খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ভাগিনা ফরিদপুরে গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:৪৯ এএম
সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ভাগিনা ফরিদপুরে গ্রেফতার

আলোচিত সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ভাগিনা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ইব্রাহিম শেখ ওরফে কলম মেম্বারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে ফরিদপুর শহরের আদালতপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। দুপুরের পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইব্রাহিম শেখ ওরফে কলম মেম্বার আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামার গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।

কোতোয়ালি থানার এসআই ফাহিম ফয়সাল তরফদার বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে শহর থেকে ইব্রাহিম শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি থানায় হওয়া দ্রুতবিচার আইনের একটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ইব্রাহিম শেখ ওরফে কলম। এছাড়াও তিনি ঢাকার খিলগাঁওয়ে একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

 

জানা গেছে, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ভাগিনা হওয়ার সুবাদে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন ইব্রাহিম শেখ ওরফে কলম মেম্বার। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া মৌজায় ইব্রাহিম শেখ কলমের নামে ১৬০ শতাংশ জমি আছে। যার বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। এই জমির প্রকৃত মালিক সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

 

এছাড়াও ‘সবুজ ছায়া’ নামে ইব্রাহীম শেখ একটি ঋণদান সংস্থার মালিক। যেখানে কমপক্ষে ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আছে তার। কিন্তু দৃশ্যত তার কোনো ব্যবসা নেই। সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার অবৈধ অর্থেই এ প্রতিষ্ঠানটি (সবুজ ছায়া) পরিচালিত হতো বলে স্থানীয়রা জানান।

 

আলোচিত ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) গ্রেফতার করে। এরপর থেকেই বিভিন্ন মামলায় কারারুদ্ধ আছেন তিনি। এছাড়া গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আছাদুজ্জামান মিয়ার শ্যালক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হারিচুর রহমান সোহানকে গ্রেফতার করেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

 

প্রসঙ্গত, আছাদুজ্জামান মিয়া ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন।

খালি পেটে আনারস খাওয়া কি ক্ষতিকর? জানুন সত্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৯ এএম
খালি পেটে আনারস খাওয়া কি ক্ষতিকর? জানুন সত্য

প্রাচীনকাল থেকেই রোগ নিরাময়ে কার্যকর ফল হিসেবে আনারসের ব্যবহার চলে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে খালি পেটে আনারস খেলে শরীরের জন্য নানাভাবে উপকার হতে পারে। আনারসে থাকা গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম ব্রমেলেইন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন ‌‘সি’ রোগ প্রতিরোধ ও সুস্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একাধিক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়মিত আনারস খেলে শরীরের প্রদাহ কমে এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস পায়।

প্রদাহের সঙ্গে লড়াই করে

আনারসে থাকা ব্রমেলেইন একটি শক্তিশালী প্রদাহরোধী উপাদান। এটি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে এবং প্রদাহ কমায়। নিয়মিত আনারস গ্রহণ করলে আরথ্রাইটিসের ব্যথা কমতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

লিভার ও অন্ত্রের উপকারে আসে

ব্রমেলেইন অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক গুণসম্পন্ন।

ফলে আনারস নিয়মিত খেলে লিভার ও অন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়তা করে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়।

ইলেকট্রলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে

আনারসে থাকা পটাশিয়াম শরীরকে শক্তিশালী রাখে এবং শরীরের ইলেকট্রলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে, যা হৃদযন্ত্র ও পেশির জন্য অত্যন্ত জরুরি।

দাঁত ও মুখের যত্নে কার্যকর

গবেষণায় দেখা গেছে, আনারসের ব্রমেলেইন দাঁত ভালো রাখতে সহায়তা করে এবং মুখের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কমাতে সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে

আনারসে থাকা বেটা ক্যারোটিন চোখের জন্য উপকারী।

নিয়মিত আনারস খেলে বয়সজনিত চোখের সমস্যা কমতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

ক্যানসার প্রতিরোধেও ভূমিকা

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, ব্রমেলেইন বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

যেভাবে তৈরি করবেন আনারস জুস

আনারস জুস তৈরি করা খুবই সহজ। প্রথমে আনারসের খোসা ফেলে ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। এরপর একটি গ্লাস পানিতে কয়েক টুকরো আনারস দিয়ে সকালে খালি পেটে পান করুন।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যাদের গ্যাস্ট্রিক, আলসার বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আনারস পানি ক্ষতিকর হতে পারে। তাই নিয়মিত এই পানীয় গ্রহণের আগে শরীরের অবস্থা বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সবচেয়ে কম সময় রোজা হবে যেসব দেশে?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪০ এএম
সবচেয়ে কম সময় রোজা হবে যেসব দেশে?

