খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

নগরকান্দায় ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

নগরকান্দা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে ইউনুস শেখ (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাঁশাগাড়ী গ্রামসংলগ্ন রেললাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাঙ্গী ইউনিয়নের খৈয়া গ্রামের মৃত আদেলউদ্দীন শেখের ছেলে ইউনুস শেখ দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। ঘটনার সময় তিনি অসাবধানতাবশত রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করলে দ্রুতগামী ‘মধুমতি এক্সপ্রেস’ ট্রেনের নিচে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনের গতি বেশি থাকায় চালকের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।

নিহত ইউনুস শেখের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে জীবিকার তাগিদে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন এবং মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বৃদ্ধের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি গভীর শোকাহত হয়ে পড়েছে।

খবর পেয়ে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছি। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

ফরিদপুরে ২০ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা, চলবে ১০ মে পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ২০ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা, চলবে ১০ মে পর্যন্ত

ফরিদপুরে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়ের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার মিলনায়তনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার এই বিশেষ ক্যাম্পেইন হাতে নিয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হবে।

তিনি আরও জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত দেশব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে। ফরিদপুর জেলায় মোট ২,৬৯৩টি টিকাদান কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ৭৩৮টি স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ১০টি অতিরিক্ত কেন্দ্র, ১৪টি বিশেষ টিকাদান কেন্দ্র এবং ১,৯৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত অস্থায়ী কেন্দ্র।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পূর্বে নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় ৯ ও ১৫ মাস বয়সে টিকা গ্রহণ করলেও এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশু অতিরিক্ত একটি ডোজ টিকা পাবে। এতে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও জোরদার হবে। তবে দুটি ডোজের মধ্যে অন্তত ২৮ দিনের ব্যবধান বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফরিদপুর জেলায় এ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৫ জন শিশু। জেলার ৯টি উপজেলা, ৭৯টি ইউনিয়ন, ২৩৭টি ওয়ার্ড এবং পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ড এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ইমামদের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক পান্না বালা। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপপ্রচার রোধ করে সবাইকে সচেতন করতে পারলে আমরা একটি সুস্থ ও নিরাপদ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারব।” তিনি এ কার্যক্রম সফল করতে সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

সালথায় গভীর রাতে এএসআই আটক: পরকীয়ার অভিযোগে গণপিটুনি, ভাইরাল ভিডিও

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
সালথায় গভীর রাতে এএসআই আটক: পরকীয়ার অভিযোগে গণপিটুনি, ভাইরাল ভিডিও

ফরিদপুরের সালথায় গভীর রাতে মাদক মামলার আসামির বসতঘরে ঢুকে তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করার সময় জনতার হাতে আটকের পর গণপিটুনী খেয়েছেন মো. ইমরান হাসান (৪০) নামে পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)। পরে সালথা থানার পুলিশ গিয়ে এএসআই ইমরানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত এএসআই ইমরান রামকান্তপুর ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে ওই পুলিশ কর্মকর্তার দাবি তিনি আসামী ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন। আর মাদক মামলার আসামির পরিবারের দাবি এটি পরকীয়ার ঘটনা। এএসআই ইমরানের আটকের ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ওই ভিডিওতে দেখা যায়, এএসআই ইমরানের গায়ে পুলিশের পোশাক নেই। প্যান্ট ও টিশার্ট পড়া। তার মাথা কাপড় দিয়ে বাধা। মুখে রক্ত মাখা। গভীর রাতে নারীর ঘরে একা ঢুকে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে কোনো এক ব্যক্তি তার গায়ে আঘাত করছেন। তখন এএসআই ইমরান বলতে শোনা যায়, তুই আমার ভাই না, মারিস কেন? পরে ইমরানের পকেট থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর প্যাকেট পাওয়া যায় বলে দাবি করেন ভিডিও ধারণকারী ওই ব্যক্তি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বলিভদ্রদিয়া এলাকার মো. মেহেদী হাসান (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সালথা ও পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে। মাদক মামলার সুবাদে এএসআই ইমরান হাসান মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বাড়িতে ঘনঘন যাওয়া আসা করতেন। যার প্রেক্ষিতে মেহেদীর স্ত্রীর সাথে পুলিশের এএসআই ইমরানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বসতঘরে ঢুকে তার স্ত্রীর সাথে একা দেখা করতে গেলে এলাকার লোকজনের হাতে ধরা পড়ে মারধরের শিকার হন। পরবর্তীতে সালথা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এএসআই ইমরান হাসানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ বিষয় এএসআই ইমরান হাসানের দাবি তিনি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন। তবে সাদা পোশাকে রাত তিনটার সময় আসামিকে একা ধরতে যাওয়ার ব্যাখা জানতে চাইলে তিনি নিরুত্তর থাকেন।

মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসান বলেন, আমি একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। ব্যবসায়িক কাজে আমি মাঝে মাঝে বাইরে থাকি। এই সুযোগে আমাদের ইউনিয়নে পুলিশের বিট অফিসার হিসেবে দায়িত্বে থাকা এএসআই ইমরান মাঝে মাঝে আমার বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীকে কু-প্রস্তাব দেয়। একপর্যায় আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে এএসআই ইমরানের কুরুচিপূর্ণ কথোপথোনের অডিও রেকর্ড ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করি। এরই মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে ইমরান আমাদের ঘরে ঢুকলে এলাকাবাসী হাতেনাতে ইমরানকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, মাদক মামলার আসামি ধরতে গেলে মাদক ব্যবসায়ী মেহেদীর পরিবার তাকে আটক করে মারধর করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। গভীর রাতে একা কেন মাদকের আসামি ধরতে গেলেন? এ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ওসি বলেন, কেন ওই এএসআই রাতের অধারে একা এবং পুলিশের পোশাক ছাড়া আসামির বাড়িতে গিয়েছিলেন, এ বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জাতীয় স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল ভাঙ্গার ডা. নাদিম, দেশসেরা ইউএইচএফপিও নির্বাচিত

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
জাতীয় স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল ভাঙ্গার ডা. নাদিম, দেশসেরা ইউএইচএফপিও নির্বাচিত

স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে দেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম। তার এ অর্জন শুধু ভাঙ্গা নয়, গোটা ফরিদপুর জেলার জন্য গৌরবের বিষয় হয়ে উঠেছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ইউএইচএফপিও সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে এ সম্মাননা প্রদান করেন।

জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনা এবং সেবাগ্রহীতাদের সন্তুষ্টি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। বিশেষ করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার নেতৃত্বে সেবার গতি ও মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

ডা. নাদিমের উদ্যোগে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীদের জন্য উন্নত সেবা পরিবেশ সৃষ্টি, চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবার প্রসার এবং জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি আস্থা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই তাদের কাজকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও জনমুখী করতে এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিমের এ সাফল্যে ফরিদপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তার এই অর্জন ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করতে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।