খুঁজুন
, ,

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের আহ্বান, ফরিদপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের আহ্বান, ফরিদপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

‘সবার জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত পরিবার, টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকার’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক কাজী ফারুক আহমেদ।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী এবং সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান।

এ সময় জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (এফপিআই), স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমানো, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করা, কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বক্তারা আরও বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা সেবা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। এজন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি জনগণের দোরগোড়ায় আধুনিক ও মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

ফরিদপুরে নিজস্ব তিনতলা বাড়িতে নিঃসঙ্গ মৃত্যু, শেষ বিদায়ে এলেন না কোনো স্বজন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নিজস্ব তিনতলা বাড়িতে নিঃসঙ্গ মৃত্যু, শেষ বিদায়ে এলেন না কোনো স্বজন

তিনতলা নিজের বাড়ি। নিচতলায় ভাড়াটিয়া, ওপরে একটি ফ্ল্যাটে একা থাকতেন তিনি। একসময় যে ঘরে বাবা-মায়ের স্নেহ, ভাই-বোনের হাসি আর সংসারের কোলাহল ছিল, সেই ঘরই ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছিল নিঃসঙ্গতার ঠিকানায়। শেষ পর্যন্ত সেই ঘর থেকেই অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলো কোয়েল চৌধুরীকে (৫৪)। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক জানালেন, তিনি আর নেই।

আরও বেদনাদায়ক বিষয় হলো, মৃত্যুর খবর বিদেশে থাকা একমাত্র বোন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানো হলেও কেউ শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে আসেননি। শেষ বিদায়ের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন প্রতিবেশী আর স্থানীয় মানুষজন। তাঁদের উদ্যোগেই বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন কোয়েল চৌধুরী।

রোববার (১২ জুলাই) সকালে ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর এলাকার ‘চৌধুরী ভিলা’য় প্রতিদিনের মতো একজন ভাড়াটিয়া তাঁর জন্য খাবার নিয়ে যান। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর দেওয়া হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

পুলিশ দরজা ভেঙে কোয়েল চৌধুরীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল, পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০০০ সালের দিকে সরকারি চাকরিজীবী দম্পতি হাশমত আলী চৌধুরী ও আছিয়া খানম এই বাড়িটি কিনে বসবাস শুরু করেন। তাঁদের তিন সন্তানের মধ্যে একমাত্র মেয়ে পরবর্তীতে কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। দুই ছেলে—বাবু চৌধুরী ও কোয়েল চৌধুরী—দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

তবে তাঁদের নিয়ে মানুষের স্মৃতিতে ভয় বা বিরক্তি নয়, বরং রয়েছে মমতার গল্প।

শহরের অনেকেই এখনও মনে করতে পারেন, দুই ভাইকে প্রায় সব সময় একসঙ্গেই দেখা যেত। কখনো পাশাপাশি হাঁটছেন, কখনো একজন আরেকজনের হাত ধরে ধীর পায়ে শহরের রাস্তা পেরিয়ে যাচ্ছেন। যেন বাইরের পৃথিবীতে তাঁদের আর কেউ নেই—দুজনই ছিলেন একে অপরের সবচেয়ে কাছের মানুষ।

প্রায় দেড় বছর আগে বড় ভাই বাবু চৌধুরীর মৃত্যু হলে কোয়েল চৌধুরীর জীবন আরও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। বিশাল বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে একাই কাটত তাঁর দিন-রাত। নিজের দেখাশোনার মতো ঘনিষ্ঠ কেউ ছিলেন না। ভবনের ভাড়াটিয়ারাই নিয়মিত খাবার দিতেন, প্রতিবেশীরা খোঁজ নিতেন, প্রয়োজন হলে পাশে দাঁড়াতেন।

প্রতিবেশী আশিকুর রহমান খান বলেন, “সকালে ভাড়াটিয়া খাবার দিতে গিয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে আমাদের খবর দেয়। আমরা ৯৯৯-এ ফোন করি। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”

