খুঁজুন
শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১৪ চৈত্র, ১৪৩২

সালথায় বসতবাড়ি ঘেঁষে আ’লীগ নেতার করাতকল, শব্দে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ২:৪৩ পিএম
সালথায় বসতবাড়ি ঘেঁষে আ’লীগ নেতার করাতকল, শব্দে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
নীতিমালা অমান্য করে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় বসতবাড়ী ঘেঁষে একটি করাতকল (স’মিল) স্থাপন করা হয়েছে। সেই করাতকলের শব্দ ও কাঠের গুড়া উড়ে এসে চোখে পরায় ভোগান্তিতে পড়েছে ওই এলাকার মানুষ। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগকে লিখিত অভিযোগ দিলেও এটি দেখার যেন কেউই নেই। সবাই একে অপরের উপর দায় চাপাচ্ছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান এবং জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিঘ্ন সৃষ্টি করে এরূপ কোনো স্থানের ন্যূনতম ২০০ (দুইশত) মিটারের মধ্যে করাতকল স্থাপন করা যাবে না। কিন্তু এ নিয়ম অমান্য করেই চার বছর আগে বসতবাড়ির মাত্র ৫০ মিটার পাশে একটি করাতকল নির্মাণ করেন স্থানীয় আ’লীগ নেতা ও একই উপজেলার গোপিনাথপুর এলাকার মৃত ছব্দু মোল্যার ছেলে মজিবর মোল্যা (৬০)।
চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাঠের গুড়া চোখে গেলে কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত ও গুড়া নিশ্বাসের সঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করলে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাও হতে পারে। এছাড়া শব্দ দূষণে আশেপাশের পরিবেশ ও জনজীবন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বসতবাড়ির কাঁচা রাস্তার পাশ ঘেঁষে পশ্চিম পাশে একটি করাতকল গড়ে তোলা হয়েছে। কাঠের গুড়া যাতে উড়ে না আসে সেজন্য টিনের বেড়াও দেয়া হয়নি। তাইতো করাতকলে গাছ কিংবা কাঠ ফাঁড়াই করার সময় গুড়া আশেপাশের বসতবাড়িতে উড়ে যায়। আর শব্দও হয় ভীষণ। এতে শিশু-কিশোররা পড়ালেখা করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
গোপিনাথপুর গ্রামের নুর আলম মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, যখন করাতকল চালু করা হয় তখন অতিরিক্ত শব্দে পড়ার মনোযোগ নষ্ট হয়। এছাড়া কাঠের গুড়া উড়ে এসে চোখে পড়ে। এছাড়া নিয়মনীতির তোয়াক্কা করে সন্ধ্যার পরেও করাতকল চালানো হচ্ছে। এতে আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে মজিবর মোল্যা প্রভাবশালী ও আ’লীগ নেতা হওয়ায় ভয়ে কেউ টুঁশব্দ করতে সাহস পাচ্ছেনা।
এব্যাপারে বক্তব্য জানতে করাতকল মালিক মজিবর মোল্যার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে তার ছেলে নাসির মোল্যা বলেন, করাতকলের আশেপাশে বসতবাড়ি থাকলেও তাদের কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু, একজন লোক স্থানীয় কিছু মানুষের প্ররোচণায় পড়ে আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিচ্ছে। যদিও তাদের ঘর-বাড়িটা আমাদেরই জায়গায়।
এব্যাপারে সালথা উপজেলা বন কর্মকর্তা
নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে ফরিদপুরের সামাজিক বন বিভাগ থেকে একটি চিঠি দিয়েছিল। পরে তদন্ত করে একটি রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে।
এব্যাপারে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনিচুর রহমান বালী বলেন, বিষয়টি আমি অবগত আছি। বনবিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগ ওই করাতকলের লাইসেন্স বাতিল করলে, তারপর আইনগত পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এব্যাপারে ফরিদপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুছ ভূঁইয়া বলেন, এব্যাপারে গোপিনাথপুর এলাকার রুপালী বেগম নামের একজন নারীর অভিযোগ আমরা পেয়েছি। সরেজমিন তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ওই করাতকল মালিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে। আমরা নোটিশের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নিব।

হঠাৎ খিঁচুনি হলে কী করবেন? জেনে নিন জরুরি করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ এএম
হঠাৎ খিঁচুনি হলে কী করবেন? জেনে নিন জরুরি করণীয়

হঠাৎ কোনো মানুষ খিঁচুনিতে আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি মুহূর্তেই আতঙ্কজনক হয়ে উঠতে পারে। অনেকেই তখন কী করবেন বুঝে উঠতে পারেন না। অথচ এমন জরুরি মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত ও প্রাথমিক পদক্ষেপ একজন মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে। চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত আশপাশের মানুষের সচেতনতা ও উপস্থিত বুদ্ধিই হতে পারে সবচেয়ে বড় ভরসা।

শুধু হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক নয়, খিঁচুনিও এমন একটি অবস্থা যা হঠাৎ করেই দেখা দিতে পারে। তাই এর লক্ষণগুলো জানা এবং সঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো অত্যন্ত জরুরি।

খিঁচুনির লক্ষণ কী কী?

বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান Johns Hopkins Medicine-এর তথ্য অনুযায়ী, খিঁচুনির সময় যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে—

১. হাত-পা হঠাৎ ঝাঁকুনি দেওয়া

২. শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া

৩. একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা

৪. দ্রুত চোখের পলক ফেলা

৫. হঠাৎ পড়ে যাওয়া

৬. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

৭. মল বা মূত্র নিয়ন্ত্রণ হারানো

৮. এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

এই লক্ষণগুলো দ্রুত চিনতে পারলে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।

কী করবেন : জরুরি প্রাথমিক পদক্ষেপ

ভারতের মারেঙ্গো এশিয়া হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. প্রভীন গুপ্তা, যিনি দুই দশকের বেশি সময় ধরে স্নায়ুরোগ নিয়ে কাজ করছেন। তিনি খিঁচুনির সময় করণীয় বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।

তার ভাষায়, ‘খিঁচুনি হঠাৎ করেই হতে পারে। দৃশ্যটি ভয়ঙ্কর লাগলেও আপনি যদি শান্ত থাকেন এবং কী করতে হবে জানেন, তাহলে পরিস্থিতি সামলানো অনেক সহজ হয়ে যায়।’

নিচে তার পরামর্শ অনুযায়ী করণীয়গুলো তুলে ধরা হলো—

১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপদ রাখুন

প্রথমেই নিশ্চিত করুন, ব্যক্তি নিরাপদ জায়গায় আছেন। এ ক্ষেত্রে আশপাশে থাকা আসবাবপত্র, ধারালো বস্তু বা ঝুঁকিপূর্ণ জিনিস সরিয়ে ফেলুন। এতে খিঁচুনির সময় অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়ায় আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি কমে।

২. সঠিকভাবে শুইয়ে দিন

সম্ভব হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে পাশ ফিরে শুইয়ে দিন। মাথার নিচে নরম কিছু (কাপড়/বালিশ) দিন। এতে শ্বাসনালি খোলা থাকে এবং শ্বাসকষ্ট বা দম আটকে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।

৩. শরীর চেপে ধরবেন না

অনেকেই ভাবেন, শরীর চেপে ধরলে খিঁচুনি থামানো যাবে, এটি ভুল। জোর করে নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে উভয়েরই আঘাত লাগতে পারে। খিঁচুনি স্বাভাবিকভাবেই শেষ হতে দিন।

৪. প্রয়োজনে জরুরি ওষুধ ব্যবহার

যদি আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য আগে থেকে নির্ধারিত জরুরি ওষুধ (যেমন: মিডাজোলাম ন্যাজাল স্প্রে) থাকে, নির্দেশনা অনুযায়ী তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

খিঁচুনির সময় কতক্ষণ? কখন হাসপাতালে যাবেন

ডা. প্রভীন গুপ্তা জানান, বেশিভাগ খিঁচুনি ২-৩ মিনিটের মধ্যেই থেমে যায়। তাই সময় লক্ষ্য রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিচের ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে—

১. খিঁচুনি ৩ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে

২. অল্প সময়ের ব্যবধানে আবার খিঁচুনি শুরু হলে

যেসব ভুল কখনো করবেন না

১. খিঁচুনির সময় কিছু কাজ পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দিতে পারে।

২. মুখে আঙুল, চামচ বা কাপড় ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

শেষ কথা

খিঁচুনির মতো পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পদক্ষেপ দ্রুত নিতে পারলে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসা সহায়তা আসা পর্যন্ত আপনার সচেতনতা ও সহানুভূতিই হতে পারে একজন মানুষের নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

‘ফ্যামিলি কার্ডের’ স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা! ফরিদপুরে যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১০:০১ পিএম
‘ফ্যামিলি কার্ডের’ স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা! ফরিদপুরে যুবক আটক

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের কেশবনগর গ্রামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাকে কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। আটক সাইফুল ইসলাম ওই গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে সরকারি বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাইফুল ইসলাম কেশবনগর এলাকার কয়েকজন হতদরিদ্র মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, তার মাধ্যমে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো সরকারি খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধা পেতে পারবে। এই প্রলোভনে পড়ে এলাকার অসহায় মানুষজন তার কাছে ভিড় জমাতে শুরু করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সাইফুল ইসলাম জনপ্রতি ৭০০ থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। অনেকেই শেষ সম্বল থেকে টাকা দিয়ে কার্ড পাওয়ার আশায় ছিলেন। তবে সময় গড়ালেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এবং তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দিলে ভুক্তভোগীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়।

পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি হলে ভুক্তভোগীরা ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের হটলাইন নম্বরে অভিযোগ জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর হটলাইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক সত্যতা পায়। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, না বুঝে এ ধরনের কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আর এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তিনি ভুক্তভোগীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ২:৫৪ পিএম
ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তাহসিন ইসলাম ওরফে সিয়ামকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শহরের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সামনে থেকে কোতোয়ালী থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

গ্রেপ্তারকৃত সিয়াম ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিয়াম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী থানা ভাঙচুর সংক্রান্ত একটি মামলায় পূর্বে গ্রেপ্তার হয়ে সিয়াম জেলা কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে জামিনে বের হওয়ার পরই তিনি আবারও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও সংঘবদ্ধ মারামারির ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ একটি মারামারির ঘটনার সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সিয়ামকে আটক করা হয়। পরে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত সিয়ামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে মারামারি, ভাঙচুর ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে।

তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে শুক্রবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়।”