খুঁজুন
, ,

অভিযানের পরও থেমে নেই সালথার কুমার নদের বালু উত্তোলন

সালথা (ফরিদপুর) উপজেলা সংবাদদাতা:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
অভিযানের পরও থেমে নেই সালথার কুমার নদের বালু উত্তোলন
ফরিদপুরের সালথায় অভিযানের পরও কুমার নদীতে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন চলছেই। এতে দুই পাড়ে থাকা বসতবাড়ী ও পাকা সড়ক চরম হুমকির মুখে পড়েছে। ফলে পাড় ভেঙ্গে যাওয়াসহ ফাঁটল ধরার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরের দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সোনাপুর ও যদুনন্দী ইউনিয়ন অর্থাৎ সোনাপুর ও খারদিয়া গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া কুমার নদীতে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে মহোৎসবে বালু উত্তোলন করছে নাসির সিন্ডিকেটের প্রধান নাসির। আবার বালু নেওয়ার পাইপ স্থাপন করা হয়েছে সড়কের উপর দিয়ে যেখানে কোন সংকেত দেওয়া হয়নি। ফলে যেকোনো সময় দূর্ঘটনা ঘটারও সম্ভাবনা রয়েছে।
জানা যায়, এই নাসিরের অন্য কোন পেশা নাই। সে দীর্ঘদিন ধরে কুমার নদীসহ বিভিন্ন জায়গায় এই অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে থাকে। এছাড়াও তার রয়েছে একটি সিন্ডিকেট। যার কারনে সে কাউকে তোয়াক্কা না করেই দীর্ঘদিন যাবৎ এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
চলতি মাসের ৬ই এপ্রিল অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন করার দ্বায়ে এই স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মেশিন অকেজো করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।  অভিযানের পর বসে ছিল না প্রভাবশালী এই নাসির। কিছুদিন পার না হতেই প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে একই স্থানে পুনরায় শুরু করল বালু উত্তোলন।
কুমার নদের দুই পাড়ের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত সৃজনে উক্ত নদীটি খনন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এছাড়াও কোটি কোটি টাকার খরচ করে নদের দুই পাড়ে থাকা পাকা সড়ক সংস্কার করেন কর্তৃপক্ষ। অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করায় সেই সড়ক দুটি এখন ঝুঁকিতে পড়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বালীর সাথে কথা বললে তিনি পুনরায় অভিযান পরিচালনা করবেন বলে জানান।

ফরিদপুরে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ইউপি সচিব নিহত, আহত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ইউপি সচিব নিহত, আহত ৫

ফরিদপুরে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. রিবুল হোসেন (৪২) নামে এক ইউপি সচিব নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাসের অন্তত পাঁচ যাত্রী আহত হয়েছেন। 

সোমবার (২২ জুন) সকালে সদর উপজেলার করিমপুর এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি সদরের ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও পাশের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের আমগাছিয়াডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাগুরা থেকে ছেড়ে আসা ফরিদপুরগামী একটি লোকাল বাস করিমপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। একই সঙ্গে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. রিবুল হোসেন গুরুতর আহত হন। এছাড়া বাসে থাকা অন্তত পাঁচজন যাত্রী আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। পরে আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিবুল হোসেন মারা যান।

নিহত রিবুল হোসেন বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের আমগাছিয়াডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত কয়েক মাস আগে বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বদলি হয়ে ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়সহ নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও করিমপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল হক জানান, এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রিবুল নামে একজন মারা যায়। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হঠাৎ শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে? জেনে নিন কখন এটি বিপদ সংকেত

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
হঠাৎ শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে? জেনে নিন কখন এটি বিপদ সংকেত

আপনি হয়তো সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছেন এবং হঠাৎ অনুভব করলেন আপনি খুব বেশি হাঁপিয়ে উঠেছেন; শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। কিছুক্ষণ থেমে জিরিয়ে নেওয়ার পর ভাবলেন, হয়তো ক্লান্ত ছিলেন বা শরীরের ফিটনেস কিছুটা কমে গেছে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই দৈনন্দিন কাজের সময় এই ধরণের শ্বাসকষ্ট বা অল্পতে হাঁপিয়ে ওঠাকে সাধারণ ক্লান্তি, কাজের চাপ, বয়স বেড়ে যাওয়া বা ওজন বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ধরে নেন এবং এড়িয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সাধারণ অবহেলাই হতে পারে মারাত্মক হৃদরোগের পূর্বাভাস ।

নীরবে কমে আসা সক্ষমতা

ভারতীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রাজেশ রজনীর মতে, শ্বাসকষ্টের সমস্যাটি খুব ধীরে ধীরে আমাদের শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে, যা আমরা অনেক সময় টেরও পাই না। আগে হয়তো আপনি অনায়াসেই সিঁড়ি দিয়ে উঠতে পারতেন, কিন্তু এখন অবচেতনভাবেই লিফট খুঁজছেন। অথবা আগে যতটুকু পথ হাঁটলে আপনার কষ্ট হতো না, এখন তার চেয়ে কম পথ হাঁটলেই দম ফুরিয়ে আসছে। এই ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তনগুলো আসলে আপনার হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের মাধ্যমে দেওয়া বিপদ সংকেত হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শ্বাসকষ্ট বা ‘ডিসপনিয়া’ আছে, তাদের হৃদরোগ বা ফুসফুসজনিত রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ২ থেকে ৯ গুণ বেশি।

