খুঁজুন
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১ চৈত্র, ১৪৩২

দুই যুগ পর দেশে ফিরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার, গরিবদের সাথে ইফতার

হাসান মাতুব্বর (শ্রাবণ), ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:১০ পিএম
দুই যুগ পর দেশে ফিরে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার, গরিবদের সাথে ইফতার

প্রায় দুই যুগ পর দেশের মাটিতে ফিরেই দুই সহস্রাধিক হতদরিদ্র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছেন কাজাখস্তান প্রবাসী নেতা ফরহাদ ওহাব আকন। এছাড়া একই সাথে স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দেন তিনি।

শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের আকনের ডাঙ্গী গ্রামের নিজ বাড়ির আঙিনায় এই আয়োজন করা হয়। এর আগে সকালেই দেশে ফিরে আসেন তিনি।

জানা যায়, ফরহাদ ওহাব আকন বাংলাদেশ-কাজাখস্তান কমিউনিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন এবং ২০০২ সাল থেকে দেশটিতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। শনিবার সকালে দেশে ফিরেই ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের সম্মানার্থে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। এতে স্থানীয়দের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

ইফতারের পূর্বে আলোচনা সভায় ফরহাদ ওহাব আকন বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি এলাকাবাসীর উন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন যাবৎ কাজাখস্তানে অবস্থান করে শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত রয়েছি। দেশটিতে বাংলাদেশের কোনো দূতাবাস নেই। ২০২৪ সালে আমাকে সেখানকার প্রবাসীরা সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। মাত্র দুই বছরে সেখানের বাংলাদেশীদের পাশে দাড়িয়ে তাদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। তাদের বেকার সমস্যা থেকে মৌলিক অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘সুদীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় বিদেশের মাটিতে অবস্থান করে যা আয় করেছি তার সবই দেশের মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছি, নিজের জন্য আজও কিছু করি নাই। কারন, বিদেশে থাকলেও সব সময় দেশের মানুষের জন্য মন কেঁদেছে। এলাকার মানুষের কথা ভেবে কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে বিভিন্ন সময় সাধ্যানুযায়ী সাহায্য সহযোগিতা করে আসছি। ভবিষ্যতেও আমার ইউনিয়ন ও উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের পাশে থেকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাব।’

এ সময় তাঁর বাবা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ওহাব আকনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সদরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বদিউজ্জামান বধু, সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম কবির মোল্যা, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার মিয়া প্রমুখ।

ফরিদপুরে মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে নারী-পুরুষসহ গ্রেপ্তার ৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৩ পিএম
ফরিদপুরে মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে নারী-পুরুষসহ গ্রেপ্তার ৩৬

ফরিদপুর জেলা শহরে অসামাজিক কর্মকান্ড ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৩৬ জন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। টানা কয়েক ঘন্টার এ অভিযানে শহরের বস্তি এলাকা ও আবাসিক হোটেলগুলোতে তল্লাশি চালানোর কারণে মাদক কারবারি ও অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) ভোররাত থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত শহরের লক্ষ্মীপুর রেলবস্তি, পূর্ব খাবাসপুর, হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা অংশ নেন।

যৌথ বাহিনীর সদস্যরা শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবন ও অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িতদের আটক করেন। পরে ফরিদপুর সার্কিট হাউসে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন, সেনাবাহিনীর মেজর রোকনুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানা ও আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আটককৃত ৩৬জনের মধ্যে ২৮ জনকে মাদকসেবী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেন। এছাড়া শহরের কয়েকটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাকি ৮ নারীকে কারাদন্ড দেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে আটক কয়েকজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস বলেন, সরকারের নির্দেশনায় ভোর চারটা থেকে লক্ষ্মীপুর রেলবস্তি, পূর্ব খাবাসপুর, হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজার এলাকায় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অংশ নেয়। এ সময় মাদক সেবনের অভিযোগে ৩৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদড ও অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে এবং ৩ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুরে জুলাই আহত যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
ফরিদপুরে জুলাই আহত যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় জমির সীমানা ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে জুলাই আন্দোলনে আহত এক যুবদল কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশ বলছে, এটি মূলত দুইপক্ষের মধ্যে চলাচলের রাস্তা নিয়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা, পরিকল্পিত হামলার প্রমাণ মেলেনি।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের কল্যাণপটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত তরিকুল ইসলাম সুজন (৩২) বর্তমানে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তরিকুল ইসলাম সুজন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় পুলিশের গুলিতে আহত হন। পরে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার আন্দোলন সংক্রান্ত কেস আইডি নম্বর-৯২১৫ বলে জানা গেছে।

