খুঁজুন
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

আইনশৃঙ্খলার অজুহাতে বন্ধ ফরিদপুরের আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২০ পিএম
আইনশৃঙ্খলার অজুহাতে বন্ধ ফরিদপুরের আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব

ফরিদপুরে আবহমান বাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ করে আয়োজিত বহুল প্রতীক্ষিত ঘুড়ি উৎসবটি শেষ মুহূর্তে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) উৎসবটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসনের নির্দেশনায় তা স্থগিত করা হয়। আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন উৎসবপ্রেমী সাধারণ মানুষসহ আয়োজকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে ফরিদপুর জেলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নগর বাউল জেমসের সংগীত পরিবেশনের সময় সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই ঘুড়ি উৎসব বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে—এমন ধারণা করছেন অনেকেই।

শনিবার সকালে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মিন্টু বিশ্বাস ঘুড়ি উৎসব বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুর প্রতিদিন‘কে বলেন, “বর্তমান সময়ের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঘুড়ি উৎসবটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” তবে এর বেশি বিস্তারিত জানাতে তিনি অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শামছুল আজম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘কে বলেন, “ঘুড়ি উৎসবটি বন্ধ করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। জেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”তিনিও সিদ্ধান্তের পেছনের নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেননি।

ঘুড়ি উৎসব বন্ধের প্রকৃত কারণ জানতে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশনের সভাপতি ও ঘুড়ি উৎসব আয়োজন কমিটির সভাপতি মো. ইমদাদ হাসান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘কে বলেন, “প্রশাসনের নির্দেশনায় আমরা ঘুড়ি উৎসবটি স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছি। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। শেষ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক।”

উল্লেখ্য, ফরিদপুরের ঘুড়ি উৎসবটি কেবল বিনোদনের আয়োজন নয়; এটি গ্রামীণ সংস্কৃতি ও আবহমান বাংলার ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিবছর এ উৎসব ঘিরে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

হঠাৎ করে উৎসব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও এমন একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন বাতিলের আগে বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেত।

রঙিন ঘুড়িতে ভরে ওঠা আকাশের অপেক্ষায় থাকা ফরিদপুরবাসীর প্রশ্ন—বারবার কেন সাংস্কৃতিক আয়োজনগুলোই অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে?

ফরিদপুর-৪: ৩০ বছরের আওয়ামী দুর্গ ভেঙে দিলেন বাবুল, গড়লেন রেকর্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
ফরিদপুর-৪: ৩০ বছরের আওয়ামী দুর্গ ভেঙে দিলেন বাবুল, গড়লেন রেকর্ড

রাজনৈতিকভাবে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে প্রায় তিন দশক পর জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বাবুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট। ফলে ৫১ হাজার ৬৮৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন বাবুল। ফরিদপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ ভোট ব্যবধানে জয়।

এই আসনে সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট সরোয়ারজান মিয়া বিজয়ী হয়েছিলেন। এরপর টানা চারটি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা শুধু পরাজিতই হননি, বরং জামানতও হারিয়েছেন। দীর্ঘদিনের সেই পরাজয়ের ধারাকে ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন শহিদুল ইসলাম বাবুল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় কেবল একটি আসনের ফলাফল নয়; বরং স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এলাকায় বিএনপির এমন জয় দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিকভাবে নতুন এলাকা হওয়া সত্ত্বেও অল্প সময়ের মধ্যে বাবুল নিজেকে একজন গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। তিনি দলীয় কোন্দল নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলতে সচেষ্ট ছিলেন। পাশাপাশি ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের নেতাদের সঙ্গেও তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করেন, যা তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় একাধিক জনসভায় বাবুল বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে তিনি এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন। নিজের রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ভোট ও সমর্থন চান। তার সরলতা, নম্র আচরণ এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জনে বড় ভূমিকা রাখে।

