খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নগরকান্দায় ভাগ্নের হাতে খালা খুন—৪ দিনেই পুলিশের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ভাগ্নে

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় ভাগ্নের হাতে খালা খুন—৪ দিনেই পুলিশের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ভাগ্নে

ফরিদপুরের নগরকান্দায় চাঞ্চল্যকর জামেলা বেগম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে ঘটনার মাত্র চার দিনের মাথায় মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে এ সাফল্য আসে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দায় পুলিশের সার্কেল অফিসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, নিহত জামেলা বেগম (৬৫) জেলার সদরপুর উপজেলার জাকেরডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা শেখ মোতালেবের বড় বোন। গত ২৭ মার্চ রাত থেকে ২৮ মার্চ ভোরের মধ্যে কোনো এক সময়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বাড়ির পাশের সেফটি ট্যাংকে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই শেখ মোতালেব বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পরপরই সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। টিমে ছিলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসূল সামদানী আজাদ এবং তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. নাজমুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা।

পুলিশ জানায়, ঘটনার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ, সম্ভাব্য মোটিভ খোঁজা এবং সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারির মাধ্যমে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য যাচাই-বাছাই করে অবশেষে মূল আসামির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

অতঃপর মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাড়ীরটেক এলাকা থেকে মো. আলমগীর হোসেন (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নিহত জামেলা বেগমের ভাগ্নে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সে দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফিরে আর্থিক সংকটে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ায় সে তার খালা জামেলা বেগমের কাছে টাকা ধার চায়। কিন্তু খালা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার প্রতি ক্ষোভ জন্ম নেয়।

তদন্তে জানা যায়, জামেলা বেগমের স্বামী মৃত এবং তার দুই মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই। তিনি একাই বাড়িতে বসবাস করতেন। এছাড়া জমি বিক্রির কিছু টাকা স্থানীয় একটি এনজিওতে এফডিআর হিসেবে জমা ছিল, যা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে আলমগীর।

ঘটনার দিন জুমার নামাজের পর ঢাকা যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হলেও সে নগরকান্দার কৃষ্ণপুর বাজারে অবস্থান নেয়। পরে রাত ৮টার দিকে খালার বাড়িতে গিয়ে টাকা-পয়সা নিয়ে কথা বলে। একপর্যায়ে খালা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রাতে ঘুমানোর পর ভোররাতে আলমগীর গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

হত্যার পর মরদেহ গোপন করতে বাড়ির পাশের সেফটি ট্যাংকে ফেলে রেখে বাইরে তালা লাগিয়ে ফজরের নামাজের পরপরই পালিয়ে যায় সে।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. নাজমুল ইসলাম জানান, মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের নামে থানা-উপজেলার দাবি

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের নামে থানা-উপজেলার দাবি

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলে পৃথক থানা ও উপজেলা প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের স্মৃতিকে ধারণ করে “রউফনগর থানা” ও “রউফনগর উপজেলা” বাস্তবায়নের দাবিতে এ কর্মসূচিতে কয়েকশ মানুষ অংশ নেন।

শনিবার (১৬ মে) সকালে কামারখালী বাজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে বাগাট, কামারখালী, ডুমাইন, আড়পাড়া ও ওমেক্স ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন রউফনগর থানা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও আড়পাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেন মোল্লা। বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মতিউল মুরাদ, কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিব হোসেন চৌধুরী ইরান, আড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজের সাবেক সদস্য দাউদ হোসেন, প্রফেসর এহেতশাম, সদস্য সচিব প্রফেসর কাজী কামাল, অ্যাডভোকেট খসরুল আলম, বিএনপি নেতা ফরিদুল ইসলাম ফরহাদ এবং উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ওমর ফারুখসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, দক্ষিণ মধুখালীর বিস্তীর্ণ জনপদ দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক নানা সেবা থেকে বঞ্চিত। সাধারণ মানুষকে থানা ও উপজেলা পর্যায়ের সেবা নিতে দূরবর্তী এলাকায় যেতে হয়, ফলে সময় ও অর্থ—দুইই অপচয় হচ্ছে। তারা জানান, এ অঞ্চলে সরকারি কলেজ, শতবর্ষী ডাকবাংলো, বৃহৎ রেল জংশন, নদীবন্দর, মিল-কারখানা ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জনসংখ্যা ও অবকাঠামোগত দিক থেকেও এলাকাটি একটি স্বতন্ত্র থানা ও উপজেলা হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের নামে “রউফনগর” নামকরণ করা হলে তা নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমের প্রতীক হয়ে থাকবে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারকে রউফনগর থানা ও উপজেলা ঘোষণার দাবি জানান।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে সংক্ষিপ্ত মিছিল বের করেন এবং দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

