খুঁজুন
সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ, তদন্ত ও বরখাস্তের দাবিতে স্মারকলিপি

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর বিআরটিএতে দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ, তদন্ত ও বরখাস্তের দাবিতে স্মারকলিপি

ফরিদপুর বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, সাময়িক বরখাস্ত এবং বিভাগীয় তদন্তের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (০৪ মে) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি জমা দেন আন্দোলনকারীরা।

স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ফরিদপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয় এবং হয়রানির শিকার হতে হয় প্রতিনিয়ত। এতে জনসাধারণের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিজের দুর্নীতি আড়াল করতে মেহেদী হাসান ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করছেন। ফলে সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিকরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন এবং অনেকে প্রতিবাদ করতে ভয় পাচ্ছেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সমাজকর্মী খায়রুল রোমান বলেন, “মেহেদী হাসান যেখানে দায়িত্ব পালন করেন, সেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ফরিদপুরেও তিনি একইভাবে অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন নিজের অপরাধ ঢাকতে এবং আমাদের কণ্ঠরোধ করতে মিথ্যা মামলা দিয়েছেন। আমরা এর বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবো।”

স্মারকলিপিতে আন্দোলনকারীরা চার দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী নিরপরাধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে নিরপেক্ষ ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করে আইনের আওতায় শাস্তি নিশ্চিত করা এবং বিআরটিএ কার্যালয়কে দালালমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা।

আন্দোলনকারীরা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।

এদিকে, স্মারকলিপির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যবৃন্দ, বিআরটিএ চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

ফরিদপুরের সালথায় কাগদী মুরুটিয়া আলহাজ্ব মো. আব্দুল মজিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মামুন শরিফের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্লাস বর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (০৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। এতে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দীন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন এবং শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে দেন।

বিক্ষোভকালে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে স্লোগান দেয়। এ সময় পুরো স্কুল এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন এবং তাদের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করছেন। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করে।

তবে স্থানীয়রা জানান, শিক্ষকদের মধ্যে বিরোধের জেরে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছেন একপক্ষ। তাছাড়া তেমন কোনো অনিয়ম দেখা যায় না।

কাগদী মুরুটিয়া আলহাজ্ব মো. আব্দুল মজিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মামুন শরিফ বলেন, অনিয়মের অভিযোগের বিষয়টি সম্পন্ন ভুয়া ও ভিত্তিহীন। আমার সাথে শিক্ষার্থীদের একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। ইউএন স্যারের উদ্যোগে ঘটনাটি মিমাংসা হয়েছে।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দীন বলেন, প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশে কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী স্থানীয়দের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। আমরা বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছি। প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে হিসাব গ্রহণ করে তা যাচাই করা হবে। আশা করি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

সালথায় আধিপত্যের দ্বন্দ্বে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগে তছনছ গ্রাম, আতঙ্কে মানুষ

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সালথায় আধিপত্যের দ্বন্দ্বে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগে তছনছ গ্রাম, আতঙ্কে মানুষ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রাম্য মোড়লের দীর্ঘদিনের বিরোধ ভয়াবহ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। হামলা-পাল্টা হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে একের পর এক গ্রাম অশান্ত হয়ে উঠছে। এতে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকেই গুরুতর জখম হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।

সম্প্রতি গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গট্টি বাজার, আড়য়াকান্দী ও মিরের গট্টি এলাকায় টানা সংঘর্ষে জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সর্বশেষ সোমবার (৪ মে) সকালে মিরের গট্টি গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০-২৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও কয়েকটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গট্টি ইউনিয়নে প্রভাব বিস্তার ও এলাকা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বর এবং বালিয়া গট্টি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এলাকায় তারা দুইজনই প্রভাবশালী গ্রাম্য মোড়ল হিসেবে পরিচিত।

একসময় দু’জনই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও গত ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর তারা বিএনপিতে যোগ দেন। এরপর থেকেই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া হয়ে ওঠেন তারা। এই দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাসে অন্তত ১০টির বেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাপ্রবাহ অনুযায়ী, রোববার (৩ মে) দুপুরে নুরু মাতুব্বরের সমর্থক আনোয়ার শেখকে মারধর করলে পাল্টা জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক রেজাউলকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে জাহিদ সমর্থকরা নুরু মাতুব্বরের ছেলে রাজিব মাতুব্বরকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে নুরু সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জাহিদের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০-২৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুর এবং কয়েকটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই দুই মোড়লের দ্বন্দ্বে জিম্মি হয়ে পড়েছে গট্টি, বালিয়া, আড়ুয়াকান্দী, মিরের গট্টি ও কানৈড় গ্রামের সাধারণ মানুষ। দলাদলিতে না জড়ালে এলাকায় টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ছে। চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি ও সহিংসতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক ও চাকরিজীবী জানান, গ্রাম্য দল না করলে নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হতে হয়। এই সংঘর্ষকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগও তুলেছেন তারা।

