খুঁজুন
, ,

পথশিশুদের মাদকাসক্তি বাড়ছে, জড়াচ্ছে অপরাধে

খিল ভদ্র,
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:২১ অপরাহ্ণ
পথশিশুদের মাদকাসক্তি বাড়ছে, জড়াচ্ছে অপরাধে

সরকারি ও বেসরকারি নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও সারা দেশে পথশিশুর সংখ্যা কমছে না। সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি পথশিশুদের মধ্যে মাদক গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে।

আর মাদকাসক্ত পথশিশুরা চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। সরকারি হিসাবে ৫৮ শতাংশ পথশিশু মাদকাসক্ত বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ৭০ শতাংশের বেশি বলে বেসরকারি সংস্থাগুলোর দাবি। তাই সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য পথশিশুদের পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

 

এই অবস্থায় শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজ ২৯ সেপ্টেম্বর শিশু অধিকার সপ্তাহ পালন শুরু হচ্ছে। প্রতিবছরের মতো এবারও শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালিত হবে। এ ক্ষেত্রে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে পথশিশুরা।

তাদের বিষয়ে নানা সুপারিশ তুলে ধরা হবে। কিন্তু সেই সুপারিশ ও প্রস্তাব বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে পথশিশুর সংখ্যা। রাজধানী ঢাকার প্রায় ১০ লাখ পথশিশুর জন্য মাত্র দুটি পুনর্বাসন কেন্দ্র রয়েছে।

একটি কমলাপুরে, আরেকটি কারওয়ান বাজারে। কেন্দ্র দুটিতে রয়েছে ১৫২ শিশুর থাকার ব্যবস্থা। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ পরিচালিত ‘চাইল্ড সেনসিটিভ সোশ্যাল প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ, ফেইজ-২’ প্রকল্পের ২০২৪ সালের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ৩৪ লাখের বেশি পথশিশু রয়েছে। অর্থনৈতিক চাপের কারণে এসব শিশুকে শ্রম দিতে বাধ্য করা হয়। তাদের শিক্ষার সুযোগ কমিয়ে দারিদ্র্যের চক্রে স্থায়ী করে রাখা হয়েছে।

মা-বাবার অবহেলা, দুর্ব্যবহার ও সামাজিক নিগ্রহসহ নানা বিরূপ পরিস্থিতির কারণে রাস্তায় বেরিয়ে আসতে হয়েছে তাদের। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) গবেষণায় বলা হয়, দেশে ৫৮ শতাংশ পথশিশু মাদকাসক্ত। ১৪ শতাংশ শিশু ১০ বছর বয়সের আগেই মাদক সেবন করে। তুলনামূলক সহজলভ্য ও সস্তা হওয়ায় পথশিশুদের মধ্যে ৩১.৭ শতাংশ গাঁজা সেবন করে। ড্যান্ডি মাদকে আসক্ত ১৫.২ শতাংশ শিশু। এ ছাড়া রাজধানীতেই ড্যান্ডিতে আসক্ত পথশিশুর সংখ্যা প্রায় ৭৫ হাজার।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রকাশিত ‘সার্ভে অন স্ট্রিট চিলড্রেন ২০২২’ প্রতিবেদন অনুসারে, দেশের পথশিশুর ৪৮.৫ শতাংশ ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ২২.৭ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৮.৩ শতাংশের বসবাস। সবচেয়ে কম পথশিশু সিলেট বিভাগে, ৪ শতাংশ। পথশিশুর ৮২ শতাংশ ছেলে ও ১৮ শতাংশ মেয়ে। আর অর্ধেকের বেশি পথশিশুর বয়স ১০ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। প্রতি তিন পথশিশুর মধ্যে প্রায় একটি (৩৩ শতাংশের বেশি) জীবনের মৌলিক সুযোগ-সুবিধাবঞ্চিত। প্রায় অর্ধেক শিশু পাটের ব্যাগ, শক্ত কাগজ, প্লাস্টিকের টুকরা বা পাতলা কম্বল নিয়ে মাটিতে ঘুমায়।

বিবিএসের তথ্য বলছে, প্রতি ১০ পথশিশুর মধ্যে ৯টি বিভিন্ন কাজে যুক্ত। এর মধ্যে ভিক্ষুক ও ভিক্ষুকের সহায়তাকারী ১৮.৪ শতাংশ। ময়লা কুড়িয়ে (টোকাই) জীবন যাপন করছে ২০.৯ শতাংশ। তা ছাড়া যৌনকর্মী হিসেবে যুক্ত হচ্ছে মেয়ে পথশিশুরা। ঝাড়ু দেওয়া ও পরিচ্ছন্নতা কাজে যুক্ত ০.৫ শতাংশ পথশিশু। আর ঝুঁকিপূর্ণ পরিবহন খাত ও নির্মাণকাজে যুক্ত ১৬ শতাংশ পথশিশু। চায়ের দোকান, কারখানা ও ওয়ার্কশপে কাজ করে ১৪.৮ শতাংশ।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, ফুটপাতে, রেলস্টেশন, বাস কাউন্টার, টার্মিনাল, ফ্লাইওভার ও ফুট ওভারব্রিজের নিচে, এমনকি সড়ক বিভাজকের ওপর পথশিশুরা অবস্থান করে। কারওয়ান বাজার, কমলাপুর, পল্টন, বিমানবন্দর রেলস্টেশন, সদরঘাট এলাকায় এদের তৎপরতা বেশি। এদের অধিকাংশই মাদকাসক্ত। মাদকাসক্তের কারণে নানা অপরাধেও জড়াচ্ছে তারা। মাদক গ্রহণের পাশাপাশি বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়া পথশিশুর সংখ্যা ৪৪ শতাংশ। ছিনতাইয়ের মতো অপরাধে জড়িত ২১ শতাংশ পথশিশু। আবার এলাকাভিত্তিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে পথশিশুরা। ঢাকার বাইরেও ছোট-বড় শহরগুলোতে বিভিন্ন সড়কে পথশিশুদের স্বপ্ন-ভবিষ্যৎ এভাবেই গড়াগড়ি খাচ্ছে।

