পারে।

৩. শারীরিক বৈশিষ্ট্য

চুলের রং ও গঠন, হেয়ারলাইন, ত্বকের রং এবং ভ্যারিকোজ ভেইনের প্রবণতা; এসব শিশুর মধ্যে প্রাথমিকভাবে মায়ের দিক থেকে আসে। ভ্যারিকোজ ভেইন হলো এমন এক অবস্থা, যেখানে শিরাগুলো ফুলে যায় বা বাঁকানো দেখা যায়, সাধারণত ত্বকের ওপর নীল বা বেগুনি দাগের মতো প্রকাশ পায়।

৪. বিপাকক্রিয়া ও ওজন

শরীরের শক্তি ব্যবহারের ধরন এবং সহজে ওজন বাড়ার প্রবণতা; এসবে মায়ের জিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশুর বিপাক ও ওজন নিয়ন্ত্রণে মায়ের দিক থেকে প্রাপ্ত জিনের প্রভাব চোখে পড়ে।

৫. মেজাজ ও ঘুমের ধরন

অনিদ্রা, ঘুমের সমস্যা বা কিছু মুড-সম্পর্কিত প্রবণতা, যেমন বিষণ্নতা—মায়ের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে আসতে পারে। এর মাধ্যমে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ও আচরণে প্রভাব পড়ে।

৬. কিছু রোগের ঝুঁকি

মায়োপিয়া (কাছের জিনিস স্পষ্ট ও দূরের জিনিস ঝাপসা দেখা), গ্লুকোমা, ছানি ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি মায়ের দিক থেকে আসতে পারে। ফলে স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং প্রাথমিক নজরদারি শিশুর জন্য জরুরি।

৭. X-লিংকড বৈশিষ্ট্য (বিশেষ করে ছেলেদের ক্ষেত্রে)

ছেলেসন্তান মায়ের কাছ থেকে একমাত্র X ক্রোমোজোম পায়। তাই বর্ণান্ধের মতো বৈশিষ্ট্য সরাসরি মায়ের দিক থেকে আসার সম্ভাবনা বেশি।

৮. প্রজনন (মেয়েদের ক্ষেত্রে)

মেয়েদের প্রথম মাসিক ও মেনোপজের সময় অনেক ক্ষেত্রে মায়ের সময়সূচির সঙ্গে মিল দেখা যায়। অর্থাৎ মেয়েদের প্রজনন সংক্রান্ত কিছু বৈশিষ্ট্যও মায়ের জিনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

শেষ কথা

মনে রাখতে হবে, সব শিশুর ক্ষেত্রে এসব ভূমিকা এক রকম নয়। জিনের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশ এবং জীবনধারার প্রভাব শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই মা ও সন্তানের সম্পর্ক শুধুমাত্র জেনেটিক নয়, বরং প্রতিদিনের যত্ন, পরিচর্যা ও অভ্যাসের মিশ্রণে শিশুর ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে।

সূত্র: ফ্যামিলি এডুকেশন

কারা বেশি কাজে ফাঁকি দেয়, ছেলেরা নাকি মেয়েরা?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ
কারা বেশি কাজে ফাঁকি দেয়, ছেলেরা নাকি মেয়েরা?

দুপুর গড়িয়েছে, অফিসের ফাইল টেবিলে জমে উঠছে। কেউ চুপচাপ কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, আবার কেউ একটু পরপর মোবাইল স্ক্রল করছে কিংবা চা-আড্ডায় ব্যস্ত। তাই প্রশ্নটা প্রায়ই ওঠে, আসলে কে বেশি কাজে ফাঁকি দেয়? ছেলেরা নাকি মেয়েরা?

এই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু এতটা সরল নয়। বরং এর পেছনে আছে সামাজিক বাস্তবতা, কর্মসংস্কৃতি, এবং ব্যক্তিগত মনস্তত্ত্বের জটিল মিশেল।

গবেষণা কী বলছে?