টিকটকে প্রেম-বিয়ে: ফরিদপুরে পাটক্ষেতে রাতভর নির্যাতনের শিকার নববধূ

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
টিকটকে প্রেম-বিয়ে: ফরিদপুরে পাটক্ষেতে রাতভর নির্যাতনের শিকার নববধূ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় টিকটকে পরিচয়ের পর বিয়ে করা এক কিশোরী গৃহবধূকে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে এনে পাটক্ষেতে নিয়ে রাতভর নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের কুরানিয়ার চর এলাকায়। অভিযুক্ত প্রান্ত শেখ (২২) ওই এলাকার মুজিবর শেখের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্পিগঞ্জ ইউনিয়নের রশিদ শেখের মেয়ে রোকিয়া বেগমের সঙ্গে গাজীপুরে পরিচয় হয় প্রান্ত শেখের। পরিচয়ের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে প্রায় দেড় মাস আগে তারা পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী রোকিয়া বেগম জানান, শুক্রবার (১৫ মে) রাতে প্রান্ত তাকে গাজীপুর থেকে নিজ বাড়িতে নেওয়ার কথা বলে ফরিদপুরের মধুখালীতে নিয়ে আসে। রাত আনুমানিক ২টার দিকে মধুখালী রেলগেট এলাকায় বাস থেকে নামার পর প্রান্ত তাকে কুরানিয়ার চর গ্রামের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে রাতভর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।

রোকিয়ার অভিযোগ, একপর্যায়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে জখম করা হয়। এমনকি তার চোখ উপড়ে ফেলারও চেষ্টা করা হয়। প্রাণ বাঁচাতে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন।

শনিবার (১৬ মে) সকালে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে গ্রাম পুলিশকে খবর দেন। পরে গ্রাম পুলিশ তাকে নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সেখানে সাংবাদিকদের কাছে নিজের ওপর চালানো নির্যাতনের বর্ণনা দেন রোকিয়া। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে ভুক্তভোগী তরুণী মধুখালী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তন্ময় কুমার বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করি। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে এবং মামলার প্রস্তুতি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

সালথায় বিকল্প পথ ছাড়াই চলছে ব্রিজ নির্মাণ, ভোগান্তিতে কয়েক হাজার মানুষ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
সালথায় বিকল্প পথ ছাড়াই চলছে ব্রিজ নির্মাণ, ভোগান্তিতে কয়েক হাজার মানুষ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নির্মাণাধীন দুটি ব্রিজকে কেন্দ্র করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। উপজেলার বালিয়াগট্টি বাজার ও সালথা বাজার এলাকায় চলমান ব্রিজ নির্মাণকাজের কারণে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো যাত্রী, পরিবহন চালক ও ব্যবসায়ীদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা ছাড়াই কাজ শুরু করায় জনদুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

ফরিদপুর-সালথা সড়কটি জেলার অন্যতম ব্যস্ত সড়ক হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন এ পথ ব্যবহার করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু ব্রিজ নির্মাণের কারণে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ থাকায় এখন যাত্রীদের চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প ও সংকীর্ণ সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে একদিকে সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়াও।

সালথা বাজারের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম মারুফ বলেন, “আগে কয়েক মিনিটে বাজারে আসা যেত, এখন ঘুরে আসতে অনেক সময় লাগে। পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে। এতে ব্যবসায় বড় ক্ষতি হচ্ছে।”

স্থানীয় কলেজছাত্রী সুমাইয়া আক্তার জানান, প্রতিদিন কলেজে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, “সকালে সময়মতো বের হলেও যানজটের কারণে ক্লাসে পৌঁছাতে দেরি হয়। বৃষ্টির দিনে কাঁচা বিকল্প রাস্তা দিয়ে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে।”

এদিকে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বাস ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা। সরু বিকল্প রাস্তায় বড় যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছে ট্রাক ও বাস। স্থানীয়দের অভিযোগ, জরুরি রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও বিকল্প সড়কের কারণে দ্রুত চলাচল করতে পারছে না।

পণ্যবাহী ট্রাকচালক আব্দুল কাদের বলেন, “রাস্তা সরু হওয়ায় গাড়ি ঘোরাতে সমস্যা হয়। একটু বৃষ্টি হলেই কাদায় আটকে যেতে হয়। এতে সময় নষ্টের পাশাপাশি অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ হচ্ছে।”

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উন্নয়ন কাজ অবশ্যই প্রয়োজন। তবে জনদুর্ভোগ কমাতে আগে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত ছিল। তারা দ্রুত সাময়িক চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, “নির্মাণাধীন ব্রিজের আশপাশে বিকল্প রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবে কেউ জায়গা দিলে দ্রুত বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা হবে।”