পেছনের কারণ

যখন হৃদরোগ শ্বাসকষ্টের পেছনে হৃদযন্ত্রের বেশ কিছু জটিল অবস্থা দায়ী থাকতে পারে:

ধমনীতে ব্লক: হৃদপিণ্ডের ধমনীতে চর্বি জমে সরু হয়ে গেলে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে শারীরিক পরিশ্রমের সময় প্রয়োজনীয় অক্সিজেন না পেয়ে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

হার্ট ভালভের সমস্যা: হার্টের ভালভ ঠিকমতো কাজ না করলে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে, যার ফলে অবসাদ ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

হৃদস্পন্দনের অনিয়ম: অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে যায়।

হৃদপেশির দুর্বলতা: হার্টের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে গেলে এটি শরীরকে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ করতে পারে না, যা শ্বাসকষ্টের অন্যতম কারণ।

নারীদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা

হৃদরোগের ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীদের উপসর্গে ভিন্নতা থাকতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় বুকে ব্যথার চেয়েও শ্বাসকষ্ট এবং বমি বমি ভাব হৃদরোগের প্রধান উপসর্গ হিসেবে দেখা দিতে পারে। তাই মৃদু উপসর্গের ক্ষেত্রেও অবহেলা করা ঠিক নয়।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?

যদি নিয়মিত কাজের সময় আপনি ক্রমবর্ধমান শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে তাৎক্ষণিক জরুরি বিভাগে যেতে হবে:

হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়া।

রাতে ঘুমের মধ্যে দমবন্ধ হয়ে আসা বা হাঁপিয়ে জেগে ওঠা।

শুয়ে থাকলে শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

নখ বা ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়া।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

ডা. রজনীর মতে, উপসর্গগুলো শুরুতে শনাক্ত করতে পারলে বড় ধরণের বিপদ এড়ানো এবং সঠিক চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব। শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তনগুলোকে বয়সের দোষ দিয়ে এড়িয়ে না গিয়ে সময়মতো মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। আপনার শ্বাসকষ্ট আসলে আপনার হৃদযন্ত্রের কথা বলার চেষ্টা হতে পারে—তাই এই সংকেতটি শুনতে শিখুন।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৭৫ বছর পূর্তি উৎসবে নেতৃত্বে সাঈদুর-নান্না, চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৭৫ বছর পূর্তি উৎসবে নেতৃত্বে সাঈদুর-নান্না, চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি

দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয় তার গৌরবময় ১৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ডিসেম্বর মাসে আয়োজন করতে যাচ্ছে বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী ও উৎসব। বিদ্যালয়ের দীর্ঘ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে দুই দিনব্যাপী এই উৎসব আয়োজনের লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে উদযাপন পর্ষদ, উপদেষ্টা পর্ষদ এবং সমন্বয়ক পর্ষদ।

উৎসব সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য গঠিত উদযাপন পর্ষদের আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার সাঈদুর রহমান এবং সদস্য সচিব হয়েছেন সৈয়দ আব্দুল আউয়াল নান্না। ৫০টিরও বেশি ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত এই পর্ষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে শাব্বির হোসেন মনিকে।

যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কাজী জোবায়দুল হক টুলু, এস এম শামীম হাসান, সৈয়দ মান্নাফ হোসেন খসরু, মো. আমীর হোসেন সাগর, মাহফুজুর রহমান মবিন, মোস্তফা মাহমুদ আরেফি, মাহবুবুর রহমান সোহেল, অশোকেশ রায়, শোয়েবুল ইসলাম, মো. শেখ আব্দুল জলিল, দিদারুল মাহমুদ খান টিটু, শাহীন হক, উজ্জ্বল হোসেন, মুহাম্মদ শামীম হোসেন, সৈয়দ আলাওল হোসেন তনু এবং মো. আবু সাঈদ খান রানা।

উৎসবকে ঘিরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, প্রকাশনা, ক্রীড়া ও বিভিন্ন আয়োজন পরিচালনার জন্য ১৪টি উপ-পর্ষদও গঠন করা হয়েছে। এসব উপ-পর্ষদ উৎসবের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করবে।

বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে গঠিত সমন্বয়ক পর্ষদের প্রধান সমন্বয়ক নির্বাচিত হয়েছেন প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান। অন্যদিকে ১৯৫৪ সালের এসএসসি ব্যাচ থেকে শুরু করে ৩০টিরও বেশি ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত উপদেষ্টা পর্ষদের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা।

শনিবার (২০ জুন) সকালে বিদ্যালয়ের ঈশান মেমোরিয়াল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ১১তম প্রস্তুতি সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পর্ষদের নাম ঘোষণা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান। সদস্য সচিব সৈয়দ আব্দুল আউয়াল নান্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা, আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার সাঈদুর রহমান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মান্নাফ হোসেন খসরুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি এ অঞ্চলের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক অগ্রগতির এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। ১৭৫ বছর পূর্তির এই আয়োজন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন প্রজন্মের জন্য এক সেতুবন্ধন তৈরি করবে।

আয়োজকরা আশা করছেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং বিদেশে অবস্থানরত হাজারো প্রাক্তন শিক্ষার্থী এই উৎসবে অংশ নিয়ে বিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাসের অংশীদার হবেন। ইতোমধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম ও উৎসবের বিভিন্ন প্রস্তুতি জোরেশোরে এগিয়ে চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।