খুঁজুন
, ,

জাল ভোট দিলে কী শাস্তি? জানুন নির্বাচনী আইন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ
জাল ভোট দিলে কী শাস্তি? জানুন নির্বাচনী আইন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের নির্বাচনে একটি নয়, দিতে হবে দুটি ভোট। সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার পাশাপাশি ভোটাররা দেবেন গণভোটও। নির্বাচনী ব্যালটে যেখানে বিভিন্ন দলের প্রতীক থাকে, সেখানে গণভোটে থাকবে দুটি অপশন। ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের মত জানাবেন।

ভোট একজন নাগরিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। একটি সিল বা বোতাম চাপার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় দেশের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা। কিন্তু সেই ভোট যদি প্রকৃত ভোটারের পরিবর্তে অন্য কেউ দেয়, অথবা চাপ প্রয়োগ করে আদায় করা হয়, তখনই তা জালভোটে পরিণত হয়। বাংলাদেশের নির্বাচনকে ঘিরে এই বিষয়টি বহুবার আলোচনায় এসেছে, সৃষ্টি করেছে বিতর্ক এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

জালভোট কী?

জালভোট বলতে এমন ভোটকে বোঝায়, যা প্রকৃত ভোটার নিজে স্বেচ্ছায় দেননি। যেমন—কোনো ব্যক্তি অন্যের নাম ব্যবহার করে ভোট দিয়ে দেওয়া, ভোটার কেন্দ্রে উপস্থিত না থাকলেও তার নামে ব্যালট বা ইভিএমে ভোট পড়ে যাওয়া, ভয়ভীতি দেখিয়ে বা জোর করে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে বাধ্য করা, কিংবা একজনের একাধিকবার ভোট দেওয়া। অর্থাৎ যেখানে ভোটারের স্বাধীন সিদ্ধান্ত থাকে না, সেখানেই জালভোটের ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে জালভোটের অভিযোগ বিভিন্ন সময় সামনে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ভোটার কেন্দ্রে না গেলেও তার নামে ভোট পড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সকালবেলাতেই কিছু কেন্দ্রে ‘ভোট শেষ’ হওয়ার মতো অভিযোগ শোনা গেছে।

কিছু ক্ষেত্রে কোনো একটি পক্ষ ভোটকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বলে অভিযোগ ওঠে। তখন সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ পান না, তাদের আগেই বিপুলসংখ্যক ভোট দেওয়া হয়ে যায়। অনেক সময় হামলা, হুমকি বা সামাজিক চাপের কারণে ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে ভয় পান। এতে প্রকৃত ভোটার অনুপস্থিত থাকায় জালভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। এমনকি মৃত ব্যক্তির নামেও ভোট পড়ে যাওয়ার অভিযোগ বহুবার সামনে এসেছে। ভোটকেন্দ্রে বিরোধী দলের এজেন্ট বা নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক না থাকলে এ ধরনের অভিযোগ আরও বাড়ে।

স্বাধীনতার পর থেকে দেশে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে জালভোটের অভিযোগ শোনা গেছে। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকের পর নির্বাচন ঘিরে এ বিতর্ক আরও বেশি আলোচনায় আসে। কোথাও ভোটার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, আবার কোথাও ভোট শুরুর আগেই অধিকাংশ ভোট পড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনা শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, সাধারণ মানুষের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে অনাস্থা তৈরি করেছে।

জালভোট হলে তার প্রভাব পড়ে শুধু নির্বাচনে নয়, ব্যক্তি থেকে শুরু করে সমাজ ও রাষ্ট্রের সব স্তরে। এটি কেবল একটি অনিয়ম নয়, বরং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত। প্রকৃত ভোটের প্রতিফলন না ঘটলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে, মানুষের শাসনের ধারণা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ভোটারদের আগ্রহ কমে যায়, কারণ আস্থা হারালে মানুষ ভোট দিতে অনীহা দেখায়। পাশাপাশি জালভোটের অভিযোগ ঘিরে সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনাও বাড়তে পারে। এতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও মানুষের বিশ্বাস কমে যায়।

জালভোট ঠেকাতে দেশে বিভিন্ন সময়ে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভুয়া ভোটার শনাক্তে ছবি ও তথ্যসম্বলিত ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। একাধিকবার ভোট দেওয়া কঠিন করতে কাগজের ব্যালটের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চালু করা হয়েছে।

জালভোট দেওয়ার আইন ও শাস্তি সম্পর্কে জানেন কি?

নির্বাচনী আইনে জালভোটকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, শুধু আইন বা প্রযুক্তি থাকলেই সমস্যার সমাধান হয় না; বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেগুলোর কার্যকর প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২–এর ৭৩ থেকে ৮৭ ধারায় ভোটকেন্দ্র এলাকায় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ ও তার শাস্তির বিধান উল্লেখ রয়েছে।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রে বেআইনি আচরণ বা অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এছাড়া অনধিকার প্রবেশের অপরাধে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। ভোটের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের ধরন বিবেচনা করে শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৭৪ অনুচ্ছেদে বলা আছে, (১) যদি কোনো ব্যক্তি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনে সুবিধা প্রদান বা বাধাগ্রস্ত করিবার উদ্দেশ্যে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তির সাহায্য গ্রহণ বা প্ররোচিত করেন বা সাহায্য গ্রহণ বা প্ররোচিত করার চেষ্টা করেন।

(২) ভোট দেওয়ার যোগ্য নন বা অযোগ্য জানা সত্ত্বেও কোনো নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন বা ভোট প্রদানের জন্য ব্যালট পেপার চান।

