খুঁজুন
, ,

সন্তান নেওয়ার আগে করতেই হবে—নারী-পুরুষের যেসব জরুরি পরীক্ষা?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০১ পূর্বাহ্ণ
সন্তান নেওয়ার আগে করতেই হবে—নারী-পুরুষের যেসব জরুরি পরীক্ষা?

নতুন অতিথিকে ঘিরে স্বপ্ন বোনা শুরু হয় অনেক আগে থেকেই। কারও ঘরে ছোট্ট পায়ের শব্দ শোনার অপেক্ষা, কারও মনে নাম ঠিক করার ব্যস্ততা; সন্তান পরিকল্পনা নিঃসন্দেহে জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায়গুলোর একটি। তবে চিকিৎসকদের ভাষায়, এই আনন্দযাত্রা কেবল মানসিক প্রস্তুতির বিষয় নয়, সমান গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক প্রস্তুতিও।

আমাদের দেশে এখনো অনেক দম্পতি গর্ভধারণের পর প্রথমবার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। অথচ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনার আগেই কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়ে নিলে ভবিষ্যতের নানা ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়। এতে শরীরে লুকিয়ে থাকা হরমোনজনিত সমস্যা, পুষ্টির ঘাটতি কিংবা সংক্রমণ আগে থেকেই ধরা পড়ে। প্রয়োজনে চিকিৎসা শুরু করা গেলে গর্ভধারণ হয় নিরাপদ ও আত্মবিশ্বাসী।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, সন্তান নেওয়ার আগে নারী ও পুরুষ দুজনেরই কোন কোন পরীক্ষা করা জরুরি।

নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা

১. হরমোন টেস্ট

থাইরয়েড, প্রোল্যাক্টিনসহ অন্যান্য প্রজনন হরমোনের মাত্রা জানা খুবই প্রয়োজন। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে ওভুলেশন ও ঋতুচক্রে প্রভাব পড়ে। এতে গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আগে থেকেই পরীক্ষা করালে সমস্যার সমাধান সহজ হয়।

২. ওভারিয়ান রিজার্ভ টেস্ট

অ্যান্টি-মুলেরিয়ান হরমোন (এএমএইচ) পরীক্ষার মাধ্যমে ডিম্বাণুর পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। যারা কিছুটা দেরিতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এই পরীক্ষা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

৩. পেলভিক আল্ট্রাসাউন্ড

জরায়ু ও ডিম্বাশয়ে ফাইব্রয়েড, সিস্ট বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) আছে কি না, তা বোঝার জন্য এই পরীক্ষা করা হয়। সমস্যা আগে ধরা পড়লে চিকিৎসা তুলনামূলক সহজ ও কার্যকর হয়।

৪. সংক্রমণ সংক্রান্ত রক্ত পরীক্ষা

হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, এইচআইভি এবং রুবেলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে কি না, তা জানা জরুরি। কিছু সংক্রমণ গর্ভাবস্থায় মা ও অনাগত শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই আগেভাগে পরীক্ষা করে নেওয়া নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

৫. ব্লাড সুগার ও হিমোগ্লোবিন পরীক্ষা

ডায়াবেটিস, রক্তাল্পতা বা পুষ্টির ঘাটতি থাকলে তা আগে থেকেই নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। সুস্থ গর্ভধারণ ও শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পুরুষদের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা

সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনায় কেবল নারীর স্বাস্থ্য নয়, পুরুষের স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ—এ বিষয়টি এখন বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলছেন চিকিৎসকেরা।

১. বীর্য পরীক্ষা (সিমেন অ্যানালিসিস)

শুক্রাণুর সংখ্যা, গতি ও গঠন স্বাভাবিক কি না, তা জানার জন্য এই পরীক্ষা করা হয়। স্বাভাবিক গর্ভধারণে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২. হরমোন টেস্ট

টেস্টোস্টেরনসহ অন্যান্য হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করা দরকার। হরমোনজনিত সমস্যা থাকলে শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে।

৩. ব্লাড সুগার, কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ

লাইফস্টাইলজনিত রোগ— যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা উচ্চ রক্তচাপ প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষাও অবহেলা করা উচিত নয়।

৪. যৌন সংক্রমণ পরীক্ষা

সেক্সচুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এতে ভবিষ্যতে দম্পতির মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে।

সচেতন প্রস্তুতিই নিরাপদ আগামীর চাবিকাঠি

সন্তান পরিকল্পনা নিঃসন্দেহে আনন্দের, তবে দায়িত্বও কম নয়। আগে থেকেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো করিয়ে নিলে বাড়ে আত্মবিশ্বাস, কমে অযথা উদ্বেগ। সবচেয়ে বড় কথা, সম্ভাব্য জটিলতা অনেকটাই এড়ানো যায়।

চিকিৎসকদের পরামর্শ একটাই, ‘সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্তের আগে একবার প্রি-কনসেপশন চেকআপ করান।’ কারণ, অসুখ বা ঝুঁকি সময়মতো ধরা পড়লে সমাধানও হয় সহজ, আর নতুন জীবনের শুরুটা হয় আরও নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