এ বিষয়ে নুরু মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, তার সমর্থকদের ওপর বারবার হামলা হলেও পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

অন্যদিকে জাহিদ মাতুব্বর দাবি করেন, তিনি বর্তমানে অসুস্থ এবং এসব সংঘর্ষ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চান।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দীন জানান, সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে।

এদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনের আরও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

খাঁচায় বন্দি রেখে পাখি পালন করা কি জায়েজ?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ
খাঁচায় বন্দি রেখে পাখি পালন করা কি জায়েজ?

আকাশের নীল মায়ায় পাখিরা ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়, কিচিরমিচির সুরে মন ভরিয়ে তোলে। কিন্তু আজকাল আমাদের সমাজে দেখা যায়, শখের বসে এই স্বাধীন প্রাণীদের লোহার খাঁচায় বন্দি করে রাখা হচ্ছে।

টিয়া, ময়না কিংবা নানা রঙের বিদেশি পাখি ধরে এনে চার দেয়ালের ভেতরে আটকে রাখা হচ্ছে কেবল মানুষের আনন্দের জন্য।

অথচ ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে প্রাণীর প্রতি দয়া দেখাতে, তাদের কষ্ট না দিতে। তাই প্রশ্ন জাগে, আমাদের এই শখ কি আল্লাহর বানানো প্রাণীর হক নষ্ট করছে না? পাখিদের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে আনন্দ করা কি ইসলামের চোখে বৈধ, নাকি জুলুমের নামান্তর?

চলুন তাহলে জেনে নিই, খাঁচায় বন্দি রেখে পাখি পালন জায়েজ আছে কি না—

রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া বায়তুস সালামের সিনিয়র মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, খাঁচার ভেতরে সেই সমস্ত পাখি পুষতে পারেন, যে পাখিগুলো সাধারণত বাইরে অন্যান্য পাখিদের সঙ্গে উড়ে আত্মরক্ষা করতে পারে না। যেমন টিয়া পাখির কথা বলতে পারেন। এরা নরমালি অন্যান্য পাখিদের মতো উড়ে আত্মরক্ষা করতে পারে না।

কিন্তু যে পাখিগুলো নরমালি উড়ে বেড়ায়, নিজেকে আত্মরক্ষা করতে সামর্থ্যবান, এজাতীয় পাখিকে খাঁচায় বন্দি রেখে পালন করা যাবে না। এটা জুলুম হবে।

কিছু কিছু মানুষ আছে, পাখি ধরে নিয়ে আসতেছে কিন্তু বাচ্চা পাখি থেকে যাচ্ছে, আবার বাচ্চা ধরে নিয়ে আসতেছে মা-পাখি থেকে যাচ্ছে—নবীজি (সা.) এমনটা করতে নিষেধ করেছেন। মনে রাখতে হবে, আমাদের ফূর্তি যেন তাদের কষ্টের কারণ না হয়।

খাঁচায় পাখি পালার শর্ত ও নিয়ম

শখের বশে খাঁচায় পাখি পালতে গেলে যথাযথভাবে পাখিগুলোর পরিচর্যা করতে হবে। দানাপানি দিতে না পারলে বা আদর-যত্ন সম্ভব না হলে কিংবা কোনো কারণে পাখি কষ্ট পেলে খাঁচায় আটকে রাখা জায়েজ হবে না। বরং ছেড়ে দেওয়া আবশ্যক।

ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘এক নারীকে একটি বিড়ালের জন্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সে তাকে বেঁধে রেখেছিল এবং অবশেষে বিড়ালটি মারা গিয়েছিল, পরিণতিতে নারী তারই কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করল। সে যখন তাকে বেঁধে রেখেছিল, তখন তাকে আহার ও পানি দিত না এবং তাকে ছেড়েও দিত না যে, সে কীটপতঙ্গ ধরে খাবে।’ (বোখারি : ২৩৬৫, মুসলিম : ২২৪২)

সূত্র : কালবেলা