খুঁজুন
, ,

বৈধ ভিসা থাকলেও যেসব কারণে আটকে যেতে পারে বিদেশযাত্রা?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বৈধ ভিসা থাকলেও যেসব কারণে আটকে যেতে পারে বিদেশযাত্রা?

বিদেশ ভ্রমণের প্রস্তুতি বলতে আমরা সাধারণত বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা আর টিকিটকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। কিন্তু অনেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল করেন না, সেটি হলো পাসপোর্টের শারীরিক অবস্থা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাসপোর্টের মেয়াদ ঠিক থাকলেও সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিমানবন্দরেই যাত্রা আটকে যেতে পারে, এমনকি গন্তব্য দেশে প্রবেশেও বাধা আসতে পারে।

কেন পাসপোর্টের অবস্থা এত গুরুত্বপূর্ণ

অনেক ভ্রমণকারী মনে করেন, পাসপোর্টের মেয়াদ ও ভিসা ঠিক থাকলেই ভ্রমণে কোনো সমস্যা হবে না। বাস্তবে বিমান সংস্থা ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা পাসপোর্টের সত্যতা ও অবস্থা খুব সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করেন।

পাসপোর্টের কোণা ছেঁড়া, পানির দাগ, পৃষ্ঠা ছিঁড়ে যাওয়া কিংবা ডেটা চিপে আঁচড় থাকলেও তা সন্দেহের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবন্দরগুলোতে চেক-ইনের সময়ই এমন পাসপোর্ট নিয়ে যাত্রীদের আটকে দেওয়া হতে পারে, যদি মনে হয় সীমান্ত পরীক্ষায় তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে এ ধরনের সমস্যা

ব্যবসা ও অবকাশ যাপনের উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ সমস্যাও বাড়ছে। অনেক যাত্রী বৈধ ভিসা থাকার পরও ক্ষতিগ্রস্ত পাসপোর্টের কারণে বিপাকে পড়ছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ পাসপোর্ট পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কঠোর। সামান্য ত্রুটির কারণেও ছুটি নষ্ট হওয়া, জরুরি সফর বাতিল হওয়া বা অতিরিক্ত খরচে নতুন টিকিট কাটার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

ক্ষতিগ্রস্ত পাসপোর্ট কেন ঝুঁকিপূর্ণ

আধুনিক পাসপোর্টে মাইক্রোচিপ, হলোগ্রাম এবং মেশিনে পড়ার উপযোগী বিশেষ অংশ থাকে। এসবের কোনোটি নষ্ট হলে স্ক্যানারে সমস্যা হতে পারে। আবার সীমান্ত কর্মকর্তারা পাসপোর্টে কারসাজির সন্দেহও করতে পারেন, ফলে প্রবেশে বাধা আসার ঝুঁকি বাড়ে।

ভ্রমণকারীদের সাধারণ কিছু ভুল

১. পৃষ্ঠা ছেঁড়া বা হারিয়ে যাওয়া

২. পানির বা অন্য তরলের দাগ

৩. লেমিনেশন উঠে যাওয়া বা বাঁধাই ঢিলে হয়ে যাওয়া

৪. ছবির পাশে কফির দাগ বা ময়লা

৫. কখন পাসপোর্টকে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ ধরা হয়

সাধারণত কর্তৃপক্ষ দুইভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে—

১. আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত : ছবি ও তথ্য পড়া যায়, কিন্তু পৃষ্ঠা ছেঁড়া বা দাগ রয়েছে।

২. গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত: ছবি বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অস্পষ্ট, ফলে পাসপোর্ট ব্যবহার অনুপযোগী।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পাসপোর্টও বাতিল হতে পারে, তাই সন্দেহ থাকলে নতুন পাসপোর্ট করা নিরাপদ।

ইউএই বিমানবন্দরগুলোতে এয়ারলাইন্সের অবস্থান

দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ থেকে পরিচালিত এয়ারলাইন্সগুলো আইনগতভাবে নিশ্চিত করতে বাধ্য যে যাত্রীরা গন্তব্য দেশের প্রবেশ শর্ত পূরণ করছেন। পাসপোর্টে পানির দাগ, ছেঁড়া পৃষ্ঠা বা চিপের সমস্যা থাকলে ভিসা বৈধ হলেও তারা বোর্ডিং বাতিল করতে পারে।

ভ্রমণের আগে কীভাবে পাসপোর্ট পরীক্ষা করবেন

ভ্রমণের আগে কয়েকটি বিষয় দেখে নেওয়া জরুরি—

১. ছবির পৃষ্ঠা অক্ষত ও স্পষ্ট আছে কি না

২. বাঁধাই শক্ত আছে কি না এবং কোনো পৃষ্ঠা ঢিলে হয়েছে কি না

৩. ই-চিপ ঠিকভাবে কাজ করছে কি না

৪. সব তথ্য পরিষ্কার ও অক্ষত আছে কি না

এসব বিষয়ে সন্দেহ থাকলে ভ্রমণের আগে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা উচিত।

