খুঁজুন
রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

নিউজ এইট

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ এইট

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৪ ডেমো নিউজ  এইট

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

বোয়ালমারীতে নৌকার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা

বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারীতে নৌকার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলার একমাত্র নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নির্যাতন, দখলবাজি ও বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান নেতা।

শনিবার (৯ মে) বিকেল ৩টার দিকে বোয়ালমারী পৌরসভার মাদ্রাসা মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বোয়ালমারী সরকারি কলেজের সাবেক জিএস ও বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মুকুল। এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান বাবু, বিএনপি নেতা মফিজুল কাদের খান মিল্টন, পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম কালা মিয়া এবং পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মনির হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগপন্থি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বর্তমানে প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছেন। তার বিরুদ্ধে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগ তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, সম্প্রতি মোড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ও সাকিবুর রহমানকে জিম্মি করে ৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং একটি নির্যাতনকেন্দ্রে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

এছাড়া শেখর গ্রামের একটি পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ মামলা দায়েরেরও অভিযোগ তোলা হয়। ওই মামলায় উপজেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রইসুল ইসলাম পলাশসহ কয়েকজন নেতাকে আসামি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী কাটাগড় মেলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঁদাবাজি হয়েছে। মেলায় দোকান বরাদ্দ ও অবৈধ নিলামের মাধ্যমে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তোলা হয় চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। মেলার আয়-ব্যয়ের কোনো স্বচ্ছ হিসাব দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বাগডাঙ্গা গ্রামের ফাহমিদা ইসলাম নামে এক নারীকে বিভিন্নভাবে হয়রানি, প্রাণনাশের হুমকি এবং তার বসতভিটার গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় চেয়ারম্যানের অনুসারীদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে ওই নারীর জমি দখলের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বক্তারা দাবি করেন, শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নে একটি ‘নব্য বিএনপি চক্র’ প্রভাব বিস্তার করে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তাদের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে এবং দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বিএনপি নেতারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান কামাল আহমেদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী জুহি ও তার মা, উৎকণ্ঠায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী জুহি ও তার মা, উৎকণ্ঠায় পরিবার

ফরিদপুর শহরে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ও তার মা গত ১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর নাম ফাতেমাতুজ জহুরা ওরফে জুহি। সে ফরিদপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার মা এলিজা শারমিন (৪৮)। তারা ফরিদপুর শহরের লাক্সারী হাসান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় পরিবারসহ বসবাস করতেন।

নিখোঁজ শিশুর বাবা জামাল উদ্দিন ওরফে কানু শুক্রবার (৮ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে মেয়ে ও স্ত্রীর সন্ধান চেয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে জুহি তার মায়ের সঙ্গে ঘুরতে বের হওয়ার পর থেকে আর বাসায় ফেরেনি। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

শনিবার (৯ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কানু জানান, সম্ভাব্য আত্মীয়স্বজনের বাসা, পরিচিত স্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোথাও তাদের সন্ধান মেলেনি। তিনি বলেন, “জুহির মা মানসিকভাবে অসুস্থ। এর আগেও প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বার তিনি এভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে পরে ফিরে এসেছেন। তাই প্রথমদিকে বিষয়টিকে স্বাভাবিক ভেবেছিলাম। কিন্তু ১০ দিন পার হলেও তারা ফিরে না আসায় আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। আজ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, কেউ জুহি ও তার মায়ের সন্ধান দিতে পারলে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “মা ও মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তাদের খুঁজে বের করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সালথায় সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ১০

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ১০

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নে চলমান দাঙ্গা, সংঘর্ষ ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। 

শনিবার (০৯ মে) বিকেলে আটক ব্যক্তিদের ফরিদপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী, বালিয়া গট্টি, মেম্বার গট্টি, কসবা গট্টি, দোহার গট্টি ও মীরের গট্টি এলাকায় কয়েকদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুক্রবার (০৮ মে) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় সালথা থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের নুরু খানের ছেলে আজিজুল খান (২২), মৃত শেখ সাহিদের ছেলে আব্দুল হক (৫৫), মৃত জলিল মাতুব্বরের ছেলে রহমান মাতুব্বর ওরফে রব্বান মাতুব্বর (৩০), বালিয়া গট্টি এলাকার পাচু শেখের ছেলে রিয়াজ শেখ (২৫), লাবলু মোল্যার ছেলে জাহিদ মোল্যা (৪০), দোহার গট্টি এলাকার আরশেদ মাতুব্বরের ছেলে লাবলু মাতুব্বর (৩৫), লুৎফর মিয়ার ছেলে টুকু মিয়া (৪০), কাঠিয়ার গট্টি এলাকার সোহরাব শরীফের ছেলে ইশারত শরীফ (৩৩), বাদশা মাতুব্বরের ছেলে সুমন মাতুব্বর (২২) এবং মীরের গট্টি এলাকার সামচু শেখের ছেলে সোহেল শেখ (২৪)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গট্টি ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বর ও বালিয়া গট্টি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তারা দুজনই এলাকায় প্রভাবশালী গ্রাম্য মোড়ল হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তাদের সমর্থকদের মধ্যে অন্তত ১০টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। সহিংসতায় দুই শতাধিক বসতবাড়ি ভাঙচুর এবং কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শনিবার (০৯ মে) বিকেলে আটক ১০ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।