খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ২৭ চৈত্র, ১৪৩২

গরম সহ্য হয় না? এটা ভয়াবহ রোগের লক্ষণ কি না জানুন

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ
গরম সহ্য হয় না? এটা ভয়াবহ রোগের লক্ষণ কি না জানুন

ভ্যাপসা গরমে অনেকেই অস্বস্তি বোধ করেন। কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে বিষয়টি শুধু অস্বস্তি নয়, বরং শরীর যেন একেবারেই গরম সহ্য করতে পারে না। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় হিট ইনটলারেন্স। অর্থাৎ, গরম পরিবেশে শরীর নিজের তাপমাত্রা ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কখনও সাধারণ সমস্যা হলেও অনেক ক্ষেত্রে শরীরের ভেতরের গুরুতর অসুস্থতার ইঙ্গিতও হতে পারে। তাই লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

হিট ইনটলারেন্সের লক্ষণ কী কী?

গরমে শরীর খারাপ লাগা অনেকেরই হয়, তবে নিচের উপসর্গগুলো নিয়মিত হলে সতর্ক হওয়া উচিত—

১. অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
২. দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া

৩. মাথাব্যথা

৪. হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া

৫. মাথা ঘোরা বা হালকা লাগা

৬. মনোযোগ কমে যাওয়া

৭. মুড পরিবর্তন (খিটখিটে ভাব)

৮. বমি বমি ভাব

৯. দ্রুত শ্বাস নেওয়া

এই লক্ষণগুলোর অনেকগুলো অন্য রোগেও দেখা যেতে পারে। তাই নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কেন হয় হিট ইনটলারেন্স?

মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় ৯৮.৬°F। এই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে শরীরের অটোনোমিক নার্ভাস সিস্টেম। যখন এই সিস্টেমে সমস্যা হয় (যাকে বলা হয় Dysautonomia), তখনই দেখা দেয় হিট ইনটলারেন্স।

এর পেছনে যেসব কারণ থাকতে পারে—

১. ভিটামিন B12-এর ঘাটতি

২. অ্যালকোহল ব্যবহারের সমস্যা

৩. ডায়াবেটিস

৪. গিলেন-বারে সিনড্রোম (স্নায়ুর রোগ)

৫. হাইপোথাইরয়েডিজম (থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা)

৬. পারকিনসনস ডিজিজ

কারা বেশি ঝুঁকিতে?

কিছু মানুষ গরমে বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকেন—

১. শিশু ও বয়স্করা

২. যারা আগে হিট স্ট্রোক বা হিট এক্সহস্টশনে ভুগেছেন

৩. শারীরিকভাবে কম ফিট ব্যক্তি

৪. গর্ভবতী নারী

৫. মেনোপজে থাকা নারী

৬. নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ গ্রহণকারী (যেমন: এন্টিডিপ্রেসেন্ট, প্রেসার বা পারকিনসনের ওষুধ)

৭. দীর্ঘ সময় রোদে থাকা বা গরম এলাকায় কাজ করা ব্যক্তি

কীভাবে শনাক্ত করা হয়?

চিকিৎসক সাধারণত রোগীর ইতিহাস নেন, শারীরিক পরীক্ষা করেন (যেমন: থাইরয়েড ফুলে গেছে কি না) এবং রক্ত পরীক্ষাসহ (শর্করা, ইলেকট্রোলাইট, থাইরয়েড) প্রয়োজনে ইমেজিং টেস্টও নেন। এসবের মাধ্যমে মূল কারণ খুঁজে বের করা হয়।

চিকিৎসা কী?

চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো, উপসর্গ কমানো এবং গরম সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ানো। যদি ডায়াবেটিস বা থাইরয়েডের মতো রোগ থাকে, সেটার চিকিৎসাই মূল সমাধান। প্রয়োজনে ওষুধ পরিবর্তন বা ডোজ কমানো হতে পারে।

জীবনযাপনে কী পরিবর্তন আনবেন?

কিছু সহজ অভ্যাসই আপনাকে অনেকটা সুরক্ষিত রাখতে পারে—

১. প্রচুর পানি পান করুন

২. ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক রাখুন

৩. বেশি গরম বা আর্দ্রতায় বাইরে কম বের হন

৪. ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের কাপড় পরুন

৫. অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন

৬. ফ্যান/এসি ব্যবহার করুন

৭. ঠান্ডা কাপড় বা নেক র‍্যাপ ব্যবহার করতে পারেন

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?

গরমে সমস্যা বাড়ার আগেই সতর্কতা জরুরি—

১. বাইরে থাকার সময় কমান

২. প্রয়োজনে কুলিং সেন্টার ব্যবহার করুন

৩. শরীরকে সবসময় ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন

অবহেলা করলে কী হতে পারে?

হিট ইনটলারেন্স অবহেলা করলে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে—

১. হিট ক্র্যাম্পস : অতিরিক্ত ঘামে পেশিতে টান

২. হিট এক্সহস্টশন : দুর্বলতা, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস

৩. হিট র‍্যাশ: ত্বকে ফুসকুড়ি

৪. হিট স্ট্রোক: সবচেয়ে মারাত্মক—এতে খিঁচুনি এমনকি মৃত্যুও হতে পারে

শেষ কথা

গরম সহ্য না হওয়াটা অনেক সময় সাময়িক সমস্যা হলেও, যদি বারবার হয় বা উপসর্গগুলো তীব্র হয়, তাহলে সেটিকে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। কারণ এটি শরীরের ভেতরের কোনো জটিল রোগের সংকেতও হতে পারে। তাই নিজেকে সচেতন রাখুন, গরমে সাবধানে থাকুন, আর প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

