খুঁজুন
, ,

জাটকা নিধন বন্ধে কঠোর বার্তা, চরভদ্রাসনে তিনদিনের কর্মসূচি শুরু

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
জাটকা নিধন বন্ধে কঠোর বার্তা, চরভদ্রাসনে তিনদিনের কর্মসূচি শুরু

“জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বেলুন উড়িয়ে তিনদিনব্যাপী (৭-৯ এপ্রিল) এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল।

উদ্বোধনের পর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. যায়েদ হোসাইন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, একসময় দেশের নদী-নালা, খাল-বিল ছিল মাছের অফুরন্ত ভাণ্ডার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জলধারা কমে যাওয়া, অবৈধ দখল ও পরিবেশগত নানা কারণে মাছের অভয়ারণ্য বিলুপ্তির পথে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার খাল-বিল খননসহ বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, জাটকা সংরক্ষণ ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির অন্যতম পূর্বশর্ত। তাই জাটকা নিধন বন্ধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। জাটকা সংরক্ষণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগ জোরদার করা জরুরি।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ পালনের মাধ্যমে মার্চ-এপ্রিল সময়ে ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ছোট ইলিশ ধরা থেকে বিরত থাকতে জেলেদের উৎসাহিত করা হয়। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চরভদ্রাসনে সচেতনতামূলক র‌্যালি, লিফলেট বিতরণ এবং মৎস্যজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।

ফরিদপুরে মাদক-অনলাইন জুয়া-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদক-অনলাইন জুয়া-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর বার্তা

মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, বাল্যবিবাহ, আত্মহত্যা প্রতিরোধ এবং স্থানীয় বিরোধ ও জমিজমা সংক্রান্ত সংঘাত নিরসনে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দায় সামাজিক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুর জেলা পুলিশের আয়োজনে নগরকান্দা থানার ভবুকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।

বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি, অনলাইন জুয়ার বিস্তার, ইভটিজিং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের মতো অপরাধ সমাজের শান্তি ও উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। এসব অপরাধ থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হলে পারিবারিক বন্ধন আরও দৃঢ় করা, সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের নজরদারি বৃদ্ধি, নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় আত্মহত্যা প্রতিরোধেও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, মানসিক সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করলে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও স্থানীয় সংঘাতের বিষয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের একার পক্ষে সফল হওয়া সম্ভব নয়। সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হন, অপরাধের তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, তাহলে একটি নিরাপদ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সুধীসমাজের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভাটি স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে এবং সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে ৮৭ শাখার ব্যবস্থাপকদের নিয়ে ফরিদপুরে সোনালী ব্যাংকের কর্মশালা

মফিজুর রহমান শিপন, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে ৮৭ শাখার ব্যবস্থাপকদের নিয়ে ফরিদপুরে সোনালী ব্যাংকের কর্মশালা

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে ব্যাংক কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফরিদপুরে সোনালী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) ফরিদপুর শহরতলীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে আয়োজিত এ কর্মশালায় সোনালী ব্যাংক পিএলসির জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস, ফরিদপুরের আওতাধীন ৮৭টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক, পাঁচটি প্রিন্সিপাল অফিসের মানিলন্ডারিং কর্মকর্তা এবং জেনারেল ম্যানেজার’স অফিসের নির্বাহী কর্মকর্তারা অংশ নেন।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস, ফরিদপুরের জেনারেল ম্যানেজার (ইনচার্জ) মো. তানজিমুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে প্রতিটি ব্যাংক কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ এবং সন্দেহজনক লেনদেন দ্রুত শনাক্ত ও রিপোর্ট করার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নিরাপদ আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।”

সভাপতির বক্তব্যে মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, “গ্রাহক পরিচিতি (কেওয়াইসি), ঝুঁকিভিত্তিক গ্রাহক মূল্যায়ন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধসংক্রান্ত নীতিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সুনাম ও আর্থিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তাদের দক্ষতা, পেশাগত সক্ষমতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের মানি লন্ডারিং অ্যান্ড টেররিজম ফাইন্যান্সিং ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বিশ্বাস মোহাম্মদ মীজানুর রহমান এবং একই বিভাগের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার রামপ্রসাদ দাস।

তারা মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ আইন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশনা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক পরিচিতি (KYC), গ্রাহকের ঝুঁকি মূল্যায়ন, সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ, রিপোর্টিং পদ্ধতি এবং ব্যাংকিং খাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আয়োজকরা জানান, ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নিয়মিত আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তারা মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবেন।

কর্মশালায় সোনালী ব্যাংক পিএলসির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পরিচয়ে হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণা, র‌্যাবের জালে প্রতারক 

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পরিচয়ে হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণা, র‌্যাবের জালে প্রতারক 

সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণার অভিযোগে আতিয়ার দর্জি (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১০।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুর শহরের র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩ ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা।

গ্রেপ্তারকৃত আতিয়ার দর্জি ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর এলাকার মৃত আব্দুল বাকী দর্জির ছেলে।

র‌্যাব জানায়, একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের ছবি ও নাম ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করে আসছিল। এসব অ্যাকাউন্ট থেকে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজেদের প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে তদবির, অনৈতিক সুবিধা আদায় এবং প্রতারণার চেষ্টা করা হতো।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এলে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। পরে এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার অনুরোধের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আতিয়ার দর্জিকে গ্রেপ্তার করে।

অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি ব্যক্তিগত মাইক্রোবাস, সাতটি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ব্যাংকের পাঁচটি এটিএম কার্ড এবং নগদ ৮ হাজার ৯০০ টাকা জব্দ করা হয়। পরে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা বলেন, “ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সরকারি উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের পরিচয় ভুয়াভাবে ব্যবহার করে প্রতারণা ও অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা একটি গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মেসেজিং অ্যাপে কেউ যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়ে যোগাযোগ করে, তবে পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না। সন্দেহজনক কোনো কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত র‌্যাব বা নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান।”