খুঁজুন
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ, ১৪৩২

বোয়ালমারীতে রহস্যজনকভাবে পড়ে থাকা ৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার, তদন্তে নেমেছে যৌথবাহিনী

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৮ এএম
বোয়ালমারীতে রহস্যজনকভাবে পড়ে থাকা ৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার, তদন্তে নেমেছে যৌথবাহিনী

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কালিয়ান্দো এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭.৬২ মি.মি. ক্যালিবারের ৪০ রাউন্ড অ্যামোনিশন উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এসব গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

সেনা সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত ১০টার দিকে একজন বেসামরিক ব্যক্তি স্থানীয় পুলিশকে ফোন করে জানান, বোয়ালমারী উপজেলার কালিয়ান্দো এলাকার একটি দোকানের সামনে সন্দেহজনকভাবে পড়ে থাকা ৭.৬২×৩৯ মি.মি. ক্যালিবারের গুলির দুটি প্যাকেট দেখতে পেয়েছেন। প্রতিটি প্যাকেটে ২০ রাউন্ড করে মোট ৪০ রাউন্ড গুলি ছিল। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বোয়ালমারী আর্মি ক্যাম্প স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় দ্রুত একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে দোকানের সামনের স্থান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় গুলির দুটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গোলাবারুদগুলো নিরাপদে জব্দ করে সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এলাকাটি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে আতঙ্ক ছড়াতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, উদ্ধার হওয়া এসব অ্যামোনিশন সামরিক বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যবহৃত মানের হওয়ায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এগুলো ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কোনো একটি পুলিশ স্টেশন থেকে হারানো অথবা লুট হওয়া গোলাবারুদের অংশ হতে পারে। তবে নিশ্চিত হতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। কীভাবে এবং কারা এই গোলাবারুদ সেখানে ফেলে গেল—তা উদঘাটনে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা কার্যকলাপ চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বা নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পকে জানাতে সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সহকারী শিক্ষক নিবে ফরিদপুরের পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০৬ পিএম
সহকারী শিক্ষক নিবে ফরিদপুরের পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ

ফরিদপুর জেলার পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহকারী শিক্ষক পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এ সংক্রান্ত একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, ফরিদপুর।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফরিদপুর সদরস্থ পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে একজন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। পদসংখ্যা ১টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান/কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং/তথ্য প্রযুক্তি অথবা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদানের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রার্থীর বয়স অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীকে সরকারি বিধি অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদনপত্রের সঙ্গে জীবনবৃত্তান্ত, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং ৫০০ টাকার পে-অর্ডার সংযুক্ত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

আবেদনপত্র সরাসরি অথবা ডাকযোগে অধ্যক্ষ, পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফরিদপুর বরাবর পাঠাতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না। কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে বিজ্ঞপ্তির শর্ত পরিবর্তন বা নিয়োগ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

কাউকে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যায়?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ এএম
কাউকে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যায়?

পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন করতে গিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন ও মানবিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নানা মাসআলা সামনে আসে। বিশেষ করে কোনো অসুস্থ রোগীর জন্য রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হলে অনেক রোজাদারের মনে প্রশ্ন জাগে—রোজা রেখে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

কারণ রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হওয়া, দুর্বলতা অনুভব করা কিংবা চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টি শরিয়তের দৃষ্টিতে কী—এ বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা থাকে না।

এ বিষয়ে হাদিস ও ফিকহের কিতাবে সুস্পষ্ট আলোচনা রয়েছে। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, রোজা ভঙ্গ হওয়ার মূল কারণ হলো শরীরের ভেতরে কোনো কিছু প্রবেশ করা। সাধারণভাবে শরীর থেকে কিছু বের হলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে অতিরিক্ত রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকায় সে ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে রোজা অবস্থায় রক্ত দেওয়া যাবে কিনা, কার জন্য তা মাকরূহ হতে পারে এবং কোন অবস্থায় তা বৈধ—এসব বিষয় জানা রোজাদারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে একদিকে যেমন মানবিক দায়িত্ব পালন করা যায়, অন্যদিকে তেমনি ইবাদতও শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

ফুকাহায়ে কেরামদের মতে, রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে রোজা ভেঙে যায় না। সে কারণে বিভিন্ন পরীক্ষা বা চিকিৎসার প্রয়োজনে রক্ত দেওয়া জায়েজ। তবে এমন পরিমাণ রক্ত দেওয়া মাকরূহ, যার ফলে শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোজা রাখা কষ্টকর হয়ে যায়।

এজন্য দুর্বল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রোজা অবস্থায় অন্য রোগীকে রক্ত দেওয়া অনুচিত। তবে যে ব্যক্তি সবল এবং রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে তার জন্য রোজা রাখা কষ্টকর হবে না, সে চাইলে রক্ত দিতে পারে। এতে কোনো শরয়ি অসুবিধা নেই।আবার সিঙ্গার মাধ্যমে শরীরের বিষাক্ত রক্ত বের করা হয়। তাই রোজা রেখে নিজের টেস্ট/পরীক্ষার জন্য কিংবা কোনো রোগীকে দেওয়ার জন্য রক্ত দিলে, রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে রক্ত দিতে গিয়ে দুর্বল হয়ে রোজা ভেঙ্গে ফেলার আশঙ্কা থাকলে, সে অবস্থায় রক্ত দেওয়া মাকরুহ হবে।

হজরত সাবিত আল-বুনানি (রহ.) বলেন- আনাস ইবনে মালিক (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে, রোজাদারের জন্য শরীর থেকে শিঙ্গা লাগিয়ে রক্ত বের করাকে কি আপনি অপছন্দ করেন? জবাবে তিনি বলেন- না, আমি অপছন্দ করি না। তবে দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় থাকলে ভিন্নকথা। (বুখারি ০১/২৬০)

সূত্র: বুখারি ১৯৩৬–১৯৪০, আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৩, কিতাবুল আসল ২/১৬৮, মাজমাউল আনহার ১/৩৬০

ইসলাম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‌্যাপার সেন্ট্রাল সি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২০ এএম
ইসলাম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‌্যাপার সেন্ট্রাল সি

ব্রিটিশ র‌্যাপার ওকলি নীল সিজার-সু, যিনি মিউজিক সিনে ‘সেন্ট্রাল সি’ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি এই র‌্যাপার জানিয়েছেন, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ‘স্প্রিন্টার’ খ্যাত এই তারকা ইসলাম গ্রহণের পর নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আখিল’। আন্তর্জাতিক ইসলামিক তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতিবেদনে জানা যায়, ২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিম অনুষ্ঠানের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন।

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর PlaqueBoyMax-এর সঙ্গে সাম্প্রতিক একটি লাইভ আলোচনার সময় সেন্ট্রাল সি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং এখন থেকে ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে চান। তবে এর আগে ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে প্রকাশ্যে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায়নি এই ব্রিটিশ র‌্যাপারকে। সেন্ট্রাল সির ঝুলিতে প্রথম ব্রিটিশ র‌্যাপার হিসেবে একক প্ল্যাটফর্মে এক বিলিয়ন স্ট্রিম অর্জনের রেকর্ড আছে। এছাড়া ড্রেক, জে. কোলের মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন তিনি।

সেন্ট্রাল সির এমন সিদ্ধান্ত সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভক্ত-শ্রোতারা তাকে নেটদুনিয়ায় শুভকামনা জানিয়েছেন।

এর আগে ২০১৪ সালে সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করেন ‘সেন্ট্রাল সি’ হিসেবে পরিচিত এই ব্রিটিশ র‌্যাপার। তবে তিনি জনপ্রিয়তা পান ২০২১ সালের পর।