খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে মাদক-অনলাইন জুয়া-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদক-অনলাইন জুয়া-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর বার্তা

মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, বাল্যবিবাহ, আত্মহত্যা প্রতিরোধ এবং স্থানীয় বিরোধ ও জমিজমা সংক্রান্ত সংঘাত নিরসনে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দায় সামাজিক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুর জেলা পুলিশের আয়োজনে নগরকান্দা থানার ভবুকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।

বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি, অনলাইন জুয়ার বিস্তার, ইভটিজিং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের মতো অপরাধ সমাজের শান্তি ও উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। এসব অপরাধ থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হলে পারিবারিক বন্ধন আরও দৃঢ় করা, সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের নজরদারি বৃদ্ধি, নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় আত্মহত্যা প্রতিরোধেও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, মানসিক সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করলে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও স্থানীয় সংঘাতের বিষয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের একার পক্ষে সফল হওয়া সম্ভব নয়। সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হন, অপরাধের তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, তাহলে একটি নিরাপদ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সুধীসমাজের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভাটি স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে এবং সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

চরভদ্রাসনে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬০ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬০ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৬০টি পরিবারের মাঝে সরকারি সহায়তা হিসেবে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ।

এ সময় উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. সেলিম হুসাইনসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে নির্বাচিত ৬০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন এবং ঘর মেরামত ও নির্মাণে সহায়তার জন্য নগদ ৩ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যেন দ্রুত তাদের বসতঘর মেরামত করে নিরাপদে বসবাস করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও সরকারি বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও ত্রাণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা সরকারি এ সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, দুর্যোগে ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় নতুন করে ঘর মেরামত করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ সময় সরকারের দেওয়া ঢেউটিন ও নগদ অর্থ তাদের জন্য অনেক উপকারে আসবে।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর বন্যা, নদীভাঙন, ঝড়, অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঢেউটিন ও নগদ অর্থসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। চরভদ্রাসনেও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে এ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

সচেতনতাই ক্যানসার প্রতিরোধের প্রথম ধাপ, ফরিদপুরে নারীদের নিয়ে বিশেষ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
সচেতনতাই ক্যানসার প্রতিরোধের প্রথম ধাপ, ফরিদপুরে নারীদের নিয়ে বিশেষ কর্মশালা

নারীদের মধ্যে সার্ভিক্যাল ও ব্রেস্ট ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দিতে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে “Precautionary Measure for Breast and Cervical Cancer” শীর্ষক অর্ধদিবসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মশালা।

সোমবার (২০ জুলাই) শহরের বেলপিয়াতো চাইনিজ রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালার আয়োজন করে নন্দিতা সুরক্ষা, ফাউন্ডেশন ফর উইমেন পসিবিলিটিজ-এর সহযোগিতায়।

কর্মশালায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী, কিশোরী, কমিউনিটি সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী এবং নারী অধিকারকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সার্ভিক্যাল ও ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকির কারণ, প্রাথমিক লক্ষণ, প্রতিরোধের উপায়, সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষার গুরুত্ব, HPV টিকাদান, VIA স্ক্রিনিং এবং Breast Self-Examination (BSE) বা নিজের স্তন নিজে পরীক্ষা করার পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সুলতানা বেগম লিপি। তিনি বলেন, “সার্ভিক্যাল ক্যানসার বিশ্বের অন্যতম প্রতিরোধযোগ্য ক্যানসার। সময়মতো HPV টিকা গ্রহণ, নিয়মিত VIA স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করলে এ রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। একইভাবে ব্রেস্ট ক্যানসারও প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফলভাবে চিকিৎসা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, নারীদের প্রতি মাসে নিয়মিত Breast Self-Examination (BSE) করা, কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নির্ধারিত সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।

কর্মশালায় ক্যানসার সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন ভুল ধারণা ও কুসংস্কার দূর করতে বাস্তবভিত্তিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা, স্ক্রিনিং সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় রেফারেল ব্যবস্থার বিষয়েও অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, ফরিদপুরের উপপরিচালক মাসউদা হোসেন বলেন, নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। সার্ভিক্যাল ও ব্রেস্ট ক্যানসারের মতো রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কর্মশালায় অর্জিত জ্ঞান পরিবার ও সমাজের অন্য নারীদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

নন্দিতা সুরক্ষার নির্বাহী পরিচালক তাহিয়াতুল জান্নাত রেমি বলেন, নারীদের স্বাস্থ্য, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে তাদের সংগঠন ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণই ক্যানসারজনিত মৃত্যুহার কমানোর অন্যতম কার্যকর উপায়।

কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীরা সার্ভিক্যাল ও ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি, লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক শনাক্তকরণ সম্পর্কে আরও সমৃদ্ধ ধারণা লাভ করেন। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্যানসার প্রতিরোধে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

ফরিদপুরে সাবেক এমপির বাড়িতে চুরি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মালামালসহ তিন চোর আটক

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাবেক এমপির বাড়িতে চুরি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মালামালসহ তিন চোর আটক

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মনজুর হোসেনের বাড়িতে সংঘটিত দুঃসাহসিক চুরির ঘটনার মাত্র একদিনের মধ্যেই চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং তিন অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে চুরি হওয়া দুটি এসি, একটি ওভেন ও একটি পানির মোটর উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার (১৮ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদী গ্রামে অবস্থিত সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মনজুর হোসেনের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাড়ির সদস্যরা ঢাকায় অবস্থান করায় বাড়িতে কেয়ারটেকার ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। এ সুযোগে চোরেরা বাড়ির ছাদের চিলেকোঠার দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন রোববার (১৯ জুলাই) বাড়ির কেয়ারটেকার আব্দুল্লাহ শেখ বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং চোর শনাক্ত ও মালামাল উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।

সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) আজম খানের নির্দেশনায় আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আল-আমিনের সার্বিক সহযোগিতায় এসআই সুমিত মজুমদারের নেতৃত্বে একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে আলফাডাঙ্গা সদরের কুসুমদী গ্রামের হাফিজুর মোল্যার ছেলে আলাউদ্দিন (২৪), কামাল শিকদারের ছেলে লিজন শিকদার (১৮) এবং তাহের মুন্সীর ছেলে ইউসুফ মুন্সীকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া দুটি এসি, একটি ওভেন ও একটি পানির মোটর উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে আটক তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে চুরির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”