খুঁজুন
শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৪ মাঘ, ১৪৩২

দৈনিক মাথাব্যথা: সাধারণ সমস্যা নাকি ব্রেন টিউমারের লক্ষণ?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৪ এএম
দৈনিক মাথাব্যথা: সাধারণ সমস্যা নাকি ব্রেন টিউমারের লক্ষণ?

মাথাব্যথা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। কাজের চাপ, ঘুম কম হওয়া, মানসিক দুশ্চিন্তা, চোখের সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিক—বিভিন্ন কারণেই মাথাব্যথা হতে পারে। তাই প্রতিদিন মাথাব্যথা মানেই গুরুতর কিছু, এমনটা নয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে মাথাব্যথা চলতে থাকলে বা ব্যথার ধরন অস্বাভাবিক হলে তা বড় কোনো রোগের লক্ষণও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মস্তিষ্কে টিউমার থাকলেও মাথাব্যথা হতে পারে, যদিও সব মাথাব্যথা ব্রেন টিউমারের কারণে হয় না। এ বিষয়ে কী বলছে চিকিৎসাবিজ্ঞান, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

মাথাব্যথা কি ব্রেন টিউমারের লক্ষণ?

আমেরিকান ব্রেন টিউমার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকা মাথাব্যথা মস্তিষ্কের টিউমারের একটি সাধারণ লক্ষণ হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, বেশিভাগ মাথাব্যথার কারণই অন্য কিছু, যা সাধারণত গুরুতর নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং মস্তিষ্কের কোন অংশে চাপ পড়ছে—এসবের ওপর নির্ভর করে লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে। টিউমার বড় হয়ে মস্তিষ্কের স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করলে মাথাব্যথা শুরু হতে পারে।

ব্রেন টিউমারের মাথাব্যথা কেমন হতে পারে?

চিকিৎসকদের মতে, মস্তিষ্কের টিউমারের কারণে হওয়া মাথাব্যথা অনেক সময় মাইগ্রেন বা টেনশনের মাথাব্যথা থেকে আলাদা হয়ে থাকে।

কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো

১. এমন মাথাব্যথা, যা রাতে ঘুম ভেঙে দেয়

২. শরীরের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যথার ধরন বদলে যায়

৩. সাধারণ ব্যথানাশক ওষুধে কাজ না করা

৪. কয়েক দিন বা সপ্তাহ ধরে স্থায়ী মাথাব্যথা

৫. ঘন ঘন মাথাব্যথা নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, সকালের মাথাব্যথার পেছনে স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো অন্য কারণও থাকতে পারে।

কখন ডাক্তারের কাছে যাওয়া জরুরি?

চিকিৎসকদের মতে, নতুন ধরনের বা অস্বাভাবিক মাথাব্যথা হলে সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বিশেষ করে যদি ব্যথা ক্রমাগত বাড়তে থাকে এবং সাধারণ চিকিৎসায় কমে না, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কথা বিবেচনা করা উচিত—

১. শরীরে আগে থেকেই ক্যান্সার ধরা পড়েছে এবং নতুন করে মাথাব্যথা শুরু হয়েছে

২. মাথাব্যথা ক্রমাগত বাড়ছে এবং দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত করছে

৩. মাথা ঘোরা বা ভারসাম্য হারানো

৪. মাথার পেছনে চাপ অনুভব হওয়া

৫. বমি বমি ভাব বা বমির সঙ্গে মাথাব্যথা

৬. খিঁচুনি হওয়া বা কথা বলতে অসুবিধা

৭. ঝাপসা বা দ্বিগুণ দেখা, এমনকি দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া

৮. ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন, অকারণে বিভ্রান্ত হওয়া বা মানসিকভাবে গুটিয়ে যাওয়া

৯. শরীরের একপাশ ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়া বা অনুভূতি কমে যাওয়া

সব মাথাব্যথাই কি ভয়ঙ্কর?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিভাগ মাথাব্যথা গুরুতর নয় এবং সাধারণ কারণেই হয়ে থাকে। তবে যে কোনো মাথাব্যথা যদি ক্রমেই বাড়তে থাকে এবং সাধারণ ব্যবস্থায় কমে না, তাহলে তা পরীক্ষা করানো জরুরি। যদি মাথাব্যথার সঙ্গে অস্বাভাবিক উপসর্গ যোগ হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করাই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

