খুঁজুন
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

নগরকান্দায় ওভারটেক করতে গিয়ে বাস খাদে, আহত অন্তত ১৫

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১২ পিএম
নগরকান্দায় ওভারটেক করতে গিয়ে বাস খাদে, আহত অন্তত ১৫

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে উল্টে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তবে সবার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে, ফলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের জোয়ারকান্দি গ্রামে ফরিদপুর–বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফরিদপুরগামী চাকলাদার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-২২ ০৫) মহাসড়কে অন্য একটি গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে ভবুকদিয়া থেকে পুখুরিয়াগামী একটি ইজিবাইক দ্রুতগতিতে আসতে দেখে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যেই বাসটি সড়কের ডান পাশের খাদে পড়ে উল্টে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে বাসের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের তৎপরতায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে গুরুতর আহত কয়েকজনকে ফরিদপুর সদরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

খবর পেয়ে নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল, নগরকান্দা থানার এসআই সনাতন এবং ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার এটিএসআই বিল্লালের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেন। কিছু সময়ের মধ্যেই মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানান, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। এতে প্রায় ১৫ জন যাত্রী আহত হন। তবে কেউ গুরুতর আহত হননি।”

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এদিকে হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ফরিদপুর-ভাঙ্গা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সড়কের বেহাল অবস্থা, খানাখন্দ ও সংকীর্ণতা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। সংশ্লিষ্টদের মতে, সড়ক সংস্কার ও যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কটি দ্রুত সংস্কার করে নিরাপদ করা হলে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।

কেন বাড়ছে আইনজীবীদের বিজয়? জয় যে ২৩ জনের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২০ পিএম
কেন বাড়ছে আইনজীবীদের বিজয়? জয় যে ২৩ জনের

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র থেকে ২৩ আইনজীবী বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ জন বিএনপি নেতৃত্বোধীন জোটের, চার জন জামায়াতের এবং একজন স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হলেন– বরিশাল-৩ আসন থেকে বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, নোয়াখালী-১ থেকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, মাগুরা-২ থেকে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নিতাই রায় চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-৪ থেকে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, নেত্রকোনা-১ থেকে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, পঞ্চগড়-১ থেকে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির, চট্টগ্রাম-৫ থেকে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন, নাটোর-৩ থেকে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল, লালমনিরহাট-১ থেকে ব্যারিস্টার মো. হাসান রাজিব প্রধান, সিলেট-৬ থেকে এমরান আহমেদ চৌধুরী, রাঙামাটি থেকে দীপেন দেওয়ান, বরিশাল-৫ থেকে মজিবর রহমান সরোয়ার, নাটোর-২ থেকে এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ভোলা-১ থেকে বিএনপি সমর্থিত বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, পাবনা-৫ থেকে মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, টাঙ্গাইল-৮ থেকে আহমেদ আযম খান এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে মো. জালাল উদ্দিন।

জামায়াতের পাবনা-১ আসন থেকে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান মোমেন, কুড়িগ্রাম-৩ থেকে ব্যারিস্টার মো. মাহবুবুল আলম সালেহী, ঢাকা-১৪ থেকে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান এবং ঢাকা-৫ আসন থেকে মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

এছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট। ২৯০ আসনে দলটির প্রার্থী ছিল। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট।

তাদের প্রার্থী ছিল ২২৭টি আসনে। ভোটের হারে তৃতীয় অবস্থানে আছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্র-তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ৩২ আসনে প্রার্থী দিয়ে তারা পেয়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ভোট।

সূত্র : বাংলানিউজ২৪

হঠাৎ বিএনপিতে যোগ, এরপরই সহিংসতা—ফরিদপুরে আটক সাবেক চেয়ারম্যান

এন কে বি নয়ন, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
হঠাৎ বিএনপিতে যোগ, এরপরই সহিংসতা—ফরিদপুরে আটক সাবেক চেয়ারম্যান

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল মান্নান মাতুব্বরক (৬৬) আটক করেছে যৌথবাহিনী।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক মান্নান মাতুব্বর উপজেলার ময়েনদিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে অনুপস্থিত ছিলেন। প্রায় ১৮ মাস ধরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে আসেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে, ১৪ জানুয়ারি তিনি রাজনৈতিকভাবে দল পরিবর্তন করে বিএনপিতে যোগ দেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের পর ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মান্নান মাতুব্বরের অনুসারীদের সঙ্গে প্রতিপক্ষ জিহাদ গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মান্নান মাতুব্বরের বিরুদ্ধে।

পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পলিন্স সেক জানান, “মান্নান মাতুব্বর দীর্ঘদিন ইউনিয়নে অনুপস্থিত। ফলে স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল।”

একই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রানী বেগম বলেন, “তিনি প্রায় দেড় বছর পরিষদে না আসায় সদস্যদের সম্মতিতে রেজুলেশন করে আমাকে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে আমি নিয়মিতভাবে ইউনিয়নের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেল) আজম খান জানান, “ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আব্দুল মান্নান মাতুব্বরকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন। মান্নান মাতুব্বর আটক হলেও পরিষদের কাজে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না।”

স্থানীয়রা বলছেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তারা আশা করছেন।

ফরিদপুর-৪: ৩০ বছরের আওয়ামী দুর্গ ভেঙে দিলেন বাবুল, গড়লেন রেকর্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
ফরিদপুর-৪: ৩০ বছরের আওয়ামী দুর্গ ভেঙে দিলেন বাবুল, গড়লেন রেকর্ড

রাজনৈতিকভাবে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে প্রায় তিন দশক পর জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বাবুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট। ফলে ৫১ হাজার ৬৮৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন বাবুল। ফরিদপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ ভোট ব্যবধানে জয়।

এই আসনে সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট সরোয়ারজান মিয়া বিজয়ী হয়েছিলেন। এরপর টানা চারটি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা শুধু পরাজিতই হননি, বরং জামানতও হারিয়েছেন। দীর্ঘদিনের সেই পরাজয়ের ধারাকে ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন শহিদুল ইসলাম বাবুল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় কেবল একটি আসনের ফলাফল নয়; বরং স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এলাকায় বিএনপির এমন জয় দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিকভাবে নতুন এলাকা হওয়া সত্ত্বেও অল্প সময়ের মধ্যে বাবুল নিজেকে একজন গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। তিনি দলীয় কোন্দল নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলতে সচেষ্ট ছিলেন। পাশাপাশি ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের নেতাদের সঙ্গেও তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করেন, যা তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় একাধিক জনসভায় বাবুল বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে তিনি এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন। নিজের রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ভোট ও সমর্থন চান। তার সরলতা, নম্র আচরণ এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জনে বড় ভূমিকা রাখে।

বিজয়ের পরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভাঙ্গায় এসে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বাবুল বলেন, “আমি কৃষক পরিবারের সন্তান। শূন্য হাতে আপনাদের কাছে এসেছিলাম। আপনারা আমাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। আপনাদের সঙ্গে আমার আত্মার বন্ধন তৈরি হয়েছে। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আপনাদের পাশে থাকব।”

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন ও শান্তির স্বার্থে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এই বিজয় শুধুমাত্র একজন প্রার্থীর নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আগামী দিনে এই পরিবর্তন ফরিদপুরের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।