এ বিষয়ে স্ট্রিট চিলড্রেন অ্যাক্টিভিস্টস নেটওয়ার্কের (স্ক্যান) সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুকুল কালের কণ্ঠকে বলেন, পথশিশুদের নিয়ে সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। যেসব সংস্থা পথশিশুদের নিয়ে কাজ করে, বাংলাদেশে তার সংখ্যাও অনেক কম। পথশিশুদের সমাজের মূল স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে পুনর্বাসনের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি হিসাবে ৫৮ শতাংশ পথশিশু মাদকাসক্ত বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে তা ৭০ শতাংশের বেশি। মাদক গ্রহণের পাশাপাশি মাদক বিক্রিতেও তারা ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার একটি বড় অংশ ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত। ভিক্ষাবৃত্তি ও মাদকাসক্ত শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে হবে। এ জন্য ১০ বছরের নিচের পথশিশুদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে হবে। ১০ বছরের বেশি বয়সীদের নন-ফরমাল এডুকেশন, প্রাথমিক শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা দিতে হবে।

পথশিশুদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. লেনিন চৌধুরী। তিনি বলেন, শিশুরা যেন পথে না আসে সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। একইসঙ্গে পথে থাকা শিশুদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য প্রথমে পথশিশুদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। সংখ্যা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি তাদের সুরক্ষায় সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সবাই মিলে তাদের পাশে দাঁড়ালে পথশিশুরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, পথশিশুদের পারিবারিক শৃঙ্খলা, শাসন ও আদর না থাকায় তারা মাদকে জড়িয়ে পড়ছে। মাদক সেবনের পাশাপাশি কন্যাশিশুরা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। অনেক সময় তাদের পাচার করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।

ফরিদপুরে নিজ খরচে সড়ক মেরামত করলেন স্পেন প্রবাসী আলী ইউনুছ

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে নিজ খরচে সড়ক মেরামত করলেন স্পেন প্রবাসী আলী ইউনুছ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে উপজেলার শহরের পাশের একটি রাস্তা ব্যক্তিগত খরচে মেরামত করেন স্পেন বিএনপি সহ-সভাপতি ও সমাজসেবক ইউনুছ আলী প্রামাণিক। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।

জানা গেছে, চরভদ্রাসন বাজারের পাশের ব্যস্ততম সড়কটি ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে জনসাধারণের চলাচলের অসুবিধা সৃষ্টি হলে ইউনুছ আলী প্রামাণিকের নজরে আসে। এসময় তিনি এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলের সাথে পরামর্শ করে ব্যক্তিগত অর্থায়নে সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেন। এতে আনুমানিক ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

এ বিষয়ে স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি ইউনুছ আলী প্রামাণিক বলেন, আমার এলাকায় একটি সড়ক ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিষয়টি আমার নজরে এলে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল ভাইয়ের সাথে পরামর্শ করি। ভাইয়ের নির্দেশনা মোতাবেক রাস্তার সংস্কার করা হয়েছে। আশা করি এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।

ফরিদপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় কলেজছাত্রকে টেঁটাবিদ্ধ করল মাদকসেবী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় কলেজছাত্রকে টেঁটাবিদ্ধ করল মাদকসেবী

ফরিদপুরের নগরকান্দায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়া ও গ্রামবাসীকে বিষয়টি জানানোর জেরে জাবির আল মীর (২২) নামে সরকারি মহাবিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে টেঁটা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে এক মাদকসেবী।

​শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ফুলসুতী ইউনিয়নের বাউতিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

​আহত জাবির আল মীর বাউতিপাড়া গ্রামের হেদায়েত আলী মীরের ছেলে এবং সরকারি নগরকান্দা মহাবিদ্যালয়ের স্নাতকের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

​এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে জাবির গ্রামের ভেসালে (মাছ ধরার বিশেষ ফাঁদ) মাছ শিকার করতে যান। এসময় একই এলাকার সাখাওয়াত মোল্লার ছেলে ও মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত মুবিন মোল্যা হঠাৎ দেশীয় অস্ত্র টেঁটা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় এবং কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অভিযুক্ত মুবিন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক সেবন করে আসছিল। জাবির তার এই অপকর্মের বিষয়টি গ্রামবাসীকে জানান এবং মাদক সেবনে বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মুবিন তাকে বিভিন্ন সময় দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার একা পেয়ে মাছ শিকারের সময় তার ওপর এ হামলা চালানো হয়।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানান, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মুবিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফরিদপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা

মধুখালী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা

‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসি, সবাই মিলে নিরাপদে বাঁচি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ফরিদপুরের মধুখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় মধুখালী আব্দুল কাদের মেমোরিয়াল হাসপাতালের হলরুমে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উপ-স্বাস্থ্য পরিষদ, মধুখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

​মধুখালী উপজেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি সুরাইয়া সালামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শামসুন্নাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন চিকিৎসক ডা. শাপলা কুন্ডু। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

​কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনের লিগ্যাল এইড সম্পাদক মোশের্দা আক্তার মিনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শুকলা ভৌমিক, আন্দোলন সম্পাদক মিলি ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেশমা আক্তার এবং প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ জেসমিন ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

​বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা এবং মশার বংশবিস্তার রোধে সামাজিকভাবে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।