খুঁজুন
, ,

নিউজ এইট

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ এইট

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ  এইট

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

সালথায় পাটখড়িতে নতুন সম্ভাবনা, কৃষকের ঘরে বাড়তি আয়ের হাতছানি

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
সালথায় পাটখড়িতে নতুন সম্ভাবনা, কৃষকের ঘরে বাড়তি আয়ের হাতছানি

পাটের আঁশ ছাড়ানোর পর সাধারণত পাটখড়িকে কৃষকেরা ফেলনা হিসেবেই দেখতেন। তবে সময়ের সঙ্গে সেই পাটখড়িই এখন হয়ে উঠছে কৃষকের বাড়তি আয়ের অন্যতম উপকরণ। ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পাটখড়ি সংগ্রহ, শুকানো ও বিক্রিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি পাটখড়ি বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের কারণে মৌসুমে এর চাহিদাও বাড়ছে।

উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, পাট কাটার পর কৃষকেরা পানিতে পচিয়ে আঁশ ছাড়ানোর পাশাপাশি পাটখড়িগুলোও যত্ন করে তুলে রাখছেন। কেউ বাড়ির উঠানে, কেউ রাস্তার পাশে আবার কেউ খোলা জায়গায় পাটখড়ি স্তূপ করে শুকাচ্ছেন। ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়ার পর স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পাইকাররা এসব পাটখড়ি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, আগে পাটখড়ি মূলত রান্নার জ্বালানি ও ঘরের বেড়া তৈরিতে ব্যবহার করা হতো। এখন এর বাণিজ্যিক ব্যবহার বাড়ায় পাটখড়ি বিক্রি করে পাটের পাশাপাশি কৃষকেরা বাড়তি অর্থ পাচ্ছেন।

সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের খোয়াড়গ্রাম এলাকার কৃষক শাহাজু্দিন মাতুব্বর বলেন, “আগে পাটের আঁশ বিক্রি করাই ছিল মূল বিষয়। পাটখড়ি অনেক সময় পড়ে থাকত। এখন ব্যবসায়ীরা বাড়ি থেকে পাটখড়ি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে পাট চাষে বাড়তি লাভ হচ্ছে।”

আরেক কৃষক আজাদ শেখ বলেন, “পাটখড়ি শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে পারলে পরে বিক্রি করা যায়। এতে বাড়তি কিছু টাকা পাওয়া যায়, যা কৃষকের সংসারে কাজে লাগে।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সালথায় প্রতি মোটা পাটখড়ি ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা এবং প্রতি ১০০ মোটা ৩০০ থেকে সাড়ে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের ধারণা, সময়ের সঙ্গে পাটখড়ির চাহিদা বাড়ায় এর দামও আরও বাড়তে পারে। একাধিক কৃষক জানান, মৌসুমের শুরুতে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হলেও পরে চাহিদা বাড়লে পাটখড়ির দাম আরও ভালো পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয় পাটখড়ি ব্যবসায়ী বাদল হোসেন জানান, “এ বছর পাটখড়ির চাহিদা ভালো। কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ করে আমরা বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছি। চাহিদা থাকায় পাটখড়ি এখন আর ফেলনা পণ্য নয়।”

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাটের আঁশের পাশাপাশি পাটখড়ির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে পাট চাষ আরও লাভজনক হতে পারে। একই সঙ্গে পাটখড়িকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে।

সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হাবীব আল আজাদ বলেন, “পাট বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। পাটের আঁশের পাশাপাশি পাটখড়ির ব্যবহার বাড়ানো গেলে কৃষকেরা বাড়তি আয় করতে পারবেন। কৃষকদের পাটখড়ি সংরক্ষণ ও সঠিকভাবে ব্যবহার করার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

এ ব্যাপারে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, ​“সালথায় পাটখড়িকে ঘিরে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হওয়া একটি প্রশংসনীয় ও আশাব্যঞ্জক দিক। পাটখড়ি একসময় ফেলে দেওয়া হলেও এখন তা কৃষকদের অতিরিক্ত আয়ের অন্যতম উৎসে পরিণত হয়েছে। এটি যেমন গ্রামীণ অর্থনীতিকে বেগবান করছে, তেমনি স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি করছে।”

তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাটচাষিদের সার্বিক সুবিধা-অসুবিধা তদারকি করা হচ্ছে। পাট ও পাটখড়ির সঠিক সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে কৃষি বিভাগের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে, যাতে কৃষকেরা তাদের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পান।”

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শাহাদুজ্জামান বলেন, “পাটের উপজাত হিসেবে পাটখড়ির অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। এর বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানো গেলে পাট চাষে কৃষকের লাভের পরিমাণও বাড়তে পারে।”

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পাটখড়ির সঠিক ব্যবহার ও বাজারব্যবস্থা গড়ে উঠলে এটি শুধু কৃষকের বাড়তি আয়ের উৎসই হবে না, বরং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাটের আঁশের পাশাপাশি পাটখড়িকেও গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বাজারজাত করা গেলে সালথার পাটচাষিরা ভবিষ্যতে আরও লাভবান হতে পারেন।

ফরিদপুরে রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখায় ৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখায় ৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে নির্ধারিত সময়ের পর দোকান খোলা রাখায় ফরিদপুরের নগরকান্দায় ৭ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরকান্দা বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নগরকান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল হাসান।

​অভিযানকালে নগরকান্দা পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) প্রকৌশলী সোহেল রানা চৌধুরী, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) প্রকৌশলী শরিফুল আলমসহ বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

​ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল হাসান জানান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। এর পর সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিধান রয়েছে। সরকারি এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে নগরকান্দা বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় রাত ৮টার পর দোকান খোলা পাওয়ায় সতর্ক করার পাশাপাশি ৭ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

​জনস্বার্থে ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

ফরিদপুরে পৌরসভার জায়গা উদ্ধার, অবৈধ প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পৌরসভার জায়গা উদ্ধার, অবৈধ প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ

ফরিদপুর পৌরসভার মালিকানাধীন জমি উদ্ধার ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

​মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের গোয়ালচামট হাজরাতলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

​অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা কবির চৌধুরী পৌরসভার প্রায় ০.২৫ (পয়েন্ট ২৫) শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখল করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে এক্সকাভেটর দিয়ে ওই অবৈধ স্থাপনাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং জমিটি পুনর্দখলে নেয় পৌরসভা।

​উচ্ছেদ অভিযানে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মো. হাই জকি এবং অতিরিক্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম।

​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন বিষয়ক কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান, বিদ্যুৎ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শরিফুল হাসান, যান্ত্রিক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী লাইজিং হোসেন রাজু, হিসাবরক্ষক কৃষ্ণ কুমার সাহা ও কনজারভেনসি পরিদর্শক বিকাশ দত্তসহ স্থানীয় অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

​অভিযানের পর পৌর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানান, শহরের বিভিন্ন স্থানে পৌরসভার জায়গায় যেসব অবৈধ দখলদার রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। পৌরসভার সরকারি সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে আগামী দিনগুলোতেও এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখা হবে।