(৩) একই ভোটকেন্দ্রে একাধিকবার ভোট প্রদান করেন বা ভোট প্রদানের জন্য ব্যালট পেপার চান।

(৪) একই নির্বাচনে একাধিক ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন বা ভোট প্রদানের জন্য ব্যালট পেপার চান। (৫) ভোট চলাকালে কোনো ভোটকেন্দ্র হতে ব্যালট পেপার সরিয়ে ফেলেন।

অথবা (৬) জ্ঞাতসারে এসব কাজ করার জন্য কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচিত করেন বা তার সাহায্য চান-তাহলে তিনি বেআইনি কাজের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং তিনি সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডে ও অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন।

ভোটার হিসেবে ব্যক্তিগত দায়িত্বও কম নয়। জালভোট ঠেকাতে শুধু রাষ্ট্র বা নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়; ভোটারদেরও সচেতন হতে হবে। নিয়ম মেনে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া, কোনো অনিয়ম দেখলে তা নিয়ে প্রতিবাদ করা এবং নিজের ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকা—এসব বিষয় সমানভাবে জরুরি।

জালভোট কেবল ভোট কারচুপি নয়, এটি মানুষের কণ্ঠস্বর কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনা। বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সাংবিধানিক দায়িত্ব নয়, গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখার অন্যতম শর্ত। জালভোটের অভিযোগ যতদিন থাকবে, ততদিন নির্বাচনের ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাবে—এটি কি সত্যিই জনগণের রায়, নাকি ক্ষমতার প্রভাব?

রাশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠাত মানবপাচার চক্র, নিহত ২০ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
রাশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠাত মানবপাচার চক্র, নিহত ২০ বাংলাদেশি

উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় পাঠিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠাত মানবপাচারকারী একটি চক্র। চক্রটির খপ্পরে পড়ে অন্তত ২০ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। এ চক্রের প্রধান দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

​একই সঙ্গে পৃথক এক অভিযানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ৪৬৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার এবং তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

​বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে এসআরবি-১০-এর অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহা. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

​সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চক্রটি ভিকটিম রাজন হোসেনকে কনস্ট্রাকশন কাজের কথা বলে ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে রাশিয়ায় পাঠায়। তবে গত ৭ মে রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর রাজনসহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। পরে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের সম্মুখসারিতে ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হন রাজন। চিকিৎসা শেষে কোনোমতে পালিয়ে গত ২৩ আগস্ট তিনি দেশে ফেরেন।

​পরবর্তীতে ক্ষতিপূরণ চাইলে অভিযুক্তরা রাজনের পরিবারকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানায় মামলা করা হলে, গত ১৩ অক্টোবর রাতে ফরিদপুরের নগরকান্দা থেকে চক্রের মূলহোতা মিজানুর রহমান (৫৫) এবং ঝিনাইদহ থেকে মো. আবু তাহের লেন্টুকে (৫০) গ্রেফতার করে এসআরবি।

​প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় পাচার করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠায়। তাদের মধ্যে প্রায় ২০ জন ইতিপূর্বে মারা গেছেন এবং মাত্র ২ জন আহত অবস্থায় দেশে ফিরতে পেরেছেন।

​এদিকে, পৃথক এক অভিযানে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী টোলপ্লাজা এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালায় এসআরবি-১০। সেখান থেকে ৪৬৩ বোতল ফেনসিডিলসহ মো. রুহুল আমীন (২৬) ও মো. লিয়াকত (৪৩) নামের দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস, দু’টি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা।

​আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এসআরবি এ ধরনের মানবপাচার ও মাদক কারবারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবে বলে জানানো হয়।

‘ড. ইউনূসকে অপমানে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে’: রিজভী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
‘ড. ইউনূসকে অপমানে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে’: রিজভী

জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করতে পতিত দোসররা নানাভাবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এসব কর্মকাণ্ডের বিষয়ে দেশের মানুষকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

​বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে গাজীরটেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মোঃ লকাই বিশ্বাসের জন্য নির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর, চিকিৎসা সহায়তা ও কর্মসংস্থান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​রিজভী বলেন, “ভারত থেকে পতিত সরকারের দোসররা ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে চক্রান্ত শুরু করেছে। গত কয়েকদিন আগে বিদেশের মাটিতে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নেক্কারজনকভাবে অপমান করা হয়েছে। এতে দেশের ভাবমূর্তি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়—আপনারা একটি বার ভেবে দেখুন।”

​ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।

​এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা ও সাধারণ সম্পাদক এ কে এম কিবরিয়া স্বপনসহ দলটির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

​বক্তব্য শেষে রুহুল কবির রিজভী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মো. লকাই বিশ্বাসের হাতে নতুন নির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন। পাশাপাশি চিকিৎসা সহায়তা ও কর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ করেন তিনি।

‘স্বচ্ছতা ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে’: এলজিইডি প্রতিমন্ত্রী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
‘স্বচ্ছতা ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে’: এলজিইডি প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম বলেছেন, স্থানীয় সরকারের প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। উন্নয়নের সুফল যেন প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

​বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ফরিদপুর জেলা এলজিইডি কার্যালয় পরিদর্শনের সময় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

​এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুর জেলা এলজিইডি কার্যালয়ে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে তিনি কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় দলীয় নেতাদের সঙ্গে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভা শেষে তিনি কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

​এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম কাইয়ুম জঙ্গি, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব গোলাম মোস্তফা মিরাজসহ এলজিইডির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

​মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জেলার চলমান ও আগত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।