ফরিদপুরে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধে গোসল করলেন মা, ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে দুধে গোসল করলেন মা, ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে নেশাগ্রস্ত জামাইয়ের নির্যাতন থেকে মেয়েকে মুক্ত করে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন এক মা। মানত বা ওয়াদা রক্ষায় প্রকাশ্যে স্থানীয় একটি বাজারে ৫ কেজি দুধ দিয়ে গোসল করার এই খবর ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

​শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বড় বাইখীর গ্রামের চৌরাস্তা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৪ বছর আগে উপজেলার বড় বাইখীর গ্রামের বৃদ্ধ মহাশিন মোল্লার (৭৪) মেয়ে মনিরা খাতুনের (৩০) সঙ্গে একই এলাকার সুমন শেখের (৩২) বিয়ে হয়। মনিরা খাতুনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী নেশাগ্রস্ত হয়ে প্রতিদিন তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তিনি সংসারের ইতি টানতে বাধ্য হন। সম্প্রতি কাজী অফিসে গিয়ে কাবিন রেজিস্ট্রি বাতিলের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় সুমনের সঙ্গে মনিরার বিচ্ছেদ ঘটে।

​মেয়ের মা জুলেখা বেগম (৪৬) জানান, জামাইয়ের ক্রমাগত অত্যাচারে তাঁর মেয়ের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। মেয়েকে এই নির্যাতন থেকে মুক্ত করতে পারলে তিনি দুধ দিয়ে গোসল করবেন বলে ওয়াদা বা মানত করেছিলেন। সেই ওয়াদা রক্ষা করতেই শুক্রবার সকালে বাইখীর চৌরাস্তা বাজারে ৫ কেজি দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি।

​তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুমন শেখ। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত নির্যাতন ও নেশা করার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

ফরিদপুর শহরে বেদেপল্লীর নারীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ পথচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর শহরে বেদেপল্লীর নারীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ পথচারীরা

ফরিদপুর শহরের ব্যস্ততম সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে পথচারীদের ঘিরে ধরে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বেদেপল্লীর একদল নারীর বিরুদ্ধে। শহরের আলিপুর মোড়, ১১ তলা ভবন এলাকা, জনতা ব্যাংক মোড় ও চকবাজারসহ ব্যস্ত পয়েন্টগুলোতে দিনের পর দিন এমন ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গ্রাম থেকে প্রয়োজনীয় কাজে শহরে আসা সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করেই মূলত চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। কোনো পথচারী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ঘিরে ধরে পথ আটকে দেওয়া হয়, এমনকি টানাহেঁচড়া করে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা হয়। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে সেখান থেকে রক্ষা পান।

​সদর উপজেলার গ্রাম থেকে কাজে আসা ফাহিম শেখ বলেন, “শহরে ঢোকার পরই কয়েকজন নারী আমাকে ঘিরে ধরে টাকা দাবি করে। না দিলে ছাড়ছিল না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি, এখন বাড়ি ফেরার ভাড়া নিয়ে চিন্তায় পড়েছি।” একই অভিজ্ঞতার কথা জানান মমিন খারহাটের রুস্তম ব্যাপারী ও স্থানীয় বাসিন্দা রাহুল শেখ। রাহুল শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যেহেতু তারা নারী, প্রকাশ্যে এসব টানাহেঁচড়া করলে পুরুষের জন্য তা অত্যন্ত বিব্রতকর। বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে পার পেতে হয়।”

​অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের সামনেই এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছে। এ বিষয়ে আলিপুর এলাকার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা (টিএসআই) শেখ তুহিন বলেন, “আমাদের সামনেই সাধারণ মানুষকে টেনে-হিঁচড়ে টাকা আদায় করা হয়। আমি নিজে কয়েকবার নিষেধ করেছি, কিন্তু নিষেধ করলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। যে কারণে অনেক সময় আর কিছু বলা যায় না।”

​তবে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানিয়েছেন অভিযুক্ত বেদেপল্লীর নারীরা। মুন্সিবাজার এলাকার বেদেপল্লীর এক নারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হয়। আমাদের অন্য কোনো কাজের সুযোগ নেই। প্রশাসন যদি পুনর্বাসন বা বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করে, তবে আমরা রাস্তায় এসে টাকা চাওয়া বন্ধ করে দেব।”

​ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, মুন্সিবাজারের বেদে সম্প্রদায়ের মানুষদের সরকারি কোনো সহায়তার আওতায় আনা যায় কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

​অন্যদিকে, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি এখন পর্যন্ত তার জানা ছিল না। তবে টহল টিমকে নির্দেশনা দেওয়া হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​স্থানীয়দের দাবি, বেদে সম্প্রদায়ের জীবিকার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে দ্রুত বিকল্প কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। একই সাথে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের পথচলা নির্বিঘ্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।