খুঁজুন
, ,

লোকগানের কিংবদন্তী শিল্পী হাজেরা বিবির স্মরণে

মফিজ ইমাম মিলন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
লোকগানের কিংবদন্তী শিল্পী হাজেরা বিবির স্মরণে

হাজেরা বিবি। তিনি শুধু লোকগানের জনপ্রিয় শিল্পী ছিলেন না। ছিলেন আধ্যাত্মিক জগতের এক অক্লান্ত পরিব্রাজক ও কৃতি সাধিকা। তাঁর সংগীত জীবনের সাফল্যগাথা কলমের আঁচড়ে হয়তো কাগজের বুকে এঁকে দেয়া যায়। কিন্তু তাঁর আধ্যাত্ম সাধনার নিরন্তর অন্তরজ্বালা ও ক্রমাগত দহন, সমাজের কাছ থেকে পাওয়া উপেক্ষা অবজ্ঞা, ভ্র-কুঞ্চন আর রক্তচক্ষুর আস্ফালনজাত বিষাদ ও ক্লান্তির কড়চা যথার্থভাবে পরিস্ফুটনের শক্তি আমার কলমে নেই।

মানবজীবনতো শুধুই ক্রমাগত ক্লেশ আর ক্ষরণের নয়। হাজেরা বিবিও একদিন জয় করেন জীবন ও সমাজের সমূহ উষ্মা ধারাবাহিক বিরূপতা ।

১৯৬০ সালে ফতেহ লোহানী পরিচালিত ‘ আসিয়া ‘ চলচ্চিত্রে প্রথম গান করেন তিনি। এর আগে রেডিও পাকিস্তান, পিটিভি, স্বাধীনতার পরে রেডিও বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বেতার ও বিটিভির নিয়মিত শিল্পী ছিলেন। তবে তাঁর বেশি জনপ্রিয়তা ছিল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে পালাগান, বিচারগান, জারী ও মুর্শীদা গানের শিল্পী হিসেবে ।

হাজেরার প্রকৃত নাম ছিল ননীবালা। বাবা রাজকুমার ছিলেন পেশায় কাঠমিস্ত্রি। মা শ্যামাদাসী করতেন পুরোপুরি ঘরসংসারী। তাদের কয়েকটি সন্তান হয়ে মারা গেলে পরে ননীবালার ( হাজেরা) জন্ম হলে মানত অনুযায়ী কোলে কোলে বিয়ে দেন একই গ্রামের শিশু হিতিশের সাথে।

খুবই অল্প বয়সে একটি ছেলে হলে নাম রাখেন মন্টু। মন্টুর জন্মের কিছু দিন পরেই স্বামী হিতিশ মৃত্যু বরণ করেন। মন্টুও বেঁচে ছিল মাত্র ১১ মাস। এর কিছু দিন পরেই বাবা রাজকুমার, মা শ্যামাদাসীও পৃথিবী ছাড়েন। ফলে, সংসার নয় নিজের জীবনই দুর্বিষহ হয়ে ওঠে নিজের কাছে ।

স্বামী সন্তান বাবা-মা হারিয়ে আশ্রয় নেন মামা বাড়ি ফরিদপুরের ঈশান গোপালপুরে। এখানে সান্নিধ্য পান বনকু সাধুর। সাধু সনাতন ধর্মের অনেক তথ্য ও তত্ত্বকথা শিখিয়েছিলেন ননীবালাকে। যা পরবর্তীকালে বিচার গানে তুলে এনেছেন তিনি।

এমনই এক গানের অনুষ্ঠানে পরিচয় হয় কবি জসীম উদদীন এর সাথে। কবি তাঁর গান শুনে মুগ্ধ হন। ননীবালা কবিকে বাবা বলে সম্বোধন করেন। তাঁর কণ্ঠে কবি বিচার গানের ভবিষ্যৎ দেখতে পান। নিঃসঙ্গ জীবনে পথের অবসান ঘটাতে কবি পেশা হিসেবে গানকে বেছে নিতে উদ্বুদ্ধ করেন তাকে।

ননীবালার এভিডেভিড করে নাম রাখা হয় হাজেরা। কবির নিজের ধর্মপুত্র আজাহার মন্ডলের সাথে বিয়ে দেন তাকে। আজাহার মন্ডলেরও ছিল গান-বাজনা পেশা। শুরু হয় হাজেরা বিবি নামে এক গায়িকার নতুন জীবন সতীনের সংসারে।

লোকগানের শিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন হাজেরা। কবি জসীম উদদীন তাঁকে অলইন্ডিয়া রেডিওতে গান গাইবার ব্যবস্থা করে দেন। ঢাকার রমনা পার্কের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও তাকে দিয়ে গান গাইয়েছিলেন।

গান গাইবার অপরাধে হাজেরাকে এক ঘরে করা হয়েছিল গ্রাম্য শালিসিতে। আগে হিন্দু ছিল সে অভিযোগে ‘৭১ সালে তাঁর বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বামী অজানা রোগে অন্ধত্ব বরণ করে ও মারা যায়। অসহায় হাজেরা গানের দলের দোহার মনিরুদ্দিন ফকিরের আশ্রয় নেন। গ্রামের মানুষ তাদের বিয়ে দিয়ে দেন। এ স্বামীও অন্ধ হয়ে রোগে ভুগে মৃত্যুবরণ করেন।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দুঃখ-কষ্ট অভাব অভিযোগে হিমসিম খেতে থাকেন। কণ্ঠ ভেঙে গিয়েছিল। গান গাওয়া বন্ধ হয়ে যায় ।

