খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরের রহস্যময় “অচিন গাছ” — দুই শতকের ইতিহাস, লোককথা ও বিস্ময়ের জীবন্ত সাক্ষী

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের রহস্যময় “অচিন গাছ” — দুই শতকের ইতিহাস, লোককথা ও বিস্ময়ের জীবন্ত সাক্ষী

বাংলার গ্রাম মানেই যেন প্রকৃতির এক অপরূপ জাদুঘর। কোথাও শতবর্ষী বটগাছ, কোথাও নদীর পাড়ে কাশফুল, আবার কোথাও ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রহস্যময় কোনো বৃক্ষ।

ঠিক তেমনি ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ফুরসা গ্রামে অবস্থিত এক বিস্ময়কর বৃক্ষ— “অচিন গাছ” বা “অচিন বৃক্ষ”। স্থানীয়দের কাছে এটি শুধু একটি গাছ নয়; বরং এটি ইতিহাস, রহস্য, লোকবিশ্বাস ও প্রকৃতির এক জীবন্ত প্রতীক।

প্রায় দুই শতাব্দীরও বেশি পুরনো এই বিশালাকার বৃক্ষটি দূর-দূরান্তের মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। গাছটির প্রকৃত পরিচয় আজও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি বলেই স্থানীয়রা একে “অচিন গাছ” নামে ডাকতে শুরু করেন। সময়ের পরিক্রমায় সেই নামই হয়ে ওঠে এর স্থায়ী পরিচয়।

ফরিদপুর শহর থেকে কিছুটা দূরে কানাইপুর ইউনিয়নের শান্ত সবুজ গ্রাম ফুরসায় দাঁড়িয়ে থাকা এই গাছটি প্রথম দেখাতেই যে কাউকে বিস্মিত করে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন বহু লতা-পাতা জড়িয়ে তৈরি হয়েছে এক বিশাল সবুজ দুর্গ। এর মোটা কাণ্ড, ছড়িয়ে থাকা ডালপালা এবং জট পাকানো শেকড় গাছটিকে দিয়েছে এক রহস্যময় রূপ। অনেকে এটিকে বটজাতীয় বৃক্ষ বলে মনে করলেও, এর প্রকৃত প্রজাতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রবীণদের মতে, গাছটি ব্রিটিশ আমলেরও আগের। তারা ছোটবেলা থেকেই এই গাছকে একইভাবে দেখে আসছেন। গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠরা বলেন, “আমাদের দাদা-পরদাদারাও এই গাছকে এমনই দেখেছেন।” অর্থাৎ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এটি দাঁড়িয়ে আছে সময়ের সাক্ষী হয়ে।

অচিন গাছকে ঘিরে রয়েছে অসংখ্য লোককথা ও জনশ্রুতি। কেউ বলেন, এই গাছের নিচে একসময় সাধকরা ধ্যান করতেন। আবার কেউ বিশ্বাস করেন, গাছটির মধ্যে অলৌকিক শক্তি রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এমন ধারণাও প্রচলিত যে, কেউ যদি গাছটির ডাল ভাঙে বা পাতা ছেঁড়ে, তাহলে অমঙ্গল নেমে আসে। এজন্য গ্রামের মানুষ গাছটির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। আজও কেউ সাহস করে এর কোনো ক্ষতি করেন না।

এই বিশ্বাস ও রহস্যের কারণে গাছটি স্থানীয় সংস্কৃতিরও একটি অংশ হয়ে উঠেছে। অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে এসে গাছটি দেখে মুগ্ধ হন, ছবি তোলেন এবং এর ইতিহাস জানার চেষ্টা করেন। বিশেষ করে প্রকৃতিপ্রেমী ও ইতিহাস অনুরাগীদের কাছে এটি এক আকর্ষণীয় স্থান।

গাছটির সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো এর বিস্তৃতি। একসময় এটি বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে ছিল বলে জানা যায়। এর লতানো শাখাগুলো চারদিকে এমনভাবে বিস্তৃত হয়েছিল যে, দূর থেকে এটি একটি ছোট বনভূমির মতো মনে হতো। বর্তমানে কিছু অংশ সীমাবদ্ধ হলেও এখনও এর বিশালত্ব দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

গাছটির ডালপালা বাদামি বর্ণের এবং শেকড়গুলো মাটির ওপর দিয়ে আঁকাবাঁকা পথে ছড়িয়ে আছে। বর্ষাকালে চারপাশের সবুজ প্রকৃতির সঙ্গে মিলে এটি সৃষ্টি করে এক অপার্থিব সৌন্দর্য। শীতের কুয়াশা কিংবা বিকেলের সোনালি আলোয় অচিন গাছকে দেখলে মনে হয় যেন কোনো রূপকথার দৃশ্য।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গাছটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার এটিকে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়। বর্তমানে গাছটির চারপাশ পাকা করে বাঁধাই করা হয়েছে, যাতে কেউ এর ক্ষতি করতে না পারে। সংরক্ষণের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে। তারা এখন গাছটিকে নিজেদের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে মনে করেন।