পাসপোর্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে কী করবেন

ভ্রমণের আগে : নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে। অনেক দেশে ‘Lost/Damaged Passport’ ক্যাটাগরিতে পুনঃইস্যুর আবেদন করা যায়।

বিমানবন্দরে : এয়ারলাইন্সকে জানাতে হবে। বোর্ডিং বাতিল হলে সাধারণত দূতাবাস থেকে জরুরি ভ্রমণ নথি নিতে হতে পারে, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজ দেশে ফেরার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত পাসপোর্ট নিয়ে ইউএই নাগরিকদের দেশে ফেরা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের জন্য ‘রিটার্ন ডকুমেন্ট’ নামে একটি অস্থায়ী ভ্রমণ নথি রয়েছে। অনুমোদনের পর প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যে এটি ইস্যু করা যায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ এবং ইউএই পাস ব্যবহার করে আবেদন করা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পাসপোর্টের ক্ষেত্রে মূল কপি বা লিখিত ব্যাখ্যা, হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্ট, নবজাতকের ক্ষেত্রে জন্মসনদ প্রয়োজন হতে পারে। এই নথি ইমেইলে পাঠানো হয় এবং কেবল ইউএই-তে ফেরার জন্যই বৈধ থাকে।

এ ছাড়া ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় নথির কপি সঙ্গে রাখা, ভিসা ও বিমা নিশ্চিত করা এবং প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিদেশ ভ্রমণ আনন্দের হলেও ছোট একটি অসাবধানতা পুরো পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পারে। তাই ভিসার পাশাপাশি পাসপোর্টের শারীরিক অবস্থার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

সূত্র : গালফ নিউজ

সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

ফরিদপুরের সালথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে অন্তত আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ৫০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া বিলে এ অভিযান চালানো হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো আইন ও বিধি অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দবির উদ্দিন।

​অভিযানকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমানসহ পুলিশ বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, চায়না দুয়ারী জাল মাছের পোনা ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দেশে সব ধরনের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

​একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জালের অশুভ প্রভাব থেকে দেশীয় প্রজাতি রক্ষায় স্থানীয় সাধারণ জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলফাডাঙ্গায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে ক্যাব সদস্যদের মতবিনিময়

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে ক্যাব সদস্যদের মতবিনিময়

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) উপজেলা শাখার নেতাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​সভায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, বাজারে ব্যবসায়ীদের অনিয়ম প্রতিরোধ, জনসাধারণের ভোগান্তি কমানো এবং আলফাডাঙ্গা বাজারের যানজট নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ক্যাব নেতারা।

​মতবিনিময় সভায় ক্যাব আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম বলেন, “ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে ক্যাব ওতপ্রোতভাবে কাজ করছে। আলফাডাঙ্গায় কোনো ব্যবসায়ী যাতে অনিয়ম, দুর্নীতি বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসনের কড়া নজরদারি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। যেকোনো অনিয়ম প্রতিরোধে উপজেলা ক্যাব প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতা দেবে।”

​তিনি আরও বলেন, “আলফাডাঙ্গা বাজারের পরিসর তুলনামূলক ছোট হওয়ায় সেখানে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট নিরসনে কাঁচাবাজার, ভ্যানস্ট্যান্ড ও মাছবাজার নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।”

​নবাগত ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, “ক্যাব সদস্যদের দেওয়া প্রতিটি পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী। আলফাডাঙ্গা উপজেলার মানুষের কল্যাণে আমি ভালো কিছু করতে চাই। জনস্বার্থে নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপে ক্যাবসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”

​সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—উপজেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল বাশার, দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক তাইজুল ইসলাম টিটন, সিনিয়র সদস্য আজিজুর রহমান দুলাল, নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক মো. কামরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান আসাদুজ্জামান টুনু, আলফাডাঙ্গা বাজার বণিক সমিতির সদস্য সচিব সাংবাদিক হারুনুর রশীদ, সাংবাদিক এস এম কোবাদ হোসেন, উপজেলা ক্যাবের আইসিটি সম্পাদক মো. শাহিনুর রহমান, সিনিয়র সদস্য সাংবাদিক লায়েকুজ্জামান এবং ক্যাব সদস্য রাজিব ভূঁইয়াসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

চরভদ্রাসনে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

“কৃষক কার্ড থাকলে হাতে, সেবা পাবেন সাথে সাথে”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলাতেও আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে ফেনী থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

​কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরাসরি সম্প্রচার ও প্রদর্শন করা হয়।

​উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শাহাদুজ্জামান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সৈয়দ আরিফুল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সফর আলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান বিন ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মো. অহিদুজ্জামান মোল্লাসহ অনেকে।

​এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরপ্রধান, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, প্রান্তিক কৃষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিএসডাঙ্গী ব্লকের ৮৪৮ জন কৃষকের মধ্যে উদ্বোধনী দিনেই ৬০২ জন ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কৃষি উপকরণ সহায়তা বাবদ আড়াই হাজার (২,৫০০) টাকা করে স্থানান্তর করা হয়েছে।