খুঁজুন
সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুরে মাদকের টাকা নিয়ে বিরোধ: যুবককে কুপিয়ে হত্যা, তিনজন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদকের টাকা নিয়ে বিরোধ: যুবককে কুপিয়ে হত্যা, তিনজন আটক

ফরিদপুর শহরে মাদকের পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাজু ওরফে বাটুল রাজু (৩৮) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (০২ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ফরিদপুর শহরের রেলস্টেশন বাজার সংলগ্ন বস্তি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে মাদকের পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ চলছিল বলে দাবি এলাকাবাসীর। ওই বিরোধের জের ধরেই শিল্পীর মেয়ে ও তার জামাই হৃদয়সহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে রাজুর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা রাজুকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

নিহত রাজু কোতয়ালী থানার কুটিবাড়ী স্টেশন বাজার মুসলিম কলোনি ২ নম্বর কুটিবাড়ীর বাসিন্দা। তার পিতা বাবলু কসাই। পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা শুরু করে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে মাদক সংক্রান্ত আর্থিক বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন।

পুলিশ সুপার বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন মুঠোফোনে জানান, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

এদিকে, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরিবার থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফরিদপুরে লরিকে ওভারটেক করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল কলেজছাত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে লরিকে ওভারটেক করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল কলেজছাত্রীর

ফরিদপুর শহরে লরিকে ওভারটেক করতে গিয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় উপাসনা ঘোষ (২২) নামে এক কলেজছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক আকাশ (২৮) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের মেরিন ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির সামনে পাকা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত উপাসনা ঘোষ শহরের ঝিলটুলি এলাকার বাসিন্দা উত্তম ঘোষের মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি কলেজের ছাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। আহত আকাশ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রুপাপাত এলাকার বিধান সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আকাশ তার মোটরসাইকেল (ডিসকভার ১০০ সিসি)যোগে উপাসনা ঘোষকে নিয়ে টেপাখোলা এলাকার একটি পেট্রলপাম্প থেকে জ্বালানি নিয়ে শহরের দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মেরিন ইনস্টিটিউটের সামনে পৌঁছালে সামনে চলন্ত একটি ইটভাটার মাটি বহনকারী লরি ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উপাসনা ঘোষকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আকাশকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই সড়কে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। তারা দ্রুত কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লরি ট্রাকের চালক ও তার সহকারীকে হেফাজতে নিয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফরিদপুরে ইএনটি রোগে সার্জনের অপারেশন! শেষমেশ মৃত্যু, উঠছে অবহেলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ইএনটি রোগে সার্জনের অপারেশন! শেষমেশ মৃত্যু, উঠছে অবহেলার অভিযোগ

ফরিদপুরে গলায় টিউমার অপারেশনকে কেন্দ্র করে মিম (১৫) নামে এক কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসকের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই এই মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন স্বজনরা।

জানা গেছে, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চর চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা শওকত মিয়ার মেয়ে মিম গলায় টিউমারের সমস্যায় গত ১৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত ১০টার দিকে শহরের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত প্রভাতী (প্রাঃ) হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আতিকুল আহসানের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, অপারেশনের সময় অসাবধানতাবশত মিমের গলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী কেটে যায়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে রোগীর অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটে। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গুরুতর অবস্থায় মিমকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে। অবশেষে রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—মিম যে রোগে ভুগছিলেন, তা মূলত নাক-কান-গলা (ইএনটি) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের আওতাধীন। কিন্তু সেখানে সার্জারি বিভাগের একজন চিকিৎসক অপারেশন করেন কেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সচেতন মহলের মতে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব বা সমন্বয়হীনতার কারণে এমন ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, প্রভাতী (প্রাঃ) হাসপাতালটি অতীতেও অনিয়মের কারণে ২০২৫ সালে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছিল। ফলে প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

নতুন করে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ও মিটমাট করতে প্রভাবশালীদের পক্ষ থেকে রোগীর স্বজনদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। স্বজনদের আপোষ-মিমাংসায় বাধ্য করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

মিমের পরিবার জানায়, “আমাদের মেয়েকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। এখন আবার বিষয়টি চাপা দিতে আমাদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি, যেন আর কোনো পরিবারকে এমন শোক বয়ে বেড়াতে না হয়।”

এ বিষয়ে ডা. আতিকুল আহসানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। তার সহকারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. দিলরুবা জেবা বলেন, “সার্জারি বিভাগের একজন চিকিৎসক গলার অপারেশন করতে পারেন, যদি তিনি এ বিষয়ে দক্ষ হন। তবে বর্তমানে এ ধরনের অপারেশন সাধারণত ইএনটি বিশেষজ্ঞরাই করে থাকেন। রোগীর পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অন্যদিকে, ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “ঘটনাটি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে শুরু হয়েছে ৪৭তম বিজ্ঞান মেলা

মানিক কুমার দাস, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শুরু হয়েছে ৪৭তম বিজ্ঞান মেলা

ফরিদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা। “উদ্ভাবন নির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই মেলার উদ্বোধন করা হয় রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে শহরের তারার মেলা ঈশান মেমোরিয়াল স্কুল প্রাঙ্গণে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান এবং জেলা শিক্ষা অফিসার বিষ্ণু পদ ঘোষাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মেলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে অতিথিরা বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ঘুরে দেখেন। মেলায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি, রোবোটিক্স, পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন, কৃষি প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক বিভিন্ন প্রকল্প উপস্থাপন করে দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আধুনিক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকল্প নেই। একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার প্রসার অপরিহার্য।

তারা আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকেই গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও হাতে-কলমে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।

বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বাস্তব সমস্যার সমাধানে নতুন নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসতে হবে। প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তারা শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসন, ফরিদপুরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই মেলা জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। মেলায় জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে, যা তাদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

মেলা প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে দিনভর প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যায়। নতুন প্রজন্মের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রদর্শনী ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা, যা ভবিষ্যতের বিজ্ঞানমনস্ক বাংলাদেশ গঠনে আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত দিচ্ছে।