পরিবেশবিদদের মতে, এ ধরনের প্রাচীন বৃক্ষ শুধু ঐতিহাসিক নিদর্শনই নয়, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শতবর্ষী গাছগুলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান রাখে। তাই অচিন গাছ শুধু ফরিদপুরের গর্ব নয়, এটি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্যেরও একটি মূল্যবান অংশ।

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে গাছটির পরিচিতি আরও বেড়েছে। অনেক ভ্রমণপিপাসু মানুষ ফরিদপুরে এসে এই রহস্যময় বৃক্ষটি দেখতে যান। কেউ কেউ একে “ফরিদপুরের জীবন্ত ইতিহাস” বলেও অভিহিত করেন। তবে পর্যাপ্ত প্রচারণা ও গবেষণার অভাবে জাতীয় পর্যায়ে এখনও এটি ততটা পরিচিত হয়ে উঠেনি।

অচিন গাছের রহস্য হয়তো আজও পুরোপুরি উন্মোচিত হয়নি। কিন্তু এর ছায়ায় দাঁড়ালে অনুভব করা যায় সময়ের দীর্ঘ পথচলা, প্রকৃতির গভীর মমতা আর গ্রামীণ বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য। শত ঝড়-ঝাপটা পেরিয়েও আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এই বৃক্ষ যেন নীরবে বলে যায়— ইতিহাস কখনও হারিয়ে যায় না, যদি তাকে ভালোবেসে আগলে রাখা যায়।

ফরিদপুরের ফুরসা গ্রামের এই অচিন গাছ তাই কেবল একটি বৃক্ষ নয়; এটি রহস্য, ইতিহাস, লোকবিশ্বাস ও প্রকৃতির মিলিত এক অনন্য প্রতীক, যা আগামী প্রজন্মের কাছেও বিস্ময়ের গল্প হয়ে বেঁচে থাকবে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ বাশার মিয়া ওরফে চোরা বাশার (৫৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২ টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার পূর্ব বাকপুরা গ্রামে ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করেন। গ্রেপ্তার বাশার মিয়া পূর্ব বাকপুরা গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে বাশারের পরিহিত লুঙ্গির সামনের ডান দিকে গোজা একটি টিস্যু ব্যাগের ভেতর থেকে জীপারযুক্ত নীল রঙের পলিপ্যাকেটে রাখা কমলা বর্ণের মেথামফেটামিন (ইয়াবা) ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন ১১ গ্রাম। এ সময় মাদক বিক্রির ৩০ হাজার টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়।

ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শিরীন আক্তার বলেন, এ ঘটনায় ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে বাশার মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ (সংশোধিত) অনুযায়ী ভাঙ্গা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন ও আসামীকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

চরভদ্রাসনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্পেন প্রবাসীর ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্পেন প্রবাসীর ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রী বিতরণ করেছে স্পেন প্রবাসী ল স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি আলী ইউনুছ আলী প্রামানিক।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিশ্বাস বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট ২ সেট জার্সি ও একটি ফুটবল উপহার হিসেবে বিতরন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্বাস বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান বিশ্বাস জানান, এসব ক্রীড়া সরঞ্জাম হাতে পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি ইউনুছ আলী প্রামানিক বলেন, অর্থের অভাবে যেন কোনো অসচ্ছল শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বিঘ্নিত না হয়, সে ভাবনা থেকেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়িয়েছি। আগামীতে আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে ক্রিয়া সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

শিক্ষানুরাগী ও সংশ্লিষ্টদের মতে, উপহার হিসেবে পাওয়া এসব সামগ্রী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাতিষ্ঠানিক পাঠদানের পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিক্ষার প্রতি গভীর আগ্রহ তৈরি করবে।

ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ মামলায় যুবকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ মামলায় যুবকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ মামলায় রুবেল খন্দকার (২০) নামে এক যুবককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলার অপর আসামি সোহেল মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১২ আগস্ট) ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, নগরকান্দা থানাধীন একটি মাদ্রাসায় প্রায় ছয় মাস ধরে আবাসিক থেকে পড়াশোনা করছিল ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্র হেদায়েত উল্লাহ। ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাদ্রাসার সামনের পশ্চিম পাশে জুরদী বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার কথা বলে সহপাঠীদের সঙ্গে মাদ্রাসা থেকে বের হয় সে। এরপর আর মাদ্রাসায় ফিরে আসেনি।

শিশুটিকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক ক্বারী মো. ইউনুস আলী তার পরিবারকে বিষয়টি জানান। পরে শিশুটির বাবা মো. কামাল খন্দকার নগরকান্দা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

এজাহারে বলা হয়, শিশুটি নিখোঁজের পরদিন ১৫ জানুয়ারি দুপুরে একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে তার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে শিশুটিকে হত্যা করে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। একই দিন রাতে আবার ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং শিশুটির সঙ্গে কথা বলিয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নগরকান্দা থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই মাদ্রাসার ছাত্র রুবেল খন্দকার ও সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলার নথিতে রুবেলকে পলাতক আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বুধবার আদালত রুবেল খন্দকারকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাঁকে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি সোহেল মোল্লাকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী বলেন, শিশু অপহরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রুবেল খন্দকারকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন।