খুঁজুন
বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ১১ চৈত্র, ১৪৩২

‎‘দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা গড়তে চাই’ : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১০ এএম
‎‘দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা গড়তে চাই’ : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর-২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, ধানের শীষ হচ্ছে উন্নয়নের প্রতীক। এই প্রতীকে জয়ী হলে সালথা–নগরকান্দা এলাকায় শিল্পায়ন ও ব্যাপক কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

‎শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামে নুরুদ্দীন মাতুব্বরের বাড়িতে আয়োজিত নির্বাচনী প্রচারণা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‎শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেন, “আপনাদের বোন হিসেবে আমি ওয়াদা করছি—রাস্তা হবে, ব্রিজ ও কালভার্ট হবে, হাসপাতাল হবে। আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে এবং এই অঞ্চলে শিল্পকারখানা স্থাপন করা হবে, যাতে আমার ভাই-বোনেরা এখানেই চাকরি পায়।”

‎ভোটের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাতে ১২টার পর গ্রামে যেসব লোক ঢোকে, তারা সাধারণত ভালো উদ্দেশ্যে আসে না। তাই ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পাহারা দিতে হবে। ১১ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত—রেজাল্ট শিট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত—ধানের শীষের একটি ভোটও কবজের মতো করে রক্ষা করতে হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “আমি সংসদ সদস্য হতে পারলে এলাকার জনগণই হবে উন্নয়নের প্রধান শক্তি। এলাকার মানুষই সমস্যার সমাধান করবে। জনগণই সালথা–নগরকান্দা পরিচালনা করবে। আমরা চাই দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত সালথা–নগরকান্দা।”

‎গট্টি ইউপি সদস্য নুরুদ্দীন মাতুব্বরের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ডা. এইচ এম শামসুদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোদাররেস আলী ইছা, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আছাদ মাতুব্বর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ, সাবেক গট্টি ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন তারা মিয়া, রেজাউর রহমান চয়ন মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু, গট্টি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি বিল্লাল মাতুব্বর, বিএনপি নেতা নূর মোহাম্মদ নুরু, আব্দুর রব, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ, মিরান হুসাইনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

‘এখন আমি মেয়েকে নিয়ে কিভাবে বাঁচবো’?

মো. নুর ইসলাম, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
‘এখন আমি মেয়েকে নিয়ে কিভাবে বাঁচবো’?

রক্তাক্ত নিথর দেহটা থানা চত্বরে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে সাদা কাপড়ে ঢাকা! চারপাশে মানুষের ভিড়, ফিসফাস আর নিস্তব্ধতা। সেই নিস্তব্ধতাকে ভেঙে বুকফাটা আর্তনাদ, ‘ওগো তুমি আমাকে এভাবে ফেলে গেলে কেন? এখন আমি মেয়েকে নিয়ে কিভাবে বাঁচবো?’

স্বামীর লাশের পাশে এভাবেই আহাজারি করছিলেন নিহত হুমায়ন কবীর (৫৭) ওরফে মিন্টু মোল্লার স্ত্রী ফরিদা বেগম। ফরিদপুরের বোয়ালমারীর চতুল গ্রামের নিহতের বাড়িটি ও থানা চত্বর পরিণত হয়েছে শোকের মাতমে।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে পৈতৃক জমির গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের সটগানের গুলিতে নিহত হন মিন্টু মোল্লা। এ ঘটনার কয়েক ঘন্টা পরে স্থানীয় থানায় আনা হয় তার মরদেহ। আর সেই মরদেহ ঘিরেই শুরু হয় স্ত্রী ও সন্তানের হৃদয়বিদারক কান্না।

স্ত্রী ফরিদা বেগম বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলেন। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরতেই আবার ছুটে গিয়ে স্বামীর নিথর দেহ আঁকড়ে ধরে কাঁদতে থাকেন। ‘আমার সব শেষ হয়ে গেল। এই মানুষটাই ছিল আমার সহায় সম্বল’।

আরেক পাশের দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তির কোলে কাঁদছিল তাদের একমাত্র মেয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ফাবিহা কবীর। ‘বাবার নিথর মুখের দিকে তাকিয়ে তার ছোট্ট মুখে “বাবা, তুমি উঠো …. তুমি কেন কথা বলছো না?’

কিছুক্ষণ পর কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, “আমার বাবাকে কেড়ে নিলো। আমি এখন এতিম হয়ে গেলাম। আমার পড়াশোনা কীভাবে চলবে? আমি বাবার খুনির বিচার চাই।”

পরিবারের আত্মীয় স্বজনরা জানান, মিন্টুই ছিলেন এই ছোট্ট পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। তার রোজগারেই চলতো সংসার, মেয়ের পড়াশোনা সবকিছু। এক মুহূর্তে সেই ভরসার জায়গাটাই ভেঙে পড়েছে। খুনির মামলার যন্ত্রণায় মিন্টুর কিছুই সহায় স্বম্বল নাই।

গ্রামের প্রতিবেশীরা বলেন, সামান্য গাছ নিয়ে এমন ভয়ংকর ঘটনা ঘটবে, তা কেউ ভাবতে পারেনি। এখন এই পরিবারটার দিকে তাকালে চোখে পানি চলে আসে রীতিমত।

লাশের অ্যাম্বুলেন্সের পাশে পড়ে আছে মেয়ের স্কুলব্যাগ, খাতাপত্র-যেখানে হয়তো লেখা ছিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ঢেকে গেল।

এ ঘটনার পর বিকেলে নিহতের স্ত্রী ফরিদা বেগম বাদী হয়ে গোলাম কবির, তার দ্বিতীয় স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে বোয়ালমারী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আসামি স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেইন বলেন, আটকৃত স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে আদালতে পাঠানো হবে।

ফরিদপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে গরম পানি ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
ফরিদপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে গরম পানি ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবকের শরীরে গরম পানি ঢেলে গুরুতরভাবে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।

ভুক্তভোগী সোহেল মোল্লা (২৫) উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের দরিদ্র দিনমজুর শাহজাহান মোল্লার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যার একটু আগে সহস্রাইল বাজারের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

চায়ের দোকানদার বাবলু জানান, ওই সময় দোকানে বসে চা পান করছিলেন আক্তার খালাসি নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার কয়েকজন সঙ্গী। এসময় মানসিক ভারসাম্যহীন সোহেল হঠাৎ পেছন দিক থেকে এসে আক্তার খালাসিকে জড়িয়ে ধরে এবং হাত টানাটানি শুরু করে। এতে পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোহেলকে ছাড়াতে গিয়ে আক্তার খালাসি প্রথমে তাকে ধাক্কা দেন। একপর্যায়ে হাতে থাকা গরম চায়ের কেটলি দিয়ে আঘাত করলে কেটলির ফুটন্ত পানি সোহেলের শরীরে পড়ে যায়। এতে তার বুক থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত অংশ মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

সোহেলের বাবা শাহজাহান মোল্লা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “ডাক্তার ঢাকায় নিতে বলছে, কিন্তু আমার সেই সামর্থ্য নেই। কীভাবে ছেলের চিকিৎসা চালাবো বুঝতে পারছি না।” তিনি জানান, তার ছেলে একজন ভাতাপ্রাপ্ত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যও।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আক্তার খালাসির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত জানান, আহত অবস্থায় সোহেলকে হাসপাতালে আনার পর বিষয়টি তারা জানতে পারেন। তিনি বলেন, “চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ঘটনাস্থল বোয়ালমারী থানার আওতাধীন হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারকে সেখানে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।”

তবে দরিদ্র পরিবারটি বর্তমানে চিকিৎসা নিয়েই ব্যস্ত থাকায় এখনো থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি।

এদিকে, এমন নির্মম ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অসহায় পরিবারটির চিকিৎসা সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ফরিদপুরের হোটেল ‘রয়েল প্যালেসে’ অভিযান, ৮ জনের কারাদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ফরিদপুরের হোটেল ‘রয়েল প্যালেসে’ অভিযান, ৮ জনের কারাদণ্ড

ফরিদপুর শহরের হাজী শরীয়তউল্লাহ বাজার এলাকায় অবস্থিত ‘রয়েল প্যালেস’ নামক একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সেবনের অভিযোগে ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে হোটেলটির বিভিন্ন কক্ষ থেকে ৬ জন পুরুষ ও ২ জন নারীকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকলাপ এবং মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোট ৮টি মামলা দায়ের করা হয় এবং প্রত্যেককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুঝাত তাবাসসুম ও দীপ্ত চক্রবর্ত্তী। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সহায়তা প্রদান করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্ত চক্রবর্ত্তী জানান, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে হোটেলটির আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সেবনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। প্রমাণ পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো হোটেল বা প্রতিষ্ঠানকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আখড়া হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ‘হোটেলের আড়ালে অনৈতিক বাণিজ্য! ফরিদপুরে চলছে রমরমা দেহব্যবসা’ শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরই প্রেক্ষিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরের কিছু আবাসিক হোটেলে দীর্ঘদিন ধরেই গোপনে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হয়ে আসছিল। তবে প্রশাসনের সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলে সমাজ থেকে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সেবন অনেকাংশে কমে আসবে।