তিনি জানান, “কানাডায় থাকা তাঁর একমাত্র বোনকে মৃত্যুর খবর দেওয়া হলে তিনি দাফন করে দিতে বলেন। অন্য আত্মীয়দেরও জানানো হয়েছিল, কিন্তু কেউ আসেননি। পরে এলাকার মানুষ মিলে আলীপুর কবরস্থানে তাঁর বাবা-মায়ের কবরের পাশেই দাফনের ব্যবস্থা করেন। দাফনের পর দূরসম্পর্কের কয়েকজন আত্মীয় এসেছিলেন।”

এলাকায় একটি প্রচলিত কথা রয়েছে, ছোটবেলায় বাবা-মা কর্মস্থলে যাওয়ার আগে দুই সন্তানকে ঘুমের ওষুধ খাওয়াতেন, যা তাঁদের মানসিক অবস্থার অবনতির কারণ হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনো সরকারি বা চিকিৎসাগত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুল হাসান বলেন, “৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।”

কোয়েল চৌধুরীর জীবনের শেষ অধ্যায় যেন নীরবে একটি প্রশ্ন রেখে গেল—রক্তের সম্পর্ক সবসময় কি সবচেয়ে কাছের সম্পর্ক? নাকি মানুষের সবচেয়ে কঠিন সময়ে প্রতিবেশী, ভাড়াটিয়া আর আশপাশের মানুষই হয়ে ওঠেন প্রকৃত আপনজন?

একটি তিনতলা বাড়ি ছিল তাঁর। ছিল স্মৃতিভরা একটি পরিবার। কিন্তু জীবনের শেষ সময়ে ছিল শুধু নিঃসঙ্গতা। আর শেষ বিদায়ে, স্বজনের বদলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছিলেন প্রতিবেশীরাই।

ফরিদপুরে কাঁঠাল গাছের নিচে আশ্রয় নিতে গিয়ে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কাঁঠাল গাছের নিচে আশ্রয় নিতে গিয়ে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু

ফরিদপুর সদর উপজেলার খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামে বৃষ্টির সময় কাঁঠাল গাছের নিচে আশ্রয় নিতে গিয়ে বজ্রপাতে সাব্বির মোল্লা (১৭) নামে এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু অলৌকিকভাবে অক্ষত রয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাব্বির মোল্লা খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বৃষ্টি শুরু হলে সাব্বির তার দুই বন্ধুকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি কাঁঠাল গাছের নিচে বসে ছিল। এ সময় হঠাৎ গাছের পাশেই বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে তিনজনই ছিটকে পড়ে। এতে সাব্বির গুরুতর আহত হলেও তার দুই বন্ধু প্রাণে বেঁচে যায় এবং তারা সুস্থ রয়েছে।

স্থানীয় লোকজন দ্রুত সাব্বিরকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “বজ্রপাতে এক কিশোরের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুরে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হাতুড়ি দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার দায়ে মো. লালন মোল্লা (৫৪) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে পুলিশি প্রহরায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত লালন মোল্লা ফরিদপুর শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি একটি ভবনের কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী সাজেদা বেগম (৪০) ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের ভাটদি গ্রামের বাসিন্দা।

২০০৪ সালে সাজেদা বেগমকে বিয়ে করেন লালন মোল্লা। এটি ছিল লালনের দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম স্ত্রীর সংসারে তার এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তবে সাজেদা-লালন দম্পতির কোনো সন্তান ছিল না।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিয়ের পর থেকেই মাদক কেনার টাকার জন্য স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক এনে দিতে চাপ দিতেন লালন। নির্যাতনের মুখে কয়েক দফায় সাজেদা বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিলেও তা বন্ধ হয়নি। সর্বশেষ ২০২২ সালের ৯ আগস্ট তিনি স্ত্রীর কাছে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে তাকে একাধিকবার মারধর করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে স্ত্রী সাজেদা বেগমকে হত্যা করেন লালন মোল্লা।

ঘটনার দিনই নিহতের ছোট বোন মাজেদা বেগম বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় লালন মোল্লাকে একমাত্র আসামি করা হয়।

মামলাটির তদন্ত করেন কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জগন্নাথ দাস। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১১ জানুয়ারি আদালতে লালন মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।

রায়ের বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, যৌতুক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিতেই আদালত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ রায় সমাজে যৌতুক ও পারিবারিক সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং সম্ভাব্য অপরাধীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।