ফরিদপুরে জাল নিবন্ধনে বাল্যবিয়ের অপরাধে কনের মা ও কাজীকে জরিমানা
শহর কিংবা গ্রামের ব্যস্ত মোড়ে গরম গরম সিঙাড়া, চপ, ঝালমুড়ি বা পরোটা খবরের কাগজে মুড়ে খাওয়ার দৃশ্য আমাদের অত্যন্ত পরিচিত। বিক্রেতা এবং ক্রেতা উভয় পক্ষই একে সস্তা ও সুবিধাজনক মনে করেন। কিন্তু এই আপাত নিরীহ অভ্যাসের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি। খবরের কাগজে ব্যবহৃত কালির বিষাক্ত উপাদানগুলো কীভাবে নীরবে আপনার শরীরে প্রবেশ করছে, তা আমাদের অনেকেরই ধারণার বাইরে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, খাবারটি যদি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং পরিষ্কারভাবে রান্না করা হয়, তবুও খবরের কাগজের সংস্পর্শে আসার মাত্রই তা বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। এই বিপদজনক প্রবণতা রুখতে ভারতের ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি (FSSAI) এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণায়ল এখন সোচ্চার হয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তারা কঠোর সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে যে, খবরের কাগজে খাবার পরিবেশন কেবল অস্বাস্থ্যকর নয়, বরং এটি শরীরের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ হতে পারে।
খবরের কাগজে মুড়ে খাবার খাওয়ার ফলে শরীরে ঠিক কী কী ঘটে, তা নিচে আলোচনা করা হলো:
১. খাবারের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে বিষাক্ত কালি
খবরের কাগজে মুদ্রণের জন্য যে কালি ব্যবহার করা হয়, তাতে একাধিক বায়ো-অ্যাকটিভ (bioactive) উপাদান থাকে। যখন গরম বা তৈলাক্ত খাবার এই কাগজের সংস্পর্শে আসে, তখন কাগজের কালি খুব সহজেই খাবারের সঙ্গে মিশে যায়। এমনকি খাবারটি যদি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকরভাবে রান্না করা হয়, তবুও খবরের কাগজে রাখার ফলে তা শরীরের জন্য বিষাক্ত হয়ে ওঠে।
২. রাসায়নিক ও রঞ্জক পদার্থের প্রভাব
মুদ্রণের কালিতে ক্ষতিকারক রং, পিগমেন্ট (pigments), বাইন্ডার এবং প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়। এই রাসায়নিক উপাদানগুলো খাবারের মাধ্যমে সরাসরি শরীরে প্রবেশ করে। এছাড়া রিসাইকেল করা কাগজ বা কার্ডবোর্ড বক্সের ক্ষেত্রে ‘থ্যালেট’ (phthalate)-এর মতো রাসায়নিক থাকার সম্ভাবনা থাকে, যা তীব্র বিষক্রিয়া এবং হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
৩. জীবাণুর সংক্রমণ ব্যবহৃত
খবরের কাগজ বিভিন্ন হাত ঘুরে আসে এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা হতে পারে। ফলে এতে বিভিন্ন ধরনের রোগজীবাণু বা প্যাথোজেনিক মাইক্রো-অর্গানিজম থাকতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
৪. ক্যানসারের ঝুঁকি ও দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি
বিশেষজ্ঞদের মতে, খবরের কাগজে রাখা খাবার দীর্ঘকাল খাওয়ার ফলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর, বয়স্ক এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে এটি ক্যানসার-সংক্রান্ত জটিলতা তৈরির ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সতর্কতা
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং FSSAI সাধারণ মানুষকে খবরের কাগজে মোড়ানো বা ঢাকা দেওয়া খাবার বর্জন করার আহ্বান জানিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বিক্রেতাদের এই অভ্যাস থেকে বিরত থাকার এবং জনসাধারণকে এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। নিরাপদ খাদ্যাভ্যাসের স্বার্থে খাবার পরিবেশনের জন্য নির্দিষ্ট ফুড-গ্রেড কাগজ বা কলাপাতার মতো প্রাকৃতিক বিকল্প ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
আপনার সামান্য সচেতনতাই আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই রাস্তার খাবার খাওয়ার সময় কাগজের বদলে স্বাস্থ্যসম্মত মাধ্যম বেছে নিন।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তত্ত্বের ভারে শিক্ষা যে দিগ্বিদিক।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক পাচ্ছেনা সঠিক দিক।
চুয়ান্ন বছর ধরে কতো কী যে হলো!
শতকোটি, হাজারকোটি টাকার
কেবল লোপাট হলো।
তথাকথিত এ শিক্ষার ফল।
কী পেলাম কেউ এসে
বুঝিয়ে আমায় বল।
রাষ্ট্র যেখানে শিক্ষকদের করে কথায় কথায় অপমান।
এই যে কয়দিন আগে দেখলাম
কোনো এক অনুষ্ঠান।
পাতি নেতারা চেয়ারে বসে
ভিসি এবং অধ্যক্ষ রয়েছেন দাঁড়িয়ে সটান।
সমাজে এই হলো বর্তমানে শিক্ষকদের অবস্থান।
শিক্ষকদের যদি দেন যথার্থ সম্মান
স্বয়ং রাষ্ট্রপ্রধান;
তবেই হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে এই দেশ ,
শিক্ষকগণ ফিরে পাবেন তাঁদের যথার্থ মান।
অভুক্ত রেখে শিক্ষকদের যতোই দাও
প্রশিক্ষণ,
তাতে হিতে বিপরীত হয়ে ;
হয়ে যাবে সব বুমেরাং।
বছরের পর বছর ধরে মিথ্যে আশ্বাসের
আর নয় কোনো আস্ফালন।
তথাকথিত আভিজাত্যের ক্যাডার
আমলা সেজে কামলা করে
দেশটাকে করে ফেলছে জাহান্নাম।
তাইতো আজ ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে হতে চায় কেবল ক্যাডার প্রশাসন!
এ জাতির দুর্ভাগ্য যে
অচিরেই হতে যাচ্ছে —
দেশটা এক মহাশ্মশান।
লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ফরিদপুর।
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কোড়কদী ইউনিয়নের বৈকুন্ঠপুর গ্রামে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৩০০ ফুট রাস্তার ইটের সলিং নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের চলাচল দুর্ভোগ নিরসনে নেওয়া এ উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বৈকুন্ঠপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর শেখের বাড়ি থেকে সোহরাব শেখের বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের উন্নয়ন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মধুখালী উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আলীমুজ্জামান নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি কাঁচা ও চলাচলের অনুপযোগী থাকায় এলাকাবাসীকে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হতো। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠত।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে, কৃষিপণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ কমবে এবং এলাকার সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এলাকাবাসী জানান, বহুদিনের প্রত্যাশিত এ সড়ক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের ফলে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। তারা উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে মধুখালীর বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নতি হবে এবং গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আপনার মতামত লিখুন
Array