খুঁজুন
শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৬ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের পুকুর দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের পুকুর দখলের অভিযোগ

ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের দৃষ্টিনন্দন পুকুরের একটি অংশ ভরাট করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে অভিযুক্তদের দাবি, পৌরসভা থেকে লিজ নেওয়া জায়গায় তারা স্থাপনা নির্মাণ করছেন। কলেজের পুকুর ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজের পূর্বপাশে বীর মুক্তিযোদ্ধা নওফেল গেটসংলগ্ন একটি বড় পুকুর রয়েছে। পুকুরের পূর্বপাশে বিভিন্ন সময়ে অন্তত চারটি ঝুপড়ি ও বাঁশ-খুঁটির টিনশেড দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি স্থানে মাটি ফেলে ভরাট করা হয়েছে। সেখানে পাকা স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি হিসেবে আরসিসি পিলার বসানোর কাজ চলছিল এবং ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচটি বড় গর্ত খোঁড়া হয়েছে।

২০১১ ও ২০১২ সালে সাবেক পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথুর স্বাক্ষরে ফরিদপুর পৌরসভা থেকে শাহীন তালুকদার ও মেহেদী হাসান শামীম তালুকদার নামে দুই ব্যক্তিকে লিজ দেওয়া হয়। তারা শহরের কমলাপুর কুঠিবাড়ী এলাকার মৃত শাহাজাহান তালুকদারের ছেলে। মেহেদী হাসান শামীম তালুকদার বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বলেন, শাহীন তালুকদার প্রতিবন্ধী এবং আমার প্রতিবেশী হওয়ায় তার অনুরোধে ঘরটি করে দিচ্ছি। তারা প্রায় ১২ বছর আগে লিজ নিয়েছেন। আমি তাদের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে কাজ করছি। সবকিছু বৈধ কাগজপত্র অনুযায়ী করা হচ্ছে। আমরা কলেজের কোনো জায়গা দখল করছি না।

এব্যাপারে কলেজটির অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম আবদুল হালিম অভিযোগ করে বলেন, পৌরসভার লিজের বাইরে কলেজের জায়গাও দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে আছি। সকালে বিষয়টি জানতে পেরে পৌর প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের মৌখিকভাবে জানিয়েছি। এখানে পাকা স্থাপনা হয়ে গেলে আর কিছু করার থাকবে না। এতে কলেজের সৌন্দর্য ও পুকুরের পরিবেশ নষ্ট হবে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

অধ্যক্ষ বলেন, ওরা আমাকে ফোন করে বলেছে—বিগত ১৭ বছরে কিছু করতে পারিনি, এখন একটু সুযোগ দিতে হবে। শুনেছি ছাত্রদলের নেতারাও এতে জড়িত।

এ বিষয়ে ফরিদপুর পৌর প্রশাসক (স্থানীয় সরকারের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক) মো. সোহরাব হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পৌরসভা থেকে লোক পাঠানো হয়েছে। সেখানে একটি পুরোনো লিজের কাগজ দেখানো হয়েছে। আপাতত কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ঈদের পর লিজের কাগজ যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘টাকা না দিলে কাজ হয় না’—বোয়ালমারীতে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
‘টাকা না দিলে কাজ হয় না’—বোয়ালমারীতে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) মো. মনিরুজ্জামান সিকদার ও নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ইমামদের সাথে দূর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে ও তাদের অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বোয়ালমারী উপজেলা ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নাজ ক্যাবল অপারেটরের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ খানের নিজস্ব কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ঈদ উপলক্ষে পৌরসভা কর্তৃক প্রতিবছর ইমামদের সম্মানে বরাদ্দকৃত অর্থ প্রদানে বিভিন্ন টালবাহানা ও গড়িমশিসহ ইমামদের সাথে দুর্ব্যবহার করায় তাদের অপসারণ দাবি করেন বোয়ালমারী ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি ও বোয়ালমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের (বাইতুল হামদ) পেশ-ইমাম মাওলানা হোসাইন আহমাদ।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালমারীর পৌরসভা থেকে পৌর মেয়র মহোদয়গণ পৌর সভার মধ্যের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপলক্ষে একটি আর্থিক অনুদান দিয়ে এসেছেন। অর্থটা যৎসামান্য হলেও ধর্মীয় নেতাদের সম্মানিত করায় আমরা গর্ববোধ করেছি। বর্তমান প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান আগের ধারাটা বজায় রাখলেও পৌর সচিব মো. মনিরুজ্জামান সিকদার ও নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুর রহমান অর্থ ছাড় দিতে নানা টালবাহানার আশ্রয় নেন। এমন কী ভবিষ্যতে এ ধরনের অর্থ ছাড় যাতে না হয় সে বিষয়ে দেখে নিবেন বলেও হুমকি দেন। সংবাদ সম্মেলনে এসময় সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলীর অপসারণের দাবি তোলেন উপস্থিত ইমামগণ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, বোয়ালমারী ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের উপদেষ্টা, সাবেক কাউন্সিলর আঃ সামদ খান, তিনি সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মশা নিধন ওষুধ ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম তুলে ধরে বলেন ৬ লাখ টাকার মশক নিধন ওষুধ ক্রয় করে তার বিল করেছে ১৩ লাখ টাকা। পৌরসভার যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে নির্বাহী প্রকৌশলীকে ১% উৎকোচ না দিলে ফাইল নড়ে না। মেয়র, কাউন্সিলর না থাকায় তারা নিজেকে পৌরসভার সর্বেসর্বা ভাবেন, কোনো মানুষকে সম্মান দেন না,এমন কী ইমামদের বরাদ্দের টাকা থেকেও কৌশলে একটা অংশ কেটে রাখার চেষ্টা করছিলেন তারা। সাবেক এ কাউন্সিলার ঈদের পর এ সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলীকে অপসারণ করা না হলে কঠোর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারী দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ কামারগ্রাম পুরাতন জামে মসজিদের ইমাম মাও. মাহবুবুল হক, দারুস সালাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতীব হা. মাও.রুহুল আমীন,কামারগ্রাম বায়তুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা আ. আহাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ড জামে মসজিদের (ওয়াপদা) ইমাম ও খতীব মুফতী আবুল হাসান, বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব মাও. মুফতী তৈয়বুর রহমান। এ সম্মেলনে পৌরসভার সকল মসজিদের ৫০/৬০ জন ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুর রহমান জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়। এসবের দ্বায়িত্ব আমার নয়। আমার দ্বায়িত্ব রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন মূলক কাজকর্ম ও ঠিকাদারদের দেখা।

দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার

দেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং শনিবার (২১ মার্চ) দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ধর্ম মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দেশের আকাশে কোথাও শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শুক্রবার দেশে ৩০ রমজান পূর্ণ হবে এবং শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

এর আগে বুধবার (১৮ মার্চ) চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করে। ওইদিন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে বৃহস্পতিবার পবিত্র রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে এবং আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উদ্‌যাপিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

সূত্র : চ্যানেল২৪

ফরিদপুরে ঈদের আগে ১০ হাজার পরিবারের মুখে হাসি

হাসান মাতুব্বর (শ্রাবণ), ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের আগে ১০ হাজার পরিবারের মুখে হাসি

ফরিদপুরে পবিত্র ঈদুল-ফিতরের দুইদিন আগেই দশ হাজার পরিবারের মুখে হাসি ছড়িয়েছেন শিল্প প্রতিষ্ঠান অকো-টেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান (সিআইপি)। তিনি অকো-টেক্স গ্রুপের সাজিদ সোবহান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাড়ে ৯ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার ও তিন শতাধিক পরিবারকে বয়স্ক ও বিধবা ত্রৈমাসিক ভাতা বিতরণ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত নিজ গ্রাম জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের পুরদিয়া আনসার আলী মিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে এসব বিতরণ করা হয়। পৃথক দুই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম এবং সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান (সিআইপি)।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় জেলা সদরের কানাইপুর, কৈজুরী, চাঁদপুর ও কৃষ্ণনগর এবং পাশ্ববর্তী সালথা উপজেলার গট্টি ও আটঘর ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার উপকারভোগী পরিবারের তালিকাভূক্ত করে বিশেষ স্লিপের মাধ্যমে এসব বিতরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে সাড়ে ৯ হাজার পরিবারকে ঈদ সামগ্রী ও উপহার তুলে দেয়া হয়। যার মধ্যে রয়েছে, এক কেজি চিনি, এক প্যাকেট সেমাই এবং একটি শাড়ি, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি ও থ্রী-পিস; যা নারী-পুরুষ হিসেবে দুটি ভিন্ন প্যাকেজ করে দেয়া হয়।

এছাড়া একই দিনে ৩১২ জন পরিবারকে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা বিতরণ করা হয়। যারমধ্যে রয়েছে- ২৫ কেজি চাউল, ৩ কেজি ডাউল, ২ লিটার সোয়াবিন তেল ও নগদ পাঁচশত টাকা।

এ অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘কেউ অতৃপ্তি নিবেন না; কারণ, এটা আপনাদের হক। আর এই হক আমাদের সাধ্যনুযায়ী আদায় করার চেষ্টা করেছি। আপনাদের হক, আপনাদের দিয়ে আমরা ভার মুক্ত হচ্ছি। আপনারা যেন নিজেরাও যাকাত দিতে পারেন, সেই স্বচ্ছলতা আল্লাহ আপনাদেরও দান করুক।’

এ সময় পুলিশ সুপার মো: নজরুল ইসলাম বলেন, ‘উনার (ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান) একটা মহৎ হৃদয় রয়েছে এবং সমাজের জন্য কিছু করার আগ্রহ আছে; যেটা সবার মধ্যে থাকে না। অনেক মিলিয়নার, বিলিয়নার আছে কিন্তু যাকাত দেয়া হচ্ছে না। শুনেছি, সোবহান সাহেব প্রতিবছরই এই যাকাত দিয়ে থাকেন, যেটা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি আমাদের ধর্মের অনুসঙ্গ হিসেবে পালন করছেন। এই যাকাত সমাজের ধনী-গরিবের বৈষম্য কিছুটা হলেও নিরসন করে থাকে। সেক্ষেত্রে সঠিকভাবে যাকাত দেয়ার ক্ষেত্রে সকলেরই এগিয়ে আসা উচিৎ।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম, অকো-টেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মতিয়া বেগম, সাজিদ সোবহান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা বৃন্দ, আনসার আলী মিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দসহ সহ আরও অনেকে।