বিজয়ের পরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভাঙ্গায় এসে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বাবুল বলেন, “আমি কৃষক পরিবারের সন্তান। শূন্য হাতে আপনাদের কাছে এসেছিলাম। আপনারা আমাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। আপনাদের সঙ্গে আমার আত্মার বন্ধন তৈরি হয়েছে। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আপনাদের পাশে থাকব।”

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন ও শান্তির স্বার্থে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এই বিজয় শুধুমাত্র একজন প্রার্থীর নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আগামী দিনে এই পরিবর্তন ফরিদপুরের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফরিদপুর-১: ফুলেল সংবর্ধনায় সিক্ত এমপি ইলিয়াস মোল্লা, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজের আহ্বান

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
ফরিদপুর-১: ফুলেল সংবর্ধনায় সিক্ত এমপি ইলিয়াস মোল্লা, ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজের আহ্বান

নবনির্বাচিত ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লাকে সংবর্ধনা দিয়েছে মধুখালী পৌর জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহ।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মধুখালী থানা রোডের গাড়াকোলা এলাকায় তাকওয়া চেম্বারে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- মধুখালী পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির রেজাউল করিম। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি খলিলুর রহমান, পৌর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ইমরান খান, পৌর যুব জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি জাহিদ বিন সিরাজ, শূরা সদস্য লিয়াকত আলীসহ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে নবনির্বাচিত এমপিকে ফুলের মালা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে অভিনন্দন জানান এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ইলিয়াস মোল্লা বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দলের কর্মীরা মানুষের কাছে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মানুষের মধ্যে ইসলামের সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। তিনি বলেন, “আমরা যাদের ভোট পাইনি, তাদের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছি। আগামী দিনে সে ঘাটতি পূরণ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিভেদ ভুলে দলীয় নেতাকর্মীদের একসাথে থেকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য তার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ফরিদপুর-১ আসনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবেন।

কিডনি পরিষ্কার রাখার সহজ উপায়—এই ৭ খাবারেই সমাধান

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৭ এএম
কিডনি পরিষ্কার রাখার সহজ উপায়—এই ৭ খাবারেই সমাধান

আমাদের প্রতিদিনের খাবারই শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যকারিতাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি রক্ত পরিষ্কার করে, বর্জ্য অপসারণ করে এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট খাবার নিয়মিত খেলে কিডনির কার্যকারিতা ভালো থাকে এবং কিডনি পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক কিডনির সুস্থ রাখে যেসব খাবার-

সামুদ্রিক মাছ

স্যামন, টুনা ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত সামুদ্রিক মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া এসব মাছ উচ্চমানের প্রোটিন সরবরাহ করে।

লাল আঙুর

লাল আঙুরে রিসভারিট্রল, পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এসব উপাদান রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং কিডনির ওপর চাপ কমায়।

ফুলকপি

ফুলকপি ভিটামিন কে, ফোলেট ও ফাইবারের ভালো উৎস। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান কিডনির সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কম পটাসিয়াম থাকায় এটি কিডনি রোগীদের জন্যও উপযোগী।

সাইট্রাস জাতীয় ফল

লেবু ও কমলার মতো সাইট্রাস ফল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং কিডনি থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। এতে থাকা সাইট্রেট কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

ব্লুবেরি

ব্লুবেরিতে অ্যান্থোসায়ানিন নামক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের কোষ সুরক্ষায় সহায়তা করে। এতে সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ফসফরাস কম থাকায় এটি কিডনির জন্য নিরাপদ ও উপকারী।

মাশরুম

মাশরুম বি ভিটামিন, সেলেনিয়াম ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। এটি উদ্ভিদভিত্তিক প্রোটিনের ভালো উৎস এবং কিডনি রোগীদের জন্য নিরাপদ খাদ্য হিসেবে বিবেচিত।

ক্র্যানবেরি

ক্র্যানবেরিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি কিডনিকে সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে এবং কিডনি সুস্থ রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে কিডনির কার্যকারিতা ভালো থাকে। তবে কারও কিডনি রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা উচিত।