সুজন নগরকান্দা উপজেলার কল্যানপট্টি গ্রামের আবু জাফর মোল্লার ছেলে। তিনি মা জয়নব বেগম ও স্ত্রী আলো বেগমকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন।

পুলিশ, পরিবার ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির পাশের একটি চলাচলের রাস্তার উপর বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী হাসেন মাতুব্বর ও বিকুল মাতুব্বরের সঙ্গে সুজনদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সুজন তখন ঢাকায় সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময় প্রতিবেশীরা ওই রাস্তার একটি অংশে টিন দিয়ে বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করলে তার মা জয়নব বেগম বাধা দেন। এ ঘটনায় সুজন গত ৫ মার্চ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ করার জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষরা তার ওপর হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন সুজন।

আহত তরিকুল ইসলাম সুজন নিজেকে যুবদল কর্মী দাবি করে জানান, শনিবার সকালে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ সময় তার মা ও স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। এমনকি হামলার সময় তার স্ত্রীর ভিডিও করলে মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলার অভিযোগও করেন তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফেসবুক লাইভে এসে সুজন বলেন, অভিযোগ করার কারণেই প্রতিবেশী হাসেন মাতুব্বর ও বিকুল মাতুব্বর গংরা তার ওপর হামলা করেছে। তাকে কুপিয়েছে, তার বৃদ্ধ মায়ের গায়েও হাত তুলেছে। এছাড়া সুজনের স্ত্রীকে মারধর করে তার মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেছে হামলাকারীরা। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাসেন মাতুব্বর ও বিকুল মাতুব্বর গংদের কারো বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, বিষয়টি মূলত চলাচলের রাস্তা ও জমির সীমানা নিয়ে দুইপক্ষের বিরোধ। আজকে দুইপক্ষের ধাক্কাধাক্কির সময় সুজনের পা টিনে কেটে যাওয়ার কথা শুনেছি। পরিকল্পিত হামলার ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, দুইপক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। যেহেতু সুজন জুলাই আন্দোলনে আহত একজন যোদ্ধা, তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখা হচ্ছে এবং যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা না থাকে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ফরিদপুরে ডেঙ্গু–চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতা বাড়াতে র‍্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
ফরিদপুরে ডেঙ্গু–চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতা বাড়াতে র‍্যালি

ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে ফরিদপুরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে ফরিদপুর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় হাসপাতাল চত্বর থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়। পরে এটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় বক্তব্য দেন- ফরিদপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. গণেশ কুমার আগরওয়াল, কনসালটেন্ট ডা. মোয়াজজেম হোসেন, ডা. আল আমিন সরোয়ার এবং জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. বজলুর রশিদ খান।

বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া বর্তমানে দেশের জন্য একটি বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ দুটি রোগ মূলত এডিস প্রজাতির মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা পরিষ্কার পানিতে জন্মায়। তাই বাড়ির আশপাশে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, পানির ট্যাংক, ড্রাম বা খোলা পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

তারা আরও বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, মশারি ব্যবহার করা এবং মশা নিধনে স্থানীয় উদ্যোগ জোরদার করতে হবে।

আয়োজকরা জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সারাদেশের মতো ফরিদপুরেও সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।