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন কর্মসংস্থান ও আচরণবিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে, কাজ ফাঁকি দেওয়া বা কাজ পেছানো নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই রয়েছে; তবে এর ধরন ভিন্ন।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-এর কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষরা তুলনামূলকভাবে বেশি সময় ‘non-work activities’-এ ব্যয় করেন। সেটা হতে পারে অপ্রয়োজনীয় ইন্টারনেট ব্রাউজিং বা আড্ডা।

অন্যদিকে, হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ-এ প্রকাশিত একাধিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নারীরা কাজ ফাঁকি কম দিলেও অনেক সময় অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে ‘burnout’ বা মানসিক ক্লান্তিতে ভোগেন, যা তাদের কাজের গতি কমিয়ে দেয়।

মনস্তত্ত্বের দিক থেকে পার্থক্য

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, ছেলেদের মধ্যে ‘risk-taking behavior’ বা ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। ফলে তারা অনেক সময় কাজ শেষ মুহূর্তে করার ঝুঁকি নেয়।

অন্যদিকে, মেয়েদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও পারফেকশনিজম বেশি থাকায় তারা কাজ ফেলে রাখার প্রবণতা কম দেখায়, তবে অতিরিক্ত নিখুঁত করতে গিয়ে সময় বেশি নেয়।

বাংলাদেশি বাস্তবতায় চিত্রটা কেমন?

বাংলাদেশের অফিস-সংস্কৃতি, বিশেষ করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে, এই প্রশ্নের উত্তর আরও ভিন্ন হতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পুরুষ কর্মীরা অফিস সময়ের মধ্যে বাইরে যাওয়া, ধূমপান বিরতি, কিংবা আড্ডায় বেশি সময় দেন। আবার নারী কর্মীরা অফিসের পাশাপাশি ঘরের কাজ, রান্না, সন্তান দেখাশোনা; সব সামলাতে গিয়ে অফিসে তুলনামূলকভাবে বেশি ফোকাসড থাকতে বাধ্য হন।

ঢাকার মিরপুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এইচআর কর্মকর্তা মামুন আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা দেখেছি, নারী কর্মীরা সাধারণত সময় মেনে কাজ শেষ করতে বেশি সচেতন। তবে চাপ বেশি হলে তারা চুপচাপ ক্লান্ত হয়ে পড়েন। পুরুষরা আবার কাজের ফাঁকে একটু বেশি ‘breather’ বা সংক্ষিপ্ত বিরতি নেয়।

সিলেটের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মারূফ জাকির বলেন, কোনো ক্ষেত্রে নারীকর্মীরা বেশি ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ খুঁজেন, আবার কোনো ক্ষেত্রে পুরুষকর্মীরাও এই সুযোগের আশায় থাকেন। তাই বিষয়টি একদম নির্ধারণ করে বলা মুশকিল। তবে এটা সত্য যে, নারীদের তুলনায় পুরুষরা বেশি ভারী কাজ করতে পারেন।

ডিজিটাল যুগে নতুন ফাঁকি

বর্তমানে কাজ ফাঁকি দেওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে স্মার্টফোন। সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করা, ইউটিউব দেখা এবং অপ্রয়োজনীয় চ্যাটে লিপ্ত হওয়া। এই অভ্যাসগুলো নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই সমানভাবে বাড়ছে। ফলে ‘কে বেশি ফাঁকি দেয়’, এই প্রশ্ন এখন অনেকটাই প্রযুক্তিনির্ভর আচরণের ওপর নির্ভর করছে।

তাহলে আসল সত্যটা কী?

সব গবেষণা ও বাস্তবতা মিলিয়ে একটা বিষয় পরিষ্কার, কাজ ফাঁকি দেওয়ার ক্ষেত্রে লিঙ্গ নয়, বরং ব্যক্তিগত অভ্যাস, কাজের পরিবেশ ও মানসিক অবস্থা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেউ দায়িত্বশীল হলে সে ছেলে হোক বা মেয়ে, ফাঁকি কম দেবে। আর কেউ যদি অনুপ্রেরণাহীন বা চাপগ্রস্ত হয়, তাহলে ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বাড়বেই।

শেষ কথা

‘ছেলেরা বেশি ফাঁকি দেয়’ বা ‘মেয়েরা বেশি সিরিয়াস’; এমন একপাক্ষিক ধারণা আসলে পুরো সত্যকে তুলে ধরে না। বরং কাজের সংস্কৃতি, পারিবারিক চাপ, এবং ব্যক্তিগত মানসিকতা; এই তিনের সমন্বয়েই তৈরি হয় একজন কর্মীর কাজের ধরন।