খুঁজুন
, ,

সালথায় বসতবাড়ি ঘেঁষে আ’লীগ নেতার করাতকল, শব্দে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
সালথায় বসতবাড়ি ঘেঁষে আ’লীগ নেতার করাতকল, শব্দে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
নীতিমালা অমান্য করে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকায় বসতবাড়ী ঘেঁষে একটি করাতকল (স’মিল) স্থাপন করা হয়েছে। সেই করাতকলের শব্দ ও কাঠের গুড়া উড়ে এসে চোখে পরায় ভোগান্তিতে পড়েছে ওই এলাকার মানুষ। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগকে লিখিত অভিযোগ দিলেও এটি দেখার যেন কেউই নেই। সবাই একে অপরের উপর দায় চাপাচ্ছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান এবং জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর বিঘ্ন সৃষ্টি করে এরূপ কোনো স্থানের ন্যূনতম ২০০ (দুইশত) মিটারের মধ্যে করাতকল স্থাপন করা যাবে না। কিন্তু এ নিয়ম অমান্য করেই চার বছর আগে বসতবাড়ির মাত্র ৫০ মিটার পাশে একটি করাতকল নির্মাণ করেন স্থানীয় আ’লীগ নেতা ও একই উপজেলার গোপিনাথপুর এলাকার মৃত ছব্দু মোল্যার ছেলে মজিবর মোল্যা (৬০)।
চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাঠের গুড়া চোখে গেলে কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত ও গুড়া নিশ্বাসের সঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করলে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাও হতে পারে। এছাড়া শব্দ দূষণে আশেপাশের পরিবেশ ও জনজীবন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বসতবাড়ির কাঁচা রাস্তার পাশ ঘেঁষে পশ্চিম পাশে একটি করাতকল গড়ে তোলা হয়েছে। কাঠের গুড়া যাতে উড়ে না আসে সেজন্য টিনের বেড়াও দেয়া হয়নি। তাইতো করাতকলে গাছ কিংবা কাঠ ফাঁড়াই করার সময় গুড়া আশেপাশের বসতবাড়িতে উড়ে যায়। আর শব্দও হয় ভীষণ। এতে শিশু-কিশোররা পড়ালেখা করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
গোপিনাথপুর গ্রামের নুর আলম মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, যখন করাতকল চালু করা হয় তখন অতিরিক্ত শব্দে পড়ার মনোযোগ নষ্ট হয়। এছাড়া কাঠের গুড়া উড়ে এসে চোখে পড়ে। এছাড়া নিয়মনীতির তোয়াক্কা করে সন্ধ্যার পরেও করাতকল চালানো হচ্ছে। এতে আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে মজিবর মোল্যা প্রভাবশালী ও আ’লীগ নেতা হওয়ায় ভয়ে কেউ টুঁশব্দ করতে সাহস পাচ্ছেনা।
এব্যাপারে বক্তব্য জানতে করাতকল মালিক মজিবর মোল্যার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে তার ছেলে নাসির মোল্যা বলেন, করাতকলের আশেপাশে বসতবাড়ি থাকলেও তাদের কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু, একজন লোক স্থানীয় কিছু মানুষের প্ররোচণায় পড়ে আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিচ্ছে। যদিও তাদের ঘর-বাড়িটা আমাদেরই জায়গায়।
এব্যাপারে সালথা উপজেলা বন কর্মকর্তা
নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে ফরিদপুরের সামাজিক বন বিভাগ থেকে একটি চিঠি দিয়েছিল। পরে তদন্ত করে একটি রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে।
এব্যাপারে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনিচুর রহমান বালী বলেন, বিষয়টি আমি অবগত আছি। বনবিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগ ওই করাতকলের লাইসেন্স বাতিল করলে, তারপর আইনগত পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এব্যাপারে ফরিদপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুছ ভূঁইয়া বলেন, এব্যাপারে গোপিনাথপুর এলাকার রুপালী বেগম নামের একজন নারীর অভিযোগ আমরা পেয়েছি। সরেজমিন তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ওই করাতকল মালিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে। আমরা নোটিশের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নিব।

ফরিদপুরে ১০ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ১০ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

ফরিদপুর পৌর এলাকার পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাশয় রক্ষাসহ নাগরিক সমস্যা সমাধানে ১০ দফা দাবিতে পৌর প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশ উন্নয়ন ফোরাম।

​রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভা কার্যালয়ে পৌর প্রশাসক ইলিয়াছুর রহমানের কাছে এ স্মারকলিপি দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির।

​স্মারকলিপিতে পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ, অম্বিকা ময়দানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, পুকুর-জলাশয় দখলমুক্ত করে সংরক্ষণ, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়ন, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বায়ু ও ধুলাদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সবুজায়ন কর্মসূচি জোরদার করার দাবি জানানো হয়।

​স্মারকলিপি পাওয়ার পরপরই পৌর প্রশাসক ইলিয়াছুর রহমান অম্বিকা ময়দান এলাকায় সাউন্ডবক্স বা উচ্চশব্দ সৃষ্টি হয়—এমন কোনো অনুষ্ঠানের অনুমোদন না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। মূলত আশপাশের হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ শান্ত ও শব্দদূষণ মুক্ত রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

​এছাড়া পৌর প্রশাসক জানান, কাঠপট্টি ও চকবাজার এলাকার দুটি পুকুর পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে উত্থাপিত অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নেরও আশ্বাস দেন তিনি।

​স্মারকলিপি প্রদানকালে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র, পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের সহ-সভাপতি রেহেনা পিয়া ও মনোয়ারা রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, ১০ দফা দাবি বাস্তবায়িত হলে ফরিদপুর পৌরসভার পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি নাগরিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বরখাস্ত

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বরখাস্ত

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এক খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষকের সঙ্গে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

​আজ রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা পুরো ভাঙ্গা উপজেলায় ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয়।

​এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক নজরুল ইসলামকে বিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হায়দার হোসেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে এ অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

​ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষক নজরুল ইসলাম তার নিজস্ব পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারে ওই ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় রয়েছেন। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়।

​স্থানীয় সচেতন মহল জানান, ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এমন কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

​এ বিষয়ে ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হায়দার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “নজরুল ইসলাম আমাদের বিদ্যালয়ের একজন খণ্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন। তার একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর পর বিষয়টি আমাদের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।”

​তিনি আরও জানান, “ঘটনাটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঘটেনি, ঘটেছে তার নিজস্ব কোচিং সেন্টারে। তবে যেহেতু তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই প্রতিষ্ঠানের নীতি ও নৈতিকতা বজায় রাখতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

ফরিদপুরে চীনা যুবকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চীনা যুবকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়, সেখান থেকে প্রেম। এরপর পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে। চীনা নাগরিক বলে দাবি করা এক যুবককে বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার এক কলেজছাত্রী। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নবদম্পতিকে একনজর দেখতে তাঁদের বাড়িতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। এ নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি গ্রামে।

তবে শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে ওই বাড়িতে গিয়ে নবদম্পতিকে পাওয়া যায়নি। তাঁরা লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই যুবকের নাম ওয়াং চাও (২৫)। তিনি চীনের নাগরিক বলে দাবি করা হচ্ছে। বিয়ের পর তাঁর নাম রাখা হয়েছে আরিফ ইসলাম। তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (২০) ফরিদপুর শহরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি সালথার নকুলহাটি গ্রামে।

তাহমিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়াং চাওয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রথম দিকে পরিবারের সদস্যরা এ সম্পর্ক মেনে নিতে চাননি। তবে তাহমিনা নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় পরে পরিবার বিয়েতে সম্মতি দেয়। এরপর গত ১৯ অক্টোবর ঢাকায় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁদের বিয়ে হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের আগে হলফনামার মাধ্যমে ধর্ম ও নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন ওই যুবক। পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পর গত ২৬ অক্টোবর রাতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি নকুলহাটি গ্রামে আসেন ওয়াং চাও। বিদেশি যুবকের সঙ্গে স্থানীয় কলেজছাত্রীর বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় লোকজন। এ নিয়ে গ্রামজুড়ে কৌতূহল তৈরি হয়। তবে শনিবার বিকেলে তাঁদের আর বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

তাহমিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, ওয়াং চাও সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাঁদের জানা নেই। বর্তমানে তাহমিনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির কাজ চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তাঁরা দুজনই চীনে চলে যাবেন।

এ বিষয়ে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, বিষয়টি আজই লোকমুখে জানতে পেরেছি। আমি ওই বাড়িতে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।