খুঁজুন
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ, ১৪৩২

ফরিদপুরে জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি পরিচয়ে আ.লীগকে পুর্নবাসনের অভিযোগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:১২ পিএম
ফরিদপুরে জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি পরিচয়ে আ.লীগকে পুর্নবাসনের অভিযোগ
ফরিদপুরে জেলা শ্রমিকদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি মোজাফফর আলী মুসার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পরিপন্থি কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার সম্মেলন বা সভা ব্যতিরেকেই সংগঠনটির সভাপতি পরিচয়ে বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভা শ্রমিক দলের পকেট কমিটি বানিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনবার্সনের অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দলটির একাংশের নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ২ টার দিকে শহরের হাবেলী গোপালপুরে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন খান পলাশের দলীয় কার্যালয়ে জেলা, মহানগর ও কোতয়ালী থানা শ্রমিক দলের ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা শ্রমিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি মো. সামসুল হক সরদার। এ সময় সংগঠনটির বিভিন্ন কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১০ সালে তিন বছর মেয়াদে জেলা শ্রমিক দলের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে মোজাফফর আলী মুসাকে সভাপতি এবং ওলিয়ার রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে তাঁরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে পড়েন। ২০১১ সালে মোজাফফর আলী মুসার ভাই শেখ মাহতাব আলী মেথু তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের এমপি ও মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সাথে যোগ দিয়ে পৌর মেয়র হন। এসময় থেকেই মোজাফফর আলী মুসা তার ভাইয়ের সাথে মিলে খন্দকার মোশাররফের ছক অনুযায়ী শ্রমিক দলকে নিষ্ক্রিয় করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে শুরু করেন। এতে কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে শ্রমিক দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম। এরমাঝে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশ্যে তাঁরা সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এক জনসভার মাধ্যমে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
এরপর থেকে মোজাফফর আলী মুসা খন্দকার মোশাররফের আশীর্বাদে আবাসিক হোটেলে অনৈতিক ব্যবসায় সহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পরেন। তাঁর জামাতা মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুই হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার আসামী আসিবুর রহমান ফারহানের নেতৃত্বে হাতুরী বাহিনী গঠন করে ময়েজমঞ্জিলে হামলা সহ বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার শুরু করেন। তিনি বলেন, তাঁদের এই দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবহিত করা হলে প্রথমে চার সদস্যের একটি কমিটি ও পরে দুই সদস্যবিশিষ্ট আরেকটি কমিটিকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ফরিদপুরের বিদ্যুৎ দপ্তরের সাবেক এই সিবিএ নেতা সামসুল হক সরদার অভিযোগ করে বলেন, ৫ই আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ভোল পাল্টে শ্রমিকদলের সভাপতি পরিচয় দিয়ে অবৈধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেন। কোন সভা কিংবা সম্মেলন আয়োজন ছাড়াই টাকার বিনিময়ে পুরনো তারিখ দেখিয়ে জেলার সদরপুর, ভাঙ্গা ও নগরকান্দা উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া নতুন করে বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌর কমিটির অনুমোদনও দেন। যেখানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদারের আস্থাভাজন আওয়ামী লীগের লোকদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মোজাফফর আলী মুসার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তবে এসব বিষয়ে কথা হয় শ্রমিক দলের ফরিদপুর অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও লেবার বোর্ডের সভাপতি খাজা খায়েরের সাথে। তিনি বলেন, এই অভিযোগের বিষয়ে আমরা তদন্ত করে দেখব। তিনি বলেন, ফরিদপুর জেলা কমিটি বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত। এখন যারা অভিযোগ করছেন দুঃসময়ে তাঁরাতো কেউ অভিযোগ করেননি, দলের পাশেও পাওয়া যায়নি। একজন আওয়ামী লীগ করতেই পারে, সেটাতো দোষের কিছু না। এমনকি আমিও এক সময় আওয়ামী লীগের ছিলাম, আমার বাবা ও ভাইও আওয়ামী লীগ করতেন।

১০ কেজি ধানের শীষ গায়ে ফরিদপুরে সেলিম, তারেক রহমান দেখার অদম্য আকাঙ্ক্ষা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০২ পিএম
১০ কেজি ধানের শীষ গায়ে ফরিদপুরে সেলিম, তারেক রহমান দেখার অদম্য আকাঙ্ক্ষা

প্রথমবারের মতো ফরিদপুরে আসছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই আগমন ও বিভাগীয় জনসভাকে ঘিরে ফরিদপুর জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকেই শহর ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্লোগান, মিছিল আর পতাকায় মুখরিত পুরো জেলা।

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির বিভাগীয় জনসভা। এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। তার বক্তব্য শুনতে ও এক নজর দেখতে ভোর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন।

সকাল থেকেই ফরিদপুর শহরের প্রবেশপথগুলোতে দেখা যায় খণ্ড খণ্ড মিছিল। কেউ হাতে দলীয় পতাকা, কেউ মাথায় পতাকা সংবলিত টুপি, আবার অনেকেই গায়ে জড়িয়ে নিয়েছেন বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ। সমাবেশস্থল রাজেন্দ্র কলেজ মাঠ ও আশপাশের সড়কগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

এই ভিড়ের মধ্যেই সবার দৃষ্টি কেড়েছেন শরীয়তপুর থেকে আসা বিএনপি সমর্থক সেলিম মন্ডল। তিনি পুরো শরীরজুড়ে প্রায় ১০ কেজি ধানের শীষ বেঁধে সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন। ব্যতিক্রমী এই উপস্থিতি মুহূর্তেই আকর্ষণ করে আশপাশের মানুষের দৃষ্টি।

সেলিম মন্ডল জানান, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা থেকে তিনি বুধবার ভোরেই ফরিদপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। তারেক রহমানকে কাছ থেকে দেখবেন এবং সরাসরি তার বক্তব্য শুনবেন—এই আশা নিয়েই কাকডাকা ভোরে রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে প্রবেশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কয়েকবার সরাসরি দেখার সুযোগ হয়েছে। ঢাকায় দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছি। এবার দলের নতুন কাণ্ডারী তারেক রহমানকে নিজ চোখে দেখতে চাই বলেই এত কষ্ট করে এসেছি।”

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই জনসভাকে ঘিরে ফরিদপুরসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মাঠ ও এর আশপাশে পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।

বিএনপি নেতারা আশা করছেন, ফরিদপুরের এই বিভাগীয় জনসভা দলের সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থনের বড় ধরনের বার্তা দেবে। তারেক রহমানের বক্তব্য ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে বাড়তি আগ্রহ ও প্রত্যাশা।

তারেক রহমানের জনসভা ঘিরে ফরিদপুরে উৎসবের আমেজ, শহরজুড়ে মিছিল

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
তারেক রহমানের জনসভা ঘিরে ফরিদপুরে উৎসবের আমেজ, শহরজুড়ে মিছিল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে ‘তারেক রহমান আসছে, গণতন্ত্র বাঁচছে’, ‘স্বাগতম তারেক রহমান’সহ নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে শহরের প্রধান সড়কগুলো।

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। জনসভাকে ঘিরে মাঠ ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন বলেন, “তারেক রহমানের এই জনসভা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ফরিদপুরবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে মানুষ পরিবর্তন চায়।”

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে জনসভা সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

মিছিল নিয়ে আসা বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী তাদের প্রত্যাশার কথা জানান। সদর উপজেলার বিএনপি কর্মী আব্দুল মালেক বলেন, “দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের এমন সরাসরি বার্তা শোনার সুযোগ পাচ্ছি। আমরা আশা করছি, তিনি দেশ ও দলের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা দেবেন।” একই কথা জানান ছাত্রদলের নেতা রুবেল হোসেন। তিনি বলেন, “তরুণদের জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের জনসভা আমাদের নতুন করে অনুপ্রাণিত করবে।”

এদিকে মহিলা দলের নেত্রী নাজমা বেগম বলেন, “নারীদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে আমরা আশাবাদী। তারেক রহমানের বক্তব্যে আমরা সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখতে চাই।”

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জনসভায় ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নিচ্ছেন। জনসভাকে কেন্দ্র করে আশপাশের এলাকায় অস্থায়ী খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠে প্রবেশের জন্য একাধিক গেট নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

সব মিলিয়ে তারেক রহমানের এই জনসভাকে ঘিরে ফরিদপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ ও উৎসাহ তুঙ্গে। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, এই সমাবেশ বিএনপির রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং আগামীর আন্দোলনে দিকনির্দেশনা দেবে।

ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি, শেষরক্ষা হলো না সাদ্দামের

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৯ এএম
ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি, শেষরক্ষা হলো না সাদ্দামের

ফরিদপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০)। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. সাদ্দাম শেখ (২৪)। তিনি ফরিদপুর শহরের খোদাবক্স রোড, কসাই বাড়ি সড়ক এলাকার বাসিন্দা এবং মো. শেখ শহিদের ছেলে।

র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্প থেকে বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে ফরিদপুর সদরের শিবরামপুর বাজার এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১০-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কোতয়ালী থানার জিআর মামলা নম্বর- ৫৫৬/১৪ এর আলোকে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার টেবিল ২২(গ) অনুযায়ী ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত সাজা পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মো. সাদ্দাম শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্বীকার করেছে যে, সাজা এড়াতে সে দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। র‌্যাবের নিয়মিত নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতার ফলে শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

র‌্যাব-১০-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদক সংক্রান্ত অপরাধ দমনে র‌্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার তারিকুল ইসলাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “মাদকদ্রব্য সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ হুমকি। মাদকের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।”