রমজান মাসে রোজার সময়কাল নির্ধারিত হয় ফজরের শুরু থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের ওপর ভিত্তি করে। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় ভিন্ন হওয়ায় রোজার সময়ও এক দেশ থেকে আরেক দেশে ভিন্ন হয়। এ বছর সবচেয়ে কম সময় রোজা হবে কোন কোন দেশে, এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে খালিজ টাইমস

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভৌগোলিকভাবে যেসব দেশ বিষুবরেখার কাছাকাছি বা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত, সেসব অঞ্চলে দিনের দৈর্ঘ্য তুলনামূলক কম বা ভারসাম্যপূর্ণ থাকে। ফলে সেখানে রোজার সময়ও কম হয়।

২০২৬ সালের রমজানে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, চিলি ও নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে রোজার সময় সাধারণত ১১ থেকে ১৩ ঘণ্টার মধ্যে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে বিষুবীয় অঞ্চলের দেশ—যেমন ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও কেনিয়ায় রোজার সময় তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে এবং সাধারণত ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রোজার সময় মাঝামাঝি পর্যায়ের থাকে। উদাহরণ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৬ সালের রমজানের প্রথম দিনের রোজা প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট স্থায়ী হতে পারে, যা গত বছরের প্রথম দিনের তুলনায় প্রায় ৩০ মিনিট কম। মাসের শেষের দিকে সময় কিছুটা বাড়লেও শুরু ও শেষের পার্থক্য সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

রমজান প্রতি বছর এগিয়ে আসার কারণে শীতকালীন সময়ের কাছাকাছি রমজান পড়লে উত্তর গোলার্ধের অনেক অঞ্চলেও রোজার সময় কিছুটা কমে আসে

সূত্র : খালিজ টাইমস

প্রথমবার ভোট? এই তথ্যগুলো জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৮ এএম
প্রথমবার ভোট? এই তথ্যগুলো জানা জরুরি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের নির্বাচনে একটি নয়, দিতে হবে দুটি ভোট। সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার পাশাপাশি ভোটাররা দেবেন গণভোটও। নির্বাচনী ব্যালটে যেখানে বিভিন্ন দলের প্রতীক থাকে, সেখানে গণভোটে থাকবে দুটি অপশন। ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের মত জানাবেন।

তাই নির্বাচনের পূর্বে প্রস্তুতিও নিতে হবে ভোটারদের। ভোট দেওয়া শুধু ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের বিষয় নয়; এটি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। নতুন ভোটারদের কাছে এই অভিজ্ঞতা যেমন আনন্দের, তেমনি দায়িত্বেরও। নাগরিক অধিকার প্রয়োগের এই মুহূর্তকে অর্থবহ করতে হলে আগে থেকেই কিছু বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

ভোটার আইডি নিশ্চিত করুন

ভোট দিতে হলে অবশ্যই ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকতে হবে এবং সঙ্গে রাখতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার স্লিপ। তাই ভোটের দিন যাওয়ার আগে তালিকায় নাম আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রার্থীদের সম্পর্কে জানুন

ভোট দেওয়ার আগে প্রার্থীদের কর্মসূচি, নীতিমালা ও আগের কাজকর্ম সম্পর্কে ধারণা নেওয়া জরুরি। শুধু পরিচিতি বা জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর না করে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রিন্টের তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই শ্রেয়।

ভোট দিতে যা লাগবে

ভোটকেন্দ্রে যেতে অতিরিক্ত কিছু প্রয়োজন নেই। জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার স্লিপ থাকলেই যথেষ্ট। অপ্রয়োজনীয় জিনিস, বড় ব্যাগ বা স্মার্টফোন সঙ্গে না নেওয়াই ভালো।

ভোটের দিনের প্রস্তুতি

ভোটকেন্দ্র কোথায়, ভোটের সময়সূচি কী এবং কীভাবে সেখানে পৌঁছাবেন— এসব বিষয় আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখলে ঝামেলা কমে। লাইনে দাঁড়ানোর নিয়ম বা কেন্দ্রের ভেতরে কী নেওয়া যাবে, তা জানা থাকলে চাপও কম অনুভূত হবে।

ভোটকেন্দ্রে ছবি তোলা নিষেধ

ভোট দেওয়ার পর বাইরে সেলফি তোলা গেলেও ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ছবি তোলা, ভিডিও করা বা চেক-ইন দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফোন সঙ্গে থাকলে কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকার আগে সেটি বন্ধ রাখতে হবে।

নিজের ভোটকেন্দ্র জেনে নিন

নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের অবস্থান আগে থেকেই নিশ্চিত করা জরুরি। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা স্থানীয় নির্বাচন অফিস থেকে কেন্দ্রের ঠিকানা ও সময়সূচি জেনে নেওয়া যায়। এতে অযথা দেরি বা বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।

ভোটের প্রক্রিয়া বুঝে নিন

ভোটার যাচাই থেকে শুরু করে ভোট দেওয়ার প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে ধারণা থাকলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। নির্বাচনকর্মীদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচয় নিশ্চিত করার পর ইভিএম বা ব্যালট ইউনিটে পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে হবে।

গোপনীয়তা রক্ষা করা

ভোট দেওয়ার সময় গোপনীয়তা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়।

ভোট মানে শুধু একটি বোতাম চাপা বা সিল দেওয়া নয়—এটি নিজের মত প্রকাশ এবং ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। সচেতনতা ও প্রস্তুতি থাকলে প্রথম ভোটের অভিজ্ঞতাও হয়ে উঠতে পারে আরও আত্মবিশ্বাসী ও অর্থবহ।