খুঁজুন
, ,

ইফতারের পর ক্লান্তি কেন? সহজ উপায়ে মিলবে সমাধান

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
ইফতারের পর ক্লান্তি কেন? সহজ উপায়ে মিলবে সমাধান

সারাদিন রোজার রাখার পর মাগরিবের আজান শুনে ইফতার করা হয়। টেবিলে সাজানো নানা পদের খাবার দেখে খাওয়ার আগ্রহ থাকে অনেক বেশি, কারণ আপনি সারাদিনের ক্ষুধার্ত।

পেটপুরে মজার সব খাবার তো খেয়ে নিলেন, এরপর ভাবছেন মুহূর্তেই শক্তিশালী হয়ে যাবেন? আপনার প্রত্যাশা এমনটা থাকলেও আসলে তা হয় না। কারণ ইফতার খাওয়ার পরপরই আপনার ক্লান্ত লাগতে শুরু করে।

কেন ইফতারের পর ক্লান্তি আসে?

১. একসঙ্গে বেশি খাবার খাওয়া

সারাদিন না খেয়ে থাকার পর হঠাৎ করে বেশি খাবার খেলে হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত সক্রিয় হয়ে যায়। তখন শরীরের রক্তপ্রবাহের বড় অংশ অন্ত্রের দিকে চলে যায়, যাতে খাবার দ্রুত হজম হয়। ফলে মস্তিষ্কে সাময়িকভাবে রক্তপ্রবাহ কমে গিয়ে তন্দ্রাচ্ছন্নতা ও ক্লান্তি অনুভূত হয়।

২. পানিশূন্যতা

সারাদিন পানি না খাওয়ার কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হয়। ইফতারে যদি পর্যাপ্ত পানি বা তরলজাতীয় খাবার গ্রহণ না করা হয়, তাহলে ক্লান্তি আরও বাড়ে।

৩. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও ভারী খাবার

ডুবো তেলে ভাজা খাবার, মসলাদার পদ ও অতিরিক্ত মিষ্টি শরীরের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। এসব খাবার হজমে বেশি সময় নেয় এবং শরীরকে অবসন্ন করে তোলে।

ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করার উপায়

ধীরে ও পরিমিতভাবে খান- ইফতার শুরু করুন একটি খেজুর ও একগ্লাস পানি দিয়ে। এরপর কিছুক্ষণ বিরতি দিন। একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে খান। এতে হজম সহজ হবে এবং শরীর ভারী লাগবে না।

পানিশূন্যতা দূর করুন- ইফতারের পর পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সঙ্গে রাখতে পারেন— ফল, ফলের রস, শরবত, ডাবের পানি। এগুলো শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে সতেজতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

হালকা খাবার বেছে নিন- ভাজাপোড়া কমিয়ে ছোলা, ফল, সালাদ, স্যুপ বা হালকা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। এতে শক্তি মিলবে, কিন্তু অতিরিক্ত ভারী লাগবে না।

এককাপ চা কিংবা কফি- ইফতারের কিছু সময় পর এক কাপ হালকা চা বা কফি পান করতে পারেন। এতে থাকা ক্যাফেইন সাময়িকভাবে ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত বা খুব কড়া কফি এড়িয়ে চলাই ভালো।

কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন- ইফতারের পরপরই শুয়ে পড়বেন না। ১০–১৫ মিনিট হালকা হাঁটাহাঁটি করলে হজম ভালো হয় এবং শরীর চাঙ্গা থাকে।

নামাজ আদায় করুন- ইফতারের শুরুতে হালকা কিছু খেয়ে মাগরিবের নামাজ আদায় করতে পারেন। এতে খাবার হজমের জন্য শরীর সময় পায়। নামাজ শেষে ধীরে ধীরে বাকি খাবার গ্রহণ করলে ক্লান্তি কম হয়।

ইফতারের পর ক্লান্তি অনুভব করা স্বাভাবিক। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং হালকা শারীরিক নড়াচড়া এই সমস্যাকে অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে। রমজানে সুস্থ থাকতে চাই সচেতনতা ও পরিমিত খাবার গ্রহণ।

সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক

ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, বিশ্ববিদ্যালয় ও ৬ লেন সড়কের জোরালো দাবি

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, বিশ্ববিদ্যালয় ও ৬ লেন সড়কের জোরালো দাবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল সফরকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে ঢাকা-ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা গোলচত্বর ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ জড়ো হন।

সকাল ৬টা থেকেই ভাঙ্গা গোলচত্বর থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে তাদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

সকাল আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ভাঙ্গা গোলচত্বরে পৌঁছালে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজারো মানুষ হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও গাড়ি থেকে হাত নেড়ে উপস্থিত জনতার শুভেচ্ছার জবাব দেন। পুরো এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সফরকে ঘিরে সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।