সূত্র : যশোদা হাসপাতাল

“একলা পথেই নিজেকে ফিরে পাওয়া”

রেহেনা ফেরদৌস
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১৪ এএম
“একলা পথেই নিজেকে ফিরে পাওয়া”

এখন আমি আর গুছিয়ে সংসার করি না। এক সময় আমি খুব সুন্দর করে গুছিয়ে মন দিয়ে সংসার করতাম। কাজে আনাড়ি হওয়া সত্ত্বেও চেষ্টা করে যেতাম। কিন্তু যখন আমি বুঝেনিলাম…যার সাথে আমার এই সংসার..তার এই সংসারের প্রতি কোনো আগ্রহ নেই…তখন থেকে আর সংসার গুছিয়ে করি না।

এখন আমি আর রান্নায় নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি না। আগে রান্নার শুরুতে ভাবতাম..কেমন করে এতে এক অনন্য স্বাদ আনা যায়। ভাবতাম..সে এসে আমার রান্নার প্রশংসা করবে। কিন্তু যখন থেকে বুঝে নিলাম, রান্না যেমনই হোক তাতে তার প্রশংসা কখনোই পাওয়া যাবে না…তখন থেকে আমি যতনে রান্না করা ছেড়ে দিলাম।

এখন কিন্তু আমি ওর জন্য আর নিজেকে সাজাতে বসি না। আগে সাজতে বসলে…হাত কাঁপতে থাকতো। মনে হতো, এই বুঝি ও পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বলবে, তোমায় পরীর মতো লাগছে! হাত ভরে কাঁচের চুড়ি পড়ো, চুলে লাল গোলাপ গুঁজে দিয়ে বলবে…এই বার বেশ লাগছে! কিন্তু এখন আমি বুঝি, ওর তো আমায় দেখার ইচ্ছে নেই! তখন থেকে আমি শুধু আমার জন্য নিজেকে সাজাই।

এখন আর এগুলো নিয়ে কথা বলতে বা প্রশ্ন করতেও ভালো লাগে না। আগে মনে কোন প্রশ্ন বা কিন্তু আসলেই তাকে জিজ্ঞেস করতাম। বার বার সে বিষয় জানতে চেয়ে অভিমানের চূড়ায় নিজেকে তুলে রাখতাম। কিন্তু এখন আমি জানি, অভিমান ভাঙানোর মতো কেউ নেই আমার পাশে, কেউ নেই যে আমার ভেজা চোখে আকাশ পানে চেয়ে থাকা দেখে…পাশে এসে দাঁড়াবে..বলবে,“কি নিয়ে এতো দুশ্চিন্তা তোমার! আমি আছি তো!”

ছোটবেলা থেকেই আমি খুব হাস‍্যজ্বল একজন মানুষ। অফিস থেকে সে বাসায় ফিরতেই আমি সারাদিনের গল্প নিয়ে বসতাম। অনবরত বলতেই থাকতাম…অবেগহীন শ্রোতার কাছে সব বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে এক পর্যায়ে অনুধাবন করলাম…আমার আবেগগুলো তার কাছে সস্তা গল্পের মতো, তখন আমি কথা বলা বন্ধ করে দিলাম। শুধু দেখতাম, পৃথিবীর সবার প্রতিটি কথা শোনার মতো বিমুগ্ধ এক শ্রোতাকে, যার কাছে আমার কথা…মূর্খতার প্রলাপ। এখন অবশ্য আমি বিশেষ কারণ ছাড়া কোন কথা বলি না, আর প্রতুত্তর!

বাহিরে ঘুরে বেড়াতে, ছবি তুলতে আমার খুব শখ ছিলো। প্রকৃতির সাথে মিশে, পাখির কলতানে তার কাঁধে মাথা রেখে চুপটি করে বসে থাকবো…এমন অনেক স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু যখন অনুভব করলাম…আমার হাতে হাত রেখে, দু’পা মিলিয়ে হাঁটতে ওর আর ভালো লাগে না, তখন থেকে তার সাথে বাহিরে যেতেই আমার আর ভালো লাগে না। তার পাশে কেমন যেন একটা অস্বস্তি অনুভূত হয়, বিব্রত লাগে। রাস্তার অপরিচিত মানুষ অতিক্রম করে গেলেও এতোটা বিব্রত বোধ করি লাগে না যতটা না তার সাথে প্রয়োজনে বের হলে…যেমনটি অনুভূত হয়।

নিজের এই পরিবর্তনে আমি লজ্জিত নই বরং আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ…কেননা সে আমায় শিখিয়েছে…কিভাবে একা নিজের পথ তৈরি করতে হয় এবং সে পথে দৃঢ় ভাবে এগিয়ে যেতে হয়।

জীবনে সম্ভাবনার সকল পথ বন্ধ হয়ে গেলে…মানুষ হয়ে পড়ে নিঃসঙ্গ, দ্বিধাগ্রস্থ। শূন্যতা ঘিরে ফেলে তার চারপাশ। কিন্তু সে শূন্যতায় নিজেকে হারিয়ে ফেলা যাবে না। নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করতে হবে…প্রতিক্ষার একটি জানালা কোথাও না কোথাও রয়েছে উন্মুক্ত।

ফরিদপুরে বিএনপির তিন নেতা বহিষ্কার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৫ এএম
ফরিদপুরে বিএনপির তিন নেতা বহিষ্কার

দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির তিন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ফরিদপুর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা ও সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগ যাচাই–বাছাইয়ে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বহিষ্কারাদেশ ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

বহিষ্কৃত নেতারা হলেন—বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান বাবু এবং উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি বিশ্বজিৎ রাজবংশী।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে বিএনপির কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক যোগাযোগ না রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়।

জানা গেছে,ফরিদপুর-(বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, মধুখালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের নির্বাচনী কার্যক্রমে অসহযোগিতা করার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ না করে ভিন্ন অবস্থান নেন। বহিষ্কৃতদের একজন শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু ওই আসনে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ছিলেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে সংগঠন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যাচাই–বাছাই শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সবাইকে নির্দেশনা মানার আহ্বান জানান তিনি।

“আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে” : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৫ এএম
“আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে” : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর-২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম নির্বাচনী মাঠে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে শান্ত, সংযত ও সংগঠিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আসন্ন ১২ তারিখের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ধৈর্য, ঐক্য ও জনগণের ওপর আস্থা রাখাই বিএনপির মূল শক্তি।

শুক্রবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের বাউষখালী বাজার মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় এলাকার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, “১২ তারিখে আপনারা সকাল সকাল ভোট দিতে যাবেন। ১১ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রতিটি ভোট পাহারা দিতে হবে। কেউ উসকানি দিয়ে ঝগড়া করতে এলে তাতে জড়ানো যাবে না। মাথা ঠান্ডা রেখে মানুষের কাছে যাবেন, ভোট চাইবেন—এটাই আমাদের কাজ।” তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপির রাজনীতি শান্তিপূর্ণ ও জনগণকেন্দ্রিক, এখানে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।

ধর্মীয় অনুভূতি ও বিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমরা মুসলমান। ইসলাম আমাদের জীবনের প্রতিটি অংশের সঙ্গে জড়িত। কোরআনের নির্দেশনা অনুসরণ করে ভালো মানুষ ও ভালো মুসলিম হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু জান্নাত–জাহান্নামের নিশ্চয়তা দেওয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহর। কেউ যদি নিজেকে সেই নিশ্চয়তার মালিক মনে করে, তবে তা নাফরমানির শামিল।” তিনি আরও বলেন, ইসলাম ধারণ করার বিষয়, বিক্রির কোনো পণ্য নয়।

নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শুধু নির্বাচনের নয়—এ সম্পর্ক মাটি, হৃদয় ও আত্মার। নির্বাচন একদিন শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু আমাদের সম্পর্ক থাকবে আজীবনের।” গত ১৭ বছর ধরে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের কাছে একবার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে সালথা উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

বাবা বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ন্যায় ও সত্যের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। সেই আদর্শ ধারণ করেই তিনি রাজনীতি করছেন এবং ভবিষ্যতেও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় বল্লভদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান লিপু মিয়া, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শাহিন মাতুব্বর, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ওহিদুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।