সূত্র : হেলথ

তারেক রহমানের নির্দেশে ছাত্রদল নেতা অনুকে দেখতে এভার কেয়ারে ডা. বিটু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের নির্দেশে ছাত্রদল নেতা অনুকে দেখতে এভার কেয়ারে ডা. বিটু

ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে (AMI with Cardiogenic Shock with Acute LVF) আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনুকে দেখতে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে গেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু)।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিনি হাসপাতালে গিয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অনুর বর্তমান শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা প্রক্রিয়া ও ঝুঁকির মাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। বিএনপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নির্দেশেই তিনি অসুস্থ এই ছাত্রনেতাকে দেখতে হাসপাতালে যান।

চিকিৎসক সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ তীব্র হার্ট অ্যাটাকের পর কার্ডিওজেনিক শক ও অ্যাকিউট লেফট ভেন্ট্রিকুলার ফেইলিউর (LVF) দেখা দেওয়ায় অনুর অবস্থা জটিল আকার ধারণ করে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে প্রথমে ফরিদপুর হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার পরও অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে একই দিন দুপুর প্রায় ১টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স (হেলিকপ্টার) যোগে তাকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে (CCU) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন হলেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

হাসপাতালে গিয়ে ডা. বিটু চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পাশাপাশি তিনি রোগীর সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি অনুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদেরকে সান্ত্বনা দেন এবং তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত সুস্থতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে, অনুর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সুস্থতা কামনা করে পোস্ট দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হচ্ছে।

পরিবারের পক্ষ থেকেও দেশবাসীর কাছে অনুর দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে। স্থানীয় নেতারা জানান, ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ও জনপ্রিয় মুখ হিসেবে অনু দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তার হঠাৎ অসুস্থতা নেতাকর্মীদের মধ্যে শঙ্কার সৃষ্টি করেছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা তার শারীরিক অবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের চিকিৎসা প্রতিক্রিয়ার ওপরই তার সুস্থতার অগ্রগতি অনেকটা নির্ভর করবে।

সব মিলিয়ে, তরুণ এই ছাত্রনেতার সুস্থতা কামনায় এখন ফরিদপুরসহ সারা দেশের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা প্রার্থনায় রয়েছেন।

ফরিদপুরে জ্বালানি তেল সংকটে বন্ধের পথে অটো ইট ভাটা, বিপাকে ২৫০ শ্রমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জ্বালানি তেল সংকটে বন্ধের পথে অটো ইট ভাটা, বিপাকে ২৫০ শ্রমিক

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জ্বালানি তেলের (ডিজেল) তীব্র সংকটে বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে আছে আল-আলী অটো ব্রিকস।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল)বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকদের কণ্ঠে ছিল অসহায়ত্ব আর বেঁচে থাকার আকুতি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন যেখানে শ্রমিকদের কোলাহলে মুখর থাকত অটো ইট ভাটার আঙিনা, সেখানে এখন নেমে এসেছে অজানা আতঙ্কের নীরবতা। জ্বালানি তেল(ডিজেল) না থাকায় প্রায় ৩০-৩৫টি যানবাহন ও দুটি জেনারেটর একেবারে অচল হয়ে পড়েছে। উৎপাদন কার্যক্রম প্রায় স্থবির। যে কোনো মুহূর্তে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে ইট ভাটাটি। এই ভাটার ওপর নির্ভরশীল প্রায় ২৫০ শ্রমিক আর তাদের পরিবারের চার শতাধিক মানুষ। তাদের জীবনে এখন অনিশ্চয়তার কালো ছায়া।

ভাটায় কর্মরত নবিরন বেগম নামে এক শ্রমিক বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই। কাজ না থাকলে ঘরে ভাত রান্না হবে না। বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। কিস্তির চাপ আছে। খাবো নাকি কিস্তি দেবো, বুঝতে পারছি না। ভাটা বন্ধ হয়ে গেলে পথে বসা ছাড়া উপায় নেই।

রহিম নামে আরেকজন বলেন, এই ভাটাই আমাদের সবকিছু। এটা বন্ধ হলে আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হবো। মালিক আর কতদিন আমাদের কাজ ছাড়া বসিয়ে বেতন দেবে।

ইট ভাটার ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভাটা চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ১৫০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। কিন্তু বর্তমানে এক ফোঁটা জ্বালানি তেল (ডিজেল) পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সব কার্যক্রম থমকে গেছে। জ্বালানি ছাড়া আমাদের ভাটা এক মিনিটও চলতে পারে না। যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে প্রায় ৫০০ মানুষের জীবিকা একসাথে বন্ধ হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ থাকলে কিছু কাজ করা যায়,কিন্তু ডিজেল ছাড়া গাড়ি ও জেনারেটর চালানো সম্ভব নয়। আমরা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাই। এই শ্রমিকদের কথা ভেবে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করুন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। অনেক শ্রমিকের জীবিকা এই কারখানার সঙ্গে জড়িত। আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করবো।

ফরিদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭ জন

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭ জন

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ জন শিশু।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নিহত দুই শিশু হলেন- মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার সন্নাসীচর এলাকার মো. সেলিমের মেয়ে সাবিহা (৭ মাস)। অপরদিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা গ্রামের জসিমের ছেলে আয়াতুল্লাহ (৬ মাস)।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস জানায়, হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবিহা বুধবার (০৮ এপ্রিল) রাতে এবং আয়াতুল্লাহ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়।

এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ১৭ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৮৫ জন শিশু। এর মধ্যে ১০৩ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ জন শিশু।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, হাম প্রতিরোধে শিশুদের সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।