স্বাগত জানাতে আসা ভাঙ্গা ও সদরপুরের নেতাকর্মীদের মধ্যে আইয়ুব মোল্লা, স্বরন, এম এম সিদ্দিক মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, একরামুল, মিলন, ফজলে সুবাহান শামিম, তুরান রহমানসহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভাঙ্গার উন্নয়নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—ভাঙ্গায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার ভাঙ্গা ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় ক্রমবর্ধমান সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়ককে ৬ লেনে উন্নীত করা এবং দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক ট্রমা সেন্টার স্থাপন।

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রথম ভাঙ্গা হয়ে বরিশাল সফরে গেছেন। তার সফর সফল করতে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে ভাঙ্গার হাজারো নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত হয়েছেন।”

তারা আরও বলেন, “ভাঙ্গাসহ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে শহিদুল ইসলাম বাবুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাই আমরা তাকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চাই। পাশাপাশি ভাঙ্গার সার্বিক উন্নয়নে আমাদের উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে ভাঙ্গাজুড়ে সকাল থেকে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে ভাঙ্গা ও দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে খাল খনন প্রকল্পে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৮:০২ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে খাল খনন প্রকল্পে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধে অনিয়মের অভিযোগ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের হাজীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে ভুবনেশ্বর নদী পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার খাল খনন কাজ শেষ হলেও শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষে ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ শ্রমিক এখনো তাদের প্রাপ্য মজুরি পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে, প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকরা টানা দুই মাস খাল খননের কাজ সম্পন্ন করেন। রোববার (১২ জুলাই) হাজীগঞ্জ সোনালী ব্যাংকে শ্রমিকদের সুপারভাইজার আব্দুল মান্নান সরদার শ্রমিকদের মধ্যে ৯ হাজার ৯০০ টাকা করে চেক বিতরণ করেন। তবে শ্রমিকদের অভিযোগ, ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পর কয়েকজন শ্রমিকের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা করে রেখে দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের সঙ্গে সুপারভাইজারের বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তাঁর নির্দেশনায় পর্যায়ক্রমে সব শ্রমিকের হাতে চেক হস্তান্তর ও বকেয়া মজুরি পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলে শ্রমিকরা শান্ত হয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে সুপারভাইজার আব্দুল মান্নান সরদার বলেন, “আমি দুইজন শ্রমিকের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। পরে সেই টাকা ফেরত দিয়েছি। এছাড়া পর্যায়ক্রমে সব শ্রমিকের হাতে তাদের চেক তুলে দেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে চরভদ্রাসন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগটি আমার কাছে এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হয়েছে। কোনো শ্রমিক যেন তার প্রাপ্য মজুরি থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব শ্রমিকের হাতে তাদের চেক পৌঁছে দেওয়া হবে এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকরা দ্রুত তাদের সম্পূর্ণ ও ন্যায্য মজুরি পরিশোধের পাশাপাশি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ফরিদপুরে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশন, লাথি মেরে পেটের সন্তান নষ্টের অভিযোগ

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশন, লাথি মেরে পেটের সন্তান নষ্টের অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান নেওয়া এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের ঘটনায় গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বামীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে সদরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ভাষাচর ইউনিয়নের আমির খার ডাঙ্গী গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগী বিথী আক্তার (২৮) মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বড়দোয়ালী গ্রামের বাসিন্দা।

থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন রেখে ভাষাণচর এলাকার উকিল উদ্দিন শেখের ছেলে কাতার প্রবাসী শাহিন শেখ (৩৫) প্রায় ৭ মাস আগে তাকে বিয়ে করে। বিয়ের কয়েক মাস পর তাকে কাতারে নিয়ে যান। প্রায় ৩ মাস আগে তারা একসাথে দেশে ফিরে। বিথীকে শাহিন তার বাড়িতে না তুলে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বাসা করে রাখে। পরবর্তী বিথী গর্ভবর্তী হলে তাকে রেখে পালিয়ে আসে। পরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পরও স্ত্রীর মর্যাদা না পেয়ে গত ১০ জুলাই স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের আমির খার ডাঙ্গী গ্রামে স্বামীর বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন।

অভিযোগে আরও জানা যায়, ১১ জুলাই সকালে অভিযুক্তরা তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে চাপ দেন। তিনি অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে শাহিনের চাচা পাঞ্জু শেখ তার পেটে লাথি মারে। এতে তিনি গুরুত্বর আহত হয় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে বিথীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার গর্ভের সন্তান মারা যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিথী আক্তার বাদী হয়ে স্বামীসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহিনের সাথে কথা বলতে গেলে তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি এবং তার মোবাইল নাম্বাটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।