খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পরিচয়ে হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণা, র‌্যাবের জালে প্রতারক 

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পরিচয়ে হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণা, র‌্যাবের জালে প্রতারক 

সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণার অভিযোগে আতিয়ার দর্জি (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১০।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুর শহরের র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩ ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা।

গ্রেপ্তারকৃত আতিয়ার দর্জি ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর এলাকার মৃত আব্দুল বাকী দর্জির ছেলে।

র‌্যাব জানায়, একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের ছবি ও নাম ব্যবহার করে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করে আসছিল। এসব অ্যাকাউন্ট থেকে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজেদের প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে তদবির, অনৈতিক সুবিধা আদায় এবং প্রতারণার চেষ্টা করা হতো।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এলে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। পরে এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার অনুরোধের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আতিয়ার দর্জিকে গ্রেপ্তার করে।

অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি ব্যক্তিগত মাইক্রোবাস, সাতটি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ব্যাংকের পাঁচটি এটিএম কার্ড এবং নগদ ৮ হাজার ৯০০ টাকা জব্দ করা হয়। পরে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা বলেন, “ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সরকারি উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের পরিচয় ভুয়াভাবে ব্যবহার করে প্রতারণা ও অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা একটি গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মেসেজিং অ্যাপে কেউ যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়ে যোগাযোগ করে, তবে পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না। সন্দেহজনক কোনো কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত র‌্যাব বা নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান।”

ফরিদপুরে সাবেক এমপির বাড়িতে চুরি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মালামালসহ তিন চোর আটক

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাবেক এমপির বাড়িতে চুরি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মালামালসহ তিন চোর আটক

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মনজুর হোসেনের বাড়িতে সংঘটিত দুঃসাহসিক চুরির ঘটনার মাত্র একদিনের মধ্যেই চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং তিন অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে চুরি হওয়া দুটি এসি, একটি ওভেন ও একটি পানির মোটর উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার (১৮ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের পানাইল গ্রামে অবস্থিত সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মনজুর হোসেনের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাড়ির সদস্যরা ঢাকায় অবস্থান করায় বাড়িতে কেয়ারটেকার ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। এ সুযোগে চোরেরা বাড়ির ছাদের চিলেকোঠার দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন রোববার (১৯ জুলাই) বাড়ির কেয়ারটেকার আব্দুল্লাহ শেখ বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং চোর শনাক্ত ও মালামাল উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।

সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) আজম খানের নির্দেশনায় আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আল-আমিনের সার্বিক সহযোগিতায় এসআই সুমিত মজুমদারের নেতৃত্বে একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে আলফাডাঙ্গা সদরের কুসুমদী গ্রামের হাফিজুর মোল্যার ছেলে আলাউদ্দিন (২৪), কামাল শিকদারের ছেলে লিজন শিকদার (১৮) এবং তাহের মুন্সীর ছেলে ইউসুফ মুন্সীকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া দুটি এসি, একটি ওভেন ও একটি পানির মোটর উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে আটক তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে চুরির ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির মোবাইল নম্বর ক্লোন, হোয়াটসঅ্যাপে টাকা চেয়ে প্রতারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির মোবাইল নম্বর ক্লোন, হোয়াটসঅ্যাপে টাকা চেয়ে প্রতারণা

ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকীর মুঠোফোন নম্বর ক্লোন করে তার পরিচয়ে টাকা দাবি করছে একটি প্রতারক চক্র। ইতোমধ্যে ওই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে তার এক সহকারী বিকাশের মাধ্যমে মোট ৪০ হাজার ৫৪০ টাকা পাঠিয়ে প্রতারিত হয়েছেন।

এ ঘটনায় প্রতারণার শিকার শহরের গুহলক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা মো. নাঈম মোল্লা (৩৩) রোববার (১৯ জুলাই) ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনি ফজলুল হকের ছেলে এবং কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকীর সহকারী হিসেবে কাজ করেন।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, রোববার দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকীর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে নাঈম মোল্লার হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা আসে। সেখানে বিকাশ নম্বর ০১৮৭৬৩৪১৬৩৫-এ জরুরি ভিত্তিতে ১০ হাজার টাকা পাঠাতে বলা হয়। পরিচিত ব্যক্তির নম্বর থেকে বার্তা আসায় কোনো সন্দেহ না করে তিনি দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে টাকা পাঠিয়ে দেন।
এরপর আরেকটি বিকাশ নম্বর ০১৮২৪২৭২৯৫৭-এ আরও ৩০ হাজার ৫৪০ টাকা পাঠানোর অনুরোধ করা হলে তিনিও সেটি পাঠিয়ে দেন। পরে তৃতীয় আরেকটি নম্বর ০১৮৯৭৩৬৪৯৮২-এ আরও ২০ হাজার টাকা পাঠাতে বলা হলে তার সন্দেহ হয়। এরপর তিনি সরাসরি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানতে পারেন, তার মুঠোফোন নম্বর ক্লোন করে প্রতারক চক্র এই প্রতারণা চালাচ্ছে। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, মোট ৪০ হাজার ৫৪০ টাকা তিনি প্রতারকদের হাতে তুলে দিয়েছেন।

ঘটনার পর রোববার বিকেল ৪টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন পিয়াল এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, প্রেসক্লাব সভাপতির নম্বর ক্লোন করে হ্যাকাররা বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিচিতজনের কাছে টাকা দাবি করছে। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, ওই নম্বর থেকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তার অনুরোধ এলে অবশ্যই ফোন করে পরিচয় নিশ্চিত হতে। একই সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই ওটিপি, বিকাশ পিন, ব্যাংক তথ্য বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানান।

ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, তার জানা মতে ইতোমধ্যে ৪০ হাজার টাকার বেশি প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। আরও কেউ প্রতারণার শিকার হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শুধু হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা দেখে কেউ যেন টাকা লেনদেন না করেন।”

ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, জিডির ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতারণায় ব্যবহৃত মোবাইল ও বিকাশ নম্বরগুলোর তথ্য সংগ্রহ করে জড়িত চক্রকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধ দমনে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সহযোগিতাও নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

ভাঙ্গায় কাভার্ড ভ্যানসহ ৩০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, পালালেন দুই মাদক কারবারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় কাভার্ড ভ্যানসহ ৩০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, পালালেন দুই মাদক কারবারি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হলেও র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই সন্দেহভাজন মাদক কারবারি পালিয়ে যায়।

সোমবার (২০ জুলাই) ভোরে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মালিগ্রাম ফ্লাইওভারের নিচে মালিগ্রাম বাজারের দক্ষিণ পাশে একটি সন্দেহজনক কাভার্ড ভ্যানের কাছে পৌঁছালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তি গাড়িটি ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরে কাভার্ড ভ্যানটি তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে রাখা ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যানটিও জব্দ করা হয়েছে।

র‌্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুর, ভাঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিল। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া গাঁজা ও জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।