হাজেরা বিবি সারাজীবন লোকসংস্কৃতির মাধ্যমে মানুষের সেবা ও আনন্দ দিলেও তাঁর ব্যক্তি জীবন ছিল ভাঙা-গড়া বিরহ-বিচ্ছেদ দুঃখ কষ্টে ভরা। তাকে দেখতে চিত্রশিল্পী আনোয়ার হোসেন, পরিচালক খান আতাউর রহমান, সুরকার আজাদ রহমান, নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ এসেছেন ফরিদপুরে।

২০০৬ সালের ১৮ ডিসেম্বর লোক গানের কিংবদন্তি শিল্পী হাজেরা পৃথিবী ছেড়েছেন শতবছর বয়সে।

 

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক, ফরিদপুর। 

ফরিদপুরে ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দিয়েছে ফরিদপুর জেলা শাখা ছাত্রদল।

​রবিবার (০৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফরিদপুর জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক এনামুল করিম রেজা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

​নোটিশে অভিযুক্ত দুই নেতা হলেন—নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম (লিখন) এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান (বাবু)।

​বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য ও অভিযোগ জেলা ছাত্রদলের কাছে এসেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কেন তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা জানতে চেয়ে এই নোটিশ জারি করা হয়েছে।

​নির্দেশনায় বলা হয়, আগামী ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার মধ্যে নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম (লিখন) ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান (বাবু)-কে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু এবং সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েস-এর কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে এই কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে হবে।

​জেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল নেতারা জানান, সংগঠনকে সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও অনুশাসনে রাখা ছাত্রদলের মূল অগ্রাধিকার। যেকোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ বা দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী আচরণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে অভিযুক্ত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী কড়া সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলফাডাঙ্গায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে শিক্ষক সংগঠনের শুভেচ্ছা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে শিক্ষক সংগঠনের শুভেচ্ছা

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিক্ষক সমাজের শীর্ষ দুই সংগঠন ‘শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট’ এবং ‘শিক্ষক সমিতি’র নেতৃবৃন্দ।

​শনিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ হলরুমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকায় এমপি হেলেন জেরিন খানকে এই ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

​সংগঠন দুটির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি মনিরুজ্জামান মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এবং শিক্ষক সমিতির উপজেলা শাখার সভাপতি মোস্তাক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম। তাঁদের যৌথ নেতৃত্বে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সংসদ সদস্যের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন।

​শুভেচ্ছা বিনিময়কালে শিক্ষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে বলেন, “বর্তমানে মাধ্যমিক শিক্ষা সেক্টরকে জাতীয়করণের দাবিতে সারা দেশেই শিক্ষক সমাজ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলেছে। শিক্ষক ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আমরা প্রধান অতিথির কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, তিনি যেন এই ন্যায়সংগত দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন এবং তা বাস্তবায়নে সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।”

​অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

লিবিয়ায় কারাগারে ফরিদপুরের ২৪ তরুণ, ৩ বছর ধরে নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
লিবিয়ায় কারাগারে ফরিদপুরের ২৪ তরুণ, ৩ বছর ধরে নিখোঁজ

জীবিকার তাগিদে ভালো চাকরির আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদপুরের সালথা, নগরকান্দা ও বোয়ালমারী উপজেলার ২৪ জন তরুণ। কিন্তু ২০২৩ সালে লিবিয়ায় যাওয়ার পর থেকে দীর্ঘ তিন বছর ধরে তারা নিখোঁজ। পরিবারের দাবি, মানবপাচারকারী দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে তারা বর্তমানে লিবিয়ার বিভিন্ন কারাগারে বন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এখন সন্তানদের জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরে পাওয়ার আকুতি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অসহায় স্বজনরা।

​ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দালাল পারভেজ মোল্লা বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওই ২৪ তরুণকে লিবিয়ায় পাঠান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর থেকেই স্বজনদের সঙ্গে তাদের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন সালথা উপজেলার রিয়াজ মোল্লা, তুহিন সরদার, ফিরোজ মোল্লা, তানভীর মোল্লা, সালমান মোল্লা, মাঝারদিয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামের মো. হাচিবুল হাচান এবং ভাওয়াল ইউনিয়নের বারখাদিয়া গ্রামের রবিউল ইসলামসহ ২৪ জন।

​সন্তানের জন্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে হাচিবুলের মা বলেন, “তিন বছর ধরে আমার ছেলের কোনো খবর নেই। প্রতিদিন অপেক্ষা করি, হয়তো একবার ফোন দেবে। সরকারের কাছে হাতজোড় করে আকুতি জানাচ্ছি, আমার সন্তানকে জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে দিন।”

​নিখোঁজ রবিউল ইসলামের বাবা নান্নু খান আক্ষেপ করে বলেন, “জমি বিক্রি ও ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। আজ আমার টাকা-পয়সাও শেষ, ছেলেরও কোনো খোঁজ নেই। আমরা শুধু আমাদের সন্তানকে ফেরত চাই।”

​নিখোঁজদের ফেরাতে ‘পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা’র চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “২৪টি পরিবার আজ পুরোপুরি নিঃস্ব ও অসহায়। কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়ে দ্রুত তাদের পরিচয় যাচাই করে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।”

​নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন জানান, বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আবেদন পাওয়ার পর তাদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

​ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহাম্মদ আল ফাহাদ জানান, মানবপাচারকারী দালাল চক্রের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে।

​এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত দালাল পারভেজ